চিকিৎসা পরীক্ষা
আইনের টেক্সট
৮২। (১) যেক্ষেত্রে কোনো শ্রমিক কোনো দুর্ঘটনার নোটিশ প্রদান করেন, সেই ক্ষেত্রে মালিক নোটিশ প্রদানের ৩ (তিন) দিনের মধ্যে জোনের চিকিৎসা কেন্দ্রের চিকিৎসক অথবা মালিকের খরচে কোনো রেজিস্টার্ড চিকিৎসক দ্বারা শ্রমিককে পরীক্ষা করাইবেন এবং উক্ত শ্রমিক উক্তরূপ পরীক্ষার জন্য নিজেকে হাজির করিবেন :
তবে শর্ত থাকে যে, শ্রমিকের দুর্ঘটনা বা অসুস্থতা গুরুতর হইলে, শ্রমিক যেখানে অবস্থান করিতেছেন মালিক সেখানে তাহাকে পরীক্ষা করাইবার ব্যবস্থা করিবেন।
(২) এই অধ্যায়ের অধীন কোনো শ্রমিক মাসিক ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করিতে থাকিলে, যদি তিনি নির্দেশিত হন তাহা হইলে সময় সময় উক্তরূপ পরীক্ষার জন্য নিজেকে হাজির করিবেন।
(৩) শ্রমিকদের উপ-ধারা (১) এর অধীন পরীক্ষা, চিকিৎসা এবং এতৎসংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়াদি প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ (২০১৯ সনের ২ নং আইন), ধারা ৮২ — bdlaws.minlaw.gov.bd। bdlaws-এ প্রকাশিত পাঠ (সংগ্রহের দিন পর্যন্ত কোনো সংশোধনী টীকা নেই)। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।
সংশ্লিষ্ট বিধি
জখমপ্রাপ্ত শ্রমিকের চিকিৎসা ও মহিলাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা
(১) আইনের ধারা ৮২ অনুযায়ী কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় আহত শ্রমিকের চিকিৎসা মালিকের তত্ত্বাবধানে করিতে হইবে এবং মালিক উহার ব্যয় বহন করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, শ্রমিকের দুর্ঘটনা বা অসুস্থতা গুরুতর হইলে শ্রমিক যেই স্থানে অবস্থান করিতেছেন সম্ভব হইলে মালিক সেই স্থানে তাহাকে পরীক্ষা করাইবার ব্যবস্থা করিবেন।
(২) যেইক্ষেত্রে কোনো শ্রমিক কোনো দুর্ঘটনার নোটিশ প্রদান করিবেন সেইক্ষেত্রে মালিক নোটিশ জারির ৩ (তিন) দিনের মধ্যে মালিকের নিজ খরচে কোনো রেজিস্টার্ড চিকিৎসক দ্বারা শ্রমিককে পরীক্ষা করাইবেন এবং উক্ত শ্রমিক উক্তরূপ পরীক্ষার জন্য নিজেকে হাজির করিবেন।
(৩) কোনো মহিলা চিকিৎসকের সন্ধান তাৎক্ষণিক অবস্থায় পাওয়া না গেলে সেইক্ষেত্রে কোনো মহিলা শ্রমিকের উপস্থিতিতে পুরুষ চিকিৎসক কর্তৃক কোনো মহিলা শ্রমিকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা যাইবে।
(৪) কোনো মহিলা শ্রমিক যদি মহিলা চিকিৎসক দ্বারা স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিবার জন্য ফি জমা প্রদান করেন, তবে কোনো পুরুষ চিকিৎসক দ্বারা তাহার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আদেশ প্রদান করা যাইবে না।
(৫) যে শ্রমিক ক্ষতিপূরণ হিসাবে মাসিক ভাতা পাইতেছেন তাহাকে দুর্ঘটনার পরের মাসে ২ (দুই) বার এবং পরবর্তী মাসে ১ (এক) বারের অধিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাহার আবাসস্থলের বাহিরে যাইতে বাধ্য করা যাইবে না।
(৬) শ্রমিকের জখমের স্পষ্টতা ও স্থায়িত্ব সম্পর্কে কোনো বিরোধ উদ্ভূত হইলে সেইক্ষেত্রে রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলিয়া বিবেচিত হইবে।
(৭) যেইক্ষেত্রে কোনো মালিক অথবা জখমপ্রাপ্ত শ্রমিক কোনো রেজিস্টার্ড চিকিৎসক কর্তৃক প্রদত্ত চিকিৎসা পরীক্ষার রিপোর্টে সন্তুষ্ট না হন, সেইক্ষেত্রে উক্ত মালিক বা শ্রমিক বিষয়টি পুনরায় পরীক্ষা করিবার জন্য কোনো মেডিকেল কলেজের অন্যূন সহযোগী অধ্যাপক মর্যাদাসম্পন্ন কোনো চিকিৎসা বিশেষজ্ঞের নিকট পরীক্ষা করাইতে পারিবেন এবং এই প্রকার পরীক্ষার জন্য যে অর্থ ব্যয় হইবে উহা যিনি বিশেষজ্ঞের নিকট প্রেরণ করিবেন তিনি বহন করিবেন।
(৮) কোনো প্রতিষ্ঠানে অন্যূন ১০ (দশ) জন শ্রমিক কর্মরত থাকিলে উক্ত প্রতিষ্ঠানের মালিক শ্রমিকের জন্য যৌথ বিমা কর্মসূচির অধীনে দুর্ঘটনাজনিত বিমা স্কিম চালু ও বাস্তবায়ন করিতে পারিবেন এবং উক্তরূপ দুর্ঘটনা বিমা স্কিম হইতে প্রাপ্ত সুবিধা বা অর্থ শ্রমিকের চিকিৎসা কাজে ব্যয় করিতে হইবে।
(৯) কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় কোনো শ্রমিকের মৃত্যু বা জখমের ফলে স্থায়ীভাবে অক্ষম হইলে প্রতিষ্ঠানের মালিক উক্ত শ্রমিকের পরিবারের কোনো সদস্যকে যোগ্যতা অনুযায়ী উপযুক্ত কোনো পদে নিয়োগ প্রদান করিতে পারিবেন।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি
বাস্তবায়ন নির্দেশিকা
এই ধারার নির্দেশিকা পরবর্তী ধাপে যুক্ত হবে।
নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।
BLA-এর সাথে পার্থক্য
BLA-এর সাথে পার্থক্য
এই ধারার জন্য আলাদা তুলনা নোট এখনও লেখা হয়নি।
BLA-এ সরাসরি সমতুল্য ধারা এখানে এখনও যুক্ত হয়নি।