বিধি ২৬৮ — লংঘন, ইত্যাদির জন্য শাস্তি
লংঘন, ইত্যাদির জন্য শাস্তি
(১) যদি কোন ব্যক্তি—
(ক) এই বিধিমালা মোতাবেক প্রদেয় কোন চাঁদা পর্যাপ্ত কারণ ব্যতীত পরিশোধ করিতে ব্যর্থ হন;
(খ) সদস্যের মজুরি বা অন্য পারিশ্রমিক হইতে মালিকের অংশ কর্তন করিয়া থাকেন বা কর্তন করিবার চেষ্টা করেন;
(গ) বিধিমালা মোতাবেক দাখিল করা আবশ্যক বা দাখিল করিতে নির্দেশ দেওয়া হইয়াছে এমন রিটার্ণ, বিবরণী বা অন্য কোন দলিল দাখিল করিতে ব্যর্থ হন বা অস্বীকার করেন;
(ঘ) মিথ্যা রিটার্ণ, বর্ণনা বা দলিল দাখিল করিয়া থাকেন বা মিথ্যা বিবৃতি প্রদান করেন;
(ঙ) এই বিধিমালার অন্য কোন আবশ্যকতা পালন না করিবার বা ভঙ্গ করিবার দায়ে দোষী হন; অথবা
(চ) মালিক কর্তৃক প্রভাব খাটিয়ে বা চাতুরীর মাধ্যমে অগ্রিম বা ঋণ গ্রহণ করেন; তাহা হইলে তিনি ধারা ২৯৮ অনুযায়ী দন্ডপ্রাপ্ত হইবেন।
(২) ট্রাস্টি বোর্ড তহবিলের অর্থ ব্যাংক সুদের হারের চাইতে কম হারে ঋণ প্রদান করিলে বা মালিককে ব্যবসায়ের কাজে ব্যবহারের অনুমতি প্রদান করিলে বা নিজের লাভে প্রয়োগ করিলে মালিক এবং ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য দন্ডবিধি, ১৮৬০ (১৮৬০ সনের ৫নং আইন) এর ৪০৯ ধারা মোতাবেক দন্ডনীয় হইবেন।
সংশ্লিষ্ট ধারা (বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬): ধারা ২৯৮
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ — এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত), ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫; বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২; গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি