নির্বাহী পরিচালক (শ্রম ও শিল্প সম্পর্ক), ইত্যাদি
আইনের টেক্সট
১৬৭। (১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে নির্বাহী পরিচালক (শ্রম ও শিল্প সম্পর্ক), অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক (শ্রম ও শিল্প সম্পর্ক), পরিচালক (শ্রম ও শিল্প সম্পর্ক), উপ-পরিচালক (শ্রম ও শিল্প সম্পর্ক), সহকারী পরিচালক (শ্রম ও শিল্প সম্পর্ক) এবং সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্যান্য কর্মকর্তা জোনসমূহের শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রম ও শিল্প সম্পর্ক বিষয়ে কার্য সম্পাদন ও দায়িত্ব পালন করিবেন।
(২) নির্বাহী পরিচালক (শ্রম ও শিল্প সম্পর্ক) এর নিম্নরূপ ক্ষমতা ও দায়িত্ব থাকিবে:
(ক) অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক (শ্রম ও শিল্প সম্পর্ক), পরিচালক (শ্রম ও শিল্প সম্পর্ক), উপ-পরিচালক (শ্রম ও শিল্প সম্পর্ক), সহকারী পরিচালক (শ্রম ও শিল্প সম্পর্ক) ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তা বা ব্যক্তির তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা;
(খ) শ্রমিক কল্যাণ সমিতির কোনো নির্বাচন তত্ত্বাবধান;
(গ) কোনো শিল্প বিরোধে সালিশ হিসাবে দায়িত্ব পালন;
(ঘ) অংশগ্রহণকারী কমিটির কার্যক্রম তত্ত্বাবধান;
(ঙ) এই আইন এবং উহার অধীন প্রণীত বিধি বা প্রবিধান দ্বারা অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন;
(৩) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে উপ-ধারা (২) এর দফা (ক) এর অধীন নিযুক্ত কর্মকর্তাদের ক্ষমতা ও দায়িত্ব এবং কর্মক্ষেত্র কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত হইবে এবং তাহাদের উপর কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা থাকিবে।
(৪) আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের বাস্তবায়ন এবং জোনসমূহে শ্রমিকগণের অধিকার এবং শিল্প সম্পর্কিত বিষয়াদি পরিচালনার ভার কর্তৃপক্ষের উপর অর্পিত থাকিবে।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ (২০১৯ সনের ২ নং আইন), ধারা ১৬৭ — bdlaws.minlaw.gov.bd। bdlaws-এ প্রকাশিত পাঠ (সংগ্রহের দিন পর্যন্ত কোনো সংশোধনী টীকা নেই)। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।
সংশ্লিষ্ট বিধি
নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্ব ও ক্ষমতা
আইনের ধারা ১৬৭ এর উদ্দেশ্যপূরণকল্পে নির্বাহী পরিচালক অথবা তৎকর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্য কোনো কর্মকর্তা আইন বা এই বিধিমালায় উল্লিখিত নির্দিষ্ট দায়িত্ব ও ক্ষমতা পালনের অতিরিক্ত এই বিধিমালার উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য নিম্নবর্ণিত ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারিবেন, যথা:
(ক) কোনো শ্রমিক কল্যাণ সমিতি অথবা শ্রমিক কল্যাণ সমিতির ফেডারেশনের অফিস বলিয়া বিশ্বাস করিবার কারণ রহিয়াছে এইরূপ ঘর-বাড়িতে প্রবেশ করা এবং অফিস অথবা ঘর-বাড়ি এবং কোনো খাতা অথবা দলিল দস্তাবেজ, রেকর্ডপত্র পরিদর্শন করা এবং আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রয়োজনে যে কোনো স্পষ্টীকরণ দাবি করা এবং যে কোনো ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণ করা;
(খ) যে কোনো শ্রমিক কল্যাণ সমিতি অথবা শ্রমিক কল্যাণ সমিতিসমূহের ফেডারেশনের যে কোনো নথি, রেকর্ডপত্র, খাতা-পত্র, দলিল দস্তাবেজ যথারীতি রসিদ প্রদান করিয়া অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের জন্য নিজ হেফাজতে সংরক্ষণ করা;
(গ) কোনো শ্রমিক কল্যাণ সমিতি অথবা শ্রমিক কল্যাণ সমিতিসমূহের ফেডারেশনের নির্বাহী পরিষদ সঙ্গত কারণ ব্যতীত সংশ্লিষ্ট শ্রমিক কল্যাণ সমিতি অথবা শ্রমিক কল্যাণ সমিতিসমূহের ফেডারেশনের অফিসের নথিপত্র, কাগজপত্র, দলিলপত্র, হিসাব বহি এবং তহবিলাদি, ইত্যাদি নবনির্বাচিত নির্বাহী পরিষদের নিকট হস্তান্তর করিতে ব্যর্থ হইলে অথবা হস্তান্তরে অস্বীকার করিলে নবনির্বাচিত নির্বাহী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অথবা সভাপতির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিদায়ী নির্বাহী পরিষদের হিসাব বহি, কাগজপত্র, দলিলাদি এবং তহবিল নবাগতদের নিকট নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হস্তান্তর করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান:
তবে শর্ত থাকে যে, কোনো ব্যক্তি উক্ত নির্দেশের কারণে সংক্ষুব্ধ হইলে নির্দেশ প্রদানের ১৫ (পনেরো) দিনের মধ্যে ইপিজেড শ্রম আদালতে আপিল করিতে পারিবে;
(ঘ) আইন ও এই বিধিমালার প্রয়োজনে কোনো শিল্প-প্রতিষ্ঠান, স্থান, ভবন বা আঙ্গিনায় প্রবেশ, পরিদর্শন, অনুসন্ধান বা সংশ্লিষ্ট কাজ করিবার জন্য সকল পন্থা বা ব্যবস্থা গ্রহণ করা;
(ঙ) শ্রমিক কল্যাণ সমিতি অথবা শ্রমিক কল্যাণ সমিতিসমূহের ফেডারেশনের নির্বাচনের যাবতীয় কার্যক্রম তদারকি করা এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রয়োজনে যে কোনো আদেশ করার ক্ষমতা;
(চ) অংশগ্রহণকারী কমিটির নির্বাচনের যাবতীয় কার্যক্রম তদারকি করা এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রয়োজনে যে কোনো আদেশ করার ক্ষমতা।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি
বাস্তবায়ন নির্দেশিকা
এই ধারার নির্দেশিকা পরবর্তী ধাপে যুক্ত হবে।
নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।
BLA-এর সাথে পার্থক্য
BLA-এর সাথে পার্থক্য
এই ধারার জন্য আলাদা তুলনা নোট এখনও লেখা হয়নি।
BLA-এ সরাসরি সমতুল্য ধারা এখানে এখনও যুক্ত হয়নি।