পীঁড়া ছুটি
আইনের টেক্সট
৫১। (১) প্রত্যেক শ্রমিক প্রতি পঞ্জিকা বৎসরে পূর্ণ মজুরিতে ১৪ (চৌদ্দো) দিনের পীঁড়া ছুটি পাইবার অধিকারী হইবেন।
(২) উক্তরূপ কোনো ছুটি মঞ্জুর করা হইবে না যদি না মালিক কর্তৃক নিযুক্ত ১ (এক) জন রেজিস্টার্ড চিকিৎসক অথবা উক্তরূপ চিকিৎসকের অবর্তমানে অন্য কোনো রেজিস্টার্ড চিকিৎসক পরীক্ষান্তে এই মর্মে প্রত্যয়ন করেন যে, সংশ্লিষ্ট শ্রমিক পীঁড়িত এবং তাহার চিকিৎসা বা আরোগ্যের জন্য প্রত্যয়নপত্রে উল্লিখিত সময় ছুটি প্রয়োজন।
(৩) উক্তরূপ ছুটি জমা থাকিবে না এবং কোনো বৎসর ভোগ করা না হইলে পরবর্তী বৎসর উহা আর ভোগ করা যাইবে না।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ (২০১৯ সনের ২ নং আইন), ধারা ৫১ — bdlaws.minlaw.gov.bd। bdlaws-এ প্রকাশিত পাঠ (সংগ্রহের দিন পর্যন্ত কোনো সংশোধনী টীকা নেই)। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।
সংশ্লিষ্ট বিধি
নৈমিত্তিক ও পীড়া ছুটি
(১) আইনের ধারা ৫০ ও ধারা ৫১ অনুযায়ী নৈমিত্তিক ও পীড়া ছুটি গ্রহণ করিবার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শ্রমিক ইচ্ছা পোষণ করিলে উক্ত ছুটির পূর্বে বা পরে সাপ্তাহিক বা উৎসব ছুটি থাকিলে উহা সংযোগ করিতে পারিবেন যাহা নৈমিত্তিক ছুটি হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হইবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, নৈমিত্তিক ছুটি অথবা পীড়া ছুটির মধ্যে কোনো সাপ্তাহিক বা উৎসব ছুটি পড়িলে উক্ত ছুটি মূল ছুটির অন্তর্ভুক্ত হইবে।
আরও শর্ত থাকে যে, বৎসরের কোনো অংশে কাজে যোগদানের ক্ষেত্রে শ্রমিক উক্ত ছুটি আনুপাতিক হারে ভোগ করিতে পারিবে।
(২) নৈমিত্তিক ছুটি জরুরি প্রয়োজনে এবং পূর্ব নির্ধারিত নয় এইরূপ ক্ষেত্রে গ্রহণ করা যাইবে।
ছুটির রেজিস্টার
(১) আইনের ধারা ৯ অনুযায়ী ছুটির রেজিস্টার ফরম-৪৬ অনুযায়ী সংরক্ষণ করিতে হইবে এবং উহাতে আইনের ধারা ৫০, ৫১ ও ৫২ এ বর্ণিত ছুটির হিসাব লিপিবদ্ধ করিতে হইবে।
(২) কোনো প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল পদ্ধতিতে নির্ধারিত ফরমে ছুটির রেজিস্টার সংরক্ষণ করিলে উহা ছুটির রেজিস্টার বলিয়া গণ্য হইবে এবং এইক্ষেত্রে শ্রমিকের কোনো ছুটি মঞ্জুর করা হইলে ডিজিটাল পদ্ধতিতে এন্ট্রি প্রদান করিয়া উহার মুদ্রিত কপি সংশ্লিষ্ট শ্রমিকের ব্যক্তিগত নথিতে সন্নিবেশিত করিতে হইবে।
একই পরিবারভুক্ত শ্রমিকের ছুটি একত্রে প্রদান
(১) অবস্থানুসারে যতটুকু সম্ভব, একই পরিবারভুক্ত শ্রমিককে ( যেমন-স্বামী-স্ত্রী এবং সন্তান) আইনের ধারা ৫০ অনুযায়ী একই দিনে ছুটি মঞ্জুর করিতে হইবে।
(২) মালিক বা কারখানা ব্যবস্থাপনার অনুমোদন সাপেক্ষে একজন শ্রমিক তাহার ছুটি অন্য শ্রমিকের সহিত বদল করিতে পারিবেন।
(৩) আইনের ধারা ৫০, ধারা ৫১ ও ধারা ৫৩ এর উদ্দেশ্যপূরণকল্পে বৎসর বলিতে ইংরেজি পঞ্জিকা বৎসর।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি
বাস্তবায়ন নির্দেশিকা
- করণীয়
- বছরে ১৪ দিন পীড়া ছুটি; রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের সনদ লাগবে।
নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।
BLA-এর সাথে পার্থক্য
BLA-এর সাথে পার্থক্য
একই: ১৪ দিন (BLA ধারা ১১৬)।
BLA ধারা ১১৬ পাশাপাশি দেখুন
BLA ধারা ১১৬ · পীড়া-ছুটি
১১৬। (১) সংবাদ পত্র শ্রমিক ব্যতীত, প্রত্যেক শ্রমিক প্রত্যেক পঞ্জিকা বৎসরে পূর্ণ মজুরীতে চৌদ্দ দিনের পীড়া ছুটি পাইবার অধিকারী হইবেন।
(২) প্রত্যেক সংবাদ পত্র শ্রমিক তাহার চাকুরীর মেয়াদের অনু্যন এক- অষ্টাদশ অংশ সময় অর্ধ-মজুরীতে পীড়া-ছুটি পাইবার অধিকারী হইবেন।
(৩) উক্তরূপ কোন ছুটি মঞ্জুর করা হইবে না যদি না মালিক কতর্ৃক নিযুক্ত একজন রেজিষ্টার্ড চিকিৎসক অথবা উক্তরূপ চিকিৎসকের অবর্তমানে অন্য কোন রেজিষ্টার্ড চিকিৎসক পরীৰানত্দে এই মর্মে প্রত্যয়ন করেন যে, সংশিস্নষ্ট শ্রমিক পীড়িত এবং তাহার চিকিৎসা বা আরোগ্যের জন্য প্রত্যয়নপত্রে উলিস্নখিত সময় ছুটির প্রয়োজন।
(৪) উক্তরূপ ছুটি জমা থাকিবেনা এবং কোন বৎসর ভোগ করা না হইলে পরবতর্ী বৎসর উহা আর ভোগ করা যাইবে না।
EPZ ধারা ৫১ · পীঁড়া ছুটি
৫১। (১) প্রত্যেক শ্রমিক প্রতি পঞ্জিকা বৎসরে পূর্ণ মজুরিতে ১৪ (চৌদ্দো) দিনের পীঁড়া ছুটি পাইবার অধিকারী হইবেন।
(২) উক্তরূপ কোনো ছুটি মঞ্জুর করা হইবে না যদি না মালিক কর্তৃক নিযুক্ত ১ (এক) জন রেজিস্টার্ড চিকিৎসক অথবা উক্তরূপ চিকিৎসকের অবর্তমানে অন্য কোনো রেজিস্টার্ড চিকিৎসক পরীক্ষান্তে এই মর্মে প্রত্যয়ন করেন যে, সংশ্লিষ্ট শ্রমিক পীঁড়িত এবং তাহার চিকিৎসা বা আরোগ্যের জন্য প্রত্যয়নপত্রে উল্লিখিত সময় ছুটি প্রয়োজন।
(৩) উক্তরূপ ছুটি জমা থাকিবে না এবং কোনো বৎসর ভোগ করা না হইলে পরবর্তী বৎসর উহা আর ভোগ করা যাইবে না।