বিধিমালা লঙ্ঘনের দণ্ড
(১) কোন ব্যক্তি এই বিধিমালার কোন বিধান লঙ্ঘন করিলে এইরূপ লঙ্ঘন অপরাধ হিসাবে গণ্য হইবে।
(২) উপ-বিধি (১) এ বর্ণিত অপরাধের দায়ে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা দশ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
(৩) কোন ব্যক্তি উপ-বিধি (১) এ বর্ণিত অপরাধ সংঘটনের জন্য দোষী সাব্যস্ত ও দণ্ডিত হইলে, উক্তরূপ অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি বা উহার অংশবিশেষ, যানবাহন বা অপরাধ সংশ্লিষ্ট পণ্যসামগ্রী বা অন্য কোন বস্তু বাজেয়াপ্তির জন্যও আদালত আদেশ দিতে পারিবে।
(৪) এই বিধিমালার কোন বিধান লঙ্ঘনকারী যদি কোন কোম্পানী বা বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান হয়, তাহা হইলে উক্ত কোম্পানী বা বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানের, ক্ষেত্রমত, মালিক, পরিচালক, ম্যানেজার, সচিব বা অন্য কোন কর্মকর্তা বা এজেন্ট বিধানটি লঙ্ঘন করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন, যদি না তিনি প্রমাণ করিতে পারেন যে, উক্ত লঙ্ঘন তাহার অজ্ঞাতসারে হইয়াছে অথবা উক্ত লঙ্ঘন রোধ করিবার জন্য তিনি যথাসাধ্য চেষ্টা করিয়াছেন।
ব্যাখ্যা।—এই ধারায়—
(ক) “কোম্পানী” বলিতে কোন সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষ, নিবন্ধিত কোম্পানী, অংশীদারী কারবার, সমিতি বা সংগঠনকে বুঝাইবে;
(খ) বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে “পরিচালক” বলিতে কোন অংশীদার বা পরিচালনা বোর্ডের সদস্যকেও বুঝাইবে।
(৫) উপ-বিধি (৪) এ বর্ণিত কোম্পানী আইনগত ব্যক্তিসত্ত্বাবিশিষ্ট সংস্থা হইলে, উপরি-উক্ত উপ-বিধিতে উল্লিখিত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত ও দোষী সাব্যস্ত করা ছাড়াও উক্ত কোম্পানীকে আলাদাভাবে একই কার্যধারায় অভিযুক্ত ও দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে, তবে ফৌজদারী মামলায় উহার উপর সংশ্লিষ্ট বিধান অনুসারে শুধু অর্থদণ্ড আরোপ করা যাইবে।
তথ্যসূত্র: চিকিৎসা-বর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ) বিধিমালা, ২০০৮ — এস, আর, ও নং ২৯৪-আইন/২০০৮, তারিখ ২ নভেম্বর ২০০৮; বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত), ৫ নভেম্বর ২০০৮, গেজেট PDF-এর পৃষ্ঠা ৭। মূল গেজেট (PDF)। হালনাগাদ: ০৯ অক্টোবর ২০২৬।