মজুরি পরিশোধের পদ্ধতি
আইনের টেক্সট
৫৭। (১) প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে মালিক কর্তৃক শ্রমিকদের মজুরি পরিশোধ করিতে হইবে।
(২) মালিককে শ্রমিকের মজুরি নির্ধারণের ক্ষেত্রে এতদুদ্দেশ্যে সময় সময় জারিকৃত আদেশ বা সার্কুলার অনুসরণ করিতে হইবে।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ (২০১৯ সনের ২ নং আইন), ধারা ৫৭ — bdlaws.minlaw.gov.bd। bdlaws-এ প্রকাশিত পাঠ (সংগ্রহের দিন পর্যন্ত কোনো সংশোধনী টীকা নেই)। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।
সংশ্লিষ্ট বিধি
মজুরি ও উহার রেকর্ড সংরক্ষণ
(১) প্রতিটি কারখানায় বা প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত সকল শ্রমিকের শ্রমিক রেজিস্টারের ক্রমানুসারে মজুরিকাল অনুযায়ী মজুরি পরিশোধের বিষয়সমূহ ফরম-৪৭ অনুযায়ী সংরক্ষণ করিতে হইবে এবং মজুরি পরিশোধের জন্য মালিক বা তৎকর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি তাহার সুবিধা অনুযায়ী উহা কম্পিউটারে সংরক্ষণ করিতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, মজুরি পরিশোধকালে মুদ্রিত কপিতে রেভিনিউ স্ট্যাম্প ব্যবহার করিয়া শ্রমিকের স্বাক্ষর গ্রহণ করিতে হইবে।
(২) যদি কোনো শ্রমিক, তাহার মজুরি তাহার ব্যাংক হিসাবে গ্রহণ করিতে ইচ্ছা পোষণ করেন, তবে মালিক উহা ব্যাংক চেক অথবা সরাসরি ব্যাংকে হস্তান্তর অথবা অন্য কোনো ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিশোধ করিতে পারিবেন এবং মজুরি স্লিপ প্রদান করিবেন এবং এইক্ষেত্রে মালিক বা কারখানা ব্যবস্থাপনা মহিলা শ্রমিকের ব্যাংক হিসাব খোলা ও পরিচালনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করিবে।
(৩) প্রতি মজুরি মেয়াদে প্রত্যেক শ্রমিককে মজুরি পরিশোধের পূর্বে মালিক ফরম-৪৭ অনুযায়ী একটি মজুরি স্লিপ প্রদান করিবেন।
(৪) প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে যে কোনো ধরনের শ্রমিককে কাজে নিয়োজিত করিবার সময় প্রদত্ত নিয়োগপত্রে তাহার মজুরি উল্লেখ করিতে হইবে।
(৫) ঠিকা হার বা ফুরনভিত্তিক (পিস রেট) মজুরির হিসাব হইবে নিম্নরূপ, যথা:
(ক) কারখানার ফ্লোর ইন-চার্জের মাধ্যমে শ্রমিকের নিকট হইতে প্রাথমিক ধারণা লইয়া ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বা মালিক ফুরনভিত্তিক (পিস রেট) মজুরি নির্ধারণ করিবেন;
(খ) ফুরনভিত্তিক (পিস রেট) মজুরি প্রদানকালে প্রত্যেক শ্রমিককে পে-স্লিপ প্রদান করিতে হইবে এবং পে-স্লিপে মজুরির খাতওয়ারী বিস্তারিত বিবরণ লিপিবদ্ধ থাকিবে;
(গ) ফুরনভিত্তিক (পিস রেট) মজুরির হার সম্পর্কে কোনো আপত্তি উত্থাপিত হইলে উহা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক পুনর্বিবেচনার সুযোগ থাকিবে;
(ঘ) আংশিক কাজের ক্ষেত্রে শ্রমিককে তাহার প্রাপ্য নির্ধারিত গ্রেডে ন্যূনতম মজুরিতে ঘাটিত থাকিলে উহা মালিক পূরণ করিয়া প্রদান করিবেন;
(ঙ) কাজের স্বল্পতার কারণে কোনো মাসে কোনো শ্রমিক মাসের সকল কর্মদিবসে উপস্থিত থাকিবার পরও নির্ধারিত গ্রেড অনুযায়ী প্রাপ্য ন্যূনতম মজুরি অপেক্ষা নিম্ন মজুরি প্রদান করা হইলে কারখানা কর্তৃপক্ষকে উহা পরিশোধ করিতে হইবে;
(চ) গ্রেডে প্রাপ্য মজুরি বা ফুরনভিত্তিক (পিস রেট) মজুরির মধ্যে যাহা অধিক হইবে শ্রমিককে সেই মজুরি প্রদান করিতে হইবে;
(ছ) কারখানায় যদি পূর্ণ মাস কাজে না থাকে তাহা হইলে শ্রমিকের নির্ধারিত গ্রেডের প্রাপ্য মূল মজুরি প্রদান করিতে হইবে;
(জ) ফুরনভিত্তিক (পিস রেট) মজুরি বিষয়ক বিধানসমূহ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হইবার বিষয়টি অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি নজরদারী করিবে।
মজুরি পরিশোধের দায়িত্ব ও পরিশোধের ধরন
(১) আইনের ধারা ২৬ অনুযায়ী প্রত্যেক মালিক, প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, ব্যবস্থাপক অথবা উহার তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণের জন্য মালিকের নিকট দায়ী অন্য কোনো ব্যক্তি তৎকর্তৃক নিযুক্ত প্রত্যেক শ্রমিককে এই আইনের অধীন মজুরি পরিশোধ করিবার জন্য দায়ী থাকিবেন।
(২) সকল মজুরি প্রচলিত মুদ্রা, কারেন্সি নোট অথবা ব্যাংকের চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করিতে হইবে এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে শ্রমিকের চাহিদা অনুযায়ী শ্রমিকের ব্যবহৃত ব্যাংক একাউন্টে ইলেকট্রনিক ট্রান্সফারের মাধ্যমে বা অন্য কোনো আধুনিক পদ্ধতিতে পরিশোধ করা যাইবে।
অসম্পূর্ণ মাসের কাজের ক্ষেত্রে মজুরি হিসাব পদ্ধতি
(১) কোনো শ্রমিকের চাকরি । তাহার মজুরির মেয়াদ পূর্ণ হইবার পূর্বে অবসান হইলে অথবা কোনো শ্রমিক মাস আরম্ভ হইবার পরে কাজে যোগদান করিলে উভয় ক্ষেত্রে অসম্পূর্ণ মাসের জন্য শ্রমিকের মজুরি হিসাবের ক্ষেত্রে তাহার সাপ্তাহিক ও অন্যান্য ছুটিসহ কর্মকালীন দিনকে গণনা করিতে হইবে।
(২) বাড়ি ভাড়া ভাতা, চিকিৎসা ভাতা এবং অন্যান্য ভাতাসহ, যদি থাকে, মাসের মোট মজুরিকে উক্ত মাসের মোট দিনগুলি দ্বারা ভাগ করিয়া উক্ত মেয়াদের দিনগুলিকে গুণ করিয়া মজুরি হিসাব করিতে হইবে।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি
বাস্তবায়ন নির্দেশিকা
- করণীয়
- মজুরি নির্ধারণে BEPZA-র সর্বশেষ wage SRO ও সার্কুলার মানুন; piece rate এমন হবে যাতে স্বাভাবিক কর্মঘণ্টায় ন্যূনতম মজুরি আয় হয় (বিধি ১১৯(৫))।
নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।
BLA-এর সাথে পার্থক্য
BLA-এর সাথে পার্থক্য
EPZ: প্রবিধান ও BEPZA সার্কুলার অনুযায়ী পরিশোধ। BLA ধারা ১২৪: নগদ/চেক/ব্যাংক/ডিজিটাল।
BLA ধারা ১২৪ পাশাপাশি দেখুন
BLA ধারা ১২৪ · প্রচলিত মুদ্রা অথবা কারেন্সী নোট ইত্যাদি দ্বারা মজুরী পরিশোধ
১২৪। ১[(১)] সকল মজুরী প্রচলিত মুদ্রা, কারেন্সী নোট অথবা ব্যাংকের চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করিতে হইবে।
২[(২) উপ-ধারা-(১) এ প্রবর্তিত পদ্ধতি ছাড়াও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে শ্রমিকের চাহিদা মোতাবেক শ্রমিকের ব্যবহৃত ব্যাংক একাউন্টে ইলেকট্রনিক ট্রান্সফারের মাধ্যমে কিংবা অন্য কোন ডিজিটাল পদ্ধতিতে সরাসরি পরিশোধ করা যাইবে।]
EPZ ধারা ৫৭ · মজুরি পরিশোধের পদ্ধতি
৫৭। (১) প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে মালিক কর্তৃক শ্রমিকদের মজুরি পরিশোধ করিতে হইবে।
(২) মালিককে শ্রমিকের মজুরি নির্ধারণের ক্ষেত্রে এতদুদ্দেশ্যে সময় সময় জারিকৃত আদেশ বা সার্কুলার অনুসরণ করিতে হইবে।