ত্রিপক্ষীয় উপদেষ্টা কমিটি
আইনের টেক্সট
২৭৬৷ সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পন্থায়, শিক্ষাধীনতা সংক্রান্ত বিষয়ে সরকার এবং যোগ্য কর্তৃপক্ষকে উপদেশ প্রদানের উদ্দেশ্যে ত্রিপক্ষীয় উপদেষ্টা কমিটি গঠন করিতে পারিবে৷
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৪২ নং আইন), ধারা ২৭৬ — bdlaws.minlaw.gov.bd। সংকলিত পাঠ: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৪৩ নং আইন, ১০ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর) পর্যন্ত। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।
সংশ্লিষ্ট বিধি
সংশোধন: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২, গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২
ত্রিপক্ষীয় উপদেষ্টা কমিটি গঠন
(১) ধারা ২৭৬ মোতাবেক একজন চেয়ারম্যান, একজন সদস্য সচিব এবং সরকার, মালিক ও শ্রমিকদের প্রত্যেকের পক্ষ হইতে প্রতিনিধিত্বশীল ৪ (চার) জন সদস্যের সমন্বয়ে শিক্ষাধীনতা সংক্রান্ত ত্রিপক্ষীয় উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হইবে।
(২) শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব পদাধিকারবলে উক্ত কমিটির চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) মহাপরিদর্শক, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর, কমিটির সদস্য-সচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৪) উক্ত কমিটিতে সরকার পক্ষের সদস্য হিসাবে শ্রম, দক্ষতা উন্নয়ন, কারিগরি শিক্ষা এবং শিল্প বিভাগ হইতে একজন করিয়া প্রতিনিধি সরকার কর্তৃক মনোনীত হইবেন।
(৫) মালিক ও শ্রমিকদের সর্বাধিক প্রতিনিধিত্বকারী সংস্থা বা সংগঠনসমূহের সহিত আলোচনাক্রমে কমিটিতে মালিক এবং শ্রমিক প্রতিনিধি সরকার কর্তৃক মনোনীত হইবেন ।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ — এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত), ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫; বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২; গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি
বাস্তবায়ন নির্দেশিকা
এই ধারার নির্দেশিকা পরবর্তী ধাপে যুক্ত হবে।
নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।
EPZ-এর সাথে পার্থক্য
EPZ-এর সাথে পার্থক্য
এই ধারার জন্য আলাদা তুলনা নোট এখনও লেখা হয়নি।
EPZ-এ সরাসরি সমতুল্য ধারা এখানে এখনও যুক্ত হয়নি।