RMG Code — Rules for a Better TomorrowRMG Code
শ্রম আইন
ধারা৪

চাকরির শর্তাবলি

৫টি বিধি

আইনের টেক্সট

৪। (১) প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে শ্রমিকগণের নিয়োগ ও তৎসংক্রান্ত আনুষঙ্গিক অন্যান্য বিষয়াদি এই আইনের বিধান অনুযায়ী পরিচালিত হইবে :

তবে শর্ত থাকে যে, কোনো প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক নিয়োগ সংক্রান্ত নিজস্ব চাকরি বিধি থাকিতে পারিবে, কিন্তু এই প্রকার কোনো বিধি কোনো শ্রমিকের জন্য এই আইনের কোনো বিধান হইতে কম অনুকূল হইতে পারিবে না।

(২) উপ-ধারা (১) এর শর্তাংশে উল্লিখিত চাকরি বিধি অনুমোদনের জন্য প্রতিষ্ঠানের মালিক কর্তৃক অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের নিকট পেশ করিতে হইবে, এবং মহাপরিদর্শক উহা প্রাপ্তির ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে অনুমোদন করিবেন অথবা কারণ উল্লেখপূর্বক অননুমোদন করিতে পারিবেন।

(৩) অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের অনুমোদন ব্যতীত উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত কোনো চাকরি বিধি কার্যকর করা যাইবে না।

(৪) অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের আদেশে সংক্ষুব্ধ কোনো ব্যক্তি আদেশ প্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে নির্বাহী চেয়ারম্যানের নিকট আপিল করিতে পারিবেন এবং আপিল প্রাপ্তির ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) দিনের মধ্যে নির্বাহী চেয়ারম্যান উহা নিষ্পত্তি করিবেন এবং এক্ষেত্রে নির্বাহী চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ (২০১৯ সনের ২ নং আইন), ধারা ৪ — bdlaws.minlaw.gov.bd। bdlaws-এ প্রকাশিত পাঠ (সংগ্রহের দিন পর্যন্ত কোনো সংশোধনী টীকা নেই)। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।

সংশ্লিষ্ট বিধি

বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ · এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ৪ অক্টোবর ২০২২
বিধি ৩

চাকরি বিধি দাখিল

(১) কোনো প্রতিষ্ঠানের মালিক ও শ্রমিকের বা বিশেষ শ্রেণির শ্রমিকের চাকরি নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে নিজস্ব চাকরি বিধি প্রণয়ন করিতে চাহিলে তিনি সংশ্লিষ্ট জোনের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের নিকট উক্ত চাকরি বিধির খসড়ার অন্তত ৫ (পাঁচ) কপি করিয়া জমা প্রদান করিবেন।

(২) খসড়া চাকরি বিধিমালায় ফরম-১ অনুযায়ী মালিক কর্তৃক তাহার প্রতিষ্ঠানে নিযুক্ত শ্রমিকের চাকরির শর্তাবলির বিবরণ থাকিবে।

(৩) খসড়া চাকরি বিধিতে আইন ও এই বিধিমালায় বর্ণিত সংশ্লিষ্ট বিধানসমূহের প্রতিফলন থাকিতে হইবে এবং এই সকল বিধান কোনো শ্রমিকের জন্য আইনে বর্ণিত অনুরূপ বিধান অপেক্ষা কম সুবিধাজনক হইবে না।

(৪) অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের নিকট দাখিলকৃত খসড়া চাকরি বিধির সহিত প্রতিষ্ঠানের চাকরিতে নিযুক্ত শ্রমিকের সংখ্যা ও শ্রমিক কল্যাণ সমিতির, যদি থাকে, প্রয়োজনীয় তথ্য যথাক্রমে ফরম-২ ও ফরম-৩ অনুযায়ী সংযোজন করিতে হইবে।

(৫) জোনে অবস্থিত একই মালিকের একই ধরনের ভিন্ন প্রতিষ্ঠান অথবা একই ধরনের প্রতিষ্ঠানের ভিন্ন মালিকের কোনো গ্রুপ একটি চাকরি বিধি প্রণয়ন করিতে চাহিলে উক্ত মালিক বা গ্রুপের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি নিম্নবর্ণিত বিষয়সহ অনুরূপ খসড়া চাকরি বিধি উপস্থাপন করিতে পারিবে, যথা:

(ক) উক্ত গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত মালিকের তালিকা এবং তাহার প্রতিষ্ঠানের নাম ও পূর্ণ ঠিকানা;

(খ) এই মর্মে একটি ঘোষণা যে, গ্রুপের পক্ষে উপস্থাপিত চাকরি বিধির শর্তাবলি মালিক পক্ষ মানিয়া চলিতে বাধ্য থাকিবেন; এবং

(গ) এই মর্মে একটি ঘোষণা যে, কোনো প্রতিষ্ঠান অনুরূপ কোনো গ্রুপে যোগদান করিলে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি পরবর্তী ৭ (সাত) দিনের মধ্যে উহা সংশ্লিষ্ট জোনের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শককে অবহিত করিবেন।

(৬) কোনো প্রতিষ্ঠান যেই গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত উক্ত গ্রুপ ত্যাগ করিলে উহার নিজস্ব চাকরি বিধি অনুমোদিত না হওয়া পর্যন্ত বর্ণিত গ্রুপের চাকরি বিধি উক্ত প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য থাকিবে।

(৭) অনুমোদিত চাকরি বিধির অন্যূন একটি কপি সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি কর্তৃক অনুমোদনের ৫ (পাঁচ) কর্মদিবসের মধ্যে গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে।

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ৪ অক্টোবর ২০২২, পিডিএফ পৃষ্ঠা ৩
বিধি ৪

চাকরি বিধি অনুমোদন পদ্ধতি

(১) খসড়া চাকরি বিধি প্রাপ্তির ১০ (দশ) দিনের মধ্যে অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক উহার কপি প্রাপ্তির স্বীকারপত্রসহ এতৎসঙ্গে ফরম-৪ অনুযায়ী একটি নোটিশ রেজিস্ট্রি ডাকযোগে, সরাসরি বা অন্য কোনো পদ্ধতিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মালিক এবং শ্রমিক কল্যাণ সমিতির, যদি থাকে, নিকট প্রেরণ করিবেন।

(২) সংশ্লিষ্ট মালিক উক্ত নোটিশ পাইবার ১০ (দশ) দিনের মধ্যে খসড়া চাকরি বিধিসহ নোটিশটি তাহার প্রতিষ্ঠানের নোটিশ বোর্ডে টাঙ্গাইয়া দিবেন এবং উহা প্রকাশের তারিখ উল্লেখসহ নোটিশটি প্রকাশ করা হইয়াছে মর্মে অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের নিকট একটি প্রত্যয়নপত্র প্রেরণ করিবেন।

(৩) নোটিশে সংযুক্ত চাকরি বিধির খসড়ার উপর শ্রমিক বা শ্রমিক কল্যাণ সমিতি ২০ (বিশ) দিনের মধ্যে তাহাদের প্রস্তাব বা আপত্তি (যদি থাকে) ফরম-৫ অনুযায়ী অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের নিকট যুক্তিসহ উপস্থাপন করিবেন।

(৪) শ্রমিকের বা শ্রমিক কল্যাণ সমিতির নিকট হইতে আপত্তি বা প্রস্তাব পাইবার ২০ (বিশ) দিনের মধ্যে অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক নির্ধারিত তারিখ ও স্থানে আপত্তি বা প্রস্তাব শ্রবণ করিবেন এবং তাহার নিকট কোনো আপত্তি বা প্রস্তাব যুক্তিযুক্ত বিবেচিত হইলে তিনি উক্তরূপ শুনানি অনুষ্ঠানের পরবর্তী ১০ (দশ) দিনের মধ্যে মালিকের নিকট প্রেরণ করিবেন।

