মালিক-ক্রেতা-শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিল গঠন ও উদ্দেশ্য
আইনের টেক্সট
১৭২। ইপিজেডে কর্মরত শ্রমিকদের কল্যাণের জন্য একটি মালিক-ক্রেতা-শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিল থাকিবে।
(২) মালিক-ক্রেতা-শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিল এর উদ্দেশ্য হইবে :
(ক) আপৎকালীন সহায়তা, সামাজিক নিরাপত্তা, ইত্যাদি ব্যয় নির্বাহ;
(খ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রশাসনিক, উন্নয়নমূলক এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যয় নির্বাহ।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ (২০১৯ সনের ২ নং আইন), ধারা ১৭২ — bdlaws.minlaw.gov.bd। bdlaws-এ প্রকাশিত পাঠ (সংগ্রহের দিন পর্যন্ত কোনো সংশোধনী টীকা নেই)। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।
সংশ্লিষ্ট বিধি
অংশগ্রহণ তহবিল
ইপিজেডে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য একটি মালিক-ক্রেতা-শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিল থাকিবে।
ব্যাখ্যা।এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে
(ক) ‘অংশগ্রহণ তহবিল’ অর্থ এই অধ্যায়ের অধীনে গঠিত মালিক-ক্রেতা-শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিল;
(খ) ‘উত্তরাধিকারী’ অর্থ অংশগ্রহণ তহবিলের অর্থ গ্রহণের জন্য শ্রমিক কর্তৃক মনোনীত কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিবৃন্দ, অথবা মনোনীত ব্যক্তি বা ব্যক্তিবৃন্দের অনুপস্থিতিতে বাংলাদেশে প্রচলিত উত্তরাধিকারী আইন অনুযায়ী ব্যক্তি বা ব্যক্তিবৃন্দ;
(গ) ‘বোর্ড’ অর্থ এই অধ্যায়ের অধীনে গঠিত বোর্ড;
(ঘ) ‘সুবিধাভোগী’ অর্থ অংশগ্রহণ তহবিলের সুবিধা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে শিক্ষানবিশসহ যে কোনো ব্যক্তিকে বুঝাইবে যিনি মালিক কিংবা অংশীদার কিংবা পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ব্যতীত পদ-মর্যাদা নির্বিশেষে উক্ত প্রতিষ্ঠানের চাকরিতে নিযুক্ত রহিয়াছে।
অংশগ্রহণ তহবিল গঠন ও উদ্দেশ্য
(১) এই বিধিমালা কার্যকর হইবার তারিখ হইতে ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে কর্তৃপক্ষ আইনের ধারা ১৭২ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে জোনে কর্মরত শ্রমিকের কল্যাণের জন্য একটি অংশগ্রহণ তহবিল গঠন করিবে।
(২) তহবিলের ব্যবস্থাপনার জন্য কর্তৃপক্ষ গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা মালিক-ক্রেতা-শ্রমিক প্রতিনিধি সমন্বয়ে তহবিলটি পরিচালনার জন্য ‘পরিচালনা বোর্ড’ গঠন করিবে।
অংশগ্রহণ তহবিলের ব্যবস্থাপনা ও কার্যালয়
(১) তহবিল পরিচালনার জন্য বোর্ডের প্রধান কার্যালয় কর্তৃপক্ষের নির্বাহী দপ্তরে (ঢাকায়) থাকিবে।
(২) বাংলাদেশের প্রত্যেক জোনে উহার শাখা কার্যালয় থাকিতে পারিবে।
(৩) তহবিল ব্যবস্থাপনার জন্য বোর্ড একজন সচিব নিযুক্ত করিবে, যিনি পরিচালনা বোর্ডের সদস্য-সচিব হিসাবেও দায়িত্ব পালন করিবেন:
(৪) তহবিল ব্যবস্থাপনার জন্য সচিবের অধীন প্রয়োজনীয় জনবল থাকিবে, যাহারা তহবিলের আয়-ব্যয়ের হিসাব সংরক্ষণ করিবেন।
(৫) তহবিলের বিনিয়োগকৃত অর্থ হইতে প্রাপ্ত মুনাফার একটি অংশ তহবিল কার্যালয়ের বেতন, ভাতা, সরঞ্জামাদি ক্রয়, প্রশাসনিক, উন্নয়নমূলক ও অন্যান্য ব্যয় নির্বাহ করা হইবে।
অংশগ্রহণ তহবিলের নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ
(১) কর্তৃপক্ষ মালিক ও শ্রমিকপক্ষের সহিত আলোচনাক্রমে অংশগ্রহণ তহবিলে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ বা হার নির্ধারণ করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, কর্তৃপক্ষ সময় সময় উল্লিখিত অর্থের হার বোর্ডের সহিত পরামর্শক্রমে পুনঃনির্ধারণ করিতে পারিবেন।
(২) প্রত্যেক শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিক সংশ্লিষ্ট ক্রেতা বা কার্যাদেশ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ গ্রহণ করিবার সময় উক্ত তহবিলের অনুদান প্রদানের বিষয়টি অবহিত করিবেন।
(৩) প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের লিয়েন ব্যাংক আইনের ধারা ১৭৩(ক) এ বর্ণিত অর্থ রপ্তানি আদেশের অর্থ হইতে সরকারি পাওনা হিসাবে আদায়পূর্বক পৃথক হিসাব বিবরণীসহ আদায়কৃত অর্থ তহবিলে জমা প্রদান করিবে।
(৪) এই বিধির উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে, সময় সময়, জারিকৃত নিদের্শনা অনুসরণ করিতে হইবে।
(৫) আইনের ধারা ১৭৩(খ), (গ) এবং (ঘ) এ বর্ণিত অনুদানের অর্থ তহবিলের ব্যাংক হিসাবে সরাসরি জমা প্রদান করিতে পারিবে এবং দফা (ঙ)-তে বর্ণিত অর্থ মালিক কর্তৃক শ্রমিকের মজুরি প্রদানকালে আদায়পূর্বক তহবিলের ব্যাংক হিসাবে জমা প্রদান করিবে।
অংশগ্রহণ তহবিল পরিচালনা, ব্যবস্থাপনা, অর্থ ব্যয়, ইত্যাদি
(১) প্রত্যেক মালিক এবং মালিকদের সংগঠন ডাটাবেইজের মাধ্যমে সকল সুবিধাভোগীর তালিকা সংরক্ষণ করবে এবং চাহিদা অনুযায়ী তাহাদের নমিনি বা নমিনির অবর্তমানে উত্তরাধিকারীদের তালিকা কেন্দ্রীয় তহবিল পরিচালনা বোর্ডের নিকট সরবরাহ করিবে।
(২) কেন্দ্রীয় তহবিলের অধীন ২ (দুই) টি হিসাব খুলিতে হইবে যাহার একটি ‘সুবিধাভোগী কল্যাণ হিসাব’ এবং অন্যটি ‘আপাৎকালীন হিসাব’ নামে অভিহিত হইবে।
(৩) তহবিলে প্রাপ্ত মোট অর্থের শতকরা ৫০ (পঞ্চাশ) ভাগ ‘সুবিধাভোগী কল্যাণ হিসাব’ এবং অবশিষ্ট শতকরা ৫০ (পঞ্চাশ) ভাগ ‘আপৎকালীন হিসাবে’ জমা হইবে।
(৪) তহবিলে জমাকৃত অর্থ সংশ্লিষ্ট জোনের সুবিধাভোগী দুর্ঘটনাজনিত কারণে মৃত্যু বা স্থায়ী অক্ষমতা অথবা কোনো অঙ্গহানী হইলে এককালীন অনুদান হিসাবে প্রদান করা হইবে এবং সুবিধাভোগীর সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ সংক্রান্ত অন্যান্য কাজেও ব্যবহার করা যাইবে।
(৫) উপ-বিধি (৩) এ উল্লিখিত হিসাব হইতে প্রাপ্ত অর্থ আইনের অধীন কারখানা বা প্রতিষ্ঠান হইতে প্রাপ্ত অন্যান্য আইনানুগ সুবিধার অতিরিক্ত হইবে।
(৬) সুবিধাভোগী কল্যাণ হিসাব হইতে নিম্নবর্ণিত ব্যয়সমূহ নির্বাহ করা হইবে, যথা:
(ক) কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনাজনিত কারণে অথবা পেশাগত রোগে আক্রান্ত হইয়া মৃত্যুবরণ করিলে অথবা পরবর্তীতে মৃত্যু ঘটিলে অথবা কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনাজনিত কারণে অথবা পেশাগত রোগে আক্রান্ত হইয়া স্থায়ী অক্ষমতা ঘটিলে সংশ্লিষ্ট সুবিধাভোগী বা তাহার উপযুক্ত উত্তরাধিকারী ও পোষ্যকে ৩ (তিন) লক্ষ টাকা অনুদান প্রদান;
(খ) কোনো সুবিধাভোগী চাকরিরত অবস্থায় অসুস্থ হইয়া বা কর্মক্ষেত্রের বাহিরে কোনো দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ অথবা স্থায়ীভাবে অক্ষম হইয়া গেলে তিনি বা তাহার উপযুক্ত উত্তরাধিকারীকে ২ (দুই) লক্ষ টাকা অনুদান প্রদান;
(গ) কোনো সুবিধাভোগী কর্মকালীন দুর্ঘটনায় পতিত হইয়া তাহার কোনো অঙ্গহানি ঘটিলে যাহা স্থায়ী অক্ষমতার কারণ নহে তাহা হইলে তাহাকে অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অনুদান প্রদান;
(ঘ) অসুস্থ সুবিধাভোগীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা বা আর্থিক অনুদান প্রদান;
(ঙ) সুবিধাভোগীদের পরিবারের মেধাবী সদস্যকে শিক্ষার জন্য বৃত্তি প্রদান;
(চ) তহবিল পরিচালনা ও প্রশাসনিক উদ্দেশ্যে অন্যান্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা;
(ছ) সামাজিক নিরাপত্তামূলক সুবিধা হিসাবে বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপন; এবং
(জ) উপরিউক্ত কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য যে কোনো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আইনের ও এই বিধিমালার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে অন্য যে কোনো কার্য সম্পাদন।
(৭) আপৎকালীন হিসাব হইতে নিম্নবর্ণিত ব্যয়সমূহ নির্বাহ করা হইবে,যথা:
(ক) সুবিধাভোগীদের গ্রুপ বিমা দাবির সমপরিমাণ অর্থ প্রদান: শর্ত থাকে যে, বিমা দাবির পরিমাণ পরিচালনা বোর্ড নির্ধারণ করিবে:
আরও শর্ত থাকে যে, বিধি ১০৫ এর অধীন যে সকল প্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলক বিমা চালু রহিয়াছে উহা এই বিধির অধীন গঠিত তহবিল পরিপূর্ণ সচল না হইবা পর্যন্ত স্থগিত করা যাইবে না;
(খ) সুবিধাভোগীদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণের জন্য স্বাস্থ্য বিমা স্কিম চালুকরণ;
(গ) বিধি ৩০৯ অনুযায়ী কোনো কারখানা বা প্রতিষ্ঠান স্থানান্তর বা স্থায়ীভাবে বন্ধ হইলে বোর্ড কর্তৃক সুবিধাভোগীদের পাওনা অর্থের সমুদয় বা আংশিক পরিশোধ:
তবে শর্ত থাকে যে, বোর্ড মালিকের অসমর্থতা যাচাইপূর্বক উক্তরূপ পাওনা পরিশোধের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিবে;
(ঘ) প্রযোজ্য ক্ষেত্রে শ্রমিকের মজুরি পরিশোধের জন্য মালিককে স্বল্প মেয়াদি ঋণ প্রদান।
(৮) অংশগ্রহণ তহবিল পরিচালনা, প্রশাসনিক উদ্দেশ্যে বা অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালনার স্বার্থে কর্তৃপক্ষ বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।
অংশগ্রহণ তহবিলের অর্থ বিনিয়োগ
পরিচালনা বোর্ড কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত যে কোনো লাভজনক ও ঝুঁকিমুক্ত খাতে তহবিলদ্বয়ের অর্থ বিনিয়োগ করিতে পারিবে।
অংশগ্রহণ তহবিলের অর্থ আদায় পদ্ধতি
(১) রপ্তানী কার্যাদেশ নগদায়নের সঙ্গে সঙ্গে আইনের ধারা ১৭৩(ক) এ বর্ণিত অর্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লিয়েন ব্যাংক তহবিলের ব্যাংক হিসাবে হস্তান্তর করিবে।
(২) ক্রেতা বা ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে আইনের ধারা ১৭৩(খ) তে বর্ণিত অর্থ এল.সি (লেটার অব ক্রেডিট) খুলিবার সময় স্বপ্রণোদিত হইয়া এল.সি তে তাহার অংশের কথা উল্লেখ করিতে পারিবে।
(৩) উল্লিখিত সময়ের মধ্যে লিয়েন ব্যাংক তহবিলে অর্থ জমা প্রদানে ব্যর্থ হইলে বোর্ড পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে উক্ত অর্থ জমাদানের জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।
(৪) উপ-বিধি (১) এর বিধান মতে লিয়েন ব্যাংক তহবিলে অর্থ প্রদানে ব্যর্থ হইলে উহা সরকারি দাবি হিসাবে আদায়যোগ্য হইবে, এবং বোর্ড প্রয়োজনীয় অন্যান্য আইনানুগ ব্যবস্থাও গ্রহণ করিতে পারিবে।
বাধ্যতামূলক গ্রুপ বিমা চালুকরণ
(১) আইনের ধারা ৩৬ অনুযায়ী প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের মালিক তাহার প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেক স্থায়ী শ্রমিকের জন্য গ্রুপ বিমা চালু করিবেন।
(২) উক্ত বিমা ব্যবস্থা চালু করিবার লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক অনুমোদিত যে কোনো প্রতিষ্ঠিত বিমা কোম্পানির সহিত মালিক চুক্তি করিতে পারিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, গ্রুপ বিমা শ্রমিকের মৃত্যু এবং স্থায়ী অক্ষমতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।
(৩) বিমার বাৎসরিক প্রিমিয়াম মালিক পরিশোধ করিবেন এবং এই জন্য শ্রমিকের মজুরি হইতে কোনো কর্তন করা যাইবে না ও বিমার বাৎসরিক প্রিমিয়াম ও বিমার অর্থ আয়কর মুক্ত হইবে।
(৪) চাকরিরত অবস্থায় যে কোনো কারণে শ্রমিকের মৃত্যুর ক্ষেত্রে শ্রমিকের মনোনীত ব্যক্তিকে বা মনোনীত ব্যক্তির অবর্তমানে পোষ্যকে উক্ত বিমার অর্থ পরিশোধ করিতে হইবে।
(৫) বিমা হইতে প্রাপ্য আর্থিক সুবিধা আইন ও এই বিধিমালা অন্যত্র প্রদত্ত আর্থিক প্রাপ্যতার বিকল্প হইবে না।
(৬) শ্রমিকের মৃত্যুর ক্ষেত্রে বিমা দাবি আদায় করিবার দায়িত্ব হইবে মালিকের এবং মালিক উক্ত বিমা দাবি হইতে আদায়কৃত অর্থ শ্রমিকের মনোনীত ব্যক্তিকে বা মনোনীত ব্যক্তির অবর্তমানে পোষ্যকে সরাসরি প্রদানের ব্যবস্থা করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, অন্য বিধি-বিধানে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই বিধি অনুযায়ী কোনো বিমা দাবি উত্থাপিত হইলে উক্ত দাবি উত্থাপনের ১২০ (একশত বিশ) দিনের মধ্যে বিমা কোম্পানি ও মালিক যৌথ উদ্যোগে নিষ্পত্তি করিবেন।
(৭) উপ-বিধি (১), (২), (৩), (৪), (৫) এবং (৬) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, আইনের ধারা ১৭২ অনুযায়ী জোনে কর্মরত শ্রমিকের কল্যাণের জন্য অংশগ্রহণ তহবিল স্থাপিত হইলে গ্রুপ বিমা চালু করিবার প্রয়োজন হইবে না এবং এইরূপ ক্ষেত্রে শ্রমিকের গ্রুপ বিমার সমপরিমাণ অর্থ উক্ত তহবিল হইতে প্রদান করা হইবে।
অংশগ্রহণ তহবিলে অর্থ স্থানান্তর
ইপিজেড শ্রম আদালত তদন্তের পর যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে মৃত শ্রমিকের কোনো পোষ্য নাই সেইক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের অবন্টিত অর্থ আদালতে জমা হইবার ২ (দুই) বৎসর পর আইনের ধারা ১৭২ এর অধীন স্থাপিত অংশগ্রহণ তহবিলে স্থানান্তর করিবে।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি
বাস্তবায়ন নির্দেশিকা
এই ধারার নির্দেশিকা পরবর্তী ধাপে যুক্ত হবে।
নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।
BLA-এর সাথে পার্থক্য
BLA-এর সাথে পার্থক্য
এই ধারার জন্য আলাদা তুলনা নোট এখনও লেখা হয়নি।
BLA ধারা ২৩২ পাশাপাশি দেখুন
BLA ধারা ২৩২ · অধ্যায়ের প্রয়োগ
১[২৩২। (১) এই অধ্যায় নিম্নলিখিত যে কোন একটি শর্ত পূরণ করে এমন কোম্পানী বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে, যথা:-
(ক) কোন হিসাব বৎসরের শেষ দিনে উহার পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ অন্যূন এক কোটি টাকা ;
(খ) কোন হিসাব বৎসরের শেষ দিনে উহার স্থায়ী সম্পদের মূল্য অন্যূন দুই কোটি টাকা ;
(২) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উহাতে উল্লিখিত, অন্য কোন কোম্পানী ও প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও এই অধ্যায় প্রয়োগ করিতে পারিবে।
(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এ যাহা কিছুই বিধান থাকুক না কেন, শতভাগ রপ্তানীমুখী শিল্প সেক্টর অথবা বৈদেশিক মুদ্রা বিনোয়গকারী শিল্প সেক্টরের ক্ষেত্রে সরকার, বিধি দ্বারা, উক্ত সংশ্লিষ্ট সেক্টরে কর্মরত সুবিধাভোগীদের জন্য ক্রেতা ও মালিকের সমন্বয়ে সেক্টর ভিত্তিক কেন্দ্রীয়ভাবে একটি করিয়া তহবিল গঠন, তহবিল পরিচালনা বোর্ড গঠন, অনুদানের পরিমাণ নির্ধারণ ও আদায়ের পদ্ধতি এবং তহবিলের অথের্ ব্যবহারের বিধানসহ আনুষঙ্গিক অন্যান্য বিষয়ে প্রয়োজনীয় বিধান প্রণয়ন করিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, উক্ত বোর্ড, সরকারের পূর্বানুমোদন সাপেক্ষে, প্রবিধান প্রণয়ন করিতে পারিবে।]
EPZ ধারা ১৭২ · মালিক-ক্রেতা-শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিল গঠন ও উদ্দেশ্য
১৭২। ইপিজেডে কর্মরত শ্রমিকদের কল্যাণের জন্য একটি মালিক-ক্রেতা-শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিল থাকিবে।
(২) মালিক-ক্রেতা-শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিল এর উদ্দেশ্য হইবে :
(ক) আপৎকালীন সহায়তা, সামাজিক নিরাপত্তা, ইত্যাদি ব্যয় নির্বাহ;
(খ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রশাসনিক, উন্নয়নমূলক এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যয় নির্বাহ।
BLA ধারা ২৩৪ পাশাপাশি দেখুন
BLA ধারা ২৩৪ · অংশগ্রহণ তহবিল ও কল্যাণ তহবিল স্থাপন
২৩৪৷ (১) এই অধ্যায় প্রযোজ্য হয় এরূপ প্রত্যেক কোম্পানী-
(ক) এই অধ্যায় প্রযোজ্য হইবার তারিখ হইতে এক মাসের মধ্যে এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক একটি শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিল ও একটি শ্রমিক কল্যাণ তহবিল স্থাপন করিবে; এবং
১[(খ) এর মালিক প্রত্যেক বৎসর শেষ হইবার অন্যূন নয় মাসের মধ্যে, পূর্ববর্তী বৎসরের নীট মুনাফার পাঁচ শতাংশ (৫%) অর্থ ৮০ঃ ১০ঃ ১০ অনুপাতে যথাক্রমে অংশগ্রহণ তহবিল, কল্যাণ তহবিল এবং বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৪ এর অধীন স্থাপিত শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে প্রদান করিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, কোন মালিক, এই বিধান কার্যকর হইবার অব্যবহিত পূর্বে, কোম্পানীর নীট মুনাফার এক শতাংশ (১%) অর্থ কল্যাণ তহবিলে জমা প্রদান করিয়া থাকিলে, ট্রাষ্টি বোর্ড কল্যাণ তহবিলে জমাকৃত উক্ত অর্থের পঞ্চাশ শতাংশ (৫০%) অর্থ উপরোল্লিখিত শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে জমা প্রদান করিতে বাধ্য থাকিবে।]
(২) উপ-ধারা (১) (খ) এর অধীন উক্ত ২[তহবিলসমূহে] প্রদত্ত অর্থ যে বত্সরের জন্য প্রদান করা হইবে সে বত্সর শেষ হইবার অব্যবহিত পরের বত্সরের পহেলা তারিখে উহা ৩[তহবিলসমূহে] বরাদ্দ হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে৷
EPZ ধারা ১৭২ · মালিক-ক্রেতা-শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিল গঠন ও উদ্দেশ্য
১৭২। ইপিজেডে কর্মরত শ্রমিকদের কল্যাণের জন্য একটি মালিক-ক্রেতা-শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিল থাকিবে।
(২) মালিক-ক্রেতা-শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিল এর উদ্দেশ্য হইবে :
(ক) আপৎকালীন সহায়তা, সামাজিক নিরাপত্তা, ইত্যাদি ব্যয় নির্বাহ;
(খ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রশাসনিক, উন্নয়নমূলক এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যয় নির্বাহ।