RMG Code — Rules for a Better TomorrowRMG Code
শ্রম আইন
ধারা১৯

ছাঁটাই ও ছাঁটাইকৃত শ্রমিকের পুনঃনিয়োগ

৩টি বিধি

আইনের টেক্সট

১৯। (১) কোনো শ্রমিককে প্রয়োজনের অতিরিক্ততার কারণে কোনো প্রতিষ্ঠান হইতে ছাঁটাই করা যাইবে এবং উক্ত বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিতে হইবে।

(২) কোনো শ্রমিক যদি কোনো মালিকের অধীনে অবিচ্ছিন্নভাবে অন্যূন ১ (এক) বৎসর চাকরিতে নিয়োজিত থাকেন, তাহা হইলে তাহার ছাঁটাইয়ের ক্ষেত্রে মালিককে-

(ক) তাহার ছাঁটাইয়ের কারণ উল্লেখ করিয়া ১ (এক) মাসের লিখিত নোটিশ দিতে হইবে, অথবা নোটিশ মেয়াদের জন্য নোটিশের পরিবর্তে মজুরি প্রদান করিতে হইবে; এবং

(খ) তাহাকে ক্ষতিপূরণ বাবদ তাহার প্রত্যেক বৎসর চাকরির জন্য ৩০ (ত্রিশ) দিনের মজুরি প্রদান করিতে হইবে।

(৩) যেক্ষেত্রে কোনো শ্রমিককে ছাঁটাই করা হয় এবং ছাঁটাইয়ের ১ (এক) বৎসরের মধ্যে মালিক পুনরায় কোনো শ্রমিক নিয়োগ করিতে ইচ্ছুক হন সেই ক্ষেত্রে মালিক ছাঁটাইকৃত শ্রমিকের সর্বশেষ জানা ঠিকানায় নোটিশ প্রেরণ করিয়া তাহাকে চাকরির জন্য আবেদন করিতে আহ্বান জানাইবেন, এবং এই আহ্বানে সাড়া দিয়া কোনো শ্রমিক পুনরায় চাকরি পাইবার জন্য আবেদন করিলে তাহাকে নিয়োগের ব্যাপারে অগ্রাধিকার দেওয়া হইবে, এবং এ রকম একাধিক ছাঁটাইকৃত শ্রমিক প্রার্থী হইলে তাহাদের মধ্যে পূর্বের চাকরির জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হইবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ (২০১৯ সনের ২ নং আইন), ধারা ১৯ — bdlaws.minlaw.gov.bd। bdlaws-এ প্রকাশিত পাঠ (সংগ্রহের দিন পর্যন্ত কোনো সংশোধনী টীকা নেই)। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।

সংশ্লিষ্ট বিধি

বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ · এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ৪ অক্টোবর ২০২২
বিধি ২০

ছাঁটাইয়ের নোটিশ

(১) আইনের ধারা ১৯ এর অধীন শ্রমিক ছাঁটাইয়ের ক্ষেত্রে মালিককে শেষে আসিলে আগে যাইবে পদ্ধতি অনুসরণ করিতে হইবে অর্থাৎ শ্রমিকের মধ্যে সর্বশেষ নিযুক্ত শ্রমিককে অগ্রে ছাঁটাই করিতে হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, মালিক বিশেষ ক্ষেত্রে এবং একজন শ্রমিকের বিশেষ দক্ষতার কারণে উহার ব্যতিক্রম করিতে পারিবেন।

(২) শ্রমিককে প্রদত্ত ছাঁটাইয়ের নোটিশে নিম্নবর্ণিত তথ্যের উল্লেখ থাকিবে, যথা:-

(ক) প্রতিষ্ঠানের নাম;

(খ) শ্রমিকের নাম, পদবি ও কার্ড নম্বর;

(গ) ছাঁটাইয়ের কারণ;

(ঘ) ছাঁটাই কার্যকর হইবার তারিখ;

(ঙ) মোট চাকরিকাল;

(চ) শ্রমিকের প্রাপ্যতা; এবং (অ) নোটিশ পে (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে); (আ) ক্ষতিপূরণ; (ই) অভোগকৃত বার্ষিক ছুটির মজুরি; (ঈ) বকেয়া মজুরি, অন্যান্য ভাতা ও অধিকাল ভাতা (যদি পাওনা থাকে); (উ) ভবিষ্য তহবিলের পাওনা (যদি থাকে); এবং

(ছ) পাওনা পরিশোধের তারিখ।

(৩) মালিককে শ্রমিক ছাঁটাইয়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জোনের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শককে অবহিতকরণ ও তাহার পরামর্শ গ্রহণ করিতে হইবে এবং অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক ছাঁটাইয়ের বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিবেন।

(৪) আইনের ধারা ১৯(২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, আইনের ধারা ১৫(৭) এর অধীন ছাঁটাইয়ের ক্ষেত্রে কোনো নোটিশের প্রয়োজন হইবে না, তবে ছাঁটাইকৃত শ্রমিককে প্রদেয় ক্ষতিপূরণের অতিরিক্ত ১৫ (পনেরো) দিনের মজুরি প্রদান করিত হইবে।

(৫) প্রতিষ্ঠানের সকল শ্রমিককে ছাঁটাই করা হইলে প্রত্যেক শ্রমিককে ব্যক্তিগতভাবে নোটিশ প্রদান না করিয়া একটি নোটিশ জারি করিয়া নোটিশ বোর্ডে এবং প্রকাশ্য স্থানে টাঙ্গাইয়া প্রদর্শন করিতে হইবে ও ছাঁটাইকৃত শ্রমিকের তালিকাসহ নোটিশের একটি কপি সংশ্লিষ্ট জোনের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের মাধ্যমে কর্তৃপক্ষ বরাবরে প্রেরণ করিতে হইবে।

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ৪ অক্টোবর ২০২২, পিডিএফ পৃষ্ঠা ১২
বিধি ১৭

অতিরিক্ত মহাপরিদর্শককে লে-অফ বা প্রতিষ্ঠান বন্ধ সংক্রান্ত নোটিশ প্রদান

(১) আইনের ধারা ১১(৮) অনুযায়ী কোনো শ্রমিককে লে-অফ করা হইলে অথবা আইনের ধারা ১২ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হইলে সংশ্লিষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত ও কর্মহীন শ্রমিকের সংখ্যা উল্লেখসহ উক্তরূপ লে-অফ বা বন্ধের নোটিশ ও ফরম-১৩ অনুযায়ী একটি বিবরণী অনতিবিলম্বে অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, লে-অফ বা বন্ধের নোটিশ প্রদানের পূর্বে সংশ্লিষ্ট জোনের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের পরামর্শ গ্রহণ করিতে হইবে।

(২) লে-অফকৃত প্রতিষ্ঠান বা কারখানার লে-অফ বা বন্ধ ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) দিনের অধিক হইলে আইনের ধারা ১৯ অনুযায়ী সকল পাওনা পরিশোধপূর্বক শ্রমিককে ছাঁটাই করা যাইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, কোনো প্রতিষ্ঠান বা কারখানা আইনের ধারা ১২ এর অধীন বন্ধ হইলে কোনো শ্রমিক আইনের ধারা ১৯(২)(ক) অনুয়ায়ী নোটিশ বা নোটিশের পরিবর্তে মজুরি পাইবে না।

(৩) লে-অফকৃত বা সাময়িকভাবে বন্ধকৃত কোনো কারখানা বা প্রতিষ্ঠান শ্রমিকের জন্য প্রযোজ্য বিধি-বিধান অনুযায়ী যাবতীয় পাওনা পরিশোধ না করিয়া অন্য কোনো মালিকের নিকট বা সংস্থার নিকট লিজ প্রদান বা ভাড়ার চুক্তি করিয়া উৎপাদন বা সেবা প্রদান প্রক্রিয়ার সহিত যুক্ত করিতে পারিবেন না।

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ৪ অক্টোবর ২০২২, পিডিএফ পৃষ্ঠা ১১
বিধি ৩০৯

নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত বিপর্যয় বা ক্ষতির কারণে মালিক-শ্রমিক সম্পর্ক

(১) আইনের ধারা ১৭৭ অনুযায়ী কোনো আকস্মিক প্রাকৃতিক বিপর্যয় বা মানুষের নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত বিপর্যয় বা জরুরি প্রয়োজনে কোনো শিল্প স্থানান্তর বা কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ হইলে মালিক ও শ্রমিকের সম্পর্ক হইবে নিম্নরূপ, যথা:

(ক) কারখানা বা শিল্প প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ হইবার ক্ষেত্রে: (অ) আকস্মিক প্রাকৃতিক বিপর্যয় বা মানুষের নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত বিপর্যয় বা জরুরি প্রয়োজনে মালিক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট জোনের নির্বাহী পরিচালক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতা প্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (৩) তিন কর্মদিবসের মধ্যে নির্ধারিত ফরম-১৩ অনুযায়ী যাবতীয় তথ্যাদি অবহিত করিতে হইবে; (আ) মালিক শ্রমিককে ছাঁটাই করিবেন এবং আইনানুগ পাওনা পরিশোধ করিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, উক্তরূপ ক্ষেত্রে কোনো শ্রমিক, আইনের ধারা ১৯(২)(ক) অনুয়ায়ী, নোটিশ প্রাপ্ত হইবে না বা নোটিশের পরিবর্তে মজুরি পাইবে না:

আরও শর্ত থাকে যে, উক্ত কারখানা বা প্রতিষ্ঠানে উৎপাদন কার্যক্রম পুনরায় চালু হইবার সম্ভাবনা থাকিলে, মালিক কারখানা বা প্রতিষ্ঠান লে-অফ ঘোষণা করিতে পারিবেন; (ই) শ্রমিককে মালিক তাহার অধীন একই ধরনের অন্য প্রতিষ্ঠানে সমপদে কাজে নিয়োজিত করিতে চাহিলে দফা (খ)-তে বর্ণিত বিধান প্রযোজ্য হইবে; (ঈ) উক্ত কারখানা বা শিল্প প্রতিষ্ঠানে উৎপাদন কার্যক্রম পুনরায় চালু হইবার সম্ভাবনা থাকিলে তাহা স্থায়ীভাবে বন্ধ না করিয়া মালিক ইচ্ছা করিলে আইনের ধারা ১১ অনুযায়ী কাজ বন্ধ রাখিতে পারিবেন এবং সেইক্ষেত্রে আইনের ধারা ১৫ অনুযায়ী শ্রমিক লে-অফ বেনিফিট প্রাপ্য হইবেন; (উ) পাওনা নির্ধারণের ব্যাপারে কোনো আপত্তি বা বিরোধ উদ্ভূত হইলে নির্বাহী পরিচালক অথবা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি, মালিক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক কল্যাণ সমিতি (যদি থাকে) অথবা, শ্রমিক কল্যাণ সমিতি না থাকিলে, সাধারণ শ্রমিকের সহিত আলোচনাক্রমে শ্রমিকের পাওনা নির্ধারণ করিবেন; এবং (ঊ) আকস্মিক প্রাকৃতিক বিপর্যয় বা মানুষের নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত বিপর্যয় বা জরুরি প্রয়োজন বিষয়ে মালিক ও শ্রমিকের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হইলে বিষয়টি নির্বাহী পরিচালক নিষ্পত্তি করিবেন, যা উভয়পক্ষের জন্য প্রতিপালনীয় হইবে।

ব্যাখ্যা: এই দফায় ‘অভিযোগ’ উত্থাপন বলিতে আপত্তি জানিয়ে নির্বাহী পরিচালকের নিকট লিখিত দরখাস্ত করাকে বুঝাইবে।

(খ) কারখানা বা প্রতিষ্ঠানের স্থানান্তরের ক্ষেত্রে: (অ) কারখানা বা প্রতিষ্ঠানের সীমানা হইতে

(১) একই জোনের অভ্যন্তরে স্থানান্তর করা হইলে, যদি সংশ্লিষ্ট শ্রমিক স্থানান্তরিত স্থানে যাইতে ইচ্ছুক না হন তবে উক্ত শ্রমিক আইনের ধারা ২৩(৪) অনুযায়ী সুবিধা পাইবেন;

(২) এক জোন হইতে অন্য জোনে স্থানান্তর করা হইলে, যদি সংশ্লিষ্ট শ্রমিক স্থানান্তরিত স্থানে যাইতে ইচ্ছুক না হন তবে উক্ত শ্রমিক আইনের ধারা ১৯(২)(ক) অনুযায়ী সুবিধা পাইবেন;

(৩) জোনের অভ্যন্তর থেকে জোনের বাহিরে ৪০ (চল্লিশ) কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে উহা স্থানান্তর করা হইলে, যদি সংশ্লিষ্ট শ্রমিক স্থানান্তরিত স্থানে যাইতে ইচ্ছুক না হন তবে উক্ত শ্রমিক আইনের ধারা ২৩(৪) অনুযায়ী সুবিধা পাইবেন;

(৪) জোনের অভ্যন্তর থেকে জোনের বাহিরে ৪০ (চল্লিশ) কিলোমিটার অধিক দূরত্বে উহা স্থানান্তর করা হইলে, যদি সংশ্লিষ্ট শ্রমিক স্থানান্তরিত স্থানে যাইতে ইচ্ছুক না হন তবে উক্ত শ্রমিক আইনের ধারা ১৯(২)(ক) অনুযায়ী সুবিধা পাইবেন; (আ) শ্রমিক স্থানান্তরিত স্থানে যোগদান করিলে তাহার চাকরির আইনের ধারাবাহিকতা, মজুরি, পদবি ও চাকরির অন্যান্য শর্তাবলি অপরিবর্তিত থাকিবে; (ই) কারখানা স্থানান্তর ও পাওনা নির্ধারণ বা পরিশোধের ব্যাপারে কোনো আপত্তি বা বিরোধ উদ্ভূত হইলে নির্বাহী পরিচালক অথবা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি মালিক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক কল্যাণ সমিতি (যদি থাকে) সহিত আলোচনাক্রমে বা শ্রমিক কল্যাণ সমিতি না থাকিলে সাধারণ শ্রমিকের সহিত আলোচনাক্রমে কারখানা স্থানান্তর ও শ্রমিকের পাওনা নির্ধারণ করিবেন; এবং (ঈ) মালিক কর্তৃক কারখানা বা প্রতিষ্ঠান স্থানান্তরিত স্থানের ঠিকানাসহ যাবতীয় তথ্যাদি নির্বাহী পরিচালক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ৭ (সাত) দিনের মধ্যে ফরম-১৩ অনুযায়ী নোটিশ আকারে জানাইতে হইবে।

(গ) কারখানা বা প্রতিষ্ঠানের মালিকানা বা শেয়ার হস্তান্তরের ক্ষেত্রে: (অ) হস্তান্তরিত কারখানা বা প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক কাজ করিতে ইচ্ছুক হইলে তাহার চাকরির আইনের ধারাবাহিকতা, মজুরি, পদবি ও চাকরির অন্যান্য শর্তাবলি অপরিবর্তিত থাকিবে; (আ) হস্তান্তরিত কারখানা বা প্রতিষ্ঠানে শ্রমিকরা কাজ করিতে ইচ্ছুক না হইলে শ্রমিক আইনের ধারা ২৩ এর বিধান অনুযায়ী সুবিধা প্রাপ্য হইবেন; (ই) হস্তান্তর গ্রহীতা মালিক শ্রমিকের দায় গ্রহণ করিতে না চাহিলে হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হইবার পূর্বেই পূর্বতন মালিক শ্রমিকের ছাঁটাই করিবেন এবং আইনের ধারা ১৯ বিধান অনুযায়ী আইনানুগ পাওনা পরিশোধ করিবেন; (ঈ) কোনো বকেয়া পাওনার ক্ষেত্রে পূর্বতন ও নূতন মালিকের মধ্যে ভিন্ন চুক্তির অবর্তমানে নূতন মালিক উহার দায়ভার বহন করিবেন; (উ) কারখানা হস্তান্তর ও পাওনা পরিশোধের বিষয়ে কোনো আপত্তি বা বিরোধ উদ্ভূত হইলে সেইক্ষেত্রে পূর্বতন ও নূতন মালিক নির্বাহী পরিচালকের নিকট আবেদন করিবেন অথবা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক কল্যাণ সমিতি (যদি থাকে) এর সহিত আলোচনাক্রমে শ্রমিকের পাওনা পরিশোধ করিবেন; এবং (ঊ) নূতন মালিক কর্তৃক কারখানা বা প্রতিষ্ঠান হস্তান্তরের যাবতীয় তথ্যাদি নির্বাহী পরিচালক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ৭ (সাত) কর্মদিবসের মধ্যে নোটিশের মাধ্যমে অবহিত করিতে হইবে।

(২) উপ-বিধি (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কারখানা বা প্রতিষ্ঠান স্থায়ীভাবে বন্ধ অথবা মালিকানা বা শেয়ার হস্তান্তরের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি গ্রহণ করিতে হইবে।

(৩) এই বিধিমালার অন্যত্র যাহা কিছুই থাকুক না কেন, আইনের ধারা ১৭৭ এর বর্ণনামতে স্থায়ীভাবে বন্ধ হইয়া যাওয়া কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠানের নিকট শ্রমিকের পাওনা ও কর্তৃপক্ষের পাওনা যদি থাকে, তাহা হইলে কর্তৃপক্ষ সেই পাওনা সংশ্লিষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠান বা মালিকের সহিত সম্পাদিত ইজারা চুক্তিতে বর্ণিত পন্থায়, সরকারি দাবি হিসাবে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আদায় করিতে পারিবে।

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ৪ অক্টোবর ২০২২, পিডিএফ পৃষ্ঠা ১৫১

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি

বাস্তবায়ন নির্দেশিকা

এই ধারার নির্দেশিকা পরবর্তী ধাপে যুক্ত হবে।

নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।

BLA-এর সাথে পার্থক্য

BLA-এর সাথে পার্থক্য

এই ধারার জন্য আলাদা তুলনা নোট এখনও লেখা হয়নি।

BLA ধারা ২০ পাশাপাশি দেখুন
BLA ধারা ২০ · ছাঁটাই

২০। (১) কোন শ্রমিককে প্রয়োজন অতিরিক্ততার কারণে কোন প্রতিষ্ঠান হইতে ছাঁটাই করা যাইবে।

(২) কোন শ্রমিক যদি কোন মালিকের অধীনে অবিচ্ছিন্নভাবে অনূ্যন এক বৎসর চাকুরীতে নিয়োজিত থাকেন, তাহা হইলে তাহার ছাঁটাইয়ের ক্ষেত্রে মালিককে-

(ক) তাহার ছাঁটাইয়ের কারণ উল্লেখ করিয়া এক মাসের লিখিত নোটিশ দিতে হইবে, অথবা নোটিশ মেয়াদের জন্য নোটিশের পরিবর্তে মজুরী প্রদান করিতে হইবে;

(খ) নোটিশের একটি কপি প্রধান পরিদর্শক অথবা তৎকর্তৃক নির্ধারিত কোন কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করিতে হইবে, এবং আরেকটি কপি প্রতিষ্ঠানের যৌথ দর কষাকষি প্রতিনিধিকে, যদি থাকে, দিতে হইবে; এবং

(গ) তাহাকে ক্ষতিপূরণ বাবদ তাহার প্রত্যেক বৎসর চাকুরীর জন্য ত্রিশ দিনের মজুরী বা গ্রাচু্যইটি যদি প্রদেয় হয়, যাহা অধিক হইবে, প্রদান করিতে হইবে।

(৩) উপ-ধারা (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধারা ১৬(৭) এর অধীন ছাঁটাইয়ের ক্ষেত্রে উপ-ধারা (২) (ক) এর উল্লিখিত কোন নোটিশের প্রয়োজন হইবে না, তবে ছাঁটাইকৃত শ্রমিককে উপ-ধারা (২) (গ) মোতাবেক প্রদেয় ক্ষতিপূরণ বা গ্রাচ্যুইটির অতিরিক্ত হিসাবে আরোও পনের দিনের মজুরী দিতে হইবে।

(৪) যে ক্ষেত্রে কোন বিশেষ শ্রেণীর শ্রমিককে ছাঁটাই করার প্রয়োজন হয় সে ক্ষেত্রে, মালিক এবং শ্রমিকের মধ্যে এতদসংক্রান্ত কোন চুক্তির অবর্তমানে, মালিক উক্ত শ্রেণীর শ্রমিকগণের মধ্যে সর্বশেষে নিযুক্ত শ্রমিককে ছাঁটাই করিবেন।

EPZ ধারা ১৯ · ছাঁটাই ও ছাঁটাইকৃত শ্রমিকের পুনঃনিয়োগ

১৯। (১) কোনো শ্রমিককে প্রয়োজনের অতিরিক্ততার কারণে কোনো প্রতিষ্ঠান হইতে ছাঁটাই করা যাইবে এবং উক্ত বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিতে হইবে।

(২) কোনো শ্রমিক যদি কোনো মালিকের অধীনে অবিচ্ছিন্নভাবে অন্যূন ১ (এক) বৎসর চাকরিতে নিয়োজিত থাকেন, তাহা হইলে তাহার ছাঁটাইয়ের ক্ষেত্রে মালিককে-

(ক) তাহার ছাঁটাইয়ের কারণ উল্লেখ করিয়া ১ (এক) মাসের লিখিত নোটিশ দিতে হইবে, অথবা নোটিশ মেয়াদের জন্য নোটিশের পরিবর্তে মজুরি প্রদান করিতে হইবে; এবং

(খ) তাহাকে ক্ষতিপূরণ বাবদ তাহার প্রত্যেক বৎসর চাকরির জন্য ৩০ (ত্রিশ) দিনের মজুরি প্রদান করিতে হইবে।

(৩) যেক্ষেত্রে কোনো শ্রমিককে ছাঁটাই করা হয় এবং ছাঁটাইয়ের ১ (এক) বৎসরের মধ্যে মালিক পুনরায় কোনো শ্রমিক নিয়োগ করিতে ইচ্ছুক হন সেই ক্ষেত্রে মালিক ছাঁটাইকৃত শ্রমিকের সর্বশেষ জানা ঠিকানায় নোটিশ প্রেরণ করিয়া তাহাকে চাকরির জন্য আবেদন করিতে আহ্বান জানাইবেন, এবং এই আহ্বানে সাড়া দিয়া কোনো শ্রমিক পুনরায় চাকরি পাইবার জন্য আবেদন করিলে তাহাকে নিয়োগের ব্যাপারে অগ্রাধিকার দেওয়া হইবে, এবং এ রকম একাধিক ছাঁটাইকৃত শ্রমিক প্রার্থী হইলে তাহাদের মধ্যে পূর্বের চাকরির জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হইবে।

BLA ধারা ২১ পাশাপাশি দেখুন
BLA ধারা ২১ · ছাঁটাইকৃত শ্রমিকের পুনঃনিয়োগ

২১। যে ক্ষেত্রে কোন শ্রমিককে ছাঁটাই করা হয় এবং ছাঁটাইয়ের এক বৎসরের মধ্যে মালিক পুনরায় কোন শ্রমিক নিয়োগ করিতে ইচ্ছুক হন সে ক্ষেত্রে মালিক ছাঁটাইকৃত শ্রমিকের সর্বশেষ জানা ঠিকানায় নোটিশ প্রেরণ করিয়া তাহাকে চাকুরীর জন্য আবেদন করিতে আহ্বান জানাইবেন, এবং এই আহ্বানে সাড়া দিয়া কোন শ্রমিক পুনরায় চাকুরী পাইবার জন্য আবেদন করিলে তাহাকে নিয়োগের ব্যাপারে অগ্রাধিকার দেওয়া হইবে, এবং এ রকম একাধিক ছাঁটাইকৃত শ্রমিক প্রার্থী হইলে তাহাদের মধ্যে পূর্বের চাকুরীর জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হইবে।

EPZ ধারা ১৯ · ছাঁটাই ও ছাঁটাইকৃত শ্রমিকের পুনঃনিয়োগ

১৯। (১) কোনো শ্রমিককে প্রয়োজনের অতিরিক্ততার কারণে কোনো প্রতিষ্ঠান হইতে ছাঁটাই করা যাইবে এবং উক্ত বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিতে হইবে।

(২) কোনো শ্রমিক যদি কোনো মালিকের অধীনে অবিচ্ছিন্নভাবে অন্যূন ১ (এক) বৎসর চাকরিতে নিয়োজিত থাকেন, তাহা হইলে তাহার ছাঁটাইয়ের ক্ষেত্রে মালিককে-

(ক) তাহার ছাঁটাইয়ের কারণ উল্লেখ করিয়া ১ (এক) মাসের লিখিত নোটিশ দিতে হইবে, অথবা নোটিশ মেয়াদের জন্য নোটিশের পরিবর্তে মজুরি প্রদান করিতে হইবে; এবং

(খ) তাহাকে ক্ষতিপূরণ বাবদ তাহার প্রত্যেক বৎসর চাকরির জন্য ৩০ (ত্রিশ) দিনের মজুরি প্রদান করিতে হইবে।

(৩) যেক্ষেত্রে কোনো শ্রমিককে ছাঁটাই করা হয় এবং ছাঁটাইয়ের ১ (এক) বৎসরের মধ্যে মালিক পুনরায় কোনো শ্রমিক নিয়োগ করিতে ইচ্ছুক হন সেই ক্ষেত্রে মালিক ছাঁটাইকৃত শ্রমিকের সর্বশেষ জানা ঠিকানায় নোটিশ প্রেরণ করিয়া তাহাকে চাকরির জন্য আবেদন করিতে আহ্বান জানাইবেন, এবং এই আহ্বানে সাড়া দিয়া কোনো শ্রমিক পুনরায় চাকরি পাইবার জন্য আবেদন করিলে তাহাকে নিয়োগের ব্যাপারে অগ্রাধিকার দেওয়া হইবে, এবং এ রকম একাধিক ছাঁটাইকৃত শ্রমিক প্রার্থী হইলে তাহাদের মধ্যে পূর্বের চাকরির জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হইবে।