বিধি ২৫০ — চাঁদা
চাঁদা
(১) শ্রমিকের মজুরি যেভাবেই প্রদান করা হউক না কেন, মাসিক মূল মজুরির অন্যূন সাত শতাংশ এবং অনধিক আট শতাংশ ভিত্তিতে হিসাব করিয়া পরিশোধযোগ্য চাঁদার হার নির্ধারণ করিতে হইবে।
(২) মালিক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট শ্রমিকের মজুরি পরিশোধকালে ভবিষ্য তহবিলের নির্ধারিত চাঁদার টাকা কর্তন করিয়া নিজের অংশের সমপরিমাণ অর্থসহ উক্ত মাস শেষ হইবার পনের দিনের মধ্যে পে-অর্ডার বা ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে ভবিষ্য তহবিলের হিসাবে জমা প্রদান করিতে হইবে এবং পে- অর্ডার বা ব্যাংক ড্রাফটের ব্যাংক মাশুল মালিক বহন করিবেন।
(৩) প্রতি মাস শেষ হইবার পনের দিনের মধ্যে মালিক একটি মাসিক প্রতিবেদন বোর্ডের নিকট প্রেরণ করিবেন এবং উক্ত প্রতিবেদনে প্রত্যেক শ্রমিকের নিকট হইতে কর্তনকৃত অর্থের পরিমাণ ও উক্ত শ্রমিকের খাতে মালিকের প্রদত্ত অর্থের পরিমাণ উল্লেখ থাকিতে হইবে এবং কোন কারণে তহবিলে শ্রমিকের দেয় চাঁদা আদায় না হইয়া থাকিলে পরবর্তী মাসের মজুরি হইতে উহা কর্তন করা যাইবে।
(৪) বোর্ডের সচিব উপ-বিধি (২) মোতাবেক তহবিলের অর্থ প্রাপ্তির দশ দিনের মধ্যে উহার প্রাপ্তি স্বীকার করিবেন।
সংশ্লিষ্ট ধারা (বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬): ধারা ২৬৪
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ — এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত), ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫; বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২; গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি