বিধি ৫৩ — ভবন, যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য কাঠামোর নিরাপত্তা
ভবন, যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য কাঠামোর নিরাপত্তা
(১) ধারা ৬১ (১) বাস্তবায়নের সময় পরিদর্শক ভবন, পথ, যন্ত্রপাতি বা প্লান্টসহ উক্ত ধারায় উল্লিখিত বিষয়গুলি ব্যতীত কোন প্রতিষ্ঠানের কোন দেওয়াল, চিমনি, সেতু, সুড়ঙ্গ, রাস্তা, গ্যালারী, সিঁড়ি, র্যাম্প, মেঝে, প্লাটফরম, মাচা, রেলপথ বা বৈদ্যুতিক বা যান্ত্রিক পদ্ধতির যানবাহন চালানোর রাস্তা বা অন্য কোন কাঠামো, উহা স্থায়ী বা অস্থায়ী যে রকমই হউক না কেন, বিবেচনায় আনিবেন যেন ইহা মানুষের জীবন বা নিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক না হয় :
তবে শর্ত থাকে যে, উক্তরূপ ক্ষেত্রে এই বিধিমালা কার্যকর হইবার পূর্বে প্রতিষ্ঠিত বা নির্মিত বা চালুকৃত কারখানা বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে কোন স্বীকৃত সিভিল ইঞ্জিনিয়ার বা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্ম কর্তৃক ভবনের স্থায়িত্ব এবং ওজন বহন ক্ষমতা (load capacity) এবং যন্ত্রপাতি ও অন্য যে কোন কাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে প্রচলিত অন্যান্য আইনের সংশ্লিষ্ট বিধানাবলি অনুসরণ করা হইয়াছে কিনা, উহার সনদ পরিদর্শকের নিকট দাখিল এবং প্রদর্শন করিবার জন্য মালিককে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন এবং যাচাই করিতে পারিবেন।
(২) এই বিধিমালা কার্যকর হইবার পর কোন কারখানা ভবন নির্মাণ বা কোন ভবনে কারখানা স্থাপন করিতে হইলে বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড বা প্রয়োজ্য ক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক জারিকৃত সর্বশেষ নীতিমালা অনুযায়ী নির্মিত হইয়াছে মর্মে নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের নিকট হইতে সনদ গ্রহণ করিতে হইবে।
(৩) ধারা ৬১ (২) অনুযায়ী পরিদর্শক কর্তৃক প্রদান করা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তাহার কর্তৃক নির্দেশিত নির্দিষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে কোন মালিক বা কর্তৃপক্ষ ব্যর্থ হইলে উহা চলমান অপরাধ অর্থাৎ প্রতিদিন কৃত অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে।
বিধি ৫৩ এর (ক) উপ-বিধি (১) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-বিধি (১ক) সন্নিবেশিত হইবে, যথা: “(১ক) যদি মালিকের নিকট উহা প্রতীয়মান হয় যে, কোন প্রতিষ্ঠানের কোন ভবন বা ইহার কোন অংশ অথবা কোন পথ যন্ত্রপাতি বা প্লান্ট বা ভবনের অভ্যন্তরীণ বৈদ্যুতিক অবস্থা এমন অবস্থায় রহিয়াছে যে, ইহা মানুষের জীবন বা নিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক, তাহা হইলে মালিক নিজ দায়িত্বে লিখিতভাবে সংশ্লিষ্ট উপ-মহাপরিদর্শককে অবহিত করিবেন এবং ইহার প্রতিকারের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ নিশ্চিতকরণে স্বীকৃত ইঞ্জিনিয়ার বা ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্ম কর্তৃক পরীক্ষা করাইবেন।’’; (খ) উপ-বিধি (৩) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-বিধি (৪) সন্নিবেশিত হইবে, যথা: “(৪) পরিদর্শক কর্তৃক প্রদানকৃত সময়সীমার মধ্যে মালিক বা কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠানের কোন ভবন বা ইহার কোন অংশ অথবা ইহার কোন পথ, যন্ত্রপাতি বা প্লান্ট বন্ধ করিতে ব্যর্থ হইলে স্থানীয় প্রশাসন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সহিত সমন্বয় করিয়া প্রতিষ্ঠানের উক্ত ভবন বা উহার কোন অংশ অথবা উহার কোন পথ, যন্ত্রপাতি বা প্লান্ট বন্ধ করিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবেন।’’;
সংশ্লিষ্ট ধারা (বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬): ধারা ৬১
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ — এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত), ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫; বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২; গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি