RMG Code — Rules for a Better TomorrowRMG Code
মজুরি CO₂e
শ্রম আইন
হোম · শ্রম আইন · BLA বনাম EPZ

শ্রম আইন বনাম ইপিজেড শ্রম আইন — পার্থক্য এক নজরে

বেপজার অধীন ইপিজেডের শিল্প ইউনিটে বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ ও ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ প্রযোজ্য, এবং অন্য আইনের ওপর এটি প্রাধান্য পায় (EPZ ধারা ১(২), ৩)। ইপিজেডের বাইরে বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (২০২৬ পর্যন্ত সংশোধিত) ও শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ চলে। নিচে বিষয়ভিত্তিক মূল পার্থক্য ধারা/বিধিসহ দেওয়া হলো; যেখানে দুই আইন একই কিন্তু ভিন্ন বলে ধারণা প্রচলিত, তাও রাখা হয়েছে।

১৭টিবিষয়
৯৫টিপার্থক্য ও মিল, ধারা-বিধির লিংকসহ
২ আইন + ২ বিধিমালাBLA ২০০৬ · BLR ২০১৫ · EPZ ২০১৯ · EPZ বিধি ২০২২

কিছু পাওয়া যায়নি। অন্য শব্দ দিয়ে খুঁজুন।

প্রযোজ্যতা, কর্তৃপক্ষ ও পরিদর্শন

বিষয়শ্রম আইন ২০০৬ ও বিধিমালা ২০১৫ইপিজেড আইন ২০১৯ ও বিধিমালা ২০২২মন্তব্য
কোথায় প্রযোজ্য

সমগ্র বাংলাদেশ; ১(৪)-এ বর্ণিত প্রতিষ্ঠান বাদে ধারা ১(৩)

বেপজার অধীন সকল ইপিজেডের শিল্প ইউনিট ধারা ১(২)

—

পরিদর্শন কর্তৃপক্ষ

প্রধান পরিদর্শক (কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর) ধারা ৩১৮

বেপজার মহাপরিদর্শক ও অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক ধারা ১৬৯

—

ইপিজেডে DIFE পরিদর্শক

— ধারা ৩১৯

নির্বাহী চেয়ারম্যানের অনুমতি ছাড়া ইপিজেডের কারখানায় প্রবেশ করতে পারবেন না; তাঁর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত ধারা ১৬৮

—

চাকরি বিধিমালা অনুমোদন

প্রধান পরিদর্শক ১২০ দিনে সিদ্ধান্ত দেবেন; আপিল ৩০ দিনে সরকারের কাছে, নিষ্পত্তি ৪৫ দিনে ধারা ৩(২), ৩(৪)

অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক ৬ মাসে অনুমোদন দেবেন; আপিল ৩০ দিনে নির্বাহী চেয়ারম্যানের কাছে, ৪৫ দিনে নিষ্পত্তি, চূড়ান্ত ধারা ৪(২), ৪(৪)

—

প্রবেশের ক্ষমতা

নোটিশসহ বা ছাড়া প্রবেশ ধারা ৩১৯(১)(ক)

অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক যেকোনো সময় প্রবেশ ধারা ১৭০(১)(খ)

—

পরিদর্শকের আদেশে আপিল

৩০ দিনে সরকার বা আপিল কর্তৃপক্ষের কাছে ধারা ৩২৭

৩০ দিনে নির্বাহী চেয়ারম্যানের কাছে; সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত ধারা ১৭১

—

নিয়োগ ও শ্রমিকের শ্রেণি

বিষয়শ্রম আইন ২০০৬ ও বিধিমালা ২০১৫ইপিজেড আইন ২০১৯ ও বিধিমালা ২০২২মন্তব্য
শ্রমিকের শ্রেণি

৭টি শ্রেণি (শিক্ষাধীন, বদলি, সাময়িক, অস্থায়ী, শিক্ষানবিশ, স্থায়ী, মৌসুমী) ধারা ৪(১)

৫টি শ্রেণি; বদলি ও মৌসুমী শ্রেণি নেই ধারা ৫(১)

—

শিক্ষানবিশকাল একই

করণিক কাজে ৬ মাস, অন্যান্য কাজে ৩ মাস ধারা ৪(৮)

করণিক কাজে ৬ মাস, অন্যান্য কাজে ৩ মাস ধারা ৫(৭)

দুই আইনেই একই।

শিক্ষানবিশকাল বৃদ্ধি

কেবল দক্ষ শ্রমিকের কাজের মান নির্ণয় না হলে আরও ৩ মাস ধারা ৪(৮)

সন্তোষজনকভাবে শিক্ষানবিশকাল শেষ না হলে যেকোনো শ্রমিকের আরও ৩ মাস ধারা ৫(৭); বিধি ৮(১)

—

স্থায়ী গণ্য হওয়া

শিক্ষানবিশকাল শেষে স্থায়ীকরণ পত্র না পেলেও স্থায়ী গণ্য ধারা ৪(৮)

স্থায়ীকরণ পত্র দিতে হবে; বর্ধিত শিক্ষানবিশকাল শেষে পত্র না দিলেও স্থায়ী গণ্য বিধি ৮(২)

—

সর্বনিম্ন বয়স

১৪ বছরের কম শিশু নিয়োগ নিষিদ্ধ; ১৪–১৮ বছরের কিশোর সক্ষমতা প্রত্যয়নপত্র ও টোকেনসহ নিয়োগযোগ্য ধারা ৩৪

১৮ বছরের কম বয়সী কাউকে নিয়োগ করা যাবে না ধারা ১৭৫

—

নিয়োগপত্র, পরিচয়পত্র ও সার্ভিস বই

বিষয়শ্রম আইন ২০০৬ ও বিধিমালা ২০১৫ইপিজেড আইন ২০১৯ ও বিধিমালা ২০২২মন্তব্য
সাময়িক শ্রমিকের নিয়োগপত্র

সকল শ্রমিককে নিয়োগপত্র দিতে হবে ধারা ৫; বিধি ১৯(১)

সাময়িক শ্রমিক নিয়োগপত্রের আওতামুক্ত; তাদের ফরম-৭ টোকেন বিধি ১০(১), ১০(৩)

—

পরিচয়পত্র

ফরম-৬, মালিকের খরচে বিধি ১৯(৫)

যোগদানের ১ মাসে ফরম-৮; স্থায়ী হওয়ার ১ মাসে বেপজা প্রদত্ত পরিচয়পত্র, মালিকের খরচে বিধি ১০(৭), ১০(৮)

—

হারানো পরিচয়পত্রের ফি

৫০ টাকা বিধি ১৯(৬)

২৫ টাকা বিধি ১০(১০)

—

সার্ভিস বই

শিক্ষাধীন, বদলি ও সাময়িক শ্রমিকের প্রয়োজন নেই ধারা ৬(৯)

প্রত্যেক শ্রমিকের জন্য, কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত ফরমে ধারা ৭

—

কর্মঘণ্টা, বিরতি ও অধিকাল

বিষয়শ্রম আইন ২০০৬ ও বিধিমালা ২০১৫ইপিজেড আইন ২০১৯ ও বিধিমালা ২০২২মন্তব্য
দৈনিক কর্মঘণ্টা একই

৮ ঘণ্টা; অধিকালসহ সর্বোচ্চ ১০ ঘণ্টা ধারা ১০০

৮ ঘণ্টা; অধিকালসহ সর্বোচ্চ ১০ ঘণ্টা ধারা ৩৮

দুই আইনেই একই।

সাপ্তাহিক কর্মঘণ্টা

৪৮ ঘণ্টা; অধিকালসহ সপ্তাহে ৬০, বছরে গড়ে ৫৬ ঘণ্টা; শিথিলের ক্ষমতা সরকারের ধারা ১০২

৪৮ ঘণ্টা; অধিকালসহ সপ্তাহে ৬০, বছরে গড়ে ৫৬ ঘণ্টা; শিথিলের ক্ষমতা কর্তৃপক্ষের ধারা ৪০

সীমা একই, শিথিলের ক্ষমতা ভিন্ন।

অধিকাল ভাতার হার একই

মূল মজুরি, মহার্ঘ ভাতা ও এডহক/অন্তর্বর্তী মজুরির দ্বিগুণ; ঘণ্টার হার ১/২০৮ ধারা ১০৮(১); বিধি ১০২

মূল মজুরি, মহার্ঘ ভাতা ও এডহক/অন্তর্বর্তী মজুরির দ্বিগুণ; ঘণ্টার হার ১/২০৮ ধারা ৪৫; বিধি ১০৮

দুই আইনেই একই।

অধিকালে সম্মতি একই

শ্রমিকের সম্মতি ও ২ ঘণ্টা আগে জানানো বিধি ৯৯(১)

শ্রমিকের সম্মতি ও ২ ঘণ্টা আগে জানানো বিধি ১০৬

দুই আইনেই একই।

নারীর রাতের কাজ

রাত ১০টা–সকাল ৬টা; নারীর সম্মতি লাগবে (সম্মতি ১২ মাস বহাল) ধারা ১০৯; বিধি ১০৩(২)

রাত ৮টা–সকাল ৬টা; নারীর সম্মতি ও অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের অনুমতি; সম্মতি ৩০ দিনের, যানবাহন ও নিরাপত্তা দিতে হবে ধারা ৪৬; বিধি ১০৯

—

ছুটি

বিষয়শ্রম আইন ২০০৬ ও বিধিমালা ২০১৫ইপিজেড আইন ২০১৯ ও বিধিমালা ২০২২মন্তব্য
সাপ্তাহিক ছুটি (কারখানা) একই

সপ্তাহে ১ দিন ধারা ১০৩(ক)

সপ্তাহে ১ দিন ধারা ৪১

দুই আইনেই একই।

ক্ষতিপূরণমূলক সাপ্তাহিক ছুটি

যথাশীঘ্র, ৩ কর্মদিবসের মধ্যে; টানা সর্বোচ্চ ১০ দিন সাপ্তাহিক ছুটি ছাড়া ধারা ১০৪; বিধি ১০১

৬ দিনের মধ্যে; টানা সর্বোচ্চ ১৩ দিন সাপ্তাহিক ছুটি ছাড়া ধারা ৪২; বিধি ১০৭

—

অর্জিত ছুটি জমার সীমা

কারখানায় ৪০ দিন পর্যন্ত জমা হবে ধারা ১১৭(৫)(ক)

সীমা নেই; প্রতি বছর শেষে সর্বশেষ বছরের প্রাপ্য ছুটির অতিরিক্ত অংশ মালিক নগদায়ন করবেন বিধি ১১৪(১)

—

অর্জিত ছুটির নগদায়ন

শ্রমিকের আবেদনে বছরে একবার, সর্বোচ্চ অর্ধেক বিধি ১০৭(২)

দৈনিক হার = শেষ মাসের মোট মজুরি (মূল + বাড়িভাড়া + চিকিৎসা) ÷ ৩০ বিধি ১১৪(২)

—

উৎসব ছুটি

বছরে ১৩ দিন ধারা ১১৮(১)

বছরে ১১ দিন ধারা ৫৩(১)

BLA বিধি ১১০(১)-এ এখনো 'অন্যূন ১১ দিন' আছে, তবে আইনে ১৩ দিন।

উৎসব ছুটিতে কাজ

১ দিন বিকল্প ছুটি ও ২ দিনের ক্ষতিপূরণমূলক মজুরি ধারা ১১৮(৩)

৩০ দিনের মধ্যে ২ দিন মজুরিসহ ক্ষতিপূরণমূলক ছুটি ধারা ৫৩(৩)

—

উৎসব ভাতা

১ বছর চাকরি পূর্ণ হলে বছরে ২টি, প্রতিটি মাসিক মূল মজুরির বেশি নয় বিধি ১১১(৫)

স্থায়ী শ্রমিক বছরে ২টি, প্রতিটি ১ মাসের মূল মজুরির সমান; দুই ঈদে বা অন্য ধর্মের শ্রমিকের বেছে নেওয়া দুই উৎসবে ধারা ৫৩(৪); বিধি ১১৬

—

প্রসূতি কল্যাণ

বিষয়শ্রম আইন ২০০৬ ও বিধিমালা ২০১৫ইপিজেড আইন ২০১৯ ও বিধিমালা ২০২২মন্তব্য
প্রসূতি সুবিধার মেয়াদ

প্রসবের আগে ৬০ + পরে ৬০ = ১২০ দিন ধারা ৪৬(১)

প্রসবের আগে ৮ + পরে ৮ সপ্তাহ = ১১২ দিন ধারা ৩০(১)

—

যোগ্যতা একই

অন্তত ৬ মাস চাকরি; ২ বা ততোধিক জীবিত সন্তান থাকলে সুবিধা নেই ধারা ৪৬

অন্তত ৬ মাস চাকরি; ২ বা ততোধিক জীবিত সন্তান থাকলে সুবিধা নেই ধারা ৩০

দুই আইনেই একই।

সুবিধার হার

শেষ মাসের মোট মজুরি ÷ ২৬ = দৈনিক হার ধারা ৪৮(২)

নোটিশের আগের ৩ মাসের মোট মজুরি ÷ প্রকৃত কর্মদিবস; ছুটি নগদায়ন ও বোনাস বাদ ধারা ৩২(২); বিধি ৩৬

—

পরিশোধের মাধ্যম

নগদ, ব্যাংক বা ইলেকট্রনিক ট্রান্সফার ধারা ৪৮(১)

সম্পূর্ণ নগদে ধারা ৩২(১)

—

পরিশোধের সময় একই

প্রমাণপত্র দেওয়ার ৩ কর্মদিবসের মধ্যে ধারা ৪৭(৪)(ক)

প্রমাণপত্র দেওয়ার ৩ কর্মদিবসের মধ্যে বিধি ৩৫(৪)(ক)

দুই আইনেই একই।

চাকরি অবসানে সুরক্ষা

প্রসবের ৬ মাস আগে থেকে প্রসবের ৬০ দিন পর পর্যন্ত ধারা ৫০

প্রসবের ৬ মাস আগে থেকে প্রসবের ৮ সপ্তাহ পর পর্যন্ত ধারা ৩৪

—

মজুরি

বিষয়শ্রম আইন ২০০৬ ও বিধিমালা ২০১৫ইপিজেড আইন ২০১৯ ও বিধিমালা ২০২২মন্তব্য
মজুরিকাল ও পরিশোধ একই

মজুরিকাল ১ মাসের বেশি নয়; শেষ হওয়ার ৭ কর্মদিবসে পরিশোধ ধারা ১২২, ১২৩(১)

মজুরিকাল ১ মাসের বেশি নয়; শেষ হওয়ার ৭ কর্মদিবসে পরিশোধ ধারা ২৬

দুই আইনেই একই।

চাকরি শেষে পাওনা

৩০ কর্মদিবসের মধ্যে ধারা ১২৩(২), ৩০

১৫ কর্মদিবসের মধ্যে ধারা ৫৬

—

ঠিকাদারের শ্রমিকের মজুরি

ঠিকাদার না দিলে মূল মালিক পরিশোধ করবেন ধারা ১২১

এমন বিধান নেই ধারা ৫৫

—

অনুমোদিত কর্তন

১২ ধরনের কর্তন ধারা ১২৫(২)

কেবল ৩ ধরন: ভবিষ্য তহবিল, শ্রমিক কল্যাণ সমিতির চাঁদা (চেক-অফ), অননুমোদিত অনুপস্থিতি ধারা ৫৮(২)

—

নিম্নতম মজুরি বোর্ড

সাধারণ নিম্নতম মজুরি বোর্ড ধারা ১৩৮

আলাদা ইপিজেড নিম্নতম মজুরি বোর্ড; সভাপতি নির্বাহী চেয়ারম্যান বা সরকার মনোনীত ব্যক্তি ধারা ৬৫

—

গোষ্ঠী বিমা

১০০ জন স্থায়ী শ্রমিক থাকলে; খাতে কেন্দ্রীয় তহবিল থাকলে প্রয়োজন নেই ধারা ৯৯

২৫ জন স্থায়ী শ্রমিক থাকলে ধারা ৩৬(১)

—

চাকরির অবসান

বিষয়শ্রম আইন ২০০৬ ও বিধিমালা ২০১৫ইপিজেড আইন ২০১৯ ও বিধিমালা ২০২২মন্তব্য
ক্ষতিপূরণ হিসাবের মজুরি

সর্বশেষ মাসের মূল মজুরি, মহার্ঘ ও এডহক ভাতা ধারা ১৪(৩)

আগের ১২ মাসের মূল মজুরি, মহার্ঘ ও এডহক ভাতার গড় ধারা ১৩(৩)

—

মালিক কর্তৃক অবসান (স্থায়ী)

মাসিক মজুরির শ্রমিক ১২০ দিন, অন্যান্য ৬০ দিন নোটিশ বা মজুরি ধারা ২৬(১)

সকল স্থায়ী শ্রমিক ১২০ দিন নোটিশ বা মজুরি ধারা ২২(১)(ক)

—

মালিক কর্তৃক অবসান (অন্যান্য)

অস্থায়ী: মাসিক ৩০ দিন, অন্যান্য ১৪ দিন ধারা ২৬(২)

অন্যান্য শ্রমিক ৬০ দিন ধারা ২২(১)(খ)

—

অবসানের ক্ষতিপূরণ

প্রতি বছরে ৩০ দিনের মজুরি বা গ্র্যাচুইটি, যেটি বেশি ধারা ২৬(৪)

প্রতি বছরে ৩০ দিনের মজুরি ধারা ২২(৩)

—

ইস্তফার নোটিশ

স্থায়ী ৬০ দিন; অস্থায়ী মাসিক ৩০, অন্যান্য ১৪ দিন ধারা ২৭(১), ২৭(২)

স্থায়ী ৩০ দিন; অস্থায়ী ১৫ দিন ধারা ২৩(১), ২৩(২)

—

ইস্তফার ক্ষতিপূরণ

৩ বছর পর্যন্ত বছরে ৭ দিন; ৩–১০ বছর ১৫ দিন; ১০ বছর বা বেশি ৩০ দিন বা গ্র্যাচুইটি ধারা ২৭(৪)

৫–১০ বছর বছরে ১৫ দিন; ১০–২৫ বছর ৩০ দিন ধারা ২৩(৪)

—

ছাঁটাই

১ মাসের নোটিশ বা মজুরি; প্রধান পরিদর্শক ও সিবিএ-কে অনুলিপি; প্রতি বছরে ৩০ দিন বা গ্র্যাচুইটি, যেটি বেশি; শেষে আসা আগে যাবে ধারা ২০

১ মাসের নোটিশ বা মজুরি; কর্তৃপক্ষকে জানানো; প্রতি বছরে ৩০ দিন; ১ বছর পুনর্নিয়োগে অগ্রাধিকার ধারা ১৯

—

অসদাচরণে অপসারণ

বছরে ১৫ দিন ক্ষতিপূরণ; চুরি (খ) ও দাঙ্গা (ছ) হলে নেই ধারা ২৩(৩), ২৩(৪)

বছরে ১৫ দিন; চুরি, দাঙ্গা, মাদক ও যৌন হয়রানিতে নেই বিধি ২৩

—

লে-অফ ও কাজ বন্ধ

বিষয়শ্রম আইন ২০০৬ ও বিধিমালা ২০১৫ইপিজেড আইন ২০১৯ ও বিধিমালা ২০২২মন্তব্য
লে-অফ ক্ষতিপূরণের যোগ্যতা

৩ মাস চাকরি; বদলি ও সাময়িক শ্রমিক বাদ ধারা ১৬(১)

১ বছর চাকরি; সাময়িক শ্রমিক বাদ ধারা ১৫(১)

—

প্রথম ৪৫ দিন একই

মূল মজুরি, মহার্ঘ ও এডহক ভাতার অর্ধেক + পূর্ণ আবাসিক ভাতা ধারা ১৬(২)

মূল মজুরি, মহার্ঘ ও এডহক ভাতার অর্ধেক + পূর্ণ আবাসিক ভাতা ধারা ১৫

দুই আইনেই একই।

৪৫ দিনের পর

প্রতি পরবর্তী ১৫ দিনে একই হার ধারা ১৬(৫)

এক-চতুর্থাংশ + পূর্ণ আবাসিক ভাতা ধারা ১৫(৬)

—

লে-অফের পর ছাঁটাই

৪৫ + ১৫ দিন পর; নোটিশ লাগবে না, তবে অতিরিক্ত ১৫ দিনের মজুরি ধারা ১৬(৭), ২০(৩)

৪৫ + ১৫ দিন পর; অতিরিক্ত মজুরির বিধান নেই ধারা ১৫(৭), ১৯

—

কাজ বন্ধ (অগ্নিকাণ্ড, যন্ত্র বিকল ইত্যাদি)

অনুমতি লাগে না ধারা ১২(১)

অগ্নি, মহামারি ইত্যাদিতে কর্তৃপক্ষকে তাৎক্ষণিক জানানো; যন্ত্র বিকল বা বিদ্যুৎ বিভ্রাটে কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ধারা ১১(১)

—

অবসর, মৃত্যু ও গ্র্যাচুইটি

বিষয়শ্রম আইন ২০০৬ ও বিধিমালা ২০১৫ইপিজেড আইন ২০১৯ ও বিধিমালা ২০২২মন্তব্য
অবসরের বয়স একই

৬০ বছর ধারা ২৮

৬০ বছর ধারা ২৪

দুই আইনেই একই।

স্বেচ্ছা অবসর ও অবসর সুবিধা

সুবিধা ধারা ২৬(৪) বা প্রতিষ্ঠানের চাকরি বিধি অনুযায়ী ধারা ২৮(৩)

২৫ বছর চাকরির পর ৩০ দিনের নোটিশে স্বেচ্ছা অবসর; প্রতি বছরে ৪৫ দিনের মূল মজুরি; ২৫ বছরের কম চাকরিতে ৬০ বছর হলে প্রতি বছরে ৩০ দিন ধারা ২৪(৩); বিধি ২৮

—

মৃত্যুজনিত সুবিধা

প্রতি বছরে ৩০ দিন, কর্মরত অবস্থায়/দুর্ঘটনায় ৪৫ দিন, অথবা গ্র্যাচুইটি, যেটি বেশি ধারা ১৯

প্রতি বছরে ৩০ দিন, কর্মরত অবস্থায়/দুর্ঘটনায় ৪৫ দিন ধারা ১৮

—

গ্র্যাচুইটি

প্রতি বছরে অন্তত ৩০ দিন, ১০ বছরের বেশি হলে ৪৫ দিনের মজুরি ধারা ২(১০)

EPZ আইন ও বিধিতে গ্র্যাচুইটির বিধান নেই

—

ভবিষ্য তহবিল

বিষয়শ্রম আইন ২০০৬ ও বিধিমালা ২০১৫ইপিজেড আইন ২০১৯ ও বিধিমালা ২০২২মন্তব্য
বাধ্যবাধকতা

ঐচ্ছিক; ১০০+ স্থায়ী শ্রমিকের দুই-তৃতীয়াংশ চাইলে বাধ্যতামূলক, তবে সর্বজনীন পেনশন (প্রগতি) স্কিমে নিলে নয় ধারা ২৬৪

প্রতিটি শিল্প ইউনিটে বাধ্যতামূলক ধারা ১৬৪(১)

—

সদস্যপদ

১ বছর চাকরির পর বিধি ২৩৮(১)

স্থায়ী হওয়ার পর বিধি ২৫৩(১)

—

চাঁদার হার

মূল মজুরির ৭–৮%; মালিকও সমপরিমাণ ধারা ২৬৪(৯); বিধি ২৫০(১)

অন্তত ৮.৩৩%; মালিকও সমপরিমাণ বিধি ২৬৮

—

চাঁদা জমার সময়

মাস শেষের ১৫ দিনের মধ্যে বিধি ২৫০(২)

মাস শেষের ১৫ দিনের মধ্যে; দেরিতে সর্বোচ্চ ১০% অতিরিক্ত বিধি ২৬৮(৩), ২৬৮(৬)

—

মালিকের অংশ পাওয়া

২ বছর চাকরি; মৃত্যু বা প্রতিষ্ঠান বন্ধে উভয় অংশ বিধি ২৬৩(৩)

২ বছর চাকরি; মৃত্যু, বন্ধ বা মালিক যেকোনোভাবে চাকরি অবসান করলে উভয় অংশ বিধি ২৮০(৩)

—

দেরিতে জমা = আত্মসাৎ

— ধারা ২৬৪

৩ মাসের বেশি দেরি আত্মসাৎ গণ্য; সর্বোচ্চ ১ বছর কারাদণ্ড ও জরিমানা ধারা ১৫৮(১)

—

অংশগ্রহণ ও কল্যাণ তহবিল

বিষয়শ্রম আইন ২০০৬ ও বিধিমালা ২০১৫ইপিজেড আইন ২০১৯ ও বিধিমালা ২০২২মন্তব্য
তহবিলের ধরন

শ্রমিকের মুনাফায় অংশগ্রহণ তহবিল ও কল্যাণ তহবিল ধারা ২৩২

মালিক-ক্রেতা-শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিল ধারা ১৭২

—

কারা প্রযোজ্য

পরিশোধিত মূলধন ১ কোটি বা স্থায়ী সম্পদ ২ কোটি টাকার কম নয় এমন কোম্পানি ধারা ২৩২(১)

ইপিজেডের শিল্প ইউনিট ধারা ১৭২

—

অর্থের উৎস

নিট মুনাফার ৫%, ৮০:১০:১০ অনুপাতে বণ্টন; শতভাগ রপ্তানিমুখী খাতে প্রতি অর্ডারের ০.০৩% কেন্দ্রীয় তহবিলে ধারা ২৩৪(১)(খ), ২৩২(৩); বিধি ২১৪(১)(ক)

ক্রয়াদেশ প্রতি লেভি, ক্রেতার অনুদান, শ্রমিকের চাঁদা ও অন্যান্য; হার কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করবে ধারা ১৭৩; বিধি ২৯৫(১)

—

স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও কল্যাণ

বিষয়শ্রম আইন ২০০৬ ও বিধিমালা ২০১৫ইপিজেড আইন ২০১৯ ও বিধিমালা ২০২২মন্তব্য
সেফটি কমিটি

৫০ জন বা বেশি শ্রমিক হলে; ৬–১২ সদস্য, মেয়াদ ২ বছর ধারা ৯০ক; বিধি ৮১, ৮৩

প্রতিটি কারখানায়; ৬–১২ সদস্য, মেয়াদ ২ বছর; এক-তৃতীয়াংশ নারী শ্রমিক হলে শ্রমিক প্রতিনিধির এক-তৃতীয়াংশ নারী বিধি ৫১, ৫৩

—

ফায়ার ড্রিল

প্রতি ৬ মাসে; পরিদর্শক ও ফায়ার সার্ভিসকে ১৫ দিন আগে জানানো বিধি ৫৫(১৪)

প্রতি ৩ মাসে; ১৫ দিন আগে জানানো বিধি ১০৪(১)

—

স্বাস্থ্য কেন্দ্র

৫,০০০+ শ্রমিকে স্বাস্থ্য কেন্দ্র ধারা ৮৯(৬); বিধি ৭৮

প্রতিটি জোনে মেডিক্যাল সেন্টার; সদস্যপদ বাধ্যতামূলক ধারা ৩৭

—

ক্যান্টিন ও খাবার কক্ষ

১০০+ শ্রমিকে ক্যান্টিন (১০% আসন), ৩০% আসন হলে আলাদা খাবার কক্ষ লাগবে না; ২৫+ শ্রমিকে খাবার কক্ষ ধারা ৯৩(১); বিধি ৮৭(১)

১০০+ শ্রমিকে ক্যান্টিন (১০% আসন), ২০% আসন হলে আলাদা খাবার কক্ষ লাগবে না; প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে খাবার কক্ষ (১৫% আসন) বিধি ৫৮(১), ৬৩

—

শিশুকক্ষ একই

৪০+ নারী শ্রমিকে; ৬ বছরের কম শিশু; শিশু প্রতি দিনে ০.২৫ লিটার দুধ ধারা ৯৪; বিধি ৯৪(৪)

৪০+ নারী শ্রমিকে; ৬ বছরের কম শিশু; শিশু প্রতি দিনে ০.২৫ লিটার দুধ বিধি ৬৪

দুই আইনেই একই।

শৌচাগার ও ঠান্ডা পানি একই

প্রথম ১০০ নারীতে প্রতি ২৫ জনে ১টি, পরে ৫০ জনে; পুরুষ ৪০ জনে, পরে ৬০ জনে; ২৫০+ শ্রমিকে ১ এপ্রিল–৩০ সেপ্টেম্বর ঠান্ডা পানি বিধি ৫১, ৫০(৬)

একই অনুপাত; ২৫০+ শ্রমিকে ১ এপ্রিল–৩০ সেপ্টেম্বর ঠান্ডা পানি বিধি ৪৮, ৪৯(৬)

দুই আইনেই একই।

দুর্ঘটনা ও ক্ষতিপূরণ

বিষয়শ্রম আইন ২০০৬ ও বিধিমালা ২০১৫ইপিজেড আইন ২০১৯ ও বিধিমালা ২০২২মন্তব্য
মালিকের দায় একই

দায়ী; ৩ দিন বা কম অক্ষমতায় দায় নেই; পরিমাণ পঞ্চম তফসিল অনুযায়ী ধারা ১৫০, ১৫১

দায়ী; ৩ দিন বা কম অক্ষমতায় দায় নেই; পরিমাণ পঞ্চম তফসিল অনুযায়ী ধারা ৭৩, ৭৪

দুই আইনেই একই কাঠামো।

শ্রমিকের সংজ্ঞা

সরাসরি বা ঠিকাদারের মাধ্যমে নিয়োজিত ধারা ১৫০(৮)

কেবল সরাসরি নিয়োজিত ধারা ৭৩(৮)

—

মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ

— ধারা ১৫০

কেবল ইপিজেড শ্রম আদালতে জমার মাধ্যমে পরিশোধ ধারা ৭৩(৯)

—

দুর্ঘটনার নোটিশ

তাৎক্ষণিক মহাপরিদর্শক, জেলা প্রশাসক, পরিদর্শক, ফায়ার সার্ভিস, হাসপাতাল ও পুলিশকে; ২ দিনে ফরম-২৭ বিধি ৬৯

২ কর্মদিবসে পরিদর্শককে; মারাত্মক হলে অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক ও অন্যদের ২ দিনে ফরম-৩২ বিধি ৯১

—

দুর্ঘটনা প্রতিবেদন

ষাণ্মাসিক, ১০ কর্মদিবসে বিধি ৭৩(২)

বার্ষিক, ৩১ ডিসেম্বরের পর ১৫ দিনে বিধি ৯৫(২)

—

ট্রেড ইউনিয়ন বনাম শ্রমিক কল্যাণ সমিতি

বিষয়শ্রম আইন ২০০৬ ও বিধিমালা ২০১৫ইপিজেড আইন ২০১৯ ও বিধিমালা ২০২২মন্তব্য
গঠনের শর্ত

অন্তত ২০ জনের আবেদন; সদস্য ন্যূনতম ২০ (২০–৩০০ শ্রমিক) থেকে ৪০০ (৩,০০০+ শ্রমিক) ধারা ১৭৯(২)

অন্তত ২০% স্থায়ী শ্রমিকের আবেদন, নির্বাহী পরিচালক (শ্রম ও শিল্প সম্পর্ক)-এর কাছে ধারা ৯৪(২)

—

প্রতিষ্ঠানে কয়টি

সর্বোচ্চ ৩টি ধারা ১৭৯(৫)

কেবল ১টি ধারা ১০০

—

কারা সদস্য হতে পারবেন না

— ধারা ১৭৯

ওয়াচ অ্যান্ড ওয়ার্ড, চালক, গোপনীয় সহকারী, অনিয়মিত শ্রমিক, ক্যান্টিন ঠিকাদারের শ্রমিক, করণিক কর্মচারী ধারা ৯৩

—

নারী প্রতিনিধিত্ব

— ধারা ১৭৯

কার্যনির্বাহী পরিষদে অন্তত ৩০% নারী ধারা ৯৪(৫)

—

কার্যনির্বাহী পরিষদের মেয়াদ একই

৩ বছর ধারা ১৭৯(১)(ঞ)

৩ বছর ধারা ১০৫

দুই আইনেই একই।

সিবিএ

একক ইউনিয়ন হলে সিবিএ; না হলে গোপন ব্যালটে মোট শ্রমিকের অন্তত ১/৩ ভোট; মেয়াদ ২ বছর ধারা ২০২

কার্যনির্বাহী পরিষদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিবিএ ধারা ১১৯(১)

—

অংশগ্রহণকারী কমিটি

৫০+ শ্রমিকে; ইউনিয়ন থাকলে প্রয়োজন নেই ধারা ২০৫

কেবল কার্যনির্বাহী পরিষদ না থাকলে; ৬–১৬ সদস্য, মেয়াদ সর্বোচ্চ ২ বছর ধারা ১২২

—

শিল্প বিরোধ, আদালত ও আপিল

বিষয়শ্রম আইন ২০০৬ ও বিধিমালা ২০১৫ইপিজেড আইন ২০১৯ ও বিধিমালা ২০২২মন্তব্য
সমঝোতা

১০ দিনে শুরু; ৩০ দিনে ব্যর্থ হলে ধারা ২১০(৬), ২১০(৯)

১৫ দিনে ব্যর্থ হলে ধারা ১২৭(১)

—

ধর্মঘট ভোট

সদস্যদের অন্তত ৫১% ধারা ২১১(১)

কার্যনির্বাহী পরিষদের অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ ধারা ১২৭(২)

—

ধর্মঘটের নোটিশ

নোটিশের ৭–১৪ দিনের মধ্যে ধর্মঘট ধারা ২১১(১)

৩০ দিনের নোটিশ ধারা ১২৭(১)

—

ধর্মঘট নিষিদ্ধকরণ

৩০ দিন পর, বা আগেও, সরকার ধারা ২১১(৩)

৩০ দিন পর নির্বাহী চেয়ারম্যান; উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হলে ১৫ দিনের আগেও ধারা ১৩১(৩), ১৩১(৪)

—

নতুন প্রতিষ্ঠানে ধর্মঘট

নতুন বা বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে ২ বছর নিষিদ্ধ ধারা ২১১(৮)

৩ বছর নিষিদ্ধ; বাধ্যতামূলক সালিশ ধারা ১৩১(৯)

—

শ্রম আদালতের রায়

৬০ দিনে, আরও ৯০ দিন বাড়ানো যায় ধারা ২১৬

২৫ দিনে, পক্ষগণ সম্মত হলে বেশি ধারা ১৩৫(২)

—

আপিল

৬০ দিনে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে ধারা ২১৭

৩০ দিনে ইপিজেড শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে; ৪০ দিনে নিষ্পত্তি ধারা ১৩৫(৩), ১৩৬(৪)

—

দণ্ড

বিষয়শ্রম আইন ২০০৬ ও বিধিমালা ২০১৫ইপিজেড আইন ২০১৯ ও বিধিমালা ২০২২মন্তব্য
সাধারণ দণ্ড

৩ মাস কারাদণ্ড, বা ২৫,০০০–৫০,০০০ টাকা জরিমানা, বা উভয় ধারা ৩০৭

৫,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা; বিধি লঙ্ঘনে ১,০০০ টাকা বা ৩ মাস ধারা ১৫৯

—

মালিকের অসৎ শ্রম আচরণ

৬ মাস, বা ৫০,০০০–১ লক্ষ টাকা ধারা ২৯১(১)

৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত; না দিলে ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ধারা ১৫১(১)

—

বেআইনি ধর্মঘট (শ্রমিক)

৩ মাস, বা ১০,০০০–২০,০০০ টাকা ধারা ২৯৪(১)

৫,০০০ টাকা পর্যন্ত, বা ৬ মাস, বা উভয় ধারা ১৫৫(১)

—

বেআইনি লক-আউট

৬ মাস, বা ২০,০০০–৫০,০০০ টাকা ধারা ২৯৪(২)

২০,০০০ টাকা পর্যন্ত বা ১ বছর; চলমান থাকলে দৈনিক ২,০০০ টাকা ধারা ১৫৫(২)

—

মিথ্যা রেকর্ড

৬ মাস, বা ৫,০০০ টাকা ধারা ৩০৩

মালিকের ৫ লক্ষ, শ্রমিকের ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত ধারা ১৫৪

—

প্রতিটি ধারার পাতায় "EPZ-এর সাথে পার্থক্য" / "BLA-এর সাথে পার্থক্য" অংশে ধারাভিত্তিক বিস্তারিত তুলনা ও দুই আইনের মূল পাঠ পাশাপাশি দেখা যাবে। এখানে আইনের ভাষা সহজ করে লেখা হয়েছে; আইনি সিদ্ধান্তের আগে মূল ধারা পড়ে নিন। সূত্র: বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ · শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ · ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ · ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২