RMG Code — Rules for a Better TomorrowRMG Code
মজুরি CO₂e
শ্রম আইন
হোম · শ্রম আইন · BLA · আইনের তফসিল · তৃতীয় তফসিল

তৃতীয় তফসিল — পেশাগত ব্যাধির তালিকা

হালনাগাদ পাঠ: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৪৩ নং আইন)-এর ধারা ৯২ দ্বারা প্রতিস্থাপিত, গেজেট ও কার্যকর ১০ এপ্রিল ২০২৬ · যাচাই: ১৭ অক্টোবর ২০২৬

তৃতীয় তফসিল

পেশাগত ব্যাধির তালিকা

[ধারা ১৫০(৩) দ্রষ্টব্য]

ক-অংশ

ক্রমিকবিষয়
১।কর্মক্ষেত্রের কার্যক্রম হইতে উদ্ভূত উপাদানগুলোর সংস্পর্শে সৃষ্ট পেশাগত রোগসমূহ
১.১।রাসায়নিক উপাদান দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.১।বেরিলিয়াম বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.২।ক্যাডমিয়াম বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.৩।ফসফরাস বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.৪।ক্রোমিয়াম বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.৫।ম্যাঙ্গানিজ বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.৬।আর্সেনিক বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.৭।পারদ বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.৮।সীসা বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.৯।ফ্লুরিন বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.১০।কার্বন ডিসালফাইড দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.১১।অ্যালিফ্যাটিক বা অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বনের হ্যালোজেন ডেরিভেটিভ দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.১২।বেনজিন বা তার সমজাতীয় যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.১৩।বেনজিন বা তার সমজাতীয় যৌগের নাইট্রো ও অ্যামিনো ডেরিভেটিভ দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.১৪।নাইট্রোগ্লিসারিন বা অন্যান্য নাইট্রিক অ্যাসিড ইস্টার দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.১৫।অ্যালকোহল, গ্লাইকোল বা কিটোন দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.১৬।দমবন্ধকারী গ্যাস যেমনঃ কার্বন মনো-অক্সাইড, হাইড্রোজেন সালফাইড, হাইড্রোজেন সায়ানাইড বা এর ডেরিভেটিভ
১.১.১৭।অ্যাক্রিলোনাইট্রাইল দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.১৮।নাইট্রোজেন অক্সাইড দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.১৯।ভ্যানেডিয়াম বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.২০।অ্যান্টিমনি বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.২১।হেক্সেন দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.২২।খনিজ অ্যাসিড দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.২৩।ফার্মাসিউটিক্যাল উপাদান দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.২৪।নিকেল বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.২৫।থ্যালিয়াম বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.২৬।ওসমিয়াম বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.২৭।সেলেনিয়াম বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.২৮।কপার বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.২৯।প্লাটিনাম বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.৩০।টিন বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.৩১।জিঙ্ক বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.৩২।ফসজিন দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.৩৩।বেঞ্জোকুইনোন-এর মতো কর্নিয়া উত্তেজক দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.৩৪।অ্যামোনিয়া দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.৩৫।আইসোসায়ানেট দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.৩৬।কীটনাশক দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.৩৭।সালফার অক্সাইড দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.৩৮।জৈব দ্রাবক দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.৩৯।ল্যাটেক্স বা ল্যাটেক্সযুক্ত পণ্য দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.৪০।ক্লোরিন দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.১.৪১।অন্যান্য রাসায়নিক উপাদান (যা উপরোক্ত তালিকায় নেই) যাহা কর্মক্ষেত্র থেকে উদ্ভূত এবং বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত বা জাতীয় প্রেক্ষাপটে নির্ধারিত পদ্ধতিতে সম্পর্কিত রোগ সৃষ্টি করে
১.২।শারীরিক উপাদান (ফিজিক্যাল এজেন্ট) দ্বারা সৃষ্ট রোগ:—
১.২.১।শব্দ দ্বারা শ্রবণক্ষমতা হ্রাস
১.২.২।কম্পন দ্বারা সৃষ্ট রোগ (পেশি, টেন্ডন, হাড়, জয়েন্ট, স্নায়ু বা রক্তনালীর ব্যাধি)
১.২.৩।চাপে বা কম চাপে বায়ুর সংস্পর্শে সৃষ্ট রোগ
১.২.৪।আয়নাইজিং রেডিয়েশন দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.২.৫।অপটিক্যাল রেডিয়েশন (UV, দৃশ্যমান আলো, ইনফ্রারেড) সহ লেজার দ্বারা সৃষ্ট রোগ
১.২.৬।চরম তাপমাত্রার সংস্পর্শে সৃষ্ট রোগ
১.২.৭।অন্যান্য শারীরিক উপাদান যাহা পূর্বের তালিকায় নেই, কিন্তু বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত
১.৩।জীবাণু ও সংক্রমণ/পরজীবী রোগসমূহ:—
১.৩.১।ব্রুসেলোসিস
১.৩.২।হেপাটাইটিস ভাইরাস
১.৩.৩।এইচআইভি
১.৩.৪।টিটেনাস
১.৩.৫।যক্ষ্মা
১.৩.৬।ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক দ্বারা সৃষ্ট টক্সিক বা প্রদাহজনক সিনড্রোম
১.৩.৭।অ্যানথ্রাক্স
১.৩.৮।লেপ্টোস্পাইরোসিস
১.৩.৯।অন্যান্য জৈব উপাদান দ্বারা সৃষ্ট রোগ যেখানে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ রয়েছে

খ-অংশ

ক্রমিকবিষয়
২।অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অনুযায়ী পেশাগত রোগসমূহ:—
২.১।শ্বাসতন্ত্রের রোগ
২.১.১.ফাইব্রোজেনিক খনিজ ধুলা দ্বারা সৃষ্ট নিউমোকোনিওসিস (সিলিকোসিস, অ্যানথ্রাকো-সিলিকোসিস, অ্যাসবেস্টোসিস)
২.১.২.সিলিকোটিউবারকুলোসিস
২.১.৩.অ-ফাইব্রোজেনিক খনিজ ধুলা দ্বারা সৃষ্ট নিউমোকোনিওসিস
২.১.৪.সাইডেরোসিস
২.১.৫.হার্ড-মেটাল ধুলা দ্বারা সৃষ্ট ব্রঙ্কোপালমোনারি রোগ
২.১.৬.তুলা (বাইসিনোসিস), ফ্ল্যাক্স, হেম্প, সিসাল বা আখের ধুলা (বাগাসোসিস) দ্বারা সৃষ্ট ব্রঙ্কোপালমোনারি রোগ
২.১.৭.স্বীকৃত সংবেদনশীলতা সৃষ্টিকারী উপাদান দ্বারা সৃষ্ট কর্ম-সম্পর্কিত হাঁপানি
২.১.৮.জৈব ধুলা বা মাইক্রোবায়াল দূষিত অ্যারোসল শ্বাস নেওয়ার ফলে সৃষ্ট এক্সট্রিনসিক অ্যালার্জিক অ্যালভিওলাইটিস
২.১.৯.কয়লা ধুলা, পাথরের খনি ধুলা, কাঠের ধুলা, শস্য ও কৃষি কাজের ধুলা, পশু খামারের ধুলা, টেক্সটাইল ও কাগজের ধুলা শ্বাস নেওয়ার ফলে সৃষ্ট দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসকষ্টজনিত রোগ
২.১.১০.অ্যালুমিনিয়াম দ্বারা সৃষ্ট ফুসফুসের রোগ
২.১.১১.উপরের শ্বাসনালির রোগ, স্বীকৃত সংবেদনশীলতা সৃষ্টিকারী উপাদান দ্বারা সৃষ্ট
২.১.১২.অন্যান্য শ্বাসযন্ত্রের রোগ যেখানে বৈজ্ঞানিকভাবে বা প্রাসঙ্গিক পদ্ধতিতে সরাসরি সম্পর্ক স্থাপন করা হয়েছে
২.২।চর্মরোগ:—
২.২.১.কর্মক্ষেত্র থেকে উদ্ভূত স্বীকৃত অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী উপাদান দ্বারা সৃষ্ট অ্যালার্জিক কনট্যাক্ট ডার্মাটোসিস ও কনট্যাক্ট আউর্টিকারিয়া
২.২.২.কর্মক্ষেত্র থেকে উদ্ভূত স্বীকৃত সংবেদনশীল উপাদান দ্বারা সৃষ্ট ইরিট্যান্ট কনট্যাক্ট ডার্মাটোসিস
২.২.৩.কর্মক্ষেত্র থেকে উদ্ভূত স্বীকৃত উপাদান দ্বারা সৃষ্ট ভিটিলিগো
২.৩.৪.অন্যান্য চর্মরোগ যাহা শারীরিক, রাসায়নিক বা জৈবিক উপাদানের সংস্পর্শে হয় এবং বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত
২.৩।মাস্কিউলোস্কেলেটাল রোগ:—
২.৩.১.কবজির অতিরিক্ত বা জোরালো চলাচল ও চরম ভঙ্গির কারণে রেডিয়াল স্টাইলয়েড টেনোসাইনোভাইটিস
২.৩.২.হাত ও কবজির দীর্ঘস্থায়ী টেনোসাইনোভাইটিস
২.৩.৩.কনুইয়ে দীর্ঘ সময় চাপের কারণে ওলেক্রানন বার্সাইটিস
২.৩.৪.দীর্ঘ সময় হাঁটু গেঁড়ে বসে থাকার কারণে প্রিপ্যাটেলার বার্সাইটিস
২.৩.৫.অতিরিক্ত জোরালো বা পুনরাবৃত্ত কাজের কারণে এপিকন্ডাইলাইটিস
২.৩.৬.হাঁটু গেঁড়ে বা বসে কাজ করার ফলে মেনিস্কাসে ক্ষতি
২.৩.৭.বারবার জোরালো কাজ, কম্পনযুক্ত কাজ বা কবজির চরম ভঙ্গির ফলে কার্পাল টানেল সিনড্রোম
২.৩.৮.অন্যান্য মাস্কিউলোস্কেলেটাল রোগ যেখানে বৈজ্ঞানিকভাবে কর্মঝুঁকির সহিত সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে
২.৪।মানসিক ও আচরণগত ব্যাধি:—
২.৪.১।পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার
২.৪.২।অন্যান্য মানসিক বা আচরণগত ব্যাধি
৩।পেশাগত ক্যান্সার
৩.১।নিম্নোক্ত উপাদান দ্বারা সৃষ্ট ক্যান্সার, যথা:—
৩.১.১.অ্যাসবেস্টস
৩.১.২.বেনজিডিন এবং এর লবণ
৩.১.৩.বিস-ক্লোরোমিথাইল ইথার (BCME)
৩.১.৪.ক্রোমিয়াম VI যৌগ
৩.১.৫.কয়লা টার, কয়লা টার পিচ অথবা সোয়েট
৩.১.৬.বিটা-ন্যাফথাইলামিন
৩.১.৭.ভিনাইল ক্লোরাইড
৩.১.৮.বেনজিন
৩.১.৯.বেনজিন বা এর সমজাতীয় যৌগের বিষাক্ত নাইট্রো ও অ্যামিনো ডেরিভেটিভ
৩.১.১০.আয়নাইজিং রেডিয়েশন
৩.১.১১.টার, পিচ, বিটুমেন, মিনারেল অয়েল, অ্যানথ্রাসিন বা এসবের যৌগ/উৎপাদ বা অবশিষ্টাংশ
৩.১.১২.কোক ওভেন নির্গমন
৩.১.১৩.নিকেল যৌগ
৩.১.১৪.কাঠের ধুলা
৩.১.১৫.আর্সেনিক ও এর যৌগ
৩.১.১৬.বেরিলিয়াম ও এর যৌগ
৩.১.১৭.ক্যাডমিয়াম ও এর যৌগ
৩.১.১৮.ইরিওনাইট
৩.১.১৯.ইথিলিন অক্সাইড
৩.১.২০.হেপাটাইটিস বি ও সি ভাইরাস
৩.১.২১.অন্যান্য উপাদান দ্বারা সৃষ্ট ক্যান্সার যেখানে কর্মসংক্রান্ত সংযোগ প্রমাণিত হয়েছে
৪।অন্যান্য রোগ
৪.১।খনি শ্রমিকদের নিস্ট্যাগমাস
৪.২।অন্যান্য নির্দিষ্ট রোগ যাহা তালিকাভুক্ত নহে কিন্তু বৈজ্ঞানিকভাবে কর্মসংক্রান্ত সংস্পর্শে সৃষ্ট
সূত্র: বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত), ১০ এপ্রিল ২০২৬ — ২০২৬ সনের ৪৩ নং আইন, ধারা ৯২
২০০৬ সালের মূল তৃতীয় তফসিল দেখুন (এখন আর প্রযোজ্য নয়)

[ধারা ১৫০ (৩) দ্রষ্টব্য] পেশাগত ব্যাধির তালিকা

ক-অংশ

ক্রমিক নংপেশাগত ব্যাধিচাকুরী
১।এ্যানথ্রাক্স।যে কোন চাকুরী যাহা– (ক) উল, চুল, শক্ত ক্ষুদ্র লোম, জন্তুর মৃতদেহ অথবা পরিত্যাক্ত অংশ নিয়া কাজ করিতে হয়; (খ) এ্যানথ্রাক্স রোগে আক্রান্ত কোন জন্তু সংক্রান্ত কাজ করিতে হয়; অথবা (গ) কোন পণ্য দ্রব্য উঠানো-নামানো অথবা পরিবহনের সংগে সংশিস্নষ্ট কাজ করিতে হয়।
২।সংকুচিত বায়ুজনিত অসুস্থতা এবং ইহার পরিণাম।সংকুচিত বায়ুতে কোন প্রক্রিয়া চালানোর কাজ।
৩।সীসা ট্রেট্রাএথিলজাত বিষক্রিয়া।সীসা টেট্রাএথিল ব্যবহার করা হয় এমন কোন প্রক্রিয়ার কোন কাজ।
৪।নাইট্রাস ধোঁয়াজাত বিষক্রিয়া।নাইট্রাস ধোঁয়ার সম্মুখে উন্মুক্ত হইতে হয় এমন কোন প্রক্রিয়ায় কাজ।
৫।ম্যাংগানিজ জাত বিষক্রিয়া।ম্যাংগানিজ অথবা ম্যাংগানিজ মিশ্রিত কোন বস্তু অথবা ম্যাংগানিজ আছে এমন কোন বস্ত ব্যবহার করা, নাড়া-চাড়া করা, অথবা উহা হইতে উত্থিত ধোঁয়া, ধূলা বা বাষ্পের সম্মুখে উন্মুক্ত হইতে হয় এমন কোন কাজ করা।
৬।কার্বন-বাইসালফাইড জাত বিষক্রিয়া।কার্বন-বাই সালফাইড, অথবা কার্বন-বাই সালফাইড মিশ্রিত কোন বস্তু অথবা কার্বন-বাই সালফাইড আছে এমন কোন বস্তু ব্যবহার করা, অথবা নাড়া-চাড়া করা অথবা উহা হইতে উত্থিত ধোঁয়া বা বাষ্পের সম্মুখে উন্মুক্ত হইতে হয় এমন কোন কাজ করা।
৭।ট্রেট্রাক্লোরিথিনজাত বিষক্রিয়া।ট্রেট্রাক্লোরিথিন আছে এমন কোন বস্তু ব্যবহার করা বা নাড়া-চাড়া করা, অথবা উহা আছে এরূপ কোন বাষ্প বা ধোঁয়ার সম্মুখীন হইতে হয় এমন কোন কাজ করা।
৮।কীটনাশকজাত বিষক্রিয়া।কীটনাশক ঔষধ ছড়ানোর কোন কাজ।

