বিধি ৩২৫ — তহবিল হইতে অগ্রিম গ্রহণ
তহবিল হইতে অগ্রিম গ্রহণ
(১) কোন সদস্য তাহাদের হিসাব জমায় স্থিত অর্থ হইতে কোন অগ্রিম গ্রহণ করিতে পারিবেন না, তবে ট্রাস্টিগণ স্ববিবেচনায় নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে তাঁদের আরোপিত শর্তাধীনে অগ্রিম মঞ্জুর করিতে পারিবেন, যথা:—
(ক) কোন চাঁদাদাতা বা তাহার পরিবারের কোন সদস্যের চিকিৎসা সম্পর্কিত ব্যয় নির্বাহের জন্য;
(খ) কোন চাঁদাদাতা ধর্ম মতে বিবাহ, অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া বা বিভিন্ন অনুষ্ঠানাদি সম্পন্ন করা যদি বাধ্যতামূলক হয় এবং এতদ্বসংক্রান্ত ব্যয় নির্বাহ করা অত্যাবশ্যক হয় সেই সংক্রান্ত ব্যয় নির্বাহের জন্য;
(গ) বাসগৃহ নির্মাণ বা মেরামত অথবা বাসগৃহ বা ফ্ল্যাট ক্রয় অথবা বাসগৃহের নিমিত্তে জমি ক্রয় অথবা বাসগৃহ বা ফ্ল্যাট মেরামত বা সংস্কার সম্পর্কিত ব্যয় নির্বাহের জন্য;
(ঘ) কোন চাঁদাদাতা বা তাহার স্ত্রীর জীবন বীমার প্রিমিয়াম পরিশোধ করিবার জন্য; এবং
(ঙ) উপরি-উক্ত দফাসমূহে উল্লিখিত ক্ষেত্রসমূহের অনুরূপ অন্য কোন ব্যয় নির্বাহের জন্য।
(২) কোন অগ্রিম সদস্যের হিসাবে রক্ষিত আয়কর মুক্ত চাঁদা ও মুনাফার মোট স্থিতির শতকরা ৮০ (আশি) ভাগের অধিক হইবে না, এবং প্রথম গৃহীত অগ্রিম সম্পূর্ণ পরিশোধ না করা পর্যন্ত পরবর্তী কোন অগ্রিম মঞ্জুর করা যাইবে না।
(৩) অগ্রিম হিসাবে গৃহীত অর্থ অনধিক মাসিক সমান ৬০ (ষাট) কিস্তিতে পরিশোধ করিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রতিটি কিস্তি অগ্রিম গ্রহণকারী সদস্যের মাসিক মূল মজুরির এক- তৃতীয়াংশের অধিক হইবে না।
(৪) অগ্রিম হিসাবে গৃহীত অর্থ সমানভাগে ভাগ করিয়া যত কিস্তিতে মূল অগ্রিম পরিশোধ হইবে, অগ্রিমের সুদ হিসাবে তাহার অধিক একটি অতিরিক্ত কিস্তি পরিশোধ করিতে হইবে।
(৫) এই তহবিলের জমাকৃত অর্থ সদস্যদের অর্থ হিসাবে বিবেচিত হইবে।
(৬) তহবিল হইতে মালিক তাহার প্রতিষ্ঠানের জন্য বা অন্য কোন ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে বা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে কোন প্রকার অগ্রিম বা ঋণ গ্রহণ করিতে পারিবেন না।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ — এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত), ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫; বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২; গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি