RMG Code — Rules for a Better TomorrowRMG Code
শ্রম আইন
ধারা৪০

সাপ্তাহিক কর্মঘণ্টা

২টি বিধিনির্দেশিকা আছে

আইনের টেক্সট

৪০। (১) কোনো শ্রমিক কোনো প্রতিষ্ঠানে সাধারণত সপ্তাহে ৪৮ (আটচল্লিশ) ঘণ্টার অধিক সময় কাজ করিবেন না বা তাহাকে দিয়ে কাজ করানো যাইবে না।

(২) ধারা ৪৫ এর বিধান সাপেক্ষে, কোনো শ্রমিক কোনো প্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে ৪৮ (আটচল্লিশ) ঘণ্টার অধিক সময় কাজ করিতে পারিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, কোনো সপ্তাহে উক্তরূপ কোনো শ্রমিকের মোট কর্মসময় ৬০ (ষাট) ঘণ্টার অধিক হইবে না, এবং কোনো বৎসরে উহা গড়ে প্রতি সপ্তাহে ৫৬ (ছাপ্পান্ন) ঘণ্টার অধিক হইবে না:

আরো শর্ত থাকে যে, বিশেষ বিশেষ শিল্পের ক্ষেত্রে, কর্তৃপক্ষ লিখিত আদেশ দ্বারা শর্ত সাপেক্ষে, এই ধারার বিধান শিথিল করিতে অথবা উহা হইতে এককালীন সর্বোচ্চ ৬ (ছয়) মাস মেয়াদের জন্য অব্যাহতি দিতে পারিবে যদি কর্তৃপক্ষ এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, জনস্বার্থে বা অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে উক্ত শিথিল বা অব্যাহতি প্রয়োজন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ (২০১৯ সনের ২ নং আইন), ধারা ৪০ — bdlaws.minlaw.gov.bd। bdlaws-এ প্রকাশিত পাঠ (সংগ্রহের দিন পর্যন্ত কোনো সংশোধনী টীকা নেই)। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।

সংশ্লিষ্ট বিধি

বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ · এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ৪ অক্টোবর ২০২২
বিধি ১০৬

দৈনিক কর্মঘন্টা

অন্যত্র ভিন্নতর যাহাই কিছু থাকুক না কেন, প্রাপ্তবয়স্ক কোনো শ্রমিকের দৈনিক কর্মঘন্টা হইবে আহার এবং বিশ্রামের বিরতি ব্যতীত ৮ (আট) ঘন্টা:

তবে শর্ত থাকে যে, আইনের ধারা ৪০ এর বিধান অনুযায়ী অধিকাল ভাতা প্রদান সাপেক্ষে শ্রমিক দিনে ১০ (দশ) ঘন্টা পর্যন্ত কাজকরিতে পারিবে:

আরও শর্ত থাকে যে, অধিকাল কাজ করাইতে হইলে কোনো শ্রমিককে কমপক্ষে ২(দুই) ঘন্টা পূর্বে অবহিত করিতে হইবে ও তাহার সম্মতি লইতে হইবে:

আরও শর্ত থাকে যে, কোনো প্রতিষ্ঠানে কর্মঘন্টা এবং অতিরিক্ত কাজ ও অধিকাল ভাতার বিষয়ে যদি শ্রমিকের জন্য অধিকতর সুবিধাজনক কোনো চুক্তি, নিষ্পত্তি বা প্রথা বিদ্যমান থাকে তাহা হইলে উহা অব্যাহত থাকিবে।

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ৪ অক্টোবর ২০২২, পিডিএফ পৃষ্ঠা ৭৭
বিধি ১০৭

ক্ষতিপূরণ সাপ্তাহিক ছুটি

(১) আইনের ধারা ৪১ অনুযায়ী কোনো শ্রমিককে তাহার প্রাপ্য সাপ্তাহিক ছুটি প্রদান সম্ভব না হইলে উক্তরূপ ছুটি প্রাপ্য হইবার পরবর্তী ৬ (ছয়) দিনের মধ্যে উহা প্রদান করিতে হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, শ্রমিক ইচ্ছা প্রকাশ করিলে যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধি বা অংশগ্রহণকারী কমিটির সহিত আলোচনা সাপেক্ষে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে কাজ করিয়া পরে উক্ত সাপ্তাহিক ছুটি উৎসব ছুটির সঙ্গে সংযোজন করিয়া ভোগ করিতে পারিবে এবং এইরূপ ক্ষেত্রে সাপ্তাহিক ছুটির দিনের কাজের জন্য কোনো অধিকাল ভাতা প্রদেয় হইবে না।

(২) সাপ্তাহিক ছুটি প্রদান না করিয়া কোনো শ্রমিককে ধারাবাহিকভাবে ১৩ (তের) দিনের অধিক সময় কাজ করানো যাইবে না:

তবে শর্ত থাকে যে, শ্রমিক সাপ্তাহিক ছুটির দিনে কাজ করিয়া উৎসব ছুটির সঙ্গে সংযোজন করিয়া ভোগ করিতে চাহিলে উপরিউক্ত বিধান প্রযোজ্য হইবে না এবং আইনের ধারা ৪০ এর বিধান অনুযায়ী অব্যাহতি হিসাবে বিবেচিত হইবে:

আরও শর্ত থাকে যে, কোনো শ্রমিক সাপ্তাহিক ছুটির দিনে কাজ করিলে উৎসব ছুটি ভোগ করিবার পূর্বেই চাকরির অবসান হইলে উক্ত ছুটির সমপরিমাণ মূল মজুরি প্রাপ্য হইবেন এবং এই ক্ষেত্রে মূল মজুরি ও মহার্ঘ ভাতা এবং এডহক বা অন্তর্বর্তী মজুরি (যদি থাকে) তাহাকে ৩০ দ্বারা ভাগ করিয়া ১ (এক) দিনের মজুরি হিসাবে গণনা করিতে হইবে।

(৩) আইনের ধারা ৪১ এর বিধান হইতে কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে অব্যাহতি গ্রহণ করিলে অব্যাহতিপ্রাপ্ত শ্রমিকের প্রাপ্য কোনো ক্ষতিপূরণমূলক সাপ্তাহিক ছুটি প্রাপ্য হইবার পরবর্তী ৩০(ত্রিশ) দিনের মধ্যে প্রদান করিতে হইবে।

(৪) শ্রমিকের ক্ষতিপূরণমূলক ছুটি অনুমোদনের সঙ্গে সঙ্গে কারখানা ব্যবস্থাপনা উক্তরূপ ছুটির একটি বিজ্ঞপ্তি নোটিশ বোর্ডে টাঙ্গাইয়া রাখিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, ক্ষতিপূরণমূলক ছুটির বিজ্ঞপ্তিতে কোনো পরিবর্তনের প্রয়োজন হইলে উহা অন্তত ৩ (তিন) দিন পূর্বে করিতে হইবে।

(৫) ক্ষতিপূরণমূলক ছুটি ভোগ করিবার সুযোগ প্রদানের পূর্বে শ্রমিকের চাকরি কোনোভাবে অবসান করা হইলে উক্ত শ্রমিককে অন্যান্য পাওনা পরিশোধের সময় তাহার অভোগকৃত ক্ষতিপূরণমূলক সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলির জন্য পূর্ণ মজুরি প্রদান করিতে হইবে।

(৬) প্রতিষ্ঠানের মালিক ফরম-৩৭ অনুযায়ী ক্ষতিপূরণমূলক ছুটির তথ্য ম্যানুয়াল বা ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করিবেন এবং যাহা সর্বশেষ তথ্য লিপিবদ্ধ করিবার তারিখ হইতে ৩ (তিন) বৎসর পর্যন্ত সংরক্ষণ করিতে হইবে ও পরিদর্শক চাহিবামাত্র উক্ত রেজিস্টার তাহার নিকট উপস্থাপন করিতে হইবে।

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ৪ অক্টোবর ২০২২, পিডিএফ পৃষ্ঠা ৭৭

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি

বাস্তবায়ন নির্দেশিকা

করণীয়
সাপ্তাহিক ৪৮; OT সহ সর্বোচ্চ ৬০; বছরে গড়ে ৫৬ ঘণ্টার বেশি নয়।

নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।

BLA-এর সাথে পার্থক্য

BLA-এর সাথে পার্থক্য

একই সীমা (BLA ধারা ১০২)। শিথিল করার ক্ষমতা EPZ-এ BEPZA-র, BLA-তে সরকারের।

BLA ধারা ১০২ পাশাপাশি দেখুন
BLA ধারা ১০২ · সাপ্তাহিক কর্মঘণ্টা

১০২। (১) কোন প্রাপ্তবয়স্ক শ্রমিক কোন প্রতিষ্ঠানে সাধারণতঃ সপ্তাহে আটচল্লিশ ঘণ্টার অধিক সময় কাজ করিবেন না বা তাহাকে দিয়ে কাজ করানো যাইবে না।

(২) ধারা ১০৮ এর বিধান সাপেক্ষে, কোন প্রাপ্তবয়স্ক শ্রমিক কোন প্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে আটচল্লিশ ঘণ্টার অধিক সময়ও কাজ করতে পারিবেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, কোন সপ্তাহে উক্তরূপ কোন শ্রমিকের মোট কর্ম-সময় ষাট ঘণ্টার অধিক হইবে না, এবং কোন বৎসরে উহা গড়ে প্রতি সপ্তাহে ছাপ্পান্ন ঘণ্টার অধিক হইবে নাঃ

আরও শর্ত থাকে যে, কোন সড়ক পরিবহণ প্রতিষ্ঠানে চাকুরীরত কোন শ্রমিকের সর্বমোট অতিরিক্ত কর্মঘণ্টা বৎসরে একশত পঞ্চাশ ঘণ্টার অধিক হইবে নাঃ

আরও শর্ত থাকে যে, বিশেষ বিশেষ শিল্পের ক্ষেত্রে, সরকার লিখিত আদেশ দ্বারা আরোপিত শর্তে, এ ধারার বিধান শিথিল করিতে অথবা উহা হইতে এককালীন সর্বোচ্চ ছয় মাস মেয়াদের জন্য অব্যাহতি দিতে পারিবে যদি সরকার এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, জনস্বার্থে/অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে উক্ত শিথিল/অব্যাহতি প্রয়োজনীয়।

EPZ ধারা ৪০ · সাপ্তাহিক কর্মঘণ্টা

৪০। (১) কোনো শ্রমিক কোনো প্রতিষ্ঠানে সাধারণত সপ্তাহে ৪৮ (আটচল্লিশ) ঘণ্টার অধিক সময় কাজ করিবেন না বা তাহাকে দিয়ে কাজ করানো যাইবে না।

(২) ধারা ৪৫ এর বিধান সাপেক্ষে, কোনো শ্রমিক কোনো প্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে ৪৮ (আটচল্লিশ) ঘণ্টার অধিক সময় কাজ করিতে পারিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, কোনো সপ্তাহে উক্তরূপ কোনো শ্রমিকের মোট কর্মসময় ৬০ (ষাট) ঘণ্টার অধিক হইবে না, এবং কোনো বৎসরে উহা গড়ে প্রতি সপ্তাহে ৫৬ (ছাপ্পান্ন) ঘণ্টার অধিক হইবে না:

আরো শর্ত থাকে যে, বিশেষ বিশেষ শিল্পের ক্ষেত্রে, কর্তৃপক্ষ লিখিত আদেশ দ্বারা শর্ত সাপেক্ষে, এই ধারার বিধান শিথিল করিতে অথবা উহা হইতে এককালীন সর্বোচ্চ ৬ (ছয়) মাস মেয়াদের জন্য অব্যাহতি দিতে পারিবে যদি কর্তৃপক্ষ এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, জনস্বার্থে বা অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে উক্ত শিথিল বা অব্যাহতি প্রয়োজন।