গ্যাস সিলিন্ডার বিধিমালা, ১৯৯১ — তফসিল
মূল পাঠের পৃষ্ঠা (PDF পৃষ্ঠা ২০–৩২)। প্রতিটি পৃষ্ঠার নিচে লেখাটিও দেওয়া আছে। মূল PDF
- তফসিল ১ — ফরম ‘ক’ থেকে ‘চ’ (নির্মাণ অনুমতির দরখাস্ত, লাইসেন্সের দরখাস্ত ও লাইসেন্স ফরম)
- তফসিল ২ — নিরপেক্ষ পরিদর্শনকারীর প্রত্যয়ন পত্র (বিধি ৪(খ))
- তফসিল ৩ — সিলিন্ডার পরীক্ষা কেন্দ্রের সুবিধাদি (বিধি ৩৩(২))
- তফসিল ৪ — লাইসেন্স ফিস ও লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ (বিধি ৪৩)
লাইসেন্স ফিস এক নজরে (তফসিল-৪)
| ফরম ও উদ্দেশ্য | লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ | লাইসেন্স ফিস |
|---|---|---|
| “ঘ” — গ্যাসপূর্ন সিলিন্ডার অথবা খালি সিলিন্ডার আমদানী | প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক | প্রথম ১০০টি সিলিন্ডার পর্যন্ত টাকা ৫০০। ১০০টির অতিরিক্ত প্রতি সিলিন্ডার বা তদপেক্ষা কমসংখ্যক সিলিন্ডারের জন্য টাকা ২৫০। |
| “ঙ” — সিলিন্ডারে গ্যাস পূরন | প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক | পূরনযোগ্য প্রত্যেক প্রকারের গ্যাসের (LPG, দ্রবীভূত এ্যাসিটিলিন, অন্যান্য প্রজ্বলনীয় অবিষাক্ত, বিষাক্ত, অবিষাক্ত ও অপ্রজ্বলনীয়) প্রত্যেকটির জন্য টাকা ৫০০০। |
| “চ” — গ্যাসপূর্ন সিলিন্ডার অধিকারে রাখা | প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতা প্রদত্ত কোন বিস্ফোরক পরিদর্শক | (অ) LPG: ১০০ কিঃ গ্রামের বেশী কিন্তু ৫০০ কিঃ গ্রামের বেশী নয় টাকা ১০০০; অতিরিক্ত প্রতি ৫০০ কিঃ গ্রাম বা উহার অংশ বিশেষ টাকা ৫০০। (আ) দ্রবীভূত এ্যাসিটিলিন: ১০টি সিলিন্ডারের বেশী কিন্তু ১০০টির বেশী নহে টাকা ৫০০; অতিরিক্ত প্রতি ১০০ বা তদপেক্ষা কম সংখ্যক সিলিন্ডারের জন্য টাকা ২৫০। (ই) অন্যান্য প্রজ্বলনীয় কিন্তু অবিষাক্ত গ্যাস: ১০০ কিঃ গ্রামের বেশী কিন্তু ৫০০ কিঃ গ্রামের বেশী নয় টাকা ১০০০; অতিরিক্ত প্রতি ৫০০ কিঃ গ্রাম বা উহার অংশ বিশেষ টাকা ৫০০। (ঈ) বিষাক্ত গ্যাস: ৫টি সিলিন্ডারের বেশী কিন্তু ১০০টির বেশী নয় টাকা ১০০; অতিরিক্ত প্রতি ৫০০ বা তদপেক্ষা কম সংখ্যক সিলিন্ডারের জন্য টাকা ২৫০। (উ) অবিষাক্ত ও অপ্রজ্বলনীয় গ্যাস: ২০টি সিলিন্ডারের বেশী কিন্তু ১০০টির বেশী নয় টাকা ৫০০; অতিরিক্ত প্রতি ১০০ বা তদপেক্ষা কম সংখ্যক সিলিন্ডারের জন্য টাকা ২৫০। |
উপরের ঘরগুলো তফসিল-৪-এর লেখা থেকে নেওয়া। এর চেয়ে কম পরিমাণ রাখতে লাইসেন্স লাগে না — দেখুন বিধি ৪১।
তফসিলের পৃষ্ঠা

এই পৃষ্ঠার লেখা
দ্বাদশ পরিচ্ছেদ
বিবিধ
৬০। গ্যাস সিলিন্ডারের নিরাপত্তার জন্য নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা।- প্রধান পরিদর্শক, প্রয়োজন মনে করিলে, কোন সিলিন্ডারের
নির্মাণ কারখানা, গ্যাস সিলিন্ডার পরিবাহী যান বা গ্যাসপূর্ণ সিলিন্ডার মজুদ প্রাঙ্গণ বা বিশেষ কোন গ্যাস সিলিন্ডারের নিরাপত্তার
জন্য সংশ্লিষ্ট কারখানা, যান, মজুদ প্রাঙ্গণ বা সিলিন্ডারের মালিক বা লাইসেন্সধারী বা অনুমোদন বা অনুমতি প্রাপ্ত ব্যক্তিকে অনুর্ধ
১৫ দিনের মধ্যে বিশেষ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন।
৬১। রহিতকরন ইত্যাদি।- (১) এতদ্বারা Gas Cylinder Rules,1940 রহিত করা হইল।
(২) অনুরূপ রহিতকরন সত্বেও রহিত Rules এই অধীন প্রদত্ত অনুমোদন ৩০শে জুন, ১৯৯১ পর্যন্ত বহাল থাকিবে।
(৩) এই বিধিমালা প্রবর্তনের অব্যবহিত পূর্বে রহিত বিধিমালার অধীনে কোন বিষয় নিষ্পন্নাধীন থাকিলে উহা যতদুর সম্ভব এই
বিধিমালার বিধান অনুসারে নিষ্পত্তি করা হইবে এবং অনুরূপ নিষ্পত্তিতে কোন অনুবিধা দেখা দিলে সরকার, লিখিত আদেশ
দ্বারা উহা নিষ্পত্তি করিতে পারিবে।
তফসিল ১
ফরমসমুহ
ক ফরম
[গ্যাস সিলিন্ডার বিধিমালা, ১৯৯১ এর বিধি ৩(২) দ্রষ্টব্য]
সিলিন্ডার, ভালভ ও আনুষংগিক যন্ত্রাংশ নির্মানের অনুমতি লাভের দরখাস্ত
১। দরখাস্তকারীর নাম ও পূর্ন ঠিকানা
ঃ
২। দরখাস্তকারী কোন স্টান্ডার্ড স্পেসিফিকেশন/কোড
ঃ
৩। পূর্ব অভিজ্ঞতার বিবরন-
ঃ
(ক) নির্মিত সামগ্রীর নাম
ঃ
(খ) নির্মিত সামগ্রী কাহাকে সরবরাহ করা হইয়াছিল
(গ) নির্মিত সামগ্রীর বিবরন (সংখ্যা,নির্মান তারিখ,
স্পেসিফিকেশন ইত্যাদি)।
ঃ
৪। নিয়োজিত/নিয়োগযোগ্য কর্মচারীদের সংখ্যা,
অভিজ্ঞতা ও অন্যান্য বিবরন।
ঃ
৫। নির্মান প্রক্রিয়া
ঃ
৬। নির্মিতব্য সামগ্রীর মান নিয়ন্ত্রনের ব্যবস্থা
ঃ
৭। রাসায়নিক ও যান্ত্রিক পরীক্ষনের জন্য স্থাপিত/

এই পৃষ্ঠার লেখা
স্থাপনযোগ্য যন্ত্রপাতির বিশদ বিবরন।
ঃ
৮। রেডিওগ্রাফিক/আল্ট্রাসনিক/অনুরূপ পরীক্ষন
সরঞ্জামাদির বিবরন।
ঃ
৯। অতিরিক্ত তথ্য, যদি থাকে
ঃ
বিঃ দ্রঃ- উপরোক্ত তথ্যাদি প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত কাগজ ব্যবহার করা যাইবে।
তারিখ:-
আবেদনকারীর স্বাক্ষর
( পূর্ন
নামসহ)
ফরম ‘খ’
[গ্যাস সিলিন্ডার বিধিমালা, ১৯৯১ এর বিধি ৪৩ (১) দ্রষ্টব্য]
সিলিন্ডার আমদানীর লাইসেন্সের জন্য দরখাস্ত
১। দরখাস্তকারীর নাম ও ঠিকানা
ঃ
২। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে গ্যাসপূর্ন সিলিন্ডার অধিকারে রাখার
লাইসেন্স নং ও উহা মঞ্জুর করার তারিখ
ঃ
৩। দরখাস্তকারী যে প্রকার সিলিন্ডার আমদানী করিতে
ইচ্ছুক উহার বিবরণঃ
(১) সিলিন্ডারের সংখ্যা
ঃ
(২)“সিলিন্ডারের স্ট্যান্ডার্ড স্পেসিফিকেশনের নাম ও নম্বর,
ধরন, রং ও জল ধারনক্ষমতা ইত্যাদি
ঃ
(৩) প্রস্তুতকারীর নাম, নির্দেশক চিহ্ন বা সংক্ষিপ্ত নাম
ঃ
(৪) নিরপেক্ষ পরিদর্শনকারীর নাম, নির্দেশক চিহ্ন বা সংক্ষিপ্ত নাম:
(৫) ভাল্ভের স্ট্যান্ডার্ড স্পেসিফিকেশন নং
ঃ
(৬) সিলিন্ডার গ্যাসপূর্ন থাকিলে গ্যাসের প্রচলিত
ও রাসায়নিক নাম।
ঃ
(৭) স্থায়ী গ্যাস বা দ্রব্যভূত এ্যাসিটিলিন গ্যাস দ্বারা
পূর্ন হইলে ১৫° সেঃ তাপমাত্রায় পূরণচাপ
ঃ
(৮) তরলযোগ্য গ্যাস দ্বারা পূর্ন হইলে পূরণ অনুপাত
ঃ
(৯) খালি সিলিন্ডার আমদানি করা হইলে, উহা যে গ্যাস
দ্বারা পূরণ করা হইবে উহার প্রচলিত ও রাসায়নিক নাম :

এই পৃষ্ঠার লেখা
(১০) সিলিন্ডারের নম্বর (রোটেশন নম্বর)
ঃ
৪। যে স্থানে সিলিন্ডার রাখা হইবে উহার বিবরণ
ঃ
৫। অতিরিক্ত তথ্য যদি থাকে
ঃ
তারিখ:------------------ দরখাস্তকারীর স্বাক্ষর
বিঃ দ্রঃ- প্রতিটি সিলিন্ডার ও ভাল্ভ সম্পর্কে নিরপেক্ষ পরিদর্শনকারীর প্রত্যয়নপত্র দরখাস্তের সহিত দাখিল করিতে হইবে।
ফরম গ
[গ্যাস সিলিন্ডার বিধিমালা, ১৯৯১ এর বিধি ৪৩(১) দ্রষ্টব্য]
সিলিন্ডারে গ্যাস ভর্তি বা গ্যাসপূর্ণ সিলিন্ডার অধিকারে রাখার লাইসেন্সের জন্য দরখাস্ত
১। দরখাস্তকারীর নাম ও ঠিকানা
ঃ
২। যে প্রাঙ্গনে সিলিন্ডারে গ্যাস ভর্তি করা হইবে
বা গ্যাসপূর্ন সিলিন্ডার অধিকারে রাখা হইবে
উহার অবস্থান-
ঃ
জেলা
:
উপজেলা/থানা
:
শহন/গ্রাম
:
৩। যে গ্যাস সিলিন্ডারে ভর্তি করা হইবে/ যে গ্যাস দ্বারা
পূরনকৃত সিলিন্ডার অধিকারে রাখা হইবে সেই গ্যাসের
প্রকৃতি, প্রযোজ্যটির নাম লিখুন, যেমন-
:
(অ) তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস
:
(আ) দ্রবীভূত ও এ্যাসিটিলিন গ্যাস
ঃ
(ই) তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম ও দ্রবীভূত এ্যাসিটিলিন
গ্যাস ব্যতীত অন্য কোন প্রজ্বলনীয় কিন্তু বিষাক্ত গ্যাস।
ঃ
(ঈ) বিষাক্ত গ্যাস
ঃ
(উ) অবিষাক্ত ও অপ্রজ্বলনীয় গ্যাস
ঃ
৪। ক্রমিক নং ৩-এ উল্লিখিত গ্যাসের প্রচলিত ও
রাসায়নিক নাম।
ঃ
৫। ক্রমিক নং ৩- এ উল্লিখিত গ্যাসের পরিমান ও
সিলিন্ডারের সংখ্যা।
ঃ

এই পৃষ্ঠার লেখা
তারিখঃ--------
দরখাস্তকারীর স্বাক্ষর
ফরম ঘ
[গ্যাস সিলিন্ডার বিধিমালা,১৯৯১ এর বিধি ৪৩(৫) দ্রষ্টব্য]
সিলিন্ডার আমদানীর লাইসেন্স
নং--------------------------
ফিস----------------------------
এতদ্বারা------------------------------------------------------------------------------------------- কে, নিম্নবর্নিত
সিলিন্ডার আমদানীর জন্য Explosives Act, 1884 ( IV of 1884) এবং তদধীন প্রনীত গ্যাস সিলিন্ডার বিধিমালা,১৯৯১
এর বিধানাবলী ও অত্র লাইসেন্সে উল্লেখিত শর্তাবলী সাপেক্ষে, লাইসেন্স মঞ্জুর করা হইল।
এই লাইসেন্স-------------------------------- তারিখ পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে।
তারিখ: --------------
প্রধান
বিস্ফোরক
পরিদর্শক, বাংলাদেশ।
সিলিন্ডারের বিবরন
১। সিলিন্ডারের সংখ্যা
ঃ
২। সিলিন্ডারের স্টান্ডার্ড স্পেসিফিকেশন,
ধারন ও ধারন ক্ষমতা ইত্যাদি।
ঃ
৩। প্রস্তুতকারীর নাম ও ঠিকানা
ঃ
৪। নিরপেক্ষ পরিদর্শনকারীর নাম, ঠিকানা ও প্রতীক
ঃ
৫। ভালভের স্টান্ডার্ড স্পেসিফিকেশনের নাম ও নং
ঃ
৬। সিলিন্ডারে পুরনকৃত গ্যাসের প্রচলিত ও রাসায়নিক নাম
ঃ
৭। গ্যাসের পুরন-চাপ বা পুরন অনুপাত (যাহা প্রযোজ্য হয়):
৮। খালি সিলিন্ডার আমদানীর ক্ষেত্রে উহা যে গ্যাস
দ্বারা পূর্ন করা হইবে উহার প্রচলিত ও
রাসায়নিক নাম।
ঃ

এই পৃষ্ঠার লেখা
৯। সর্বশেষকৃত উদস্থিতি বা উদস্থিতি প্রসারন পরীক্ষার তারিখ:
১০। সিলিন্ডারের নম্বর (রোটেশন নম্বর)
ঃ
লাইসেন্সের শর্তাবলীঃ
১। যে বন্দর বা সীমান ফাঁড়ি দিয়া গ্যাসপূর্ন সিলিন্ডার আমদানী করা হয়, সেই বন্দর বা ফাঁড়ি হইতে উক্ত সিলিন্ডার অনুমোদিত
প্রাঙ্গনে দ্রুত স্থানান্তর করিবার জন্য পূর্ব হইতেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা প্রস্তুত রাখিতে হইবে।
২। গ্যাসপূর্ন সিলিন্ডার শূন্য হইলে, প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শকের পূর্ব অনুমতি ব্যতিরেকে ভিন্ন কোন গ্যাস দ্বারা উহা পুনরায় পূর্ন
করা যাইবে না।
ফরম ঙ
[গ্যাস সিলিন্ডার বিধিমালা, ১৯৯১ এর বিধি ৪৩(৫) দ্রষ্টব্য]
সিলিন্ডারে গ্যাস ভর্তির লাইসেন্স
নং--------------------------
ফিস----------------------
এতদ্বারা-------------------------------------------------------------------------------------------
কে,Explosives Act, 1884 ( IV of 1884) এবং তদধীন প্রনীত গ্যাস সিলিন্ডার বিধিমালা,১৯৯১ এর বিধানাবলী অপর
পৃষ্ঠায় বর্নিত শর্তাবলী সাপেক্ষে এতদসংযুক্ত নকসায় প্রদর্শিত ও নিম্নে বর্নিত প্রাঙ্গনে সিলিন্ডারে-----------গ্যাস ভর্তি করার
জন্য লাইসেন্স মঞ্জুর করা হইল।
এই লাইসেন্স ৩১শে ডিসেম্বর,--------------------সাল বলবৎ থাকিবে।
তারিখ: --------------
প্রধান বিস্ফোরক
পরিদর্শক, বাংলাদেশ।
লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গনের অবস্থান ও বর্ননা
------------------------------------------------------------------------------------
----------------------
নবায়নের তারিখ
মেয়াদ উর্ত্তীন হওয়ার তারিখ
লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের স্বাক্ষর

এই পৃষ্ঠার লেখা
------------------------------------------------------------------------------------
----------------------
--------------------------------------------------------------------------
--------------------------------------------------------------------------
--------------------------------------------------------------------------
--------------------------------------------
শর্তাবলীঃ
১। সিলিন্ডারে গ্যাস ভর্তি করা, সিলিন্ডার মজুদ এবং তৎসংশ্লিষ্ট উদ্দেশ্য ছাড়া অন্য কোন উদ্দেশ্যে লাইসেন্সৃত প্রাঙ্গন ব্যবহার
করা যাইবে না।
২। লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন ব্যতিরেকে লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গনের কোন মৌলিক পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করা
যাইবে না।
৩। কোন সিলিন্ডারে গ্যাস ভর্তি করা, যাইবে না যদি না-
(ক) এই ধরনের সিলিন্ডার প্রধান পরিদর্শক কর্তৃক লিখিতভাবে অনুমোদিত হয়; এবং
(খ) সিলিন্ডারটি বিধি ৩২ অনুসারে পর্যবেক্ষন ও পরীক্ষন করা হয়।
৪। কোন সিলিন্ডারের ডিজাইন প্রেসারের অধিক চাপে বা উক্ত সিলিন্ডারের জন্য প্রযোজ্য পুরন অনুপাত অতিক্রম করিয়া উহাতে
গ্যাস ভর্তি করা যাইবে না।
৫। কোন সিলিন্ডার বিধি ১০ এ বর্নিত সনাক্তকরন রঙ্গে রঞ্জিত করা না থাকিলে উহা কোন গ্যাস দ্বারা পূর্ন করা যাইবে না।
৬। ভিন্ন ভিন্ন গ্যাসের জন্য স্বতন্ত্র সংকোচনকারী ও পূরনকারী যন্ত্র ব্যবহার করিতে হইবে।
৭। লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গনে প্রজ্বলনীয় গ্যাস ভর্তি করা হইলে অগ্নি নির্বাপনের উপযুক্ত ব্যবস্থা সর্বদা প্রস্তুত রাখিতে হইবে।
৮। লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গনে প্রজ্বলনীয় গ্যাস ভর্তি করা হইলে গ্যাস সংকোচন ও গ্যাস ভর্তির যন্ত্রের বহিঃসীমা হইতে চতুর্দিকে ১০
মিটারের মধ্যে কোন দালানকোঠা, বাড়ীঘর বা জনপথ থাকা চলিবে না।
৯। লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গনে অগ্নিকান্ড বা বিস্ফোরনের ফলে কোন ব্যক্তি মারা গেলে বা গুরুতরভাবে আহত হইলে বা কোন সম্পত্তি
গুরুতর ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হইলে উক্ত দুর্ঘটনার সংবাদ অবিলম্বে এবং সম্ভাব্য পন্থায় প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
এবং নিকটতম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানাইতে হইবে। প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শকের অনুমতি না পাওয়া পর্যন্ত দূর্ঘটনার
তদন্ত করা হইবে না মর্মে তাহার নিকট হইতে অবহিত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত দুর্ঘটনার ধ্বংসাবশেষ অপরিবর্তিত অবস্থায় রাখিতে
হইবে। তবে আহত বা নিহত ব্যক্তিকে দুর্ঘটনাস্থল হইতে সরানো যাইবে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা অব্যাহত রাখার জন্য
প্রয়োজনীয় কাজ করা যাইবে।
১০। বিধি ৪১ এ উল্লেখিত পরিমানের দ্বিগুনের বেশী পরিমানে গ্যাস বা উক্ত বিধিতে উল্লেখিত সংখ্যক গ্যাসপূর্ন সিলিন্ডারের
দ্বিগুনের বেশী সংখ্যক গ্যাস পূর্ন সিলিন্ডার লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গনে ২৪ ঘন্টার অধিক ধরিয়া রাখা হইলে উক্ত প্রাঙ্গনে ‘চ’ ফরমে
(গ্যাসপূর্ন সিলিন্ডার অধিকারে রাখার লাইসেন্স) বর্নিত শর্তাবলীর ২-৭ নং শর্তাবলী পালন করিতে হইবে।
১১। প্রতিটি সিলিন্ডারে গ্যাস ভর্তির পূর্বে উহার ভাল্ভসহ অন্যান্য সরঞ্জামাদি ও ফিটিংস সতর্কতার সহিত পরীক্ষা করিতে হইবে
যাহাতে সংশ্লিষ্ট আইনের বিধানাবলী প্রতিপালন নিশ্চিত হয় এবং গ্যাস ভর্তির জন্য উপযুক্ত বলিয়া গণ্য করিবার পূর্বে সম্পূর্ণ
সিলিন্ডার খালি করিতে হইবে।

এই পৃষ্ঠার লেখা
১২। সিলিন্ডার গ্যাস ভর্তি সংক্রান্ত কার্যাবলী এমন একজন ব্যক্তির সুষ্ঠু তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হইবে যিনি গ্যাস সিলিন্ডার
বিধিমালা, ১৯৯১এর বিধানাবলী এবং বিশেষভাবে সিলিন্ডার হইতে সম্ভাব্য বিপদ, গ্যাস ভর্র্তির বিধানাবলী, পর্যাবৃত্ত পরীক্ষণ ও
পরির্দশনের উদ্দেশ্য ও তদ্সংশ্লিষ্ট বিধানাবলী সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান রাখেন।
১৩। দাহ্য গ্যাস সিলিন্ডারে ভর্তি এবং সংকোচন করিবার জন্য লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণে স্থাপিত বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি যেমন- মোটর,
সুইচ ইত্যাদি বি,এস ৪৬৮৩ অনুসারে অগ্নিনিরোধী হইতে হইবে।
১৪। সিলিন্ডারে গ্যাস ভর্তির সময় লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণে আগুন বা কৃত্রিম আলো বা দাহ্য গ্যাসে আগুন ধরাইতে সক্ষম এমন
কোন বস্তু আনা বা রাখা যাইবে না, তবে প্রয়োজনে অগ্নিনিরোধী টর্চলাইট ব্যবহার করা যাইতে পারে।
ফরম ‘চ’
[গ্যাস সিলিন্ডার বিধিমালা, ১৯৯১ এর বিধি ৪৩(৫) দ্রষ্টব্য]
গ্যাসপূর্ণ সিলিন্ডার অধিকারে রাখার লাইসেন্স
নং--------------------------
ফিস--
--------------------------
এতদ্বারা-------------------------------------------------------------------------------------------
কে,Explosives Act, 1884 ( IV of 1884) এবং তদধীন প্রনীত গ্যাস সিলিন্ডার বিধিমালা,১৯৯১ এর বিধানাবলী অপর
পৃষ্ঠায় বর্নিত শর্তাবলী সাপেক্ষে, এতদসংযুক্ত নকসায় প্রদর্শিত ও নিম্নে বর্নিত প্রাঙ্গনে -----------------গ্যাসপূর্ন সিলিন্ডার
অধিকারে রাখার লাইসেন্স মঞ্জুর করা হইল।
এই লাইসেন্স ৩১শে ডিসেম্বর,--------------------সাল পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে।
তারিখ: ----------, ১৯
নকসা
নং-------------
তারিখ
-------------------
লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ।
লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গনের অবস্থান ও বর্ননা
------------------------------------------------------------------------------------
----------------------
নবায়নের তারিখ
মেয়াদ উর্ত্তীন হওয়ার তারিখ
লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের স্বাক্ষর

এই পৃষ্ঠার লেখা
-------------------------------------------------------------------------------------
---------------------
--------------------------------------------------------------------------
--------------------------------------------------------------------------
------------------------------
শর্তাবলীঃ
১। গ্যাসপূর্ন সিলিন্ডার মজুদ ব্যতীত অন্য কোন উদ্দেশ্যে লাইসন্সকৃত প্রাঙ্গন ব্যাবহার করা যাইবে না।
২। অদাহ্য বস্তুু দ্বারা নির্মিত মজুদাগারে গ্যাসপূর্ন সিলিন্ডার মজুদ করিতে হইবে। তবে অপ্রজ্বলনীয় গ্যাসপূর্ন সিলিন্ডার মজুদ করা
হইলে মজুদাগারের দরজা, জানালা ও অন্যান্য ফিটিংস দাহ্য পদার্থের তৈরী হইলেও চলিবে।
৩। মজুদাগার হইতে বায়ু নির্গমনের জন্য উহার মেঝের কাছাকাছি দেয়াল এবং ছাদে বা ছাদসংলগ্ন দেয়ালে পর্যাপ্ত নির্গমন পথ
থাকিবে। কোন মজুদাগার এল, পি, জি, গ্যাস মজুদের জন্য ব্যবহৃত হইলে বায়ু নির্গমন পথগুলি তামার তৈরী জাল বা অনুরূপ
জালদ্বারা আচ্ছাদিত করিতে হইবে; এইরূপ জালের প্রতি সেন্টিমিটারে অন্যূন ১১টি ফাঁস থাকিবে।
৪। লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন ব্যতীত লাইসেন্স প্রাঙ্গনে কোন মৌলিক পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করা যাইবে না।
৫। ১০০ হইতে ৫০০ কিলোগ্রাম তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের মজুদাগার কোন ভবনের অংশ বিশেষ বা উহার সংলগ্ন হইলে,
মজুদাগার উক্ত ভবন হইতে মজবুত প্রাচীর দ্বারা পৃথকীকৃত হইতে হইবে এবং মজুদাগারে প্রবেশের জন্য সরাসরি এবং স্বতন্ত্র
পথ থাকিবে। এইরূপ মজুদাগার সিঁড়ির নীচে অবস্থিত হইবে না।
৬। ৫০০ কিলোগ্রামের অধিক তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের মজুদাগার এবং কোন ভবন, জনসমাগমস্থল বা রাস্তার মধ্যে
নিম্নলিখিত ফাঁকা দুরত্ব বজায় রাখিতে হইবে এবং উক্ত ফাঁকা জায়গায় কোন অননুমোদিত লোকজন প্রবেশ করিতে দেওয়া
যাইবে না:
গ্যাসের পরিমান (কিলোগ্রাম)
নূন্যতম দুরত্ব (মিটারে)
৫০১-১০০০
.. ৩
১০০১-৪০০০
.. ৫
৪০০১-৮০০০
.. ৭
৮০০১-১২০০০
.. ৯
১২০০০ এর উর্ধ্বে
১০:
তবে শর্ত থাকে যে, উপরোক্ত দুরত্ব প্রধান পরিদর্শক হ্রাস করিতে পারেন, যদি হ্রাসকৃত দুরত্বের শেষপ্রান্তে (ক) প্রাচীর দেওয়া
হয় বা অন্য কোন বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করা হয়, অথবা (খ) বিশেষ পারিপার্শ্বিক অবস্থার কারনে প্রধান পরিদর্শক সন্তষ্ট
হন যে, এইরূপ হ্রাসকরন যথার্থ।
৭। লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গনে প্রজ্বলনীয় গ্যাসপূর্ন সিলিন্ডার মজুদ করা হইলে, উহাতে অগ্নি নির্বাপনের উপযুক্ত ব্যবস্থা সর্বদা প্রস্তুত
রাখিতে হইবে।
৮। যতদুর সম্ভব ভিন্ন প্রকৃতির গ্যাস সিলিন্ডার ভিন্ন মজুদাগারে মজুদ করিতে হইবে, তবে নিতান্ত প্রয়োজনে উক্তরূপ সিলিন্ডার
একই মজুদাগারে মজুদ করিতে হইলে গ্যাসের প্রকৃতি বিবেচনায় সিলিন্ডারসমূহ একত্রে দলভুক্ত করিয়া মজুদ করিতে হইবে।
যেমন- দাহ্য গ্যাসপূর্ণ সিলিন্ডার জারণ ধর্ম বিশিষ্ট গ্যাসপূর্ণ সিলিন্ডার হইতে অন্যূন এক মিটার দূরত্বে রাখিতে হইবে অথবা

এই পৃষ্ঠার লেখা
উহাদের মধ্যবর্তী স্থানে অগ্নিনিরোধী পার্টিশন দেওয়াল দ্বারা উহাদিগকে পৃথক করিয়া রাখিতে হইবে এবং বিষাক্ত গ্যাসপর্ণ
সিলিন্ডারকে অবিষাক্ত গ্যাসপূর্ণ সিলিন্ডার হইতে যথোপযুক্ত পার্টিশন দেওয়াল দ্বারা পৃথক করিয়া রাখিতে হইবে।
৯। পাতলা পুরুত্ব বিশিষ্ট সিলিন্ডার আনুভূমিক অবস্থায় স্তুপ করিয়া রাখা যাইবে না, তবে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসপূর্ণ
সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত পদ্ধতিতে স্তুপ করা যাইতে পারেঃ
(ক) উলম্বভাবে স্তুপাকারে সিলিন্ডার মজুদ করা হইলে স্তুপ তিন স্তুরের অধিক হইবে না;
(খ) আনুভূমিকভাবে স্তুপাকারে সিলিন্ডার মজুদ করা হইলে গ্যাসপূর্ণ সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে স্তুপ পাঁচ স্তুরের অধিক এবং খালি
সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে সাত স্তরের অধিক হইবে না;
(গ) সিলিন্ডারের স্তুপ যাহাতে নড়াচড়া করিতে না পারে সেইজন্য স্তুপকৃত সিলিন্ডারের পিছনদিকে শক্ত কাঠ ব্যবহার করিতে
হইবে;
(ঘ) মজুদাগারে সহজে প্রবেশ এবং স্বাচ্ছন্দ্যে সিলিন্ডার স্থানান্তর করিবার সুবিধার্থে একক অথবা যুগল সারি বিশিষ্ট এক স্তুপ
হইতে অন্য স্তুপ এবং কোন স্তুপ হইতে দেওয়ালের মধ্যবর্তী স্থানে অন্যূন ৬০ সেন্টিমিটার প্রশস্থ চলাফেরার পথ
রাখিতে হইবে।
১০। গ্যাসের প্রকৃত রাসায়নিক নাম এবং এই লাইসেন্সের নম্বর স্পষ্টভাবে মজুদাগারে সহজে দৃশ্যমান স্থানে টাঙ্গাইয়া রাখিতে
হইবে।
১১। মজুদাগার সর্বদা এমন একজন ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে থাকিবে যিনি এই লাইসেন্সের শর্তাবলী সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখেন ।
১২। লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ, প্রয়োজন মনে করিলে, সিলিন্ডার মজুদাগারের নিরাপত্তার জন্য এমন কোন মেরামত বা
পরিবর্তন করিবার জন্য যদি লাইসেন্সধারীকে লিখিত নির্দেশ প্রদান করেন, তবে লাইসেন্সধারী উক্ত নোটিশের নির্দিষ্ট মেয়াদ,
যাহা নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ হইতে এক মাসের কম নহে, এর মধ্যে মজুদাগারের উক্তরূপ মেরামত কার্য সম্পন্ন করিবেন।
১৩। লাইসেন্সকৃত প্রাঙ্গণে অগ্নিকান্ড বা বিস্ফোরণের ফলে কোন ব্যক্তি মারা গেলে বা গুরুতরভাবে আহত হইলে বা কোন
সম্পত্তি গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হইলে উক্ত দুর্ঘটনার সংবাদ অবিলম্বে এবং সম্ভাব্য পন্থায় প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক, জেলা
ম্যাজিস্ট্রেট এবং নিকটতম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানাইতে হইবে। প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শকের অনুমতি না পাওয়া পর্যন্ত
দুর্ঘটনার তদন্ত করা হইবে না এবং উক্তরূপ অনুমতি না পাওয়া পর্যন্ত দুর্ঘটনাস্থল এবং ধ্বংসাবশেষ অপরিবর্তিত অবস্থায় রাখিতে
হইবে। তবে আহত বা নিহত ব্যক্তিকে দুর্ঘটনাস্থল হইতে সরানো যাইবে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা অব্যাহত রাখিবার জন্য
প্রয়োজনীয় কাজ করা যাইবে।
১৪। অগ্নিচুল্লি, তাপ বা আলোর কোন উৎস মজুদাগারে এবং শর্ত নং ৫ এ উল্লিখিত নিরাপদ দূরত্বের মধ্যে স্থাপন করা যাইবে
না, তবে অগ্নিনিরোধী বৈদ্যুতিক বাতি বা অনুরূপ সরঞ্জামাদি স্থাপন করা যাইতে পারে।
১৫। মজুদ প্রাঙ্গণে কেহ ধূমপান করিতে পারিবে না অথবা দিয়াশলাই, ফিউজ বা অগ্নিস্ফুলিংগ সৃষ্টিকারী কোন যন্ত্র বহন করিতে
পারিবে না। সহজে দৃষ্টিগোচর হয় মজুদাগারে এমন কোন স্থানে বাংলায় এবং ইংরেজীতে স্পষ্টভাবে “ধূমপান নিষিদ্ধ” বিষয়ক
সতর্কিকরণ বিজ্ঞপ্তির বোর্ড ঝুলাইয়া রাখিতে হইবে।
তফসিল-২
[গ্যাস সিলিন্ডার বিধিমালা, ১৯৯১ এর বিধি ৪(খ) দ্রষ্টব্য]
নিরপেক্ষ পরিদর্শনকারী কর্তৃক সিলিন্ডার ও ভালভ পরিদর্শন ও পরীক্ষনান্তে প্রদেয় প্রত্যায়ন পত্রে উল্লেখনীয় তথ্যাদি।
ক- সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে-
১। নিরপেক্ষ পরিদর্শনকারীর নাম, ঠিকানা ও প্রতীক
ঃ

এই পৃষ্ঠার লেখা
২। পরিদর্শনের স্থান ও তারিখ
ঃ
৩। সিলিন্ডারের নম্বর/নম্বরসমুহ
ঃ
৪। সিলিন্ডার প্রস্তুতকারীর নাম,ঠিকানা ও প্রতীক
ঃ
৫। সিলিন্ডার যে স্টান্ডার্ড স্পেসিফিকেশন/কোড
অনুসারে তৈরী উহার নাম ও নম্বর
ঃ
৬। সিলিন্ডারের ধরন, বহিব্যাস উচ্চতা, জল ধারন ক্ষমতা ও
টেয়ার ওজন।
ঃ
৭। সিলিন্ডারের গাত্রের নিম্নতম পুরত্ব
ঃ
৮। সিলিন্ডারের প্রস্তুত প্রক্রিয়া
ঃ
৯। সিলিন্ডারের ডিজাইন প্রেসার
ঃ
১০। উদস্থিতি/উদস্থিতি প্রসারন পরীক্ষন এর তারিখ, পরীক্ষা
চাপ ও ফলাফল।
ঃ
১১। সিলিন্ডার প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত ধাতব উপকরনের নাম ও
শতকরা হার।
ঃ
১২। সিলিন্ডার প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত ধাতব পদার্থের ভৌত বৈশিষ্ঠ্য
ঃ
১৩। অতিরিক্ত তথ্য, যদি থাকে
ঃ
খ- ভালভের ক্ষেত্রে-
১। নিরপেক্ষ পরিদর্শনকারীর নাম, ঠিকানা ও প্রতীক
ঃ
২। পরিদর্শনের স্থান ও তারিখ
ঃ
৩। ভালভ প্রস্তুতকারীর নাম, ঠিকানা ও প্রতীক
ঃ
৪। ভালভ যে স্টান্ডার্ড স্পেসিফিকেশন অনুসারে প্রস্তুত করা
হইয়াছে উহার নাম ও নম্বর।
ঃ
৫। ভালভের টেনসাইল ষ্ট্রেংথ ও উহার বিভিন্ন অংশের চাক্ষুষ
পরীক্ষার ফলাফল।
ঃ
৬। অতিরিক্ত তথ্য, যদি থাকে
ঃ
তফসিল -৩
[গ্যাস সিলিন্ডার বিধিমালা,১৯৯১ এর বিধি ৩৩(২) দ্রষ্টব্য]
সিলিন্ডার পরীক্ষা কেন্দ্রের জন্য প্রয়োজনীয় সুবিধাদি

এই পৃষ্ঠার লেখা
১। সাধারন শর্ত ।- সিলিন্ডারের নিরাপদ পরিচালন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় সংখ্যক
কর্মচারী এবং বিভিন্ন পদ্ধতিতে পরীক্ষনের জন্য পর্যাপ্ত সরঞ্জামাদি থাকিবে।
২। ব্যবস্থাপক ।- পরীক্ষা কার্য্য পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তি (অতঃপর ব্যবস্থাপক বলিয়া উল্লিখিত) যথাযথ যোগ্যতা
সম্পন্ন হইবেন। সিলিন্ডার হইতে সম্ভাব্য বিপদ, পরীক্ষন ও পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে, পরীক্ষা প্রনালী, সরঞ্জাম ও পরীক্ষার ফলাফল
লিপিবদ্ধকরনের উপর তাহার প্রশিক্ষন থাকিতে হইবে। তাহা ছাড়া পরীক্ষা কেন্দ্রের সহিত সংশ্লিষ্ট যান্ত্রিক প্রকৌশলগত বা
রাসায়নিক প্রকৌশলগত বিষয়ে এবং যে গ্যাসের সিলিন্ডারের জন্য পরীক্ষা কেন্দ্র অনুমোদন করা হইয়াছে সেই গ্যাসে ও
সিলিন্ডারের ক্ষেত্রের প্রযোজ্য স্টান্ডার্ড স্পেসিফিকেশন, কোড বা বিধানাবলী সম্পর্কে ও তাহার সম্যক জ্ঞান থাকিতে হইবে।
৩। কর্মচারী ।- পরীক্ষা কেন্দ্রে সিলিন্ডার পরিদর্শন ও পরীক্ষন কাজে নিয়োজিত প্রত্যেক কর্মচারী তাহার নিজ কাজের জন্য
প্রয়োজনীয় যোগ্যতার অধিকারী হইবেন এবং তাহার কাজের সহিত জড়িত সম্ভাব্য বিপদ এবং উক্ত বিপদের সময় করনীয়
সম্পর্কে তাহার সম্যক জ্ঞান থাকিতে হইবে।
৪। সরঞ্জাম ।- পরীক্ষা কেন্দ্রে নিম্নবর্নিত সরঞ্জামাদি থাকিতে হইবে:-
(ক) যে সিলিন্ডার পরীক্ষা করার জন্য পরীক্ষা কেন্দ্রটি অনুমোদিত হইয়াছে সেই সিলিন্ডার সংক্রান্ত স্টান্ডার্ড স্পেসিফিকেশন
বা কোড এবং গ্যাস সিলিন্ডার বিধিমালা, ১৯৯১ এর একটি করিয়া অনুলিপি;
(খ) উদস্থিতি /উদস্থিতি প্রসারন পরীক্ষনের জন্য বৃটিশ স্টান্ডার্ড স্পেসিফিকেশন নং ৫৪৩০ -তে উল্লেখিত যন্ত্রপাতি;
(গ) দ্রবীভূত এ্যাসিটিলিন গ্যাস সিলিন্ডার পরীক্ষার জন্য বৃটিশ স্টান্ডার্ড স্পেসিফিকেশন নং ৬০৭১ -এ উল্লিখিত যন্ত্রপাতি;
(ঘ) সিলিন্ডারের অভ্যন্তর ভাগ পর্যবেক্ষনের জন্য প্রয়োজনীয় নিম্ন ভোল্টেজ বাতি;
(ঙ) ওজন লইবার সরঞ্জাম;
(চ) সিলিন্ডার নড়া চড়া (handling) করিবার পর্যাপ্ত সরঞ্জাম;
(ছ) সিলিন্ডারের অভ্যন্তরস্থ গ্যাস নির্গমন করানোর জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম;
(জ) সিলিন্ডারের অভ্যন্তরভাগ শুষ্ক করিবার সরঞ্জাম;
(ঝ) চিহ্নিতকরন ও ছাপ মারার সরঞ্জাম;
(ঞ) এই বিধিমালা বা সংশ্লিষ্ট স্টান্ডার্ড স্পেসিফিকেশন অনুসারে কোন পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় অন্য কোন সরঞ্জান।
৫। অন্যান্য সুবিধাদি ।- (১) গ্যাস সিলিন্ডারের বাহ্যিক পরীক্ষার জন্য পরীক্ষা কেন্দ্রে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা থাকিতে হইবে।
(২) অব্যবহৃত গ্যাস সিলিন্ডার হইতে অপসারনের জন্য পরীক্ষা কেন্দ্রে এইরূপ বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা থাকিবে যাহাতে
নির্গত গ্যাস হইতে কোন উৎপাত বা বিপদের সম্ভাবনা না থাকে।
(৩) পরীক্ষা কেন্দ্রের কার্যাদি পরিচালনার জন্য ইহাতে পর্যাপ্ত জায়গা থাকিবে।
(৪) পরীক্ষা কেন্দ্রকে যথাসম্ভব পরিচ্ছন্ন ও শুষ্ক রাখিতে হইবে এবং এতদুদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখিতে হইবে।

এই পৃষ্ঠার লেখা
তফসিল -৪
[গ্যাস সিলিন্ডার বিধিমালা,১৯৯১ এর বিধি ৪৩ (১) ও ৪৩(২) দ্রষ্টব্য]
লাইসেন্স ফিস ও লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ
ক্রমি
ক নং
লাইসেন্স
ফরম
লাইসেন্সের
উদ্দেশ্য
লাইসেন্স
প্রদানকারী
কর্তৃপক্ষ
লাইসেন্স ফিস (টাকায়)
“ঘ”
গ্যাসপূর্ন সিলিন্ডার
অথবা
খালি
সিলিন্ডার
আমদানী।
প্রধান
বিস্ফোরক
পরিদর্শক।
প্রথম ১০০টি সিলিন্ডার পর্যন্ত টাকা ৫০০।
১০০টির অতিরিক্ত প্রতি সিলিন্ডার বা তদপেক্ষা কমসংখ্যক
সিলিন্ডারের জন্য টাকা ২৫০।
“ঙ”
সিলিন্ডারে গ্যাস
পূরন।
প্রধান
বিস্ফোরক
পরিদর্শক।
পূরনযোগ্য প্রত্যেক প্রকারের গ্যাস, যথা: (অ) তরলীকৃত
পেট্রোলিয়াম গ্যাস,(আ) দ্রবীভূত এ্যাসিটিলিন গ্যাস,(ই)
তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম এবং দ্রবীভূত এ্যাসিটিলিন গ্যাস
ব্যতীত অন্য কোন প্রজ্বলনীয় কিন্তু অবিষাক্ত গ্যাস,(ঈ)
বিষাক্ত গ্যাস,(উ) অবিষাক্ত ও অপ্রজ্বলনীয় গ্যাস এর
প্রত্যেকটির জন্য টাকা ৫০০০।
“চ”
গ্যাসপূর্ন সিলিন্ডার
অধিকারে রাখা।
প্রধান
বিস্ফোরক
পরিদর্শক
বা
তৎকর্তৃক
ক্ষমতা
প্রদত্ত
কোন
বিস্ফোরক
পরিদর্শক।
(অ)তরলীকৃত পট্রেলিয়াম গ্যাসের জন্য ১০০ কিঃ গ্রামের
বেশী কিন্তু ৫০০ কিঃ গ্রামের বেশী নয় টাকা ১০০০।
অতিরিক্ত প্রতি ৫০০ কিঃ গ্রাম বা উহার অংশ বিশেষ টাকা
৫০০।
(আ) দ্রবীভূথ এ্যাসিটিলিন গ্যাসের ক্ষেত্রে ১০টি সিলিন্ডারের
বেশী কিন্তু ১০০টির বেশী নহে টাকা ৫০০।
অতিরিক্ত প্রতি ১০০ বা তদপেক্ষা কম সংখ্যক সিলিন্ডারের
জন্য টাকা ২৫০।

এই পৃষ্ঠার লেখা
(ই)তরলীকৃত পট্রোলিয়াম এবং দ্রবীভূত এ্যাসিটিলিন গ্যাস
ব্যতীত অন্য কোন প্রজ্বলনীয় কিন্তু অবিষাক্ত গ্যাসের জন্য
১০০ কিঃ গ্রামের বেশী কিন্তু ৫০০ কিঃ গ্রামের বেশী নয়
টাকা ১০০০।
অতিরিক্ত প্রতি ৫০০ কিঃ গ্রাম বা উহার অংশ বিশেষ টাকা
৫০০।
(ঈ) বিষাক্ত গ্যাসের ক্ষেত্রে ৫টি সিলিন্ডারের বেশী কিন্তু
১০০টির বেশী নয় টাকা ১০০।
অতিরিক্ত প্রতি ৫০০ বা তদপেক্ষা কম সংখ্যক সিলিন্ডারের
জন্য টাকা ২৫০।
(উ) অবিষাক্ত ও অপ্রজ্বলনীয় গ্যাসের ক্ষেত্রে, ২০টি
সিলিন্ডারের বেশী কিন্তু ১০০টির বেশী নয় টাকা ৫০০।
অতিরিক্ত প্রতি ১০০ বা তদপেক্ষা কম সংখ্যক সিলিন্ডারের
জন্য টাকা ২৫০।
তথ্যসূত্র: গ্যাস সিলিন্ডার বিধিমালা, ১৯৯১ — Explosives Act, 1884 (IV of 1884)-এর section 5, 7, 9(4) ও 9A-এর অধীন প্রণীত। মূল পাঠ (PDF)। হালনাগাদ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬।