সালিশ
আইনের টেক্সট
১৩০। (১) যদি মীমাংসা কার্যক্রম ব্যর্থ হয়, তাহা হইলে মীমাংসাকারী উভয়পক্ষকে বিরোধটি নিষ্পত্তির লক্ষ্যে উহা কোনো সালিশকারীর নিকট প্রেরণ করিবার জন্য রাজি করাইতে চেষ্টা করিবেন এবং যদি পক্ষগণ বিরোধটি নিষ্পত্তির জন্য কোনো সালিশকারীর নিকট প্রেরণ করিতে রাজি হন, তাহা হইলে মীমাংসাকারী তাহাদের সকলের স্বীকৃত কোনো সালিশকারীর নিকট বিরোধটি নিষ্পত্তির জন্য যৌথ অনুরোধপত্র প্রেরণ করিবেন।
(২) উপ-ধারা (১) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে নির্বাহী চেয়ারম্যান সালিশকারীগণের একটি তালিকা প্রস্তুত করিবেন এবং অনুরূপ তালিকা সময় সময় সংশোধন করিতে পারিবেন।
(৩) সালিশকারী উপ-ধারা (১) অনুযায়ী অনুরোধ প্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে, অথবা পক্ষগণ কর্তৃক লিখিতভাবে স্বীকৃত কোনো বর্ধিত সময়ের মধ্যে তাহার রোয়েদাদ প্রদান করিবেন।
(৪) সালিশকারী তাহার রোয়েদাদ প্রদানের পর উহার কপি পক্ষগণকে এবং একটি কপি নির্বাহী চেয়ারম্যানের নিকট প্রেরণ করিবেন।
(৫) সালিশকারী কর্তৃক প্রদত্ত রোয়েদাদ চূড়ান্ত ও পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হইবে, এবং ইহার বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাইবে না।
(৬) সালিশকারী কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের জন্য অথবা অনধিক ২ (দুই) বৎসর পর্যন্ত কোনো রোয়েদাদ বৈধ থাকিবে।
(৭) যদি পক্ষগণ বিরোধটি নিষ্পত্তির জন্য কোনো সালিশকারীর নিকট প্রেরণে রাজি না হন, তাহা হইলে মীমাংসাকারী, মীমাংসা কার্যক্রম সফল না হইবার ৩ (তিন) দিনের মধ্যে, উহা ব্যর্থ হইয়াছে এই মর্মে একটি প্রত্যয়নপত্র পক্ষগণকে প্রদান করিবেন।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ (২০১৯ সনের ২ নং আইন), ধারা ১৩০ — bdlaws.minlaw.gov.bd। bdlaws-এ প্রকাশিত পাঠ (সংগ্রহের দিন পর্যন্ত কোনো সংশোধনী টীকা নেই)। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।
সংশ্লিষ্ট বিধি
ধর্মঘটের নোটিশ প্রদানের জন্য গোপন ভোটের আয়োজন
(১) আইনের ধারা ১৩০(৭) । অনুযায়ী ব্যর্থতার প্রত্যয়নপত্র প্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে যৌথ দরকষাকষি এজেন্ট ধর্মঘটের নোটিশ প্রদানের উদ্দেশ্যে গোপন ভোট অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করিবার জন্য নির্বাহী চেয়ারম্যান বরাবরে লিখিত অনুরোধ করিবে।
(২) নির্বাহী চেয়ারম্যান বা তাহার ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা উক্ত অনুরোধ প্রাপ্তির পরবর্তী ১৫(পনেরো) দিনের মধ্যে উক্ত প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক কল্যাণ সমিতির নির্বাহী পরিষদের সদস্যদের ভোটার হিসাবে গণ্য করিয়া গোপন ভোটের ব্যবস্থা করিবেন।
(৩) গোপন ভোটে ব্যবহৃত প্রতিটি ব্যালট পেপারে অথবা ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে ধর্মঘটের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ অথবা কোনো প্রতীক এবং ধর্মঘটের বিপক্ষে ‘না’ অথবা কোনো প্রতীক চিহ্নিত ২ (দুই)টি ঘর থাকিবে।
(৪) ভোটে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক সদস্য তাহার ইচ্ছা অনুযায়ী ব্যালট পেপারে উল্লিখিত ২(দুই)টি ঘরের মধ্য হইতে যে কোনো একটি ঘরে ‘টিক’ চিহ্ন বা ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে পুশের মাধ্যমে ভোট প্রদান করিবেন।
(৫) গোপন ভোট অনুষ্ঠানের পরবর্তী ২৪ (চব্বিশ) ঘণ্টার মধ্যে নির্বাহী চেয়ারম্যান বা তাহার ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা উহার ফলাফল লিখিত আকারে যৌথ দরকষাকষি এজেন্টকে প্রদান করিবেন এবং উহার একটি কপি মালিককে প্রদান করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, অন্যূন ৫১ (একান্ন) শতাংশ সদস্য সম্মতি প্রদান না করিলে যৌথ দরকষাকষি এজেন্ট ধর্মঘটের নোটিশ জারি করিবেন না।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি
বাস্তবায়ন নির্দেশিকা
এই ধারার নির্দেশিকা পরবর্তী ধাপে যুক্ত হবে।
নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।
BLA-এর সাথে পার্থক্য
BLA-এর সাথে পার্থক্য
এই ধারার জন্য আলাদা তুলনা নোট এখনও লেখা হয়নি।
BLA-এ সরাসরি সমতুল্য ধারা এখানে এখনও যুক্ত হয়নি।