মালিক-ক্রেতা-শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিলের অর্থের উৎস, ইত্যাদি
আইনের টেক্সট
১৭৩। নিম্নবর্ণিত হারে ও পদ্ধতিতে মালিক-ক্রেতা-শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিলের অর্থ আদায়যোগ্য হইবে, যথা :-
(ক) শিল্প প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি কার্যাদেশ (purchase order) এর বিপরীতে প্রাপ্ত নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ ;
(খ) ক্রেতা বা কার্যাদেশ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের অনুদান;
(গ) সরকার কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান;
(ঘ) দেশি-বিদেশি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অনুদান;
(ঙ) শ্রমিক কর্তৃক প্রদত্ত নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ;
(চ) তহবিলের অর্থ বিনিয়োগ থেকে প্রাপ্ত মুনাফা।
ব্যাখ্যা : এই ধারার উদ্দেশ্যে “ক্রেতা বা কার্যাদেশ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান” বলিতে শিল্প প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত পণ্য ক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানকে বুঝাইবে।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ (২০১৯ সনের ২ নং আইন), ধারা ১৭৩ — bdlaws.minlaw.gov.bd। bdlaws-এ প্রকাশিত পাঠ (সংগ্রহের দিন পর্যন্ত কোনো সংশোধনী টীকা নেই)। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।
সংশ্লিষ্ট বিধি
অংশগ্রহণ তহবিলের নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ
(১) কর্তৃপক্ষ মালিক ও শ্রমিকপক্ষের সহিত আলোচনাক্রমে অংশগ্রহণ তহবিলে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ বা হার নির্ধারণ করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, কর্তৃপক্ষ সময় সময় উল্লিখিত অর্থের হার বোর্ডের সহিত পরামর্শক্রমে পুনঃনির্ধারণ করিতে পারিবেন।
(২) প্রত্যেক শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিক সংশ্লিষ্ট ক্রেতা বা কার্যাদেশ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ গ্রহণ করিবার সময় উক্ত তহবিলের অনুদান প্রদানের বিষয়টি অবহিত করিবেন।
(৩) প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের লিয়েন ব্যাংক আইনের ধারা ১৭৩(ক) এ বর্ণিত অর্থ রপ্তানি আদেশের অর্থ হইতে সরকারি পাওনা হিসাবে আদায়পূর্বক পৃথক হিসাব বিবরণীসহ আদায়কৃত অর্থ তহবিলে জমা প্রদান করিবে।
(৪) এই বিধির উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে, সময় সময়, জারিকৃত নিদের্শনা অনুসরণ করিতে হইবে।
(৫) আইনের ধারা ১৭৩(খ), (গ) এবং (ঘ) এ বর্ণিত অনুদানের অর্থ তহবিলের ব্যাংক হিসাবে সরাসরি জমা প্রদান করিতে পারিবে এবং দফা (ঙ)-তে বর্ণিত অর্থ মালিক কর্তৃক শ্রমিকের মজুরি প্রদানকালে আদায়পূর্বক তহবিলের ব্যাংক হিসাবে জমা প্রদান করিবে।
অংশগ্রহণ তহবিলের অর্থ আদায় পদ্ধতি
(১) রপ্তানী কার্যাদেশ নগদায়নের সঙ্গে সঙ্গে আইনের ধারা ১৭৩(ক) এ বর্ণিত অর্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লিয়েন ব্যাংক তহবিলের ব্যাংক হিসাবে হস্তান্তর করিবে।
(২) ক্রেতা বা ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে আইনের ধারা ১৭৩(খ) তে বর্ণিত অর্থ এল.সি (লেটার অব ক্রেডিট) খুলিবার সময় স্বপ্রণোদিত হইয়া এল.সি তে তাহার অংশের কথা উল্লেখ করিতে পারিবে।
(৩) উল্লিখিত সময়ের মধ্যে লিয়েন ব্যাংক তহবিলে অর্থ জমা প্রদানে ব্যর্থ হইলে বোর্ড পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে উক্ত অর্থ জমাদানের জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।
(৪) উপ-বিধি (১) এর বিধান মতে লিয়েন ব্যাংক তহবিলে অর্থ প্রদানে ব্যর্থ হইলে উহা সরকারি দাবি হিসাবে আদায়যোগ্য হইবে, এবং বোর্ড প্রয়োজনীয় অন্যান্য আইনানুগ ব্যবস্থাও গ্রহণ করিতে পারিবে।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি
বাস্তবায়ন নির্দেশিকা
এই ধারার নির্দেশিকা পরবর্তী ধাপে যুক্ত হবে।
নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।
BLA-এর সাথে পার্থক্য
BLA-এর সাথে পার্থক্য
এই ধারার জন্য আলাদা তুলনা নোট এখনও লেখা হয়নি।
BLA-এ সরাসরি সমতুল্য ধারা এখানে এখনও যুক্ত হয়নি।