চূর্ণকারীর দায়িত্ব
প্রত্যেক চূর্ণকারীর দায়িত্ব হইবে নিম্নরূপ, যথা:—
(ক) বিধি ১০ ও ১২ অনুযায়ী নিবন্ধন ও পরিবেশগত ছাড়পত্র গ্রহণ;
(খ) পরিবেশ এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয় এইরূপে ই-বর্জ্য সংরক্ষণ বা মজুদ এবং পরিবহন;
(গ) পরিবেশ বা জনস্বাস্থ্যের উপর বিরূপ প্রভাব না পড়ে এইরূপে ই-বর্জ্য চূর্ণকরণ;
(ঘ) অধিদপ্তর কর্তৃক প্রকাশিত দিক-নির্দেশনা অনুযায়ী চূর্ণ প্রক্রিয়াজাতকরণ;
(ঙ) চূর্ণ ই-বর্জ্য পৃথক করা এবং তাহা পুনরুদ্ধারের জন্য পুনঃব্যবহারোপযোগীকরণ স্থানে প্রেরণ;
(চ) পরিত্যজন বা ধ্বংসকরণ অযোগ্য উপাদান অনুমোদিত প্রক্রিয়াকরণ গুদামে বা ভষ্মীভূতকরণ স্থানে প্রেরণ;
(ছ) অধিদপ্তর কর্তৃক নির্ধারিত স্থানে এবং পদ্ধতিতে ই-বর্জ্য চূর্ণকরণ;
(জ) যে সকল ই-বর্জ্য (ফ্লুরোসেন্ট এবং মারকারীযুক্ত ল্যাম্প) পূর্ণ প্রক্রিয়াকরণ সম্ভব নয় সেই সকল ই-বর্জ্য পরিবেশসম্মত উপায়ে মজুদ বা গুদামজাত এবং নিষ্পত্তির ব্যবস্থা গ্রহণ;
(ঝ) ফ্লুরোসেন্ট এবং মারকারীযুক্ত ল্যাম্প নিষ্পত্তির পূর্বে পারদ নিশ্চল (immobilise) এবং বর্জ্য আয়তন হ্রাস করিবার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রাক-ব্যবস্থা (pre-treatment) নিশ্চিতকরণ; এবং
(ঞ) সংশ্লিষ্ট শ্রমিকগণকে ই-বর্জ্যের স্বাস্থ্যঝুঁকি বিষয়ে অবহিতকরণ।
তথ্যসূত্র: ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য (ই-বর্জ্য) ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২১ — এস. আর. ও. নং ১৮৭-আইন/২০২১, তারিখ ৩ জুন ২০২১; বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত), ১০ জুন ২০২১, গেজেট PDF-এর পৃষ্ঠা ৫। মূল গেজেট (PDF)। হালনাগাদ: ০৯ অক্টোবর ২০২৬।