কতিপয় প্রশ্ন ইপিজেড শ্রম আদালতে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ
আইনের টেক্সট
৮৬। (১) এই অধ্যায়ের অধীন কোনো কার্যক্রমে কোনো শ্রমিকের ক্ষতিপূরণ পরিশোধের দায় অথবা জখমপ্রাপ্ত ব্যক্তি শ্রমিক কিনা, অথবা ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ও মেয়াদ, অথবা কোনো অক্ষমতার প্রকৃতি বা পরিমাণ সম্পর্কে যদি কোনো প্রশ্ন উত্থাপিত হয়, তাহা হইলে প্রশ্নটি, কোনো চুক্তির অবর্তমানে, ইপিজেড শ্রম আদালত নিষ্পত্তি করিবে।
(২) এই অধ্যায়ের অধীন যে প্রশ্ন নিষ্পত্তি করিবার এখতিয়ার ইপিজেড শ্রম আদালতকে দেওয়া আছে, সে সম্পর্কে অথবা এই অধ্যায়ের অধীন কোনো দায় বলবৎ করিবার ব্যাপারে কোনো দেওয়ানী আদালতের এখতিয়ার থাকিবে না।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ (২০১৯ সনের ২ নং আইন), ধারা ৮৬ — bdlaws.minlaw.gov.bd। bdlaws-এ প্রকাশিত পাঠ (সংগ্রহের দিন পর্যন্ত কোনো সংশোধনী টীকা নেই)। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।
সংশ্লিষ্ট বিধি
ইপিজেড শ্রম আদালত বা ইপিজেড শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের
(১) । আইনের ধারা ২৮ অনুযায়ী কোনো অভিযোগ ফরম-১৮ অনুযায়ী দায়ের করিতে হইবে।
(২) আইনের ধারা ৬১ অনুযায়ী দাবি আদায়ের জন্য যথাক্রমে ফরম-৫১, ৫২ বা ক্ষেত্রমত ফরম- ৫৩ অনুযায়ী অভিযোগ দায়ের করিতে হইবে।
(৩) আইনের ধারা ৮৬ অনুযায়ী ফরম-৫৭, ৫৮ বা ক্ষেত্রমত ফরম-৫৯ অনুযায়ী অভিযোগ দায়ের বা প্রতিবেদন দাখিল করিতে হইবে।
(৪) আইনের ধারা ১৩৬ অনুযায়ী ফরম-৯৮ অনুযায়ী আপিল দায়ের করিতে হইবে।
(৫) অন্যান্য অপরাধের ক্ষেত্রে আইনে প্রদত্ত কোনো কর্তৃপক্ষ বা তাহার ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা সাদা কাগজে আবেদন করিবে।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি
বাস্তবায়ন নির্দেশিকা
এই ধারার নির্দেশিকা পরবর্তী ধাপে যুক্ত হবে।
নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।
BLA-এর সাথে পার্থক্য
BLA-এর সাথে পার্থক্য
এই ধারার জন্য আলাদা তুলনা নোট এখনও লেখা হয়নি।
BLA-এ সরাসরি সমতুল্য ধারা এখানে এখনও যুক্ত হয়নি।