খ- অংশ

ক্রমিক নংপেশাগত ব্যাধিচাকুরী
৯।লেপটোসপিরা ইকটেরো হিমো রেজিকাজাত সংক্রমণ।ইঁদুর অধ্যুষিত স্থানে কাজ করা।
১০।ডিনিট্রোফেনল বা হোমেলগজাত বিষক্রিয়া।ডিনিট্রোফেনল বা উহার সদৃশ কোন বস্তু ব্যবহার বা নাড়া-চাড়া করা অথবা উহা হইতে উত্থিত ধোঁয়া বা বাষ্পের সম্মুখীন হইতে হয় এরূপ কোন কাজ করা।
১১।ট্রাইক্রিসিল ফসফেটজাত বিষক্রিয়া।ট্রাইক্রিসিল ফসফেট আছে এমন কোন বস্তু ব্যবহার বা নাড়া-চাড়া করা অথবা উহা হইতে উত্থিত ধোঁয়া বা বাষ্পের সম্মুখীন হইতে হয় এরূপ কোন কাজ করা।
১২।ক্রোমজাত ক্ষত বা ইহার পরিণাম।ক্রোম জাত এসিড, ক্রোমেট অথবা এমোনিয়ামের বাইক্রোমেট, পটাশিয়াম, সোডিয়াম অথবা দস্তা অথবা এসব বস্তু দ্বারা তৈরী বস্তু বা মিশ্রণ ব্যবহার করা বা নাড়া-চাড়া করার কাজ।
১৩।গলিত কাঁচ বা গলিত বা উত্তপ্ত ধাতু হইতে বিচ্ছুরিত আলোকচ্ছটা বা চোখ ঝলসানো আলোক হইতে সংক্রমণ।গলিত কাঁচ বা গলিত বা উত্তপ্ত ধাতু হইতে বিচ্ছুরিত আলোকচ্ছটা বা চোখ ঝলসানো আলোর সম্মুখে ঘন ঘন বা দীর্ঘক্ষণ থাকিতে হয় এমন কোন কাজ।
১৪।বেরিল্‌লিয়ামজাত বিষক্রিয়া।বেরিল্‌লিয়াম অথবা বেরিল্‌লিয়াম মিশ্রিত কোন বস্তু অথবা বেরিল্‌লিয়াম আছে এমন কোন বস্তু ব্যবহার করা, নাড়া-চাড়া করা, অথবা উহা হইতে উত্থিত ধোঁয়া, ধূলা বা বাষ্পের সম্মুখে উন্মুক্ত হইতে হয়, এমন কোন কাজ করা।
১৫।নাকের ঝিলিস্নর শেস্নষ্মায় কারসিনোমা বা বাতাসের সঙ্গে সাইনাস অথবা ব্রাংকাস বা ফুসফুসের প্রাথমিক কারসিনোমো।এমন কোন কারখানায় কাজ যেখানে গ্যাস সংযুক্ত নিকেলের সংমিশ্রণ বিগলন করিয়া নিকেল প্রস্তুত করা হয় এবং উক্তরূপ প্রক্রিয়া বা তৎসংক্রান্ত অন্য কোন প্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য কোন ভবনে কাজ করার প্রয়োজন হয়।
১৬।মূত্র থলির পেপিলোমা।(ক) এমন কোন ভবনে কাজ যেখানে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে নিম্নলিখিত জিনিষ প্রস্তুত হয়, যথাঃ– (১) আলফা-রেপথাইলামাইন, বেটান্যাপথাইলামাইন, অথবা বেনজিডাইন, অথবা ইহাদের কোন লবণ; (২) অরামাইন অথবা মেজেনটা; (খ) প্যারা (ক) (১) এ উলিস্নখিত কোন বস্তু ব্যবহার বা নাড়া-চাড়া করার কাজ, অথবা উক্তরূপ কোন জিনিষ ব্যবহৃত হয় অথবা বাহির হয় এরূপ কোন প্রক্রিয়ায় কাজ।
১৭।সীসাজাত বিষক্রিয়া অথবা ইহার পরিণাম (সীসা-ট্রেট্রাএথিল জাত বিষক্রিয়া ব্যতীত)।সীসা-ট্রেট্রাএথিল ব্যতীত, সীসা বা ইহার দ্বারা উৎপাদিত বা সংমিশ্রিত কোন জিনিষের ব্যবহার হয় এরূপ কোন প্রক্রিয়ায় কাজ।
১৮।ফসফরাস জাত বিষক্রিয়া অথবা ইহার পরিণাম।ফসফরাস বা ইহার দ্বারা উৎপাদিত বা সংমিশ্রিত কোন জিনিষের ব্যবহার হয় এরূপ কোন প্রক্রিয়ায় কাজ।
১৯।পারদ জাত বিষক্রিয়া বা ইহার পরিণাম।পারদ বা ইহার দ্বারা উৎপাদিত বা সংমিশ্রিত কোন জিনিসের ব্যবহার হয় এরূপ কোন প্রক্রিয়ায় কাজ।
২০।বেনজিন এবং ইহার সদৃশ পদার্থজাত বিষক্রিয়া অথবা ইহার পরিণাম।বেনজিন অথবা ইহার সদৃশ কোন বস্তু নাড়া-চাড়া, এবং বেনজিন অথবা উহার সদৃশ বস্ত প্রস্তুত হয় বা ব্যবহার হয় এরূপ কোন প্রক্রিয়ায় কাজ।
২১।আর্সেনিকজাত বিষক্রিয়া বা ইহার পরিণাম।আর্সেনিক বা ইহার সংমিশ্রণ উৎপন্ন হয়, ছাড়া হয় অথবা ব্যবহার হয়-এরূপ কোন প্রক্রিয়ায় কাজ।
২২।এক্স-রে, রেডিয়াম বা অন্য কোন তেজষ্ক্রিয় পদার্থ জনিত কারণে দৈহিক বিকার।এক্স-রে, অথবা রেডিয়াম বা অন্য কোন তেজষ্ক্রিয় পদার্থের সম্মুখে উন্মুক্ত হইতে হয়, এরূপ কোন প্রক্রিয়ায় কাজ।
২৩।চামড়ায় প্রাথমিক এপিথিলমেটাস ক্যান্সার।আলকাতরা, পিচ, বিটুমিন, খনিজতৈল, প্যারাফিন অথবা ইহাদের কোন সংমিশ্রণ, বা উৎপন্ন দ্রব্য অথবা উহাদের কোন বর্জ্য দ্রব্যের ব্যবহার ও নাড়া-চাড়া করিতে হয়-এরূপ কোন প্রক্রিয়ায় কাজ।
২৪।সিলিকসিস্‌।সিলিকা সংমিশ্রিত আছে এরূপ কোন ধূলা-বালিতে শ্বাস নেওয়ার সম্মুখীন হইতে হয়-এরূপ কোন প্রক্রিয়ার কাজ।
২৫।কয়লা খনির শ্রমিকগণের নিউমিকোনিয়সিস্‌।কয়লা খনির যে কোন কাজ।
২৬।এ্যাসবেসটোসিস্‌।ফাইবার সিমেন্ট উপাদান অথবা এসবেসটস মিল বোর্ড উৎপাদনের কাজে নিযুক্তি, অথবা এ্যাসবেসটস আছে এরূপ আকরিকের উৎপাদন প্রক্রিয়ায় নিযুক্তি।
২৭।ব্যাগসোসিস্‌।ব্যাগাসী মিল বোর্ড অথবা ব্যাগাসি হইতে অন্য কোন জিনিষ প্রস্তুত করিবার কাজ।
২৮।বাইসিনোসিস্‌।কাঁচা তুলা হইতে সুতা তৈরী হয় এরূপ কোন কারখানার তুলা-ঘর, বেস্নাইং-রুম অথবা কার্ডিং রুমে কোন কাজ।
২৯।লেখকের পেশি সংকোচন।দীর্ঘকালব্যাপী হাতে লিখার কোন কাজ।
৩০।পাকানোওয়ালার পেশি সংকোচন।তুলা বা উলের সুতা পাকানোর কোন কাজ।
৩১।খনিতে কর্মরত শ্রমিকগণের নিষ্টাগ্‌মাসস্বল্প আলোকিত খনিতে কাজ।
৩২।চর্ম প্রদাহ।(১) জৈব বা অজৈব রাসায়নিক ব্যবহার অথবা নাড়া-চাড়া করা হয়-এমন কাজ। (২) হাত দ্বারা বস্তু নাড়া-চাড়া করিতে হয়-এমন কোন কাজ।
৩৩।ফুসফুসের ফাইব্রোসিস্‌।পাট ও তুলার আঁশ ব্যবহার হয়-এরূপ প্রক্রিয়ায় কোন কাজ।

সংশ্লিষ্ট ধারা: ধারা ১৫০

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ গেজেট (মূল গেজেট কপি)। বিকল্প সরকারি উৎস সরকারি উৎস: বাংলাদেশ গেজেট (dpp.gov.bd)