(৫) মালিক উপ-বিধি (৪) এর অধীন প্রাপ্ত আপত্তি বা প্রস্তাবনার উপর পরবর্তী ১৫ (পনেরো) দিনের মধ্যে তাহার প্রতিষ্ঠানের মতামত অতিরিক্ত মহাপরিদর্শককে অবহিত করিবেন।

(৬) অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক উপ-বিধি (৫) এর অধীন প্রাপ্ত মতামত বিবেচনার পর খসড়া চাকরি বিধি প্রস্তাবিত সংশোধনীসহ বা ব্যতীত গৃহীত হইবার বিষয়ে ২০ (বিশ) দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিবেন এবং প্রস্তাবিত সংশোধনীসহ চাকরি বিধির খসড়া চূড়ান্তকরণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হইলে অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক গৃহীত সংশোধনীসমূহ অন্তর্ভুক্ত করিয়া চাকরি বিধির সংশোধিত খসড়ার ৫ (পাঁচ) কপি পরবর্তী ১৫ (পনেরো) দিনের মধ্যে জমা প্রদানের জন্য মালিককে নির্দেশ প্রদান করিবেন।

(৭) সংশোধনীসহ বা ব্যতীত, যাহাই হউক না কেন, অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক যদি মনে করেন যে, খসড়া চাকরি বিধি আইনের বিধানের পরিপন্থি বা সাঙ্ঘর্ষিক বা আইনের উদ্দেশ্য পূরণে অপর্যাপ্ত, তাহা হইলে তিনি প্রয়োজনীয় সংশোধনীসহ একটি নূতন খসড়া চাকরি বিধি উপস্থাপন করিবার জন্য মালিককে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন।

(৮) মালিক উপ-বিধি (৭) অনুসারে একটি নূতন খসড়া চাকরি বিধি পরবর্তী ১০ (দশ) দিনের মধ্যে অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের নিকট পুনরায় উপস্থাপন করিবেন এবং অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক উহার উপর সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য একত্রে শ্রবণ করিবার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিবেন এবং এতৎসংক্রান্ত সকল আনুষ্ঠানিকতা সম্পাদিত হইলে পরবর্তী ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে মহাপরিদর্শকের নিকটে উহা সুপারিশসহ অনুমোদনের নিমিত্ত প্রেরণ করিবেন।

(৯) মহাপরিদর্শক উপ-বিধি (৮) এর অধীন খসড়া চাকরি বিধি প্রাপ্তির ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে অনুমোদন প্রদান বা কারণ উল্লেখপূর্বক অননুমোদন করিবেন এবং বিষয়টি অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক আদেশ দ্বারা মালিককে অবহিত করিবেন।

(১০) উপ-বিধি (৯) এর অধীন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের আদেশে সংক্ষুব্ধ কোনো ব্যক্তি আদেশ প্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে নির্বাহী চেয়ারম্যানের নিকট আপিল করিতে পারিবে এবং আপিল প্রাপ্তির ৪৫ (পয়ঁতাল্লিশ) দিনের মধ্যে নির্বাহী চেয়ারম্যান উহা নিষ্পত্তি করিবেন এবং নির্বাহী চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।

(১১) মহাপরিদর্শক কর্তৃক খসড়া চাকরি বিধি অনুমোদনের ১৫ (পনেরো) দিনের মধ্যে মালিক উক্ত চাকরি বিধির অন্যূন ৫ (পাঁচ) কপিতে যথাযথভাবে স্বাক্ষর ও সিলসহ তারিখ প্রদানপূর্বক সংশ্লিষ্ট জোনের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের নিকট প্রেরণ করিবেন ও উক্ত চাকরি বিধির কপিতে অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক স্বাক্ষর ও সিল প্রদান করিবেন।

(১২) অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক কর্তৃক স্বাক্ষর ও সিল প্রদানের তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিন অতিক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত অথবা অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা হইলে উক্ত আপিল সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত চাকরি বিধি কার্যকর হইবে না।

(১৩) চাকরি বিধির একটি মূল কপি অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক নিজ দপ্তরে সংরক্ষণ করিবেন এবং ফরম-৬ অনুযায়ী চাকরি বিধিমালার রেজিস্টারে উহার তথ্য অন্তর্ভুক্ত করিবেন।

(১৪) অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক চাকরি বিধির একটি কপি নির্বাহী চেয়ারম্যান, মালিক এবং শ্রমিক কল্যাণ সমিতি, যদি থাকে, এর বরাবরে প্রেরণ করিবেন।

(১৫) কোনো ব্যক্তি, সমিতি বা কোনো কারখানা ব্যবস্থাপনা চাকরি বিধির কপি সংগ্রহ করিতে চাহিলে অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের দপ্তরে উক্ত চাকরি বিধি ফটোকপি করিবার খরচের অর্থ প্রদান করিলে ৩ (তিন) কর্মদিবসের মধ্যে চাকরি বিধির অবিকল নকল প্রদান করা যাইবে।

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ৪ অক্টোবর ২০২২, পিডিএফ পৃষ্ঠা ৪
বিধি ৫

প্রচলিত চাকরি বিধি

(১) যেই সকল প্রতিষ্ঠানে নিজস্ব চাকরি বিধি পূর্ব হইতে প্রচলিত রহিয়াছে সেই সকল প্রতিষ্ঠানের মালিক এই বিধিমালা জারি হইবার ৩ (তিন) মাসের মধ্যে উহা আইন এবং এই বিধিমালার সহিত সামঞ্জস্য করিয়া একটি খসড়া চাকরি বিধি প্রস্তুত করিবে এবং উক্ত খসড়া চাকরি বিধি অনুমোদনের জন্য অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের নিকট উপস্থাপন করিবেন।

(২) উপ-বিধি (১) এর অধীন চাকরি বিধি দাখিলের ক্ষেত্রে বিধি ৩ এর বিধান এবং উহা অনুমোদনের ক্ষেত্রে বিধি ৪ এর বিধান, যতদূর সম্ভব, অনুসরণ করিতে হইবে।

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ৪ অক্টোবর ২০২২, পিডিএফ পৃষ্ঠা ৬
বিধি ৬

চাকরি বিধি সংশোধন

চাকরি বিধির সংশোধনের ক্ষেত্রে বিধি ৩ ও বিধি ৪ এ উল্লিখিত পদ্ধতি অনুসরণ করিতে হইবে।

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ৪ অক্টোবর ২০২২, পিডিএফ পৃষ্ঠা ৬
বিধি ৭

সাংগঠিনক কাঠামো প্রণয়ন

প্রত্যেক মালিক তাহার প্রতিষ্ঠানের জন্য চাকরি বিধির সহিত উহার সাংগঠিনক কাঠামো (অর্গানোগ্রাম) প্রণয়ন করিবে এবং উহা অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত হইতে হইবে এবং উক্ত সাংগঠিনক কাঠামোতে শ্রমিকের শ্রেণি, সংখ্যা ও প্রকৃতির উল্লেখ করিতে হইবে।

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ৪ অক্টোবর ২০২২, পিডিএফ পৃষ্ঠা ৬

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি

বাস্তবায়ন নির্দেশিকা

এই ধারার নির্দেশিকা পরবর্তী ধাপে যুক্ত হবে।

নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।

BLA-এর সাথে পার্থক্য

BLA-এর সাথে পার্থক্য

এই ধারার জন্য আলাদা তুলনা নোট এখনও লেখা হয়নি।

BLA ধারা ৩ পাশাপাশি দেখুন
BLA ধারা ৩ · চাকুরীর শর্তাবলী

৩। (১) প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে শ্রমিকগণের নিয়োগ ও তৎসংক্রান্ত আনুষঙ্গিক অন্যান্য বিষয়াদি এই অধ্যায়ের বিধান অনুযায়ী পরিচালিত হইবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, কোন প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক নিয়োগ সংক্রান্ত নিজস্ব চাকুরী বিধি থাকিতে পারিবে, কিন্তু এই প্রকার কোন বিধি কোন শ্রমিকের জন্য এই অধ্যায়ের কোন বিধান হইতে কম অনুকূল হইতে পারিবে না১[:

আরও শর্ত থাকে যে, এই আইন যে সকল প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় সে সকল প্রতিষ্ঠান এই আইনে প্রদত্ত কোন সুযোগ সুবিধার চাইতে কম সুযোগ সুবিধা দিয়া কোননীতি, বিধি-বিধান, হাউজ পলিসি করিতে পারিবে না।]

(২) উপ-ধারা (১) এর শর্তাংশে উল্লিখিত চাকুরী বিধি অনুমোদনের জন্য প্রতিষ্ঠানের মালিক কর্তৃক প্রধান পরিদর্শকের নিকট পেশ করিতে হইবে, এবং প্রধান পরিদর্শক উহা প্রাপ্তির ২[৩[১২০ (একশত বিশ)] দিনের] মধ্যে তাহার বিবেচনায় যথাযথ আদেশ প্রদান করিবেন।

(৩) প্রধান পরিদর্শকের অনুমোদন ব্যতীত উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত কোন চাকুরী বিধি কার্যকর করা যাইবে না।

৪[(৪) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত ১২০ (একশত বিশ) দিনের মধ্যে মহাপরিদর্শক আদেশ প্রদান না করিলে, উক্ত সময় অতিক্রান্ত হইবার ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে অথবা মহাপরিদর্শক কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ হইলে, আদেশ প্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে কোনো ব্যক্তি, সরকারের নিকট প্রতিকারের জন্য আবেদন বা, ক্ষেত্রমত, আপিল করিতে পারিবেন এবং সরকার উক্ত আবেদন বা, ক্ষেত্রমত, আপিল প্রাপ্তির ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিবে এবং এতদ্‌বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।]

(৫) উপ-ধারা (২) এর কোন বিধান সরকারের মালিকানাধীন, ব্যবস্থাপনাধীন বা নিয়ন্ত্রণাধীন কোন প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না।

EPZ ধারা ৪ · চাকরির শর্তাবলি

৪। (১) প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে শ্রমিকগণের নিয়োগ ও তৎসংক্রান্ত আনুষঙ্গিক অন্যান্য বিষয়াদি এই আইনের বিধান অনুযায়ী পরিচালিত হইবে :

তবে শর্ত থাকে যে, কোনো প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক নিয়োগ সংক্রান্ত নিজস্ব চাকরি বিধি থাকিতে পারিবে, কিন্তু এই প্রকার কোনো বিধি কোনো শ্রমিকের জন্য এই আইনের কোনো বিধান হইতে কম অনুকূল হইতে পারিবে না।

(২) উপ-ধারা (১) এর শর্তাংশে উল্লিখিত চাকরি বিধি অনুমোদনের জন্য প্রতিষ্ঠানের মালিক কর্তৃক অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের নিকট পেশ করিতে হইবে, এবং মহাপরিদর্শক উহা প্রাপ্তির ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে অনুমোদন করিবেন অথবা কারণ উল্লেখপূর্বক অননুমোদন করিতে পারিবেন।

(৩) অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের অনুমোদন ব্যতীত উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত কোনো চাকরি বিধি কার্যকর করা যাইবে না।

(৪) অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের আদেশে সংক্ষুব্ধ কোনো ব্যক্তি আদেশ প্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে নির্বাহী চেয়ারম্যানের নিকট আপিল করিতে পারিবেন এবং আপিল প্রাপ্তির ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) দিনের মধ্যে নির্বাহী চেয়ারম্যান উহা নিষ্পত্তি করিবেন এবং এক্ষেত্রে নির্বাহী চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।