বিধি ২১৪ — তহবিলের অর্থের উৎস
তহবিলের অর্থের উৎস
(১) এই বিধিমালা কার্যকর হইবার পর নিম্নবর্ণিত হারে ও পদ্ধতিতে তহবিলের অর্থ আদায়যোগ্য হইবে, যথা:-
(ক) শতভাগ রপ্তানীমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি কার্যাদেশের বিপরীতে প্রাপ্ত মোট অর্থের ০.০৩% ;
(খ) ক্রেতা বা কার্যাদেশ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের স্বেচ্ছাধীন অনুদান;
(গ) সরকার কর্তৃক প্রদত্ত স্বেচ্ছাধীন অনুদান;
(ঘ) দেশি-বিদেশি কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক স্বেচ্ছাধীন অনুদান; এবং
(ঙ) তহবিলের অর্থ বিনিয়োগ হইতে প্রাপ্ত মুনাফা।
(২) শতভাগ রপ্তানীমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিক সংশ্লিষ্ট ক্রেতা বা কার্যাদেশ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ গ্রহণ করিবার সময় উক্ত তহবিলের অনুদান প্রদানের বিষয়টি অবহিত করিবেন।
(৩) প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের লিয়েন ব্যাংক উপ-বিধি (১) এর দফা (ক) এ বর্ণিত অর্থ রফতানী আদেশের অর্থ হইতে সরকারি পাওনা হিসাবে আদায়পূর্বক পৃথক হিসাব বিবরণীসহ আদায়কৃত অর্থ তহবিলে জমা প্রদান করিবে।
(৪) এই বিধির উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে, সময় সময়, জারিকৃত নিদের্শনা অনুসরণ করিতে হইবে।
(৫) উপ-বিধি (১) এর দফা (খ), (গ) এবং (ঘ)-তে বর্ণিত স্বেচ্ছধীন অনুদানের অর্থ তহবিলে সরাসরি জমা প্রদান করিতে পারিবে।
সংশ্লিষ্ট ধারা (বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬): ধারা ২৩৪
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ — এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত), ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫; বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২; গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি