RMG Code — Rules for a Better TomorrowRMG Code
শ্রম আইন
ধারা১০০

দৈনিক কর্মঘণ্টা

২টি বিধিনির্দেশিকা আছে

আইনের টেক্সট

১০০। কোন প্রাপ্তবয়স্ক শ্রমিক কোন প্রতিষ্ঠানে সাধারণতঃ দৈনিক আট ঘণ্টার অধিক সময় কাজ করিবেন না বা তাহাকে দিয়ে কাজ করানো যাইবে নাঃ

তবে শর্ত থাকে যে, ধারা ১০৮ এর বিধান সাপেক্ষে কোন প্রতিষ্ঠানে উক্তরূপ কোন শ্রমিক দৈনিক দশ ঘণ্টা পর্যন্ত ও কাজ করিতে পারিবেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৪২ নং আইন), ধারা ১০০ — bdlaws.minlaw.gov.bd। সংকলিত পাঠ: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৪৩ নং আইন, ১০ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর) পর্যন্ত। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।

সংশ্লিষ্ট বিধি

বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ · এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫
সংশোধন: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২, গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২
বিধি ৯৯

দৈনিক কর্মঘন্টা

(১) অন্যত্র ভিন্নতর যাহাই কিছু থাকুক না কেন, প্রাপ্তবয়স্ক কোন শ্রমিকের দৈনিক কর্মঘন্টা হইবে আহার এবং বিশ্রামের বিরতি ব্যতীত ৮ (আট) ঘন্টা :

তবে শর্ত থাকে যে, ধারা ১০৮ এর বিধান মোতাবেক অধিকাল ভাতা প্রদান সাপেক্ষে শ্রমিককে দিনে ১০ (দশ) ঘন্টা পর্যন্ত কাজ করানো যাইবে :

আরও শর্ত থাকে যে, সেই ক্ষেত্রে উক্ত শ্রমিকের সম্মতি থাকিতে হইবে এবং অধিকাল কাজ আরম্ভ হইবার কমপক্ষে দুই ঘন্টা পূর্বে তাহাকে অবহিত করিতে হইবে :

আরও শর্ত থাকে যে, কোন প্রতিষ্ঠানে কর্মঘন্টা এবং অতিরিক্ত কাজ ও অধিকাল ভাতার বিষয়ে যদি শ্রমিকের জন্য অধিকতর সুবিধাজনক কোন চুক্তি বা নিষ্পত্তি বা প্রথা বিদ্যমান থাকে তাহা হইলে উহা অব্যাহত থাকিবে।

(২) নির্মাণ, রি-রোলিং, ষ্টিল মিল্স, জাহাজ ভাঙ্গা শিল্প এবং বিধি ৬৮-তে উল্লিখিত বিপজ্জনক কাজসমূহে কর্মরত শ্রমিকদেরকে প্রতি দুই ঘন্টা পর পর আধাঘন্টার বিশ্রাম বিরতি প্রদান না করিয়া কাজ করিতে দেওয়া যাইবে না বা তাহার দ্বারা কাজ করানো যাইবে না :

তবে শর্ত থাকে যে, মালিক ধারা ১০১ (ঘ) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে উক্তরূপ কোন বিশ্রাম বিরতির জন্য তাহার মজুরি হইতে কোন কর্তন করিতে পারিবে না।

(৩) মালিক কর্তৃক উপ-বিধি (২)-তে উল্লিখিত শিল্প ও কাজসমূহে কর্মরত শ্রমিকদের দৈনিক ওভারটাইমসহ ১০ (দশ) ঘন্টার অতিরিক্ত কাজ করানো যাইবে না।

২০২২ সালের সংশোধন (এই বিধিতে)

বিধি ৯৯ এর (ক) উপ-বিধি (২) এ উল্লিখিত ‘প্রতি দুই ঘণ্টা পর পর আধাঘণ্টার’ শব্দসমূহের পরিবর্তে ‘প্রতি এক ঘণ্টা পর পর পনেরো মিনিটের’ শব্দসমূহ প্রতিস্থাপিত হইবে; (খ) উপ-বিধি (৩) এর ‘ওভারটাইমসহ’ শব্দটির পরিবর্তে ‘অধিকালসহ (ওভারটাইম)’ প্রতিস্থাপিত হইবে;

সহজ ভাষায়: বিরতি বাদে দৈনিক ৮ ঘণ্টা; OT ভাতাসহ সর্বোচ্চ ১০ ঘণ্টা। OT করাতে শ্রমিকের সম্মতি লাগবে এবং OT শুরুর অন্তত ২ ঘণ্টা আগে জানাতে হবে।
বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫, পিডিএফ পৃষ্ঠা ৬২
বিধি ১০২

অধিকাল ভাতার সাধারণ হার হিসাব করিবার পদ্ধতি

(১) মালিক ও শ্রমিকের মধ্যে ভিন্নরূপ কোন চুক্তির অবর্তমানে ধারা ১০৮ মোতাবেক শ্রমিকের অধিকাল কর্মের জন্য প্রদেয় ঘন্টাভিত্তিক মজুরির সাধারণ হার নিম্নবর্ণিতভাবে হিসাব করিতে হইবে, যথা :-

(ক) দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে নিযুক্ত শ্রমিকের ক্ষেত্রে তাহার দৈনিক মজুরির ১/৮ অংশ ;

(খ) সাপ্তাহিক মজুরির ভিত্তিতে নিযুক্ত শ্রমিকের ক্ষেত্রে তাহার সাপ্তাহিক মজুরির ১/৪৮ অংশ ; এবং

(গ) মাসিক মজুরির ভিত্তিতে নিযুক্ত শ্রমিকের ক্ষেত্রে তাহার মাসিক মজুরির ১/২০৮ অংশ।

টীকা ।- ৫২ ÷১২ x ৪৮ ঘন্টা = ২০৮ ঘন্টায় একটি মাস হইবে। ঘন্টাপ্রতি অধিকাল ভাতার হার = মাসিক মূল মজুরি ও মহার্ঘ ভাতা এবং এডহক বা অন্তর্বর্তী মজুরি (যদি থাকে) x ২ x ওভারটাইম ঘন্টা / ২০৮ ঘন্টা।

(২) কোন প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত শ্রমিক দ্বারা অধিকাল কাজ করানো হইলে উক্ত অতিরিক্ত কাজের সময় উল্লেখ করিয়া প্রতিষ্ঠানের মালিক বা তৎকর্তৃক প্রাধিকারপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি শ্রমিককে প্রদত্ত কার্ড বা স্লিপে স্বাক্ষর করিয়া কাজ শেষে শ্রমিককে প্রদান করিবেন।

(৩) কোন প্রতিষ্ঠানে মাসিক বা সাপ্তাহিক মজুরির ভিত্তিতে নিয়োজিত শ্রমিক অথবা ঠিকা কাজে বা চুক্তিভিত্তিক বা পিস-রেট হিসাবে নিযুক্ত কোন শ্রমিকের জন্য উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা এমনভাবে নির্ধারণ করা যাইবে না যাহাতে ধারা ১০০ এর লংঘন হয়।

(৪) অধিকাল কাজ করাইবার হিসাব ফরম-৩৪ অনুযায়ী রেজিস্টারে সংরক্ষণ করিতে হইবে।

সহজ ভাষায়: মাসিক মজুরির ক্ষেত্রে ঘণ্টাপ্রতি সাধারণ হার = মাসিক (মূল মজুরি + মহার্ঘ ভাতা + এডহক/অন্তর্বর্তী মজুরি) ÷ ২০৮। OT ভাতা = ওই হার × ২ × OT ঘণ্টা। দৈনিক মজুরিতে ÷ ৮, সাপ্তাহিকে ÷ ৪৮।
বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫, পিডিএফ পৃষ্ঠা ৬৪

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ — এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত), ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫; বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২; গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি

বাস্তবায়ন নির্দেশিকা

করণীয়
স্বাভাবিক কর্মঘণ্টা দৈনিক ৮; OT সহ সর্বোচ্চ ১০ ঘণ্টা। Time-card system এমনভাবে সেট করুন যাতে ১০ ঘণ্টার বেশি হলে alert দেয়।
রেকর্ড
Time card/attendance report, OT register (বিধি ৯৯ অনুযায়ী শ্রমিকের সম্মতি)।
Audit-এ দেখা হয়
Gate log, production record, CCTV ও time record মিলিয়ে দেখা হয়; double book/hidden OT থাকলে zero-tolerance ঝুঁকি।

নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।

EPZ-এর সাথে পার্থক্য

EPZ-এর সাথে পার্থক্য

একই নিয়ম: দৈনিক ৮ ঘণ্টা, OT সহ সর্বোচ্চ ১০ ঘণ্টা (EPZ ধারা ৩৮)।

EPZ ধারা ৩৮ পাশাপাশি দেখুন
BLA ধারা ১০০ · দৈনিক কর্মঘণ্টা

১০০। কোন প্রাপ্তবয়স্ক শ্রমিক কোন প্রতিষ্ঠানে সাধারণতঃ দৈনিক আট ঘণ্টার অধিক সময় কাজ করিবেন না বা তাহাকে দিয়ে কাজ করানো যাইবে নাঃ

তবে শর্ত থাকে যে, ধারা ১০৮ এর বিধান সাপেক্ষে কোন প্রতিষ্ঠানে উক্তরূপ কোন শ্রমিক দৈনিক দশ ঘণ্টা পর্যন্ত ও কাজ করিতে পারিবেন।

EPZ ধারা ৩৮ · দৈনিক কর্মঘণ্টা

৩৮। কোনো শ্রমিক কোনো প্রতিষ্ঠানে সাধারণত দৈনিক ৮ (আট) ঘন্টার অধিক সময় কাজ করিবেন না বা তাহাকে দিয়ে কাজ করানো যাইবে না:

তবে শর্ত থাকে যে, ধারা ৪০ এর বিধান সাপেক্ষে, কোনো প্রতিষ্ঠানে উক্তরূপ কোনো শ্রমিক দৈনিক ১০ (দশ) ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করিতে পারিবেন।