RMG Code — Rules for a Better TomorrowRMG Code
শ্রম আইন
ধারা৩৬

বাধ্যতামূলক গ্রুপ বিমা চালুকরণ

১টি বিধিনির্দেশিকা আছে

আইনের টেক্সট

৩৬। (১) যে সকল প্রতিষ্ঠানে অন্যূন ২৫ (পঁচিশ) জন স্থায়ী শ্রমিক কর্মরত রহিয়াছেন, সেইখানে মালিক প্রচলিত বিমা আইন অনুযায়ী গ্রুপ বিমা চালু করিবেন।

(২) বিমা দাবির টাকা এই আইনের অধীন শ্রমিকের অন্যান্য প্রাপ্যের অতিরিক্ত হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, শ্রমিকের মৃত্যুর ক্ষেত্রে বিমা দাবি আদায় মালিকের দায়িত্ব হইবে এবং মালিক উক্ত বিমা দাবি হইতে আদায়কৃত অর্থ পোষ্যদের সরাসরি প্রদানের ব্যবস্থা করিবেন :

আরো শর্ত থাকে যে, অন্য কোনো আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই ধারা অনুযায়ী কোনো বিমা দাবি উত্থাপিত হইলে উহা অনূর্ধ্ব ১২০ (একশত বিশ) দিনের মধ্যে বিমা কোম্পানি ও মালিক যৌথ উদ্যোগে নিষ্পত্তি করিবেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ (২০১৯ সনের ২ নং আইন), ধারা ৩৬ — bdlaws.minlaw.gov.bd। bdlaws-এ প্রকাশিত পাঠ (সংগ্রহের দিন পর্যন্ত কোনো সংশোধনী টীকা নেই)। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।

সংশ্লিষ্ট বিধি

বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ · এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ৪ অক্টোবর ২০২২
বিধি ১০৫

বাধ্যতামূলক গ্রুপ বিমা চালুকরণ

(১) আইনের ধারা ৩৬ অনুযায়ী প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের মালিক তাহার প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেক স্থায়ী শ্রমিকের জন্য গ্রুপ বিমা চালু করিবেন।

(২) উক্ত বিমা ব্যবস্থা চালু করিবার লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক অনুমোদিত যে কোনো প্রতিষ্ঠিত বিমা কোম্পানির সহিত মালিক চুক্তি করিতে পারিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, গ্রুপ বিমা শ্রমিকের মৃত্যু এবং স্থায়ী অক্ষমতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।

(৩) বিমার বাৎসরিক প্রিমিয়াম মালিক পরিশোধ করিবেন এবং এই জন্য শ্রমিকের মজুরি হইতে কোনো কর্তন করা যাইবে না ও বিমার বাৎসরিক প্রিমিয়াম ও বিমার অর্থ আয়কর মুক্ত হইবে।

(৪) চাকরিরত অবস্থায় যে কোনো কারণে শ্রমিকের মৃত্যুর ক্ষেত্রে শ্রমিকের মনোনীত ব্যক্তিকে বা মনোনীত ব্যক্তির অবর্তমানে পোষ্যকে উক্ত বিমার অর্থ পরিশোধ করিতে হইবে।

(৫) বিমা হইতে প্রাপ্য আর্থিক সুবিধা আইন ও এই বিধিমালা অন্যত্র প্রদত্ত আর্থিক প্রাপ্যতার বিকল্প হইবে না।

(৬) শ্রমিকের মৃত্যুর ক্ষেত্রে বিমা দাবি আদায় করিবার দায়িত্ব হইবে মালিকের এবং মালিক উক্ত বিমা দাবি হইতে আদায়কৃত অর্থ শ্রমিকের মনোনীত ব্যক্তিকে বা মনোনীত ব্যক্তির অবর্তমানে পোষ্যকে সরাসরি প্রদানের ব্যবস্থা করিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, অন্য বিধি-বিধানে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই বিধি অনুযায়ী কোনো বিমা দাবি উত্থাপিত হইলে উক্ত দাবি উত্থাপনের ১২০ (একশত বিশ) দিনের মধ্যে বিমা কোম্পানি ও মালিক যৌথ উদ্যোগে নিষ্পত্তি করিবেন।

(৭) উপ-বিধি (১), (২), (৩), (৪), (৫) এবং (৬) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, আইনের ধারা ১৭২ অনুযায়ী জোনে কর্মরত শ্রমিকের কল্যাণের জন্য অংশগ্রহণ তহবিল স্থাপিত হইলে গ্রুপ বিমা চালু করিবার প্রয়োজন হইবে না এবং এইরূপ ক্ষেত্রে শ্রমিকের গ্রুপ বিমার সমপরিমাণ অর্থ উক্ত তহবিল হইতে প্রদান করা হইবে।

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ৪ অক্টোবর ২০২২, পিডিএফ পৃষ্ঠা ৭৬

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি

বাস্তবায়ন নির্দেশিকা

করণীয়
ন্যূনতম ২৫ জন স্থায়ী শ্রমিক থাকলে group insurance বাধ্যতামূলক। মৃত্যুর ক্ষেত্রে দাবি আদায় মালিকের দায়িত্ব; ১২০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি।
রেকর্ড
Insurance policy, worker list, claim register।

নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।

BLA-এর সাথে পার্থক্য

BLA-এর সাথে পার্থক্য

গ্রুপ বীমা: BLA-তে ন্যূনতম ১০০ জন স্থায়ী শ্রমিক হলে, EPZ ধারা ৩৬-এ ২৫ জন হলে। দাবি নিষ্পত্তি দুই আইনেই ১২০ দিনের মধ্যে।

BLA ধারা ৯৯ পাশাপাশি দেখুন
BLA ধারা ৯৯ · বাধ্যতামূলক গ্রুপ বীমা চালুকরণ

১[ ৯৯। (১) যে সকল প্রতিষ্ঠানে অন্যূন ১০০ জন স্থায়ী শ্রমিক কর্মরত রহিয়াছেন, সেইখানে মালিক প্রচলিত বীমা আইন অনুযায়ী গ্রুপ বীমা চালু করিবেন।

(২) বীমা দাবীর টাকা এই আইনের অধীন শ্রমিকের অন্যান্য প্রাপ্যের অতিরিক্ত হইবে;

তবে শর্ত থাকে যে, শ্রমিকের মৃত্যুর ক্ষেত্রে বীমা দাবী আদায় মালিকের দায়িত্ব হইবে এবং মালিক উক্ত বীমা দাবী হইতে আদায়কৃত অর্থ পোষ্যদের সরাসরি প্রদানের ব্যবস্থা করিবেন:

আরও শর্ত থাকে যে, অন্য আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুন না কেন, এই ধারা অনুযায়ী কোন বীমা দাবী উত্থাপিত হইলে উহা অনুর্ধ একশত বিশ দিনের মধ্যে বীমা কোম্পানী ও মালিক যৌথ উদ্যোগে নিস্পত্তি করিবেন।]

২[ (৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধারা ২৩২ এর উপ-ধারা (৩) এর অধীন শতভাগ রপ্তানিমুখী শিল্প সেক্টর অথবা শতভাগ বৈদেশিক মুদ্রা বিনিয়োগকারী শতভাগ রপ্তানিমুখী শিল্প সেক্টরসহ অন্যান্য শিল্প সেক্টরে সরকার কর্তৃক কেন্দ্রীয় তহবিল স্থাপিত হইলে উক্ত শিল্প সেক্টরের শ্রমিকদের জন্য গ্রুপ বীমা করিবার প্রয়োজন হইবে না এবং এইরূপ ক্ষেত্রে শ্রমিকের গ্রুপ বীমার সমপরিমাণ অর্থ উক্ত তহবিল হইতে প্রদান করা হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, কেন্দ্রীয় তহবিলের শতকরা ৫০ (পঞ্চাশ) ভাগ অর্থ গ্রুপ বীমার পরিবর্তে প্রদানের নিমিত্ত এবং অবশিষ্ট শতকরা ৫০ (পঞ্চাশ) ভাগ অর্থ শ্রমিকের কল্যাণে ব্যবহৃত হইবে।]

EPZ ধারা ৩৬ · বাধ্যতামূলক গ্রুপ বিমা চালুকরণ

৩৬। (১) যে সকল প্রতিষ্ঠানে অন্যূন ২৫ (পঁচিশ) জন স্থায়ী শ্রমিক কর্মরত রহিয়াছেন, সেইখানে মালিক প্রচলিত বিমা আইন অনুযায়ী গ্রুপ বিমা চালু করিবেন।

(২) বিমা দাবির টাকা এই আইনের অধীন শ্রমিকের অন্যান্য প্রাপ্যের অতিরিক্ত হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, শ্রমিকের মৃত্যুর ক্ষেত্রে বিমা দাবি আদায় মালিকের দায়িত্ব হইবে এবং মালিক উক্ত বিমা দাবি হইতে আদায়কৃত অর্থ পোষ্যদের সরাসরি প্রদানের ব্যবস্থা করিবেন :

আরো শর্ত থাকে যে, অন্য কোনো আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই ধারা অনুযায়ী কোনো বিমা দাবি উত্থাপিত হইলে উহা অনূর্ধ্ব ১২০ (একশত বিশ) দিনের মধ্যে বিমা কোম্পানি ও মালিক যৌথ উদ্যোগে নিষ্পত্তি করিবেন।