RMG Code — Rules for a Better TomorrowRMG Code
শ্রম আইন
ধারা২৮

অভিযোগ পদ্ধতি

৩টি বিধি

আইনের টেক্সট

২৮। (১) লে-অফ, ছাঁটাই, ডিসচার্জ, বরখাস্ত, অপসারণ অথবা অন্য যে কোনো কারণে চাকরির অবসান হইয়াছে এইরূপ শ্রমিকসহ যে কোনো শ্রমিকের, এই অধ্যায়ের অধীন কোনো বিষয় সম্পর্কে যদি কোনো অভিযোগ থাকে এবং যদি তিনি তৎসম্পর্কে এই ধারার অধীন প্রতিকার পাইতে ইচ্ছুক হন তাহা হইলে তিনি, অভিযোগের কারণ অবহিত হইবার তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে অভিযোগটি লিখিত আকারে রেজিস্ট্রি ডাকযোগে মালিকের নিকট প্রেরণ করিবেন :

তবে শর্ত থাকে যে, যদি মালিক বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অভিযোগটি সরাসরি গ্রহণ করিয়া লিখিতভাবে প্রাপ্তিস্বীকার করেন, সেই ক্ষেত্রে উক্ত অভিযোগটি রেজিস্ট্রি ডাকযোগে না পাঠাইলেও চলিবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন অভিযোগ তদন্ত, নিষ্পত্তি ও তৎসংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়াদি প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ (২০১৯ সনের ২ নং আইন), ধারা ২৮ — bdlaws.minlaw.gov.bd। bdlaws-এ প্রকাশিত পাঠ (সংগ্রহের দিন পর্যন্ত কোনো সংশোধনী টীকা নেই)। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।

সংশ্লিষ্ট বিধি

বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ · এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ৪ অক্টোবর ২০২২
বিধি ৩১

অভিযোগ পদ্ধতি

(১) লে-অফ, ছাঁটাই, ডিসচার্জ, বরখাস্ত, অপসারণ অথবা অন্য যে কোনো কারণে চাকরির অবসান হইয়াছে এইরূপ শ্রমিকসহ যে কোনো শ্রমিকের, আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের অধীন কোনো বিষয় সম্পর্কে যদি কোনো অভিযোগ থাকে এবং যদি তিনি আইনের ধারা ২৮ এর অধীন প্রতিকার পাইতে ইচ্ছুক হন তাহা হইলে তিনি অভিযোগের কারণ অবহিত হইবার তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে অভিযোগটি লিখিত আকারে নিবন্ধন ডাকযোগে শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকের নিকট প্রেরণ করিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, যদি মালিক বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ অভিযোগটি সরাসরি গ্রহণ করিয়া লিখিতভাবে প্রাপ্তি স্বীকার করেন, সেইক্ষেত্রে উক্ত অভিযোগটি নিবন্ধন ডাকযোগে না পাঠাইলেও চলিবে।

(২) মালিক বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ অভিযোগ প্রাপ্তির পর মালিক বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ পরবর্তী ১০ (দশ) দিনের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের একজনকে তদন্ত কর্মকর্তা মনোনীত করে অভিযোগটি তদন্তের ব্যবস্থা করিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, অভিযুক্ত ব্যক্তির নিম্নপদের কাউকে তদন্ত কর্মকর্তা মনোনয়ন করা যাইবে না।

(৩) তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগকারী শ্রমিককে শুনানির জন্য লিখিতভাবে নোটিশ জারি করিবেন এবং শ্রমিক উপস্থিত হইলে তাহার বক্তব্য গ্রহণপূর্বক তদন্ত কর্মকর্তা ১৫ (পনেরো) দিনের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করিয়া মালিকের নিকট উপস্থাপন করিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, শ্রমিক শুনানিতে উপস্থিত না হইলে তদন্ত কর্মকর্তা একতরফা তদন্ত সম্পন্ন করিয়া তাহার সিদ্ধান্ত লিখিতভাবে মালিককে জানাইবেন।

(৪) মালিক উক্ত রিপোর্ট অনুযায়ী তাহার সিদ্ধান্ত পরবর্তী ৫ (পাঁচ) দিনের মধ্যে লিখিতভাবে শ্রমিককে জানাইবেন।

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ৪ অক্টোবর ২০২২, পিডিএফ পৃষ্ঠা ২০
বিধি ৩২

অভিযোগ তদন্ত, নিষ্পত্তি ও প্রতিকার

(১) আইনের ধারা ২৮ এর অধীন মালিকের নিকট অভিযোগ প্রেরণ করার তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে মালিক সিদ্ধান্ত প্রদান করিতে ব্যর্থ হইলে অথবা, ক্ষেত্রমত, বিধি ২৬(৩) অনুযায়ী মালিকের সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হইলে কোনো শ্রমিক উক্ত সিদ্ধান্তের তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট জোনের যুগ্ম মহাপরিদর্শক বরাবর লিখিতভাবে অভিযোগ উপস্থাপন করিতে পারিবেন।

(২) উপ-বিধি (১) এর অধীন অভিযোগ প্রাপ্তির পর যুগ্ম মহাপরিদর্শক এক বা একাধিক কর্মকর্তার সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করিবেন।

(৩) তদন্ত কমিটি ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে যথাযথভাবে সকল পক্ষের শুনানি গ্রহণ করিয়া যুগ্ম মহাপরিদর্শক অথবা এতদুদ্দেশ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট প্রতিবেদন উপস্থাপন করিবে এবং তদন্ত প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর যুগ্ম মহাপরিদর্শক অথবা এতদুদ্দেশ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উহা যথাযথ বিবেচনাপূর্বক উক্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত প্রদান করিবেন।

(৪) উপ-বিধি (১), (২) ও (৩) এ যাহা কিছু থাকুক না কেন, যে কোনো শ্রমিকের কোনো বিষয় সম্পর্কে কোনো অভিযোগ থাকিলে এবং তিনি তৎসম্পর্কে এই বিধির অধীন প্রতিকার পাইতে ইচ্ছুক হইলে, তিনি বিষয়টি সরাসরি সংশ্লিষ্ট কাউন্সিলর কাম পরিদর্শকের নিকট উপস্থাপন করিতে পারিবেন এবং কাউন্সিলর কাম পরিদর্শক নিজে বিষয়টি নিষ্পত্তি করিতে পারিবেন অথবা বিশেষ ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তের জন্য যুগ্ম মহাপরিদর্শক অথবা এতদুদ্দেশ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর প্রেরণ করিতে পারিবেন এবং যুগ্ম মহাপরিদর্শক যথাযথ বিবেচনাপূর্বক উক্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত প্রদান করিবেন।

(৫) উপ-বিধি (৩) ও (৪) এর অধীন কোনো সিদ্ধান্তে সংক্ষুব্ধ কোনো শ্রমিক সিদ্ধান্তের তারিখ হইতে ১৫ (পনেরো) দিনের মধ্যে মহাপরিদর্শক বরাবরে লিখিতভাবে অভিযোগ উপস্থাপন করিতে পারিবেন।

(৬) উপ-বিধি (৫) এর অধীন অভিযোগ প্রাপ্তির পর মহাপরিদর্শক যুগ্ম মহাপরিদর্শক পদমর্যাদার নিম্নে নহেন এইরূপ এক বা একাধিক কর্মকর্তার সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করিবেন এবং উক্ত তদন্ত কমিটি ১৫ (পনেরো) দিনের মধ্যে যথাযথ সকল পক্ষের শুনানির পর মহাপরিদর্শক অথবা এতদুদ্দেশ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাহার যথাযথ বিবেচনাপূর্বক উক্ত বিষয়ে যাহা সঠিক ও যথাযথ মনে করিবেন সেইরূপ সিদ্ধান্ত প্রদান করিবেন।

(৭) উপ-বিধি (৪) এর অধীন প্রদত্ত কোনো সিদ্ধান্তে সংক্ষুব্ধ কোনো শ্রমিক সিদ্ধান্তের তারিখ হইতে ১৫ (পনেরো) দিনের মধ্যে ফরম-১৮ অনুযায়ী ইপিজেড শ্রম আদালতে লিখিতভাবে অভিযোগ উপস্থাপন করিতে পারিবেন।

(৮) ইপিজেড শ্রম আদালত অভিযোগ প্রাপ্তির পর উভয়পক্ষকে নোটিশ প্রদান করিয়া অভিযোগটি সম্পর্কে তাহাদের বক্তব্য শ্রবণ করিবে এবং উক্ত আদালতের বিবেচনায় যেইরূপ আদেশ প্রদান সঙ্গত বলিয়া মনে করে সেইরূপ আদেশ প্রদান করিবে।

(৯) উপ-বিধি (৮) এর অধীন প্রদত্ত কোনো আদেশ দ্বারা আদালত অন্যান্য প্রতিকারের মধ্যে অভিযোগকারীকে বকেয়া মজুরিসহ বা ব্যতীত তাহার চাকরিতে পুনর্বহাল করিবার নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং কোনো বরখাস্ত, অপসারণ বা ডিসচার্জের আদেশকে কোনো লঘু দণ্ডে পরিবর্তিত করিতে পারিবে।

(১০) ইপিজেড শ্রম আদালতের কোনো আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ কোনো শ্রমিক আদেশ প্রদানের ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে ইপিজেড শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল করিতে পারিবেন এবং উক্ত বিষয়ে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।

(১১) এই বিধির অধীন কোনো অভিযোগ বা আপিল দায়েরের জন্য কোনো কোর্ট ফি প্রদেয় হইবে না এবং উল্লিখিত অভিযোগ আইনের অধীন কোনো ফৌজদারী অভিযোগ বলিয়া গণ্য হইবে না।

(১২) এই বিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, আইনের ধারা ২২ এর অধীন প্রদত্ত চাকরির অবসানের আদেশের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করা যাইবে না, যদি না অবসানের আদেশটি সংশ্লিষ্ট শ্রমিকের শ্রমিক কল্যাণ সমিতির সদস্য হিসাবে শিল্প বিরোধে জড়িত থাকার কারণে প্রদত্ত হইয়াছে বলিয়া অভিযোগ করা হয় অথবা যদি না শ্রমিক আইনের অধীন প্রাপ্য সুবিধা হইতে বঞ্চিত হন।

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ৪ অক্টোবর ২০২২, পিডিএফ পৃষ্ঠা ২১
বিধি ২৪৪

ইপিজেড শ্রম আদালত বা ইপিজেড শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের

(১) । আইনের ধারা ২৮ অনুযায়ী কোনো অভিযোগ ফরম-১৮ অনুযায়ী দায়ের করিতে হইবে।

(২) আইনের ধারা ৬১ অনুযায়ী দাবি আদায়ের জন্য যথাক্রমে ফরম-৫১, ৫২ বা ক্ষেত্রমত ফরম- ৫৩ অনুযায়ী অভিযোগ দায়ের করিতে হইবে।

(৩) আইনের ধারা ৮৬ অনুযায়ী ফরম-৫৭, ৫৮ বা ক্ষেত্রমত ফরম-৫৯ অনুযায়ী অভিযোগ দায়ের বা প্রতিবেদন দাখিল করিতে হইবে।

(৪) আইনের ধারা ১৩৬ অনুযায়ী ফরম-৯৮ অনুযায়ী আপিল দায়ের করিতে হইবে।

(৫) অন্যান্য অপরাধের ক্ষেত্রে আইনে প্রদত্ত কোনো কর্তৃপক্ষ বা তাহার ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা সাদা কাগজে আবেদন করিবে।

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ৪ অক্টোবর ২০২২, পিডিএফ পৃষ্ঠা ১২৮

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি

বাস্তবায়ন নির্দেশিকা

এই ধারার নির্দেশিকা পরবর্তী ধাপে যুক্ত হবে।

নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।

BLA-এর সাথে পার্থক্য

BLA-এর সাথে পার্থক্য

এই ধারার জন্য আলাদা তুলনা নোট এখনও লেখা হয়নি।

BLA ধারা ৩৩ পাশাপাশি দেখুন
BLA ধারা ৩৩ · অভিযোগ পদ্ধতি

৩৩৷ (১) লে-অফ, ছাঁটাই, ডিসচার্জ, বরখাস্ত, অপসারণ অথবা অন্য যে কোন কারণে চাকুরীর অবসান হইয়াছে এরূপ শ্রমিকসহ যে কোন শ্রমিকের, এই অধ্যায়ের অধীন কোন বিষয় সম্পর্কে যদি কোন অভিযোগ থাকে এবং যদি তিনি তত্সম্পর্কে এই ধারার অধীন প্রতিকার পাইতে ইচ্ছুক হন তাহা হইলে তিনি, অভিযোগের কারণ অবহিত হওয়ার তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে অভিযোগটি লিখিত আকারে রেজিিস্ট্র ডাকযোগে মালিকের নিকট ১[প্রেরণ] করিবেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, যদি নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ অভিযোগটি সরাসরি গ্রহণ করিয়া লিখিতভাবে প্রাপ্তি স্বীকার করেন, সেই ক্ষেত্রে উক্ত অভিযোগটি রেজিিস্ট্র ডাকযোগে না পাঠাইলেও চলিবে৷

(২) মালিক অভিযোগ প্রাপ্তির ২[ত্রিশ] দিনের মধ্যে অভিযোগ সম্পর্কে তদন্ত করিবেন এবং সংশ্লিষ্ট শ্রমিককে শুনানীর সুযোগ দিয়া তত্সম্পর্কে তাহার সিদ্ধান্ত লিখিতভাবে শ্রমিককে জানাইবেন৷

(৩) যদি মালিক উপ-ধারা (২) এর অধীন কোন সিদ্ধান্ত দিতে ব্যর্থ হন, অথবা সংশ্লিষ্ট শ্রমিক যদি উক্তরূপ সিদ্ধান্তে অসন্তষ্ট হন, তাহা হইলে তিনি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে অথবা, ক্ষেত্রমত, মালিকের সিদ্ধান্তের তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে শ্রম আদালতে লিখিতভাবে অভিযোগ পেশ করিতে পারিবেন৷

(৪) শ্রম আদালত অভিযোগ প্রাপ্তির পর উভয় পক্ষকে নোটিশ প্রদান করিয়া অভিযোগটি সম্পর্কে তাহাদের বক্তব্য শ্রবণ করিবে এবং উহার বিবেচনায় মামলার অবস্থাধীনে যেরূপ আদেশ দেওয়া ন্যায়সঙ্গত সেরূপ আদেশ প্রদান করিবে৷

(৫) উপ-ধারা (৪) এর অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ দ্বারা আদালত, অন্যান্য প্রতিকারের মধ্যে, অভিযোগকারীকে, বকেয়া মজুরীসহ বা ছাড়া, তাহার চাকুরীতে পুনর্বহাল করার নির্দেশ দিতে পারিবে এবং কোন বরখাস্ত, অপসারণ বা ডিসচার্জের আদেশকে ধারা ২৩(২) এ উল্লিখিত কোন লঘুদণ্ডে পরিবর্তিত করিতে পারিবে৷

(৬) শ্রম আদালতের কোন আদেশ দ্বারা সংতগুব্ধ কোন ব্যক্তি আদেশের ত্রিশ দিনের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের নিকট আপীল দায়ের করিতে পারিবেন, এবং এই আপীলের উপর উহার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে৷

(৭) এই ধারার অধীন কোন অভিযোগ বা আপীল দায়েরের জন্য কোন কোর্ট-ফিস প্রদেয় হইবে না৷

(৮) এই ধারার অধীন কোন অভিযোগ এই আইনের অধীন কোন ফৌজদারী অভিযোগ বলিয়া গণ্য হইবে না৷

(৯) এই ধারায় যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধারা ২৬ এর অধীন প্রদত্ত চাকুরীর অবসানের আদেশের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করা যাইবে না, যদি না অবসানের আদেশটি সংশ্লিষ্ট শ্রমিকের ট্রেড ইউনিয়ন কর্মকাণ্ডের কারণে অথবা উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে প্রদত্ত হইয়াছে বলিয়া অভিযোগ করা হয়, অথবা যদি না তিনি উক্ত ধারার অধীন প্রাপ্য সুবিধা হইতে বঞ্চিত হন৷

EPZ ধারা ২৮ · অভিযোগ পদ্ধতি

২৮। (১) লে-অফ, ছাঁটাই, ডিসচার্জ, বরখাস্ত, অপসারণ অথবা অন্য যে কোনো কারণে চাকরির অবসান হইয়াছে এইরূপ শ্রমিকসহ যে কোনো শ্রমিকের, এই অধ্যায়ের অধীন কোনো বিষয় সম্পর্কে যদি কোনো অভিযোগ থাকে এবং যদি তিনি তৎসম্পর্কে এই ধারার অধীন প্রতিকার পাইতে ইচ্ছুক হন তাহা হইলে তিনি, অভিযোগের কারণ অবহিত হইবার তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে অভিযোগটি লিখিত আকারে রেজিস্ট্রি ডাকযোগে মালিকের নিকট প্রেরণ করিবেন :

তবে শর্ত থাকে যে, যদি মালিক বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অভিযোগটি সরাসরি গ্রহণ করিয়া লিখিতভাবে প্রাপ্তিস্বীকার করেন, সেই ক্ষেত্রে উক্ত অভিযোগটি রেজিস্ট্রি ডাকযোগে না পাঠাইলেও চলিবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন অভিযোগ তদন্ত, নিষ্পত্তি ও তৎসংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়াদি প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।