সক্ষমতা প্রত্যয়নপত্র
আইনের টেক্সট
৩৭৷ (১) কোন কিশোর কোন পেশা বা কোন প্রতিষ্ঠানে কাজের জন্য উপযুক্ত কিনা ইহা পরীক্ষা করিবার জন্য সংশ্লিষ্ট কিশোর বা তাহার পিতা-মাতা বা অভিভাবক কর্তৃক অনুরূদ্ধ হইলে, অথবা কোন মালিক কর্তৃক অনুরূপ ভাবে অনুরূদ্ধ হইলে, কোন রেজিস্টার্ড চিকিত্সক কিশোরটিকে পরীক্ষা করিবেন এবং তাহার সক্ষমতা সম্বন্ধে সিদ্ধান্ত দিবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, কোন কিশোর বা তাহার পিতা-মাতা বা অভিভাবক উক্তরূপ আবেদন পেশকালে আবেদনটির সঙ্গে যে প্রতিষ্ঠানে কিশোর চাকুরী প্রার্থী, সে প্রতিষ্ঠানের মালিক কর্তৃক প্রদত্ত এই মর্মে পত্র সংযোজন করিতে হইবে যে, কিশোরটি সক্ষম বলিয়া প্রত্যয়িত হইলে তাহাকে চাকুরী প্রদান করা হইবে৷
(২) এই ধারার অধীন প্রদত্ত কোন সক্ষমতা প্রত্যয়নপত্র উহা প্রদানের তারিখ হইতে বারো মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে৷
(৩) উক্তরূপ প্রত্যয়নপত্রের জন্য প্রদেয় ফিস মালিক প্রদান করিবেন, এবং ইহা সংশ্লিষ্ট কিশোর বা তাহার পিতা-মাতা বা অভিভাবকের নিকট হইতে আদায় করা যাইবে না৷
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৪২ নং আইন), ধারা ৩৭ — bdlaws.minlaw.gov.bd। সংকলিত পাঠ: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৪৩ নং আইন, ১০ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর) পর্যন্ত। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।
সংশ্লিষ্ট বিধি
সংশোধন: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২, গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২
বয়স ও সক্ষমতার প্রত্যয়নপত্র
(১) যদি কোন ব্যক্তির শিশু বা কিশোর হিসাবে বয়স প্রমাণের জন্য জন্ম নিবন্ধন সনদ বা স্কুল সার্টিফিকেট না থাকে এবং সক্ষমতা প্রত্যয়নের দরকার হয়, তাহা হইলে যেকোন রেজিস্টার্ড চিকিৎসক ফরম-১৫ অনুযায়ী বয়স ও সক্ষমতার প্রত্যয়নপত্র প্রদান করিবেন এবং উক্তরূপ পরীক্ষার বর্ণনা চিকিৎসক ও মালিককে ফরম-১৫(ক) অনুযায়ী আলাদাভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(২) বয়স ও সক্ষমতার প্রত্যয়নপত্র প্রস্তুত করিবার সময় প্রয়োজনীয় বিবরণাদি প্রত্যয়নপত্রে এবং উহার মুড়িতে পূরণ করিতে হইবে এবং সংশ্লিষ্ট শ্রমিকের বাম হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলীর ছাপ প্রত্যয়নপত্রের উভয় অংশে গ্রহণ করিতে হইবে।
(৩) উল্লিখিত প্রত্যয়নপত্রের তথ্য অনুযায়ী যদি তিনি শ্রমিক হিসাবে নিয়োজিত হন, তাহা হইলে উক্ত প্রত্যয়নপত্রের কপি শ্রমিকের ব্যক্তিগত নথিতে সংরক্ষণ করিবেন।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ — এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত), ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫; বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২; গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি
বাস্তবায়ন নির্দেশিকা
এই ধারার নির্দেশিকা পরবর্তী ধাপে যুক্ত হবে।
নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।
EPZ-এর সাথে পার্থক্য
EPZ-এর সাথে পার্থক্য
এই ধারার জন্য আলাদা তুলনা নোট এখনও লেখা হয়নি।
EPZ-এ সরাসরি সমতুল্য ধারা এখানে এখনও যুক্ত হয়নি।