শ্রম আইন বনাম ইপিজেড শ্রম আইন — পার্থক্য এক নজরে
বেপজার অধীন ইপিজেডের শিল্প ইউনিটে বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ ও ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ প্রযোজ্য, এবং অন্য আইনের ওপর এটি প্রাধান্য পায় (EPZ ধারা ১(২), ৩)। ইপিজেডের বাইরে বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (২০২৬ পর্যন্ত সংশোধিত) ও শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ চলে। নিচে বিষয়ভিত্তিক মূল পার্থক্য ধারা/বিধিসহ দেওয়া হলো; যেখানে দুই আইন একই কিন্তু ভিন্ন বলে ধারণা প্রচলিত, তাও রাখা হয়েছে।
কিছু পাওয়া যায়নি। অন্য শব্দ দিয়ে খুঁজুন।
প্রযোজ্যতা, কর্তৃপক্ষ ও পরিদর্শন
সমগ্র বাংলাদেশ; ১(৪)-এ বর্ণিত প্রতিষ্ঠান বাদে ধারা ১(৩)
বেপজার অধীন সকল ইপিজেডের শিল্প ইউনিট ধারা ১(২)
—
প্রধান পরিদর্শক (কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর) ধারা ৩১৮
বেপজার মহাপরিদর্শক ও অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক ধারা ১৬৯
—
— ধারা ৩১৯
নির্বাহী চেয়ারম্যানের অনুমতি ছাড়া ইপিজেডের কারখানায় প্রবেশ করতে পারবেন না; তাঁর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত ধারা ১৬৮
—
প্রধান পরিদর্শক ১২০ দিনে সিদ্ধান্ত দেবেন; আপিল ৩০ দিনে সরকারের কাছে, নিষ্পত্তি ৪৫ দিনে ধারা ৩(২), ৩(৪)
অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক ৬ মাসে অনুমোদন দেবেন; আপিল ৩০ দিনে নির্বাহী চেয়ারম্যানের কাছে, ৪৫ দিনে নিষ্পত্তি, চূড়ান্ত ধারা ৪(২), ৪(৪)
—
নোটিশসহ বা ছাড়া প্রবেশ ধারা ৩১৯(১)(ক)
অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক যেকোনো সময় প্রবেশ ধারা ১৭০(১)(খ)
—
নিয়োগ ও শ্রমিকের শ্রেণি
৭টি শ্রেণি (শিক্ষাধীন, বদলি, সাময়িক, অস্থায়ী, শিক্ষানবিশ, স্থায়ী, মৌসুমী) ধারা ৪(১)
৫টি শ্রেণি; বদলি ও মৌসুমী শ্রেণি নেই ধারা ৫(১)
—
করণিক কাজে ৬ মাস, অন্যান্য কাজে ৩ মাস ধারা ৪(৮)
করণিক কাজে ৬ মাস, অন্যান্য কাজে ৩ মাস ধারা ৫(৭)
দুই আইনেই একই।
কেবল দক্ষ শ্রমিকের কাজের মান নির্ণয় না হলে আরও ৩ মাস ধারা ৪(৮)
সন্তোষজনকভাবে শিক্ষানবিশকাল শেষ না হলে যেকোনো শ্রমিকের আরও ৩ মাস ধারা ৫(৭); বিধি ৮(১)
—
নিয়োগপত্র, পরিচয়পত্র ও সার্ভিস বই
সকল শ্রমিককে নিয়োগপত্র দিতে হবে ধারা ৫; বিধি ১৯(১)
