তফসিল-৪ — ক্ষতিপূরণ মামলা নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ইপিজেড শ্রম আদালতের কার্যক্রম ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ পদ্ধতি
ক্ষতিপূরণ মামলা নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ইপিজেড শ্রম আদালতের কার্যক্রম ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ পদ্ধতি
[বিধি ১৫২ দ্রষ্টব্য]
(১) আবেদন পত্র:
(ক) আইনের ধারা ৮৮ তে উল্লিখিত যে কোনো আবেদনপত্র রেজিস্ট্রিকৃত ডাকযোগে ইপিজেড শ্রম আদালতের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে অথবা তাহার নিকট বা এতদুদ্দেশ্যে তাহার প্রাধিকার প্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট দাখিল করিতে হইবে এবং অনুরূপ প্রেরিত বা দাখিলকৃত আবেদন ইপিজেড শ্রম আদালত কর্তৃক ভিন্ন রকম কোনো নির্দেশ না দেওয়া হইলে, ২ (দুই) কপি প্রদান করিতে হইবে এবং আবেদনকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হইতে হইবে;
(খ) অনুরূপ সব আবেদনের সহিত আবেদনকারীর স্বাক্ষরিত এবং আবেদনপত্রে বর্ণিত বিষয় তাহার জ্ঞান ও বিশ্বাস অনুযায়ী সঠিক এই মর্মে একটি প্রত্যয়নপত্র সংযোজিত থাকিতে হইবে।
(২) ভুল আদালতের নিকট দরখাস্ত দাখিল:
(ক) আবেদন গ্রহণ করিবার পর ইপিজেড শ্রম আদালত যদি মনে করে যে, আবেদনটি অন্য আদালতের নিকট উপস্থাপন করা উচিত, তবে উহা পাইবার তারিখ উল্লেখসহ স্বাক্ষর করিয়া উহা ফেরত প্রদান করিবার কারণ ও কোনো আদালতের নিকট উহা দাখিল করিতে হইবে উহা উল্লেখসহ দরখাস্তটি আবেদনকারীকে ফেরত প্রদান করিবে;
(খ) আবেদন গ্রহণ করিবার পর পরবর্তী কোনো পর্যায়ে যদি আদালত নিশ্চিত হন যে, দরখাস্তটি অন্য কোনো আদালতে উপস্থাপন করা উচিত ছিল। তবে উক্ত আবেদন যথাযথ ক্ষমতাপ্রাপ্ত আদালতের নিকট প্রেরণ করিবে এবং আবেদনকারীকে অবহিত করিবে;
(গ) অনুচ্ছেদ (খ) অনুযায়ী যে আদালতের নিকট দরখাস্ত স্থানান্তরিত করা হইয়াছে, সেই আদালত এইরূপভাবে বিবেচনা করিবে যেন প্রথমেই তাহার নিকট উপস্থাপন করা হইয়াছে।
(৩) আবেদন সম্পর্কে প্রাথমিক তদন্ত:
অনুচ্ছেদ (২) অনুসারে আবেদন খারিজ করা না হইলে, সঙ্গত কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া ইপিজেড শ্রম আদালত অন্য কোনো পক্ষকে অবহিত করিবার পূর্বে দরখাস্তকারীকে তাহার আবেদনের অনুকূলে সাক্ষ্য-প্রমাণ হাজির করিতে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং উক্ত প্রমাণাদি বিবেচনার পর আদালত যদি মনে করে যে, দাবির পিছনে কোনো সঙ্গত যুক্তি নাই তবে কারণ উল্লেখপূর্বক আদালত আবেদন খারিজ করিতে পারিবে।
(৪) প্রতিপক্ষকে নোটিশ প্রদান:
অনুচ্ছেদ (২) ও (৩) অনুসারে যদি ইপিজেড শ্রম আদালত আবেদন খারিজ না করিয়া থাকে তবে ইপিজেড শ্রম আদালত প্রতিপক্ষের নিকট উক্ত দরখাস্তের কপি এবং শুনানির তারিখ সম্বলিত একটি নোটিশ প্রেরণ করিবে।
(৫) প্রতিপক্ষের হাজিরা ও জবানবন্দি:
(ক) প্রথম শুনানির সময় বা উহার পূর্বে প্রতিপক্ষ আবেদনের জবাবে একটি লিখিত বিবৃতি দাখিল করিতে পারিবেন এবং অনুরূপ লিখিত জবাব মামলার রেকর্ডভুক্ত হইবে;
(খ) প্রতিপক্ষ যদি দাবির বিরোধিতা করিতে চাহেন এবং যদি কোনো লিখিত জবাব দাখিল না করেন তবে ইপিজেড শ্রম আদালত তাহার জবানবন্দি গ্রহণ এবং সারাংশ লিপিবদ্ধ করিবে।
(৬) বিচার্য বিষয় নির্ধারণ:
(ক) কোনো লিখিত জবাব বিবেচনা এবং পক্ষসমূহের জিজ্ঞাসাবাদের ফলাফল বিবেচনার পর, আদালত যেই সকল ঘটনা বা আইনের বাস্তব প্রশ্নে পক্ষগণের মধ্যে দ্বিমত রহিয়াছে সেই সকল বিষয় নিরূপণ করিয়া বিচার্য বিষয় পৃথকভাবে নির্ধারণের জন্য অগ্রসর হইবে এবং তাহার মতে মোকদ্দমার সঠিক সিদ্ধান্তের জন্য যে সব বিষয় নিষ্পত্তি প্রয়োজন অনুরূপ বিচার্য বিষয়সমূহ রেকর্ড করিবে;
(খ) বিচার্য বিষয় রেকর্ড করিবার সময়, ইপিজেড শ্রম আদালত স্বীয়মতে ঘটনা সম্পর্কিত বিচার্য বিষয় এবং আইন সম্পর্কিত বিচার্য বিষয়সমূহ পৃথক করিবে।
(৭) আইনগত বিচার্য বিষয় উত্থাপিত হইলে ঘটনাগত বিচার্য বিষয়ে বিচার স্থগিত করিবার ক্ষমতা:
কোনো ক্ষেত্রে একই মোকদ্দমায় আইনগত এবং ঘটনাগত বিচার্য বিষয় উত্থাপিত হইলে এবং যদি ইপিজেড শ্রম আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, কেবল মাত্র আইনগত প্রশ্নেই মোকদ্দমাটি নিষ্পত্তি করা সম্ভব, সেইক্ষেত্রে আইনগত বিচার্য বিষয়সমূহ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ঘটনাগত বিষয়ের নিষ্পত্তি স্থগিত রাখিতে পারিবে।
(৮) ডায়েরি:
ইপিজেড শ্রম আদালত তাহার স্বাক্ষরে আবেদনপত্রসমূহের উপর গৃহিত কার্যক্রমের সংক্ষিপ্ত বর্ণনার একটি ডায়েরি সংরক্ষণ করিবে।
(৯) মুলতুবিকরণের রেকর্ড:
ইপিজেড শ্রম আদালত যদি মনে করে যে, একটি শুনানিতে কোনো আবেদন নিষ্পত্তি করা সম্ভব নয় এবং অধিক শুনানির জন্য মুলতুবি রাখা প্রয়োজন তাহা হইলে উহার কারণসমূহ রেকর্ডভুক্ত রাখিবে।
(১০) রায়:
(ক) ইপিজেড শ্রম আদালতকে আদেশ প্রদানের সময় প্রতিটি বিচার্য বিষয়ে উহার সিদ্ধান্ত এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের কারণসমূহ সংক্ষিপ্তভাবে রায়ে উল্লেখ করিতে হইবে; এবং
(খ) ইপিজেড শ্রম আদালত উহার রায়ে স্বাক্ষর ও তারিখ প্রদান করিবার সময়, তাহার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করিবে এবং পরবর্তীতে কেবলমাত্র আকস্মিক অসাবধানতা বা বাদ পড়ে যাইবার কোনো করণিক বা গাণিতিক ভুল সংশোধন ব্যতীত অন্য কোনো রকম সংশোধন করিতে পারিবে না।
(১১) সাক্ষীদের সমন প্রদান:
কার্যক্রমের যে কোনো পক্ষ সাক্ষী মানিয়া কোনো আবেদন দায়ের করিলে, যদি আদালত মোকদ্দমার সিদ্ধান্তের জন্য উক্ত সাক্ষীর উপস্থিতি অপ্রয়োজনীয় মনে না করেন, তবে অনুরূপ সাক্ষীকে হাজির হইবার জন্য সমন জারি করিতে পারিবে।
(১২) খরচ বহন বা অব্যাহতি:
ইপিজেড শ্রম আদালত অথবা ইপিজেড শ্রম ট্রাইবুনালে মোকদ্দমা বা আপিল সম্পর্কে আনুষাঙ্গিক খরচ উক্ত আদালতের বিবেচনা মতে ধার্য করিতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত যদি মনে করে যে, দরিদ্রতার কারণে আবেদনকারী নির্ধারিত খরচ প্রদানে অক্ষম, তবে আদালত অনুরূপ সকল বা যে কোনো খরচ প্রদান হইতে তাহাকে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবে।
(১৩) স্থানীয় তদন্তের জন্য প্রবেশের অধিকার:
কোনো ইপিজেড শ্রম আদালতের নিকট দুর্ঘটনা সংক্রান্ত কোনো তদন্ত বিবেচনাধীন থাকিলে সংশ্লিষ্ট শ্রমিক যেই স্থানে আহত হইয়াছেন অথবা যেই স্থানে কর্মরত রহিয়াছিলেন সেই স্থানে আদালত অথবা তাহার ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা সরেজমিনে অনুসন্ধানের উদ্দেশ্যে যে কোনো সময় প্রবেশ করিতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, ইপিজেড শ্রম আদালত কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকের সম্মতি ব্যতীত কেবল উক্ত প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কাজ চলিবার সময় প্রবেশ করিতে পারিবে।
(১৪) স্থানীয় তদন্ত সংক্রান্ত পদ্ধতি:
(ক) দুর্ঘটনার বিষয়ে সরেজমিনে তদন্তের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হইলে ইপিজেড শ্রম আদালত অনুরূপ তদন্ত সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহকে নোটিশের মাধ্যমে অবহিত করিবে, তবে ঘটনার জরুরি প্রকৃতি বিবেচনা করিয়া অনুরূপ সংবাদ অবহিত করা অসম্ভব মনে হইলে ইপিজেড শ্রম আদালত অথবা উহার ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা সংবাদ নাও অবহিত করিতে পারিবে;
(খ) অনুরূপ নোটিশ মৌখিক বা লিখিতভাবে প্রদান করা যাইবে এবং মালিকের বিষয় হইলে যাহাদের নিকট দাবি উপস্থাপন করা যাইতে পারে তাহাদের উপর অথবা ব্যক্তি প্রতিনিধির উপর উক্ত নোটিশ জারি করা যাইবে;
(গ) সরেজমিনে তদন্তের সময় সংশ্লিষ্ট পক্ষ বা তাহার প্রতিনিধি ইপিজেড শ্রম আদালতের সহিত যাইতে পারিবে;
(ঘ) সরেজমিনে তদন্তের সময় যে সকল বিষয় প্রত্যক্ষ করিবে ইপিজেড শ্রম আদালত উহা একটি স্মারকপত্রে সংক্ষেপে লিপিবদ্ধ করিবে এবং পক্ষসমূহের কেউ চাহিলে তাহাকে উহা প্রদর্শন করিবে; এবং
(ঙ) স্মারকপত্র মামলার নথি হিসাবে গণ্য হইবে।
(১৫) সংক্ষেপে জবানবন্দি গ্রহণের ক্ষমতা:
(ক) কোনো মামলায় আনুষ্ঠানিক শুনানির সময় ব্যতীত সরেজমিনে অনুসন্ধানের সময় বা অন্য যে কোনো সময় ইপিজেড শ্রম আদালত ঘটনা সম্পর্কে তথ্য প্রদান করিতে সক্ষম বোধ হইলে যে কোনো ব্যক্তিকে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে জিজ্ঞাসাবাদ করিতে পারিবে;
(খ) কোনো ব্যক্তিকে সংশ্লিষ্ট মামলার স্বাক্ষী হিসাবে তলব করা না হইলে এবং পক্ষসমূহ সেখানে উপস্থিত না থাকিলেও তাহাকে অনুরূপভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা যাইবে;
(গ) অনুচ্ছেদ (ক) অনুসারে কোনো ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণ করিবার সময় তাহার শপথ বাক্য পাঠ করিবার প্রয়োজন হইবে না;
(ঘ) অনুচ্ছেদ (ক) অনুসারে গৃহীত বিবৃতি যদি লিপিবদ্ধ করা হয়, তবে বিবৃতিদাতা উহাতে স্বাক্ষর প্রদান করিবেন;
(ঙ) অনুচ্ছেদ (ক) অনুসারে যে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হইয়াছে, তিনি যদি সাক্ষ্য প্রদান করিবার সময় তাহার উপরিউক্ত লিপিবদ্ধ জবানবন্দি বিরোধী কিছু বলেন, তবে ইপিজেড শ্রম আদালত এ বিষয়ে তাহার দৃষ্টি আকর্ষণ করিতে পারিবে; এবং
(চ) যেইক্ষেত্রে পক্ষগণের মাধ্যমে চুক্তি অনুসারে মোকদ্দমা নিষ্পত্তি করা হয়, সেইক্ষেত্রে ইপিজেড শ্রম আদালত অনুচ্ছেদ (ক) অনুসারে লিপিবদ্ধ কোনো বিবৃতি নথিভুক্ত করিতে পারিবে।
(১৬) সংশ্লিষ্ট মোকদ্দমার পদ্ধতি:
(ক) একই দুর্ঘটনা হইতে উদ্ভূত ২ (দুই) বা ততোধিক মোকদ্দমা ইপিজেড শ্রম আদালতের নিকট বিচারাধীন থাকিলে, এবং অনুরূপ ২ (দুই) বা ততোধিক মোকদ্দমায় একই সাধারণ বিচার্য বিষয় জড়িত থাকিলে, অনুরূপ বিচারাধীন মামলাসমূহ একীভূত করিয়া একটি মামলা হিসাবে পরিচালিত হইবে;
(খ) কোনো ক্ষেত্রে অনুচ্ছেদ (ক) অনুযায়ী ব্যবস্থা গৃহীত হইলে সাধারণ বিচার্য বিষয়ের উপর ভিত্তিশীল সাক্ষ্য একটি মোকদ্দমার নথিতে রেকর্ডভুক্ত করিবে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষকে একীভূত মামলার পক্ষ হিসাবে বিবেচনায় লইতে হইবে।
(১৭) ফরমে দস্তখত করিবার নিয়ম:
ক্ষতিপূরণের রসিদ ব্যতীত অন্য যে কোনো ফরম, যাহা এই বিধিমালা অনুযায়ী আদালত কর্তৃক স্বাক্ষরিত হওয়া সমীচীন, উহা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে প্রাধিকারপ্রাপ্ত তাহার অধস্তন কোনো কর্মচারীও স্বাক্ষর করিতে পারিবেন।
(১৮) প্রতিবেদনের জন্য স্থানান্তর:
(ক) কোনো ইপিজেড শ্রম আদালত কর্তৃক কোনো বিষয় অন্য আদালতের নিকট প্রতিবেদনের জন্য স্থানান্তর করিবার ক্ষেত্রে দলিলপত্রাদির সহিত যে বিষয়ের উপর প্রতিবেদন প্রয়োজন সে বিষয়ে উত্তরের জন্য সাজানো প্রশ্নাকারে একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা উক্ত আদালতের নিকট প্রেরণ করিবে;
(খ) যে আদালতের নিকট রিপোর্টের জন্য কোনো মামলা স্থানান্তরিত হইয়াছে উহাকে কোনো আইনগত প্রশ্নে কোনো প্রতিবেদন প্রদান করিতে হইবে না।
(১৯) যেইক্ষেত্রে প্রতিনিধি নিযুক্ত করিতে হইবে:
কোনো কার্যক্রমে পক্ষভুক্ত কোনো ব্যক্তি হাজির হইতে অক্ষম হইলে, ইপিজেড শ্রম আদালত কোনো উপযুক্ত ব্যক্তিকে, যদি তিনি সম্মত হন, কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্য অনুরূপ পক্ষের প্রতিনিধিত্ব করিবার জন্য নিয়োগ করিতে পারিবে।
(২০) যেইক্ষেত্রে নূতন প্রতিনিধি নিয়োগ করিতে হইবে:
আদালত যদি মনে করে যে, অনুচ্ছেদ (১৯) অনুযায়ী নিযুক্ত প্রতিনিধি কর্তৃক সংশ্লিষ্ট পক্ষের স্বার্থ যথাযথভাবে রক্ষা হইতেছে না অথবা প্রতিনিধি হিসাবে নিযুক্ত ব্যক্তি যদি মৃত্যুবরণ করেন, অথবা প্রতিনিধি হিসাবে দায়িত্ব পালন করিতে অন্যভাবে অসমর্থ হন বা অপারগ হন, তবে আদালত উক্ত ব্যক্তির স্থলে অন্য কোনো ব্যক্তিকে প্রতিনিধি হিসাবে নিয়োগ করিবে।
সংশ্লিষ্ট বিধি: বিধি ১৫২
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি সরকারি উৎস: বাংলাদেশ গেজেট (dpp.gov.bd)