পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রদান পদ্ধতি
(১) অবস্থানগত ছাড়পত্র প্রাপ্তির পর সংশ্লিষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠান বা প্রকল্প চালু করার উদ্দেশ্য উদ্যোক্তাকে পরিবেশগত ছাড়পত্র গ্রহণের জন্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে আবেদন করিতে হইবে।
(২) উপ-বিধি (১) এর অধীন আবেদন পাইবার পর অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কার্যালয় শিল্প প্রতিষ্ঠান বা প্রকল্প সরেজমিনে পরিদর্শন করিয়া অবস্থানগত ছাড়পত্রের শর্তাবলি, পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ প্রতিবেদনের সুপারিশসহ প্রাসঙ্গিক সকল বিষয় পর্যালোচনাক্রমে অভিমতসহ প্রতিবেদন প্রস্তুত করিবে।
(৩) উপ-বিধি (২) এর অধীন প্রস্তুতকৃত প্রতিবেদন অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ের পরিবেশগত ছাড়পত্র কমিটিতে প্রেরণ করিয়া উহার অনুলিপি প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলিক বা বিভাগীয় কার্যালয়ে প্রেরণ করিতে হইবে।
(৪) উপ-বিধি (২) এর অধীন প্রাপ্ত প্রতিবেদনসহ সংশ্লিষ্ট কাগজাদি পর্যালোচনাক্রমে পরিবেশগত ছাড়পত্র কমিটি সংশ্লিষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠান বা প্রকল্পের অনুকূল পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রদানের বিষয়ে মহাপরিচালকের নিকট অভিমতসহ সুপারিশ প্রদান করিবে।
(৫) উপ-বিধি (৪) অনুযায়ী প্রাপ্ত সুপারিশ মহাপরিচালক কর্তৃক অনুমোদিত হইবার পর সংশ্লিষ্ট কার্যালয় উক্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান বা প্রকল্পের অনুকূলে পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রদান করিবে।
(৬) সংশ্লিষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠান বা প্রকল্পের নিকট হইতে পরিবেশগত ছাড়পত্রের আবেদন প্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রদান করিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, পরিবেশগত ছাড়পত্রের আবেদনপত্র নামঞ্জুর করা হইলে নামঞ্জুরের সিদ্ধান্ত গ্রহণের অনধিক ৭ (সাত) কার্যদিবসের মধ্যে কারণ উল্লেখপূর্বক আবেদনকারীকে লিখিতভাবে অবহিত করিতে হইবে:
আরও শর্ত থাকে যে, লাল শ্রেণির শিল্প প্রতিষ্ঠান বা প্রকল্প চলমান থাকা অবস্থায় পরিবীক্ষণ প্রতিবেদন ও পরিবেশগত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনার কার্যকারিতা ও প্রাসঙ্গিক নূতন কোনো পরিবেশগত বা সামাজিক ইস্যু বিবেচনায় পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ প্রতিবেদন হালনাগাদ করিবার জন্য অধিদপ্তর কর্তৃক উদ্যোক্তাকে নির্দেশনা প্রদান করা যাইবে।
তথ্যসূত্র: পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ২০২৩ — এস, আর, ও নম্বর ৫৩/আইন/২০২৩, তারিখ ২ মার্চ ২০২৩; বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত), ৫ মার্চ ২০২৩, গেজেট PDF-এর পৃষ্ঠা ১২। মূল গেজেট (PDF)। হালনাগাদ: ০৯ অক্টোবর ২০২৬।