সাময়িক শ্রমিক নিয়োগপত্রের আওতামুক্ত; তাদের ফরম-৭ টোকেন বিধি ১০(১), ১০(৩)
—
ফরম-৬, মালিকের খরচে বিধি ১৯(৫)
যোগদানের ১ মাসে ফরম-৮; স্থায়ী হওয়ার ১ মাসে বেপজা প্রদত্ত পরিচয়পত্র, মালিকের খরচে বিধি ১০(৭), ১০(৮)
—
কর্মঘণ্টা, বিরতি ও অধিকাল
৮ ঘণ্টা; অধিকালসহ সর্বোচ্চ ১০ ঘণ্টা ধারা ১০০
৮ ঘণ্টা; অধিকালসহ সর্বোচ্চ ১০ ঘণ্টা ধারা ৩৮
দুই আইনেই একই।
৪৮ ঘণ্টা; অধিকালসহ সপ্তাহে ৬০, বছরে গড়ে ৫৬ ঘণ্টা; শিথিলের ক্ষমতা সরকারের ধারা ১০২
৪৮ ঘণ্টা; অধিকালসহ সপ্তাহে ৬০, বছরে গড়ে ৫৬ ঘণ্টা; শিথিলের ক্ষমতা কর্তৃপক্ষের ধারা ৪০
সীমা একই, শিথিলের ক্ষমতা ভিন্ন।
মূল মজুরি, মহার্ঘ ভাতা ও এডহক/অন্তর্বর্তী মজুরির দ্বিগুণ; ঘণ্টার হার ১/২০৮ ধারা ১০৮(১); বিধি ১০২
মূল মজুরি, মহার্ঘ ভাতা ও এডহক/অন্তর্বর্তী মজুরির দ্বিগুণ; ঘণ্টার হার ১/২০৮ ধারা ৪৫; বিধি ১০৮
দুই আইনেই একই।
শ্রমিকের সম্মতি ও ২ ঘণ্টা আগে জানানো বিধি ৯৯(১)
শ্রমিকের সম্মতি ও ২ ঘণ্টা আগে জানানো বিধি ১০৬
দুই আইনেই একই।
রাত ১০টা–সকাল ৬টা; নারীর সম্মতি লাগবে (সম্মতি ১২ মাস বহাল) ধারা ১০৯; বিধি ১০৩(২)
রাত ৮টা–সকাল ৬টা; নারীর সম্মতি ও অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের অনুমতি; সম্মতি ৩০ দিনের, যানবাহন ও নিরাপত্তা দিতে হবে ধারা ৪৬; বিধি ১০৯
—
ছুটি
যথাশীঘ্র, ৩ কর্মদিবসের মধ্যে; টানা সর্বোচ্চ ১০ দিন সাপ্তাহিক ছুটি ছাড়া ধারা ১০৪; বিধি ১০১
৬ দিনের মধ্যে; টানা সর্বোচ্চ ১৩ দিন সাপ্তাহিক ছুটি ছাড়া ধারা ৪২; বিধি ১০৭
—
কারখানায় ৪০ দিন পর্যন্ত জমা হবে ধারা ১১৭(৫)(ক)
সীমা নেই; প্রতি বছর শেষে সর্বশেষ বছরের প্রাপ্য ছুটির অতিরিক্ত অংশ মালিক নগদায়ন করবেন বিধি ১১৪(১)
—
শ্রমিকের আবেদনে বছরে একবার, সর্বোচ্চ অর্ধেক বিধি ১০৭(২)
দৈনিক হার = শেষ মাসের মোট মজুরি (মূল + বাড়িভাড়া + চিকিৎসা) ÷ ৩০ বিধি ১১৪(২)
—
বছরে ১৩ দিন ধারা ১১৮(১)
বছরে ১১ দিন ধারা ৫৩(১)
BLA বিধি ১১০(১)-এ এখনো 'অন্যূন ১১ দিন' আছে, তবে আইনে ১৩ দিন।
১ দিন বিকল্প ছুটি ও ২ দিনের ক্ষতিপূরণমূলক মজুরি ধারা ১১৮(৩)
৩০ দিনের মধ্যে ২ দিন মজুরিসহ ক্ষতিপূরণমূলক ছুটি ধারা ৫৩(৩)
—
১ বছর চাকরি পূর্ণ হলে বছরে ২টি, প্রতিটি মাসিক মূল মজুরির বেশি নয় বিধি ১১১(৫)
স্থায়ী শ্রমিক বছরে ২টি, প্রতিটি ১ মাসের মূল মজুরির সমান; দুই ঈদে বা অন্য ধর্মের শ্রমিকের বেছে নেওয়া দুই উৎসবে ধারা ৫৩(৪); বিধি ১১৬
—
প্রসূতি কল্যাণ
প্রসবের আগে ৬০ + পরে ৬০ = ১২০ দিন ধারা ৪৬(১)
প্রসবের আগে ৮ + পরে ৮ সপ্তাহ = ১১২ দিন ধারা ৩০(১)
—
অন্তত ৬ মাস চাকরি; ২ বা ততোধিক জীবিত সন্তান থাকলে সুবিধা নেই ধারা ৪৬
অন্তত ৬ মাস চাকরি; ২ বা ততোধিক জীবিত সন্তান থাকলে সুবিধা নেই ধারা ৩০
দুই আইনেই একই।
শেষ মাসের মোট মজুরি ÷ ২৬ = দৈনিক হার ধারা ৪৮(২)
নোটিশের আগের ৩ মাসের মোট মজুরি ÷ প্রকৃত কর্মদিবস; ছুটি নগদায়ন ও বোনাস বাদ ধারা ৩২(২); বিধি ৩৬
—
প্রমাণপত্র দেওয়ার ৩ কর্মদিবসের মধ্যে ধারা ৪৭(৪)(ক)
প্রমাণপত্র দেওয়ার ৩ কর্মদিবসের মধ্যে বিধি ৩৫(৪)(ক)
দুই আইনেই একই।
মজুরি
মজুরিকাল ১ মাসের বেশি নয়; শেষ হওয়ার ৭ কর্মদিবসে পরিশোধ ধারা ১২২, ১২৩(১)
মজুরিকাল ১ মাসের বেশি নয়; শেষ হওয়ার ৭ কর্মদিবসে পরিশোধ ধারা ২৬
দুই আইনেই একই।
১২ ধরনের কর্তন ধারা ১২৫(২)
কেবল ৩ ধরন: ভবিষ্য তহবিল, শ্রমিক কল্যাণ সমিতির চাঁদা (চেক-অফ), অননুমোদিত অনুপস্থিতি ধারা ৫৮(২)
—
সাধারণ নিম্নতম মজুরি বোর্ড ধারা ১৩৮
আলাদা ইপিজেড নিম্নতম মজুরি বোর্ড; সভাপতি নির্বাহী চেয়ারম্যান বা সরকার মনোনীত ব্যক্তি ধারা ৬৫
—
১০০ জন স্থায়ী শ্রমিক থাকলে; খাতে কেন্দ্রীয় তহবিল থাকলে প্রয়োজন নেই ধারা ৯৯
২৫ জন স্থায়ী শ্রমিক থাকলে ধারা ৩৬(১)
—
চাকরির অবসান
সর্বশেষ মাসের মূল মজুরি, মহার্ঘ ও এডহক ভাতা ধারা ১৪(৩)
আগের ১২ মাসের মূল মজুরি, মহার্ঘ ও এডহক ভাতার গড় ধারা ১৩(৩)
—
মাসিক মজুরির শ্রমিক ১২০ দিন, অন্যান্য ৬০ দিন নোটিশ বা মজুরি ধারা ২৬(১)
সকল স্থায়ী শ্রমিক ১২০ দিন নোটিশ বা মজুরি ধারা ২২(১)(ক)
—
অস্থায়ী: মাসিক ৩০ দিন, অন্যান্য ১৪ দিন ধারা ২৬(২)
অন্যান্য শ্রমিক ৬০ দিন ধারা ২২(১)(খ)
—
প্রতি বছরে ৩০ দিনের মজুরি বা গ্র্যাচুইটি, যেটি বেশি ধারা ২৬(৪)
প্রতি বছরে ৩০ দিনের মজুরি ধারা ২২(৩)
—
স্থায়ী ৬০ দিন; অস্থায়ী মাসিক ৩০, অন্যান্য ১৪ দিন ধারা ২৭(১), ২৭(২)
স্থায়ী ৩০ দিন; অস্থায়ী ১৫ দিন ধারা ২৩(১), ২৩(২)
—
৩ বছর পর্যন্ত বছরে ৭ দিন; ৩–১০ বছর ১৫ দিন; ১০ বছর বা বেশি ৩০ দিন বা গ্র্যাচুইটি ধারা ২৭(৪)
৫–১০ বছর বছরে ১৫ দিন; ১০–২৫ বছর ৩০ দিন ধারা ২৩(৪)
—
১ মাসের নোটিশ বা মজুরি; প্রধান পরিদর্শক ও সিবিএ-কে অনুলিপি; প্রতি বছরে ৩০ দিন বা গ্র্যাচুইটি, যেটি বেশি; শেষে আসা আগে যাবে ধারা ২০
১ মাসের নোটিশ বা মজুরি; কর্তৃপক্ষকে জানানো; প্রতি বছরে ৩০ দিন; ১ বছর পুনর্নিয়োগে অগ্রাধিকার ধারা ১৯
—
বছরে ১৫ দিন ক্ষতিপূরণ; চুরি (খ) ও দাঙ্গা (ছ) হলে নেই ধারা ২৩(৩), ২৩(৪)
বছরে ১৫ দিন; চুরি, দাঙ্গা, মাদক ও যৌন হয়রানিতে নেই বিধি ২৩
—
লে-অফ ও কাজ বন্ধ
৩ মাস চাকরি; বদলি ও সাময়িক শ্রমিক বাদ ধারা ১৬(১)
১ বছর চাকরি; সাময়িক শ্রমিক বাদ ধারা ১৫(১)
—
মূল মজুরি, মহার্ঘ ও এডহক ভাতার অর্ধেক + পূর্ণ আবাসিক ভাতা ধারা ১৬(২)
মূল মজুরি, মহার্ঘ ও এডহক ভাতার অর্ধেক + পূর্ণ আবাসিক ভাতা ধারা ১৫
দুই আইনেই একই।
৪৫ + ১৫ দিন পর; নোটিশ লাগবে না, তবে অতিরিক্ত ১৫ দিনের মজুরি ধারা ১৬(৭), ২০(৩)
৪৫ + ১৫ দিন পর; অতিরিক্ত মজুরির বিধান নেই ধারা ১৫(৭), ১৯
—
অনুমতি লাগে না ধারা ১২(১)
অগ্নি, মহামারি ইত্যাদিতে কর্তৃপক্ষকে তাৎক্ষণিক জানানো; যন্ত্র বিকল বা বিদ্যুৎ বিভ্রাটে কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ধারা ১১(১)
—
অবসর, মৃত্যু ও গ্র্যাচুইটি
সুবিধা ধারা ২৬(৪) বা প্রতিষ্ঠানের চাকরি বিধি অনুযায়ী ধারা ২৮(৩)
২৫ বছর চাকরির পর ৩০ দিনের নোটিশে স্বেচ্ছা অবসর; প্রতি বছরে ৪৫ দিনের মূল মজুরি; ২৫ বছরের কম চাকরিতে ৬০ বছর হলে প্রতি বছরে ৩০ দিন ধারা ২৪(৩); বিধি ২৮
—
প্রতি বছরে ৩০ দিন, কর্মরত অবস্থায়/দুর্ঘটনায় ৪৫ দিন, অথবা গ্র্যাচুইটি, যেটি বেশি ধারা ১৯
প্রতি বছরে ৩০ দিন, কর্মরত অবস্থায়/দুর্ঘটনায় ৪৫ দিন ধারা ১৮
—
প্রতি বছরে অন্তত ৩০ দিন, ১০ বছরের বেশি হলে ৪৫ দিনের মজুরি ধারা ২(১০)
EPZ আইন ও বিধিতে গ্র্যাচুইটির বিধান নেই
—
ভবিষ্য তহবিল
ঐচ্ছিক; ১০০+ স্থায়ী শ্রমিকের দুই-তৃতীয়াংশ চাইলে বাধ্যতামূলক, তবে সর্বজনীন পেনশন (প্রগতি) স্কিমে নিলে নয় ধারা ২৬৪
প্রতিটি শিল্প ইউনিটে বাধ্যতামূলক ধারা ১৬৪(১)
—
মূল মজুরির ৭–৮%; মালিকও সমপরিমাণ ধারা ২৬৪(৯); বিধি ২৫০(১)
অন্তত ৮.৩৩%; মালিকও সমপরিমাণ বিধি ২৬৮
—
মাস শেষের ১৫ দিনের মধ্যে বিধি ২৫০(২)
মাস শেষের ১৫ দিনের মধ্যে; দেরিতে সর্বোচ্চ ১০% অতিরিক্ত বিধি ২৬৮(৩), ২৬৮(৬)
—
২ বছর চাকরি; মৃত্যু বা প্রতিষ্ঠান বন্ধে উভয় অংশ বিধি ২৬৩(৩)
২ বছর চাকরি; মৃত্যু, বন্ধ বা মালিক যেকোনোভাবে চাকরি অবসান করলে উভয় অংশ বিধি ২৮০(৩)
—
— ধারা ২৬৪
৩ মাসের বেশি দেরি আত্মসাৎ গণ্য; সর্বোচ্চ ১ বছর কারাদণ্ড ও জরিমানা ধারা ১৫৮(১)
—
অংশগ্রহণ ও কল্যাণ তহবিল
শ্রমিকের মুনাফায় অংশগ্রহণ তহবিল ও কল্যাণ তহবিল ধারা ২৩২
মালিক-ক্রেতা-শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিল ধারা ১৭২
—
পরিশোধিত মূলধন ১ কোটি বা স্থায়ী সম্পদ ২ কোটি টাকার কম নয় এমন কোম্পানি ধারা ২৩২(১)
ইপিজেডের শিল্প ইউনিট ধারা ১৭২
—
নিট মুনাফার ৫%, ৮০:১০:১০ অনুপাতে বণ্টন; শতভাগ রপ্তানিমুখী খাতে প্রতি অর্ডারের ০.০৩% কেন্দ্রীয় তহবিলে ধারা ২৩৪(১)(খ), ২৩২(৩); বিধি ২১৪(১)(ক)
ক্রয়াদেশ প্রতি লেভি, ক্রেতার অনুদান, শ্রমিকের চাঁদা ও অন্যান্য; হার কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করবে ধারা ১৭৩; বিধি ২৯৫(১)
—
স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও কল্যাণ
৫০ জন বা বেশি শ্রমিক হলে; ৬–১২ সদস্য, মেয়াদ ২ বছর ধারা ৯০ক; বিধি ৮১, ৮৩
প্রতিটি কারখানায়; ৬–১২ সদস্য, মেয়াদ ২ বছর; এক-তৃতীয়াংশ নারী শ্রমিক হলে শ্রমিক প্রতিনিধির এক-তৃতীয়াংশ নারী বিধি ৫১, ৫৩
—
প্রতি ৬ মাসে; পরিদর্শক ও ফায়ার সার্ভিসকে ১৫ দিন আগে জানানো বিধি ৫৫(১৪)
প্রতি ৩ মাসে; ১৫ দিন আগে জানানো বিধি ১০৪(১)
—
৫,০০০+ শ্রমিকে স্বাস্থ্য কেন্দ্র ধারা ৮৯(৬); বিধি ৭৮
প্রতিটি জোনে মেডিক্যাল সেন্টার; সদস্যপদ বাধ্যতামূলক ধারা ৩৭
—
১০০+ শ্রমিকে ক্যান্টিন (১০% আসন), ৩০% আসন হলে আলাদা খাবার কক্ষ লাগবে না; ২৫+ শ্রমিকে খাবার কক্ষ ধারা ৯৩(১); বিধি ৮৭(১)
১০০+ শ্রমিকে ক্যান্টিন (১০% আসন), ২০% আসন হলে আলাদা খাবার কক্ষ লাগবে না; প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে খাবার কক্ষ (১৫% আসন) বিধি ৫৮(১), ৬৩
—
৪০+ নারী শ্রমিকে; ৬ বছরের কম শিশু; শিশু প্রতি দিনে ০.২৫ লিটার দুধ ধারা ৯৪; বিধি ৯৪(৪)
৪০+ নারী শ্রমিকে; ৬ বছরের কম শিশু; শিশু প্রতি দিনে ০.২৫ লিটার দুধ বিধি ৬৪
দুই আইনেই একই।
প্রথম ১০০ নারীতে প্রতি ২৫ জনে ১টি, পরে ৫০ জনে; পুরুষ ৪০ জনে, পরে ৬০ জনে; ২৫০+ শ্রমিকে ১ এপ্রিল–৩০ সেপ্টেম্বর ঠান্ডা পানি বিধি ৫১, ৫০(৬)
একই অনুপাত; ২৫০+ শ্রমিকে ১ এপ্রিল–৩০ সেপ্টেম্বর ঠান্ডা পানি বিধি ৪৮, ৪৯(৬)
দুই আইনেই একই।
দুর্ঘটনা ও ক্ষতিপূরণ
দায়ী; ৩ দিন বা কম অক্ষমতায় দায় নেই; পরিমাণ পঞ্চম তফসিল অনুযায়ী ধারা ১৫০, ১৫১
দায়ী; ৩ দিন বা কম অক্ষমতায় দায় নেই; পরিমাণ পঞ্চম তফসিল অনুযায়ী ধারা ৭৩, ৭৪
দুই আইনেই একই কাঠামো।
ট্রেড ইউনিয়ন বনাম শ্রমিক কল্যাণ সমিতি
অন্তত ২০ জনের আবেদন; সদস্য ন্যূনতম ২০ (২০–৩০০ শ্রমিক) থেকে ৪০০ (৩,০০০+ শ্রমিক) ধারা ১৭৯(২)
অন্তত ২০% স্থায়ী শ্রমিকের আবেদন, নির্বাহী পরিচালক (শ্রম ও শিল্প সম্পর্ক)-এর কাছে ধারা ৯৪(২)
—
— ধারা ১৭৯
ওয়াচ অ্যান্ড ওয়ার্ড, চালক, গোপনীয় সহকারী, অনিয়মিত শ্রমিক, ক্যান্টিন ঠিকাদারের শ্রমিক, করণিক কর্মচারী ধারা ৯৩
—
একক ইউনিয়ন হলে সিবিএ; না হলে গোপন ব্যালটে মোট শ্রমিকের অন্তত ১/৩ ভোট; মেয়াদ ২ বছর ধারা ২০২
কার্যনির্বাহী পরিষদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিবিএ ধারা ১১৯(১)
—
শিল্প বিরোধ, আদালত ও আপিল
৩০ দিন পর, বা আগেও, সরকার ধারা ২১১(৩)
৩০ দিন পর নির্বাহী চেয়ারম্যান; উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হলে ১৫ দিনের আগেও ধারা ১৩১(৩), ১৩১(৪)
—
নতুন বা বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে ২ বছর নিষিদ্ধ ধারা ২১১(৮)
৩ বছর নিষিদ্ধ; বাধ্যতামূলক সালিশ ধারা ১৩১(৯)
—
৬০ দিনে, আরও ৯০ দিন বাড়ানো যায় ধারা ২১৬
২৫ দিনে, পক্ষগণ সম্মত হলে বেশি ধারা ১৩৫(২)
—
৬০ দিনে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে ধারা ২১৭
৩০ দিনে ইপিজেড শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে; ৪০ দিনে নিষ্পত্তি ধারা ১৩৫(৩), ১৩৬(৪)
—
দণ্ড
৩ মাস কারাদণ্ড, বা ২৫,০০০–৫০,০০০ টাকা জরিমানা, বা উভয় ধারা ৩০৭
৫,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা; বিধি লঙ্ঘনে ১,০০০ টাকা বা ৩ মাস ধারা ১৫৯
—
৬ মাস, বা ৫০,০০০–১ লক্ষ টাকা ধারা ২৯১(১)
৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত; না দিলে ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ধারা ১৫১(১)
—
৩ মাস, বা ১০,০০০–২০,০০০ টাকা ধারা ২৯৪(১)
৫,০০০ টাকা পর্যন্ত, বা ৬ মাস, বা উভয় ধারা ১৫৫(১)
—
৬ মাস, বা ২০,০০০–৫০,০০০ টাকা ধারা ২৯৪(২)
২০,০০০ টাকা পর্যন্ত বা ১ বছর; চলমান থাকলে দৈনিক ২,০০০ টাকা ধারা ১৫৫(২)
—
প্রতিটি ধারার পাতায় "EPZ-এর সাথে পার্থক্য" / "BLA-এর সাথে পার্থক্য" অংশে ধারাভিত্তিক বিস্তারিত তুলনা ও দুই আইনের মূল পাঠ পাশাপাশি দেখা যাবে। এখানে আইনের ভাষা সহজ করে লেখা হয়েছে; আইনি সিদ্ধান্তের আগে মূল ধারা পড়ে নিন। সূত্র: বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ · শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ · ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ · ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২