বিধি ১১ — জামানত, জামানত তহবিল পরিচালনা বোর্ড, বিনিয়োগ, শ্রমিকের আইনানুগ
জামানত, জামানত তহবিল পরিচালনা বোর্ড, বিনিয়োগ, শ্রমিকের আইনানুগ
পাওনা পরিশোধ, ইত্যাদি।—
(১) লাইসেন্স প্রাপ্তির জন্য প্রত্যেক ঠিকাদার সংস্থাকে জামানত হিসাবে নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ “ঠিকাদার সংস্থা জামানত তহবিল” বরাবরে জমা প্রদান করিতে হইবে।
(২) জামানতের অর্থ তফসিল-৭ এর দফা-৬ অনুযায়ী নির্ধারিত হইবে।
(৩) ঠিকাদার সংস্থা জামানত তহবিল পরিচালনার জন্য নিম্নবর্ণিত সদস্যের সমন্বয়ে “ঠিকাদার সংস্থা জামানত তহবিল পরিচালনা বোর্ড” নামে একটি বোর্ড গঠিত হইবে, যথা:—
(ক) শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মাননীয় মন্ত্রী; যিনি ইহার চেয়ারম্যানও হইবেন;
(খ) সচিব, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; যিনি ইহার ভাইস চেয়ারম্যানও হইবেন;
(গ) মহাপরিদর্শক; যিনি ইহার সদস্য-সচিবও হইবেন;
(ঘ) শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অন্যূন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা;
(ঙ) সরকার কর্তৃক মনোনীত সংশ্লিষ্ট ব্যবসার সহিত যুক্ত মালিক পক্ষের তিনজন প্রতিনিধি;
(চ) সরকার কর্তৃক মনোনীত সংশ্লিষ্ট সেক্টরে কর্মরত শ্রমিক বা শ্রমিক সংগঠনের তিনজন প্রতিনিধি; এবং
(ছ) সরকার কর্তৃক মনোনীত দুইজন কর্মকর্তা বা বিশিষ্ট ব্যক্তি।
(৪) জামানতের অর্থ মহাপরিদর্শক বোর্ডের সিদ্ধান্তক্রমে এতদুদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক অনুমোদিত ব্যাংক হিসাবে জমা রাখিবে।
(৫) সরকার প্রয়োজন মনে করিলে জামানতের অর্থ সরকারি মালিকানাধীন বিনিয়োগযোগ্য কোন খাতে বিনিয়োগ করিতে পারিবে।
(৬) জামানতের অর্থ অথবা বিনিয়োগকৃত অর্থ হইতে প্রাপ্ত মুনাফা দ্বারা সংশ্লিষ্ট সেক্টরে কর্মরত কোন শ্রমিকের আইনানুগ পাওনা, তাহার আবেদনের প্রেক্ষিতে উহা যাচাইপূর্বক, পরিশোধ করা যাইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক বা তাহার উত্তরাধিকারীকে এই ধরনের পাওনাদি পরিশোধ করা যাইবে এবং যদি উহা জামানতের অর্থ হইতে প্রদান করা হয় তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার সংস্থা উক্ত তহবিলে সেই পরিমাণ অর্থ অনতিবিলম্বে পুন:ভরণ করিবে।
বিধি ১১ এর উপ-বিধি (৩) এর দফা (চ) এর প্রান্তস্থিত ‘এবং’ শব্দটি বিলুপ্ত হইবে এবং অতঃপর দফা (ছ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (ছ), (জ) ও (ঝ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা: “(ছ) বাংলাদেশ এমপ্লায়ার্স ফেডারেশনের ১ (এক) জন প্রতিনিধি; (জ) ন্যাশনাল কোঅর্ডিনেশন কমিটি ফর ওয়ার্কার্স এডুকেশন (এনসিসিডাব্লিউই) এর ১ (এক) জন প্রতিনিধি; এবং (ঝ) সরকার কর্তৃক মনোনীত ২ (দুই) জন কর্মকর্তা বা বিশিষ্ট ব্যক্তি।”; ( ১৪৮৭৯ ) মূল্য : টাকা ২৪.০০
সংশ্লিষ্ট ধারা (বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬): ধারা ৩ক
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ — এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত), ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫; বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২; গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি