RMG Code — Rules for a Better TomorrowRMG Code
শ্রম আইন
ধারা৫১

পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা

৫টি বিধিনির্দেশিকা আছে

আইনের টেক্সট

৫১৷ প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখিতে হইবে এবং কোন নর্দমা, পায়খানা বা অন্য কোন জঞ্জাল হইতে উত্থিত দূষিত বাষ্প হইতে মুক্ত রাখিতে হইবে, এবং বিশেষ করিয়া-

(ক) প্রতিষ্ঠানের মেঝে, কর্মকতগ, সিড়ি, যাতায়াতের পথ হইতে প্রতিদিন ঝাড়ু দিয়া ময়লা ও আবর্জনা উপযুক্ত পন্থায় অপসারণ করিতে হইবে;

(খ) প্রত্যেক কর্মকগর মেঝে সপ্তাহে অন্ত্মতঃ একদিন ধৌত করিতে হইবে, এবং প্রয়োজনে ধৌত কাজে জীবানুনাশক ব্যবহার করিতে হইবে;

(গ) যে ক্ষেত্রে কোন উত্পাদন প্রক্রিয়ার কারণে কোন মেঝে এমনভাবে ভিজিয়া যায় যে, ইহার জন্য পানি নিষ্কাশনের প্রয়োজন হয়, সেক্ষেত্রে পানি নিষ্কাশনের উপযুক্ত ব্যবস্থা করিতে হইবে;

(ঘ) প্রতিষ্ঠানের সকল আভ্যন্ত্মরীণ দেওয়াল, পার্টিশন, ছাদ, সিড়ি, যাতায়াতপথ-

১) রং বা বার্নিশ করা থাকিলে, প্রত্যেক তিন বত্সরে অন্ত্মতঃ একবার পুনঃ রং বা বার্নিশ করিতে হইবে,

(২) রং অথবা বার্নিশ করা এবং বহির্ভাগ মসৃণ হইলে, প্রতি চৌদ্দ মাসে অন্ত্মতঃ একবার উহা বিধিদ্বারা নির্ধারিত পন্থায় পরিস্কার করিতে হইবে,

(৩) অন্যান্য ক্ষেত্রে, প্রতি চৌদ্দ মাসে অন্ত্মতঃ একবার চুনকাম বা রং করিতে হইবে, এবং

(ঙ) দফা (ঘ) তে উল্লিখিত কার্যাবলী সম্পন্ন করার তারিখ বিধি দ্বারা নির্ধারিত রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করিয়া রাখিতে হইবে৷

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৪২ নং আইন), ধারা ৫১ — bdlaws.minlaw.gov.bd। সংকলিত পাঠ: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৪৩ নং আইন, ১০ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর) পর্যন্ত। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।

সংশ্লিষ্ট বিধি

বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ · এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫
সংশোধন: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২, গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২
বিধি ৪০

ময়লা আবর্জনা অপসারণ

(১) ধারা ৫১(ক) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ময়লা ও আবর্জনা অপসারণের উপযুক্ত পন্থা হিসাবে ঢাকনা দেওয়া বাক্সে উহা অপসারণ করিতে হইবে, যাহাতে উক্ত আবর্জনা হইতে দুর্গন্ধ বা জীবাণু বিস্তার করিতে না পারে।

(২) ধাতব পদার্থ, উৎকট গন্ধময় আবর্জনা, রাসায়নিক আবর্জনা ও মেডিকেল আবর্জনা ভিন্ন ভিন্ন বাক্সে প্রতিদিন নিয়মিত অপসারণ করিতে হইবে।

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫, পিডিএফ পৃষ্ঠা ২০
বিধি ৪১

ধৌতকরণ

-— ধারা ৫১(খ) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রত্যেক কর্ম কক্ষ নিম্নরূপভাবে ধৌত করিতে হইবে, যথা:—

(ক) অবস্থা ভেদে এবং কাজের প্রকৃতি ভেদে উহা পানি দ্বারা ধৌত অথবা রাসায়নিক পদার্থ, তরল বা সলুশোন দ্বারা জীবাণুনাশ করা;

(খ) অবস্থা ভেদে ভিজা কাপড় দ্বারা মুছিয়া নেওয়া;

(গ) প্রয়োজনবোধে জীবানুনাশক ব্যবহার করা।

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫, পিডিএফ পৃষ্ঠা ২০
বিধি ৪২

পানি নিষ্কাশন

— ধারা ৫১(গ) অনুযায়ী উৎপাদন প্রক্রিয়ার কারণে মেঝে বা কর্মকক্ষ ভিজিয়া যাইবার সম্ভাবনা থাকিলে—

(ক) উক্ত মেঝে অবশ্যই অভেদ্য পদার্থ (Impervious material) দ্বারা নির্মিত হইতে হইবে;

(খ) উক্ত মেঝের নির্মাণ কৌশল ঢালু বিশিষ্ট এবং উপযুক্ত নিষ্কাশন নালার মাধ্যমে কারখানার মূল নর্দমা ব্যবস্থার সহিত সংযুক্ত থাকিতে হইবে, যাহাতে নিষ্কাশিত পানি অথবা কোন তরল পদার্থ মেঝেতে জমিয়া থাকিতে না পারে।

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫, পিডিএফ পৃষ্ঠা ২০
বিধি ৪৩

চুনকাম ও রং করা

— ধারা ৫১(ঘ) অনুযায়ী প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের সকল অভ্যন্তরীণ দেওয়াল, পার্টিশন, ছাদ, সিড়ি ও যাতায়াত পথ রং বা বার্ণিশ করা থাকিলে এবং বহির্ভাগ মসৃণ হইলে প্রতি চৌদ্দ মাসে অন্তত একবার উহা পানি, ব্রাশ ও ডিটারজেন্ট দ্বারা ঘষিয়া পরিষ্কার করিতে হইবে।

২০২২ সালের সংশোধন (এই বিধিতে)

বিধি ৪৩ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ বিধি ৪৩ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা: “৪৩। চুনকাম ও রং করা।ধারা ৫১(ঘ) অনুযায়ী প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের সকল অভ্যন্তরীণ দেওয়াল, পার্টিশন, ছাদ, সিঁড়ি ও যাতায়াত পথ রং ও বার্নিশ করা থাকিলে এবং বহির্ভাগ মসৃণ হইলে প্রতি চৌদ্দ মাসে একবার উহা পানি, ব্রাশ ও ডিটারজেন্ট দ্বারা পরিষ্কার করিতে হইবে এবং উক্ত কার্যাবলি সম্পন্ন করিবার তারিখ ধারা ৫১(ঙ) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে ফরম-২০ অনুযায়ী রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করিয়া সংরক্ষণ করিতে হইবে।”;

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫, পিডিএফ পৃষ্ঠা ২০
বিধি ৪৪

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার রেজিস্টার সংরক্ষণ

— ধারা ৫১(ঘ)-তে উল্লিখিত কার্যাবলি সম্পন্ন করিবার তারিখ ধারা ৫১(ঙ) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে ফরম-২০ অনুযায়ী রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করিয়া সংরক্ষণ করিতে হইবে।

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫, পিডিএফ পৃষ্ঠা ২০

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ — এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত), ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫; বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২; গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি

বাস্তবায়ন নির্দেশিকা

করণীয়
প্রতিদিন ঝাড়ু-মোছা, সপ্তাহে অন্তত একবার মেঝে ধোয়া/জীবাণুমুক্ত করা, নিয়মিত চুনকাম/রং।
রেকর্ড
Cleaning schedule, পরিচ্ছন্নতা রেজিস্টার (বিধি ৪৪)।

নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।

EPZ-এর সাথে পার্থক্য

EPZ-এর সাথে পার্থক্য

স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার জন্য EPZ আইনে BLA-র মতো আলাদা আলাদা ধারা নেই। ধারা ৩৫-এ মালিকের সাধারণ দায়িত্ব দেওয়া আছে, আর বিস্তারিত পদ্ধতি প্রবিধান/বিধিমালা ও BEPZA-র নির্দেশনায়। BLA-তে প্রতিটি বিষয়ে আলাদা ধারা ও শ্রম বিধিমালার আলাদা বিধি আছে।

EPZ ধারা ৩৫ পাশাপাশি দেখুন
BLA ধারা ৫১ · পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা

৫১৷ প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখিতে হইবে এবং কোন নর্দমা, পায়খানা বা অন্য কোন জঞ্জাল হইতে উত্থিত দূষিত বাষ্প হইতে মুক্ত রাখিতে হইবে, এবং বিশেষ করিয়া-

(ক) প্রতিষ্ঠানের মেঝে, কর্মকতগ, সিড়ি, যাতায়াতের পথ হইতে প্রতিদিন ঝাড়ু দিয়া ময়লা ও আবর্জনা উপযুক্ত পন্থায় অপসারণ করিতে হইবে;

(খ) প্রত্যেক কর্মকগর মেঝে সপ্তাহে অন্ত্মতঃ একদিন ধৌত করিতে হইবে, এবং প্রয়োজনে ধৌত কাজে জীবানুনাশক ব্যবহার করিতে হইবে;

(গ) যে ক্ষেত্রে কোন উত্পাদন প্রক্রিয়ার কারণে কোন মেঝে এমনভাবে ভিজিয়া যায় যে, ইহার জন্য পানি নিষ্কাশনের প্রয়োজন হয়, সেক্ষেত্রে পানি নিষ্কাশনের উপযুক্ত ব্যবস্থা করিতে হইবে;

(ঘ) প্রতিষ্ঠানের সকল আভ্যন্ত্মরীণ দেওয়াল, পার্টিশন, ছাদ, সিড়ি, যাতায়াতপথ-

১) রং বা বার্নিশ করা থাকিলে, প্রত্যেক তিন বত্সরে অন্ত্মতঃ একবার পুনঃ রং বা বার্নিশ করিতে হইবে,

(২) রং অথবা বার্নিশ করা এবং বহির্ভাগ মসৃণ হইলে, প্রতি চৌদ্দ মাসে অন্ত্মতঃ একবার উহা বিধিদ্বারা নির্ধারিত পন্থায় পরিস্কার করিতে হইবে,

(৩) অন্যান্য ক্ষেত্রে, প্রতি চৌদ্দ মাসে অন্ত্মতঃ একবার চুনকাম বা রং করিতে হইবে, এবং

(ঙ) দফা (ঘ) তে উল্লিখিত কার্যাবলী সম্পন্ন করার তারিখ বিধি দ্বারা নির্ধারিত রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করিয়া রাখিতে হইবে৷

EPZ ধারা ৩৫ · স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা সম্পর্কিত সাধারণ বিধান

৩৫। (১) প্রত্যেক শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকের তাহার শিল্প প্রতিষ্ঠান বা কারখানায় কর্মরত শ্রমিকদের জন্য মানসম্মত নিরাপদ কর্মক্ষেত্র এবং স্বাস্থ্যসম্মত ও স্বাভাবিক কর্ম পরিবেশ প্রদান ও উহার রক্ষণাবেক্ষণ করা দায়িত্ব ও কর্তব্য।

(২) প্রত্যেক মালিক, তাহার প্রতিষ্ঠানে প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে নিম্নবর্ণিত ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন-

(ক) মানুষের জীবন বা নিরাপত্তার জন্য নিরাপদ কারখানা ভবন ও ভবনের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থা, মেঝে, সিঁড়ি এবং যাতায়াত পথ এবং যন্ত্রপাতি বা প্ল্যান্ট বা কাজের সিস্টেম (working system) প্রদান ও রক্ষণাবেক্ষণ;

(খ) কোনো দ্রব্য, পদার্থ, ইত্যাদির ব্যবহার, সংরক্ষণ এবং বহনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকির অনুপস্থিতি নিশ্চিত করা;

(গ) কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকের পেশাগত স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য প্রত্যেক শ্রমিককে কাজের ঝুঁকি সম্পর্কে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও ক্ষেত্রমত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সচেতন করা;

(ঘ) বিনামূল্যে নিরাপত্তা উপকরণ, বিপজ্জনক যন্ত্রপাতি, বিষাক্ত কেমিক্যাল অথবা বিশেষ কোনো কাজে দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য শ্রমিকদেরকে যথাযথ নিরাপত্তামূলক পোশাক ও ব্যক্তিগত সুরক্ষা যন্ত্রপাতি সরবরাহ;

(ঙ) প্রাথমিক চিকিৎসা সরঞ্জাম, কারখানা ভবনের প্রত্যেক তলায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক উপযুক্ত অগ্নিনির্বাপক সরঞ্জাম সরবরাহ ও রক্ষণাবেক্ষণ, এবং শ্রমিকগণকে এই সকল নিরাপত্তা উপকরণ ও যন্ত্রপাতি ব্যবহারে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা বা নোটিশের ব্যবস্থা;

(চ) যন্ত্রপাতি ব্যবহারে অথবা ভিন্ন অবস্থায় থাকিবার সময় যন্ত্রপাতির নিরাপত্তা বিধান করা;

(ছ) উৎপাদন প্রক্রিয়ার কারণে উত্থিত গ্যাস, ধোঁয়া, বাষ্প বা ধূলা এমন প্রকৃতির বা এমন পরিমাণের হয় যে, উহা বিষ্ফোরিত বা প্রজ্জলিত হইবার সম্ভাবনা থাকে, সেই ক্ষেত্রে উক্তরূপ বিষ্ফোরণ বন্ধ করিবার জন্য সর্বপ্রকার ব্যবস্থা;

(জ) প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে পুরুষ এবং মহিলা শ্রমিকগণের জন্য স্বতন্ত্র ও পর্যাপ্ত শৌচাগার ও প্রক্ষালন কক্ষের ব্যবস্থা এবং এইগুলি পরিষ্কার ও স্বাস্থ্য সম্মত রাখা;

(ঝ) প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে, উহাতে কর্মরত সকল শ্রমিকের পান করিবার জন্য উহার কোনো সুবিধাজনক স্থানে পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের ব্যবস্থা ;

(ঞ) সেইফটি রেকর্ড বুক সংরক্ষণ, সেইফটি কমিটি গঠন, কল্যাণ কর্মকর্তা নিয়োগ, ধৌতকরণ সুবিধা, ক্যান্টিন, শিশুকক্ষ, ইত্যাদি কল্যাণমূলক ব্যবস্থা;

(ট) কর্ম পরিচালনায় নিযুক্ত কোনো ব্যক্তির শারীরিক জখম, বিষাক্রান্ত বা ব্যাধিতে আক্রান্ত হইবার সম্ভাবনা থাকিলে কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ।

(৩) কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠানে প্রবিধান দ্বারা স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা সম্পর্কিত নিম্নবর্ণিত বিষয়সমূহ নির্ধারণ করিবে-

(ক) উৎপাদন প্রক্রিয়ার কারণে সৃষ্ট কোনো বর্জ্য পদার্থ অপসারণ করার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা;

(খ) পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, বায়ু চলাচল ও তাপমাত্রা, ধূলা-বালি ও ধোঁয়া, কৃত্রিম আর্দ্রকরণ, অতিরিক্ত ভীড়, আলোর ব্যবস্থা, আবর্জনা বাক্স ও পিকদানী, ইত্যাদির ব্যবস্থা;

(গ) যন্ত্রপাতি ঘিরিয়া রাখা, চলমান যন্ত্রপাতির উপরে বা নিকটে কাজ, স্ট্রাইকিং গিয়ার এবং শক্তি সরবরাহ বিচ্ছিন্ন করিবার পন্থা, ক্রেন এবং অন্যান্য উত্তোলন যন্ত্রপাতি, হয়েস্ট এবং লিফট, ঘূর্ণায়মান যন্ত্রপাতি, প্রেসার প্ল্যান্ট, অতিরিক্ত ওজন, বিপজ্জনক বিস্ফোরক বা দাহ্য গ্যাস, ধূলা, ধোঁয়া, ইত্যাদির বিষয়ে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা এবং চোখের নিরাপত্তা;

(ঘ) বিপজ্জনক চালনা, বিপজ্জনক ঘটনা, দুর্ঘটনা, ব্যাধি ইত্যাদি সম্পর্কে নোটিশের ব্যবস্থা;

(ঙ) ত্রুটিপূর্ণ যন্ত্রাংশ নির্ণয় অথবা উহার স্থায়িত্ব পরীক্ষার ক্ষমতা, দুর্ঘটনা বা ব্যাধি সম্পর্কে তদন্তের নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা, নমুনা সংগ্রহের ক্ষমতা, কতিপয় বিপদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের ক্ষমতা, বিপজ্জনক ভবন এবং যন্ত্রপাতি সম্বন্ধে তথ্য প্রদান, কতিপয় কাজে মহিলা শ্রমিকগণের নিয়োগে বাধা নিষেধ;

(চ) কারখানা ভবন ও অগ্নিকাণ্ড সম্পর্কিত নিরাপত্তা।