RMG Code — Rules for a Better TomorrowRMG Code
শ্রম আইন
ধারা৯২

ক্যান্টিন

৫টি বিধি

আইনের টেক্সট

৯২৷ (১) যে প্রতিষ্ঠানে সাধারণতঃ একশত জনের অধিক শ্রমিক নিযুক্ত থাকেন সে প্রতিষ্ঠানে তাহাদের ব্যবহারের জন্য যথেষ্ঠ সংখ্যক ক্যান্টিন থাকিবে৷

(২) সরকার বিধি দ্বারা-

(ক) কোন ক্যান্টিনের নির্মাণ, স্থান সংস্থান, আসবাবপত্র এবং অন্যান্য সরঞ্জামের মান নির্ধারণ করিবে;

(খ) ক্যান্টিনের জন্য একটি ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন এবং উহার ব্যবস্থাপনায় শ্রমিক প্রতিনিধত্বের জন্য বিধান করিতে পারিবে৷

(৩) ক্যান্টিনে কি ধরণের খাদ্য সরবরাহ করা হইবে এবং উহার মূল্য কত হইবে তাহা উক্ত ব্যবস্থাপনা কমিটি নির্ধারণ করিবে৷

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৪২ নং আইন), ধারা ৯২ — bdlaws.minlaw.gov.bd। সংকলিত পাঠ: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৪৩ নং আইন, ১০ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর) পর্যন্ত। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।

সংশ্লিষ্ট বিধি

বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ · এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫
সংশোধন: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২, গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২
বিধি ৮৭

ক্যান্টিন

(১) যেসব প্রতিষ্ঠানে সাধারণত ১০০ (একশত) জনের অধিক শ্রমিক নিযুক্ত থাকেন উহার মালিক কর্তৃক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মোট শ্রমিকের অন্তত শতকরা ১০ (দশ) জনের স্থান সংকুলান সুবিধা সম্বলিত ক্যান্টিনের ব্যবস্থা করিতে হইবে :

তবে শর্ত থাকে যে, উক্তরূপ ক্যান্টিন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মোট শ্রমিকের শতকরা ৩০ (ত্রিশ) জনের খাবার গ্রহণের স্থান সুবিধা সম্বলিত হইলে ধারা ৯৩ মোতাবেক পৃথকভাবে খাবার কক্ষের প্রয়োজন হইবে না।

(২) প্রতিষ্ঠানের ক্যান্টিন হিসাবে নির্মিতব্য বা ক্যান্টিন হিসাবে রূপান্তরিতব্য ভবনের নকশা ও অবস্থান মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত হইতে হইবে।

(৩) শৌচাগার ও প্রক্ষালন কক্ষ হইতে কমপক্ষে ৬ (ছয়) মিটার এবং বয়লার হাউস, কয়লার গাদা, ছাই এর গাদা বা ধূলা, ধোঁয়া বা ক্ষতিকর ধোঁয়ার কোন উৎস হইতে ১৫ (পনের) মিটার দূরত্বের মধ্যে কোন ক্যান্টিন ভবন স্থাপন করা যাইবে না।

(৪) প্রত্যেক ক্যান্টিনের জন্য নির্মিত ভবনে কমপক্ষে ডাইনিং হল, রান্না ঘর, গুদাম ঘর, ভাঁড়ার ঘর এবং শ্রমিকদের জন্য বাসন-কোসন ধোয়ার পৃথক ব্যবস্থা রাখিতে হইবে।

(৫) ভবনের প্রত্যেক কক্ষের উচ্চতা মেঝে হইতে কোন জায়গায় ছাদের নিম্নতম অংশের ৩ (তিন) মিটারের কম হইতে পারিবে না এবং মেঝে ও ভেতরের দেয়ালে ১.২০ মিটার উচ্চতা পর্যন্ত মসৃণ ও অভেদ্য হিসাবে তৈরি করিতে হইবে।

(৬) ক্যান্টিন ভবনের দরজা-জানালা মশা মাছি নিরোধক জালিযুক্ত হইতে হইবে এবং উহাতে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখিতে হইবে।

(৭) ক্যান্টিন কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত সময় পর্যন্ত ক্যান্টিনের নির্ধারিত সুবিধাসমূহ চালু রাখিতে হইবে।

(৮) প্রত্যেক ক্যান্টিনে—

(ক) কক্ষের ভেতরে দেয়াল এবং সিলিং ও যাতায়াত পথ এবং সিঁড়ি বৎসরে কমপক্ষে একবার চুনকাম করিতে হইবে অথবা প্রতি তিন বৎসরে কমপক্ষে একবার বার্নিস বা রং করিতে হইবে ;

(খ) সব কাঠের জিনিসপত্র প্রতি তিন বৎসরে কমপক্ষে একবার বার্নিস বা রং করিতে হইবে ;

(গ) ভিতরের লোহার কাঠামো বা ইস্পাতের তৈরি জিনিসপত্র প্রতি বৎসর কমপক্ষে একবার রং বা বার্নিস করিতে হইবে ;

(ঘ) রন্ধনশালার ভিতরের দেয়াল প্লাষ্টিক পেইন্ট করিতে হইবে অথবা প্রতি ছয়মাসে একবার চুনকাম করিতে হইবে;

(ঙ) চুনকাম করানো, রং লাগানো, বার্নিস করা বা পেইন্টিং-এর কাজ করিবার তারিখের রেকর্ড ফরম-২০ অনুযায়ী রক্ষিত রেজিস্টারে সংরক্ষণ করিতে হইবে।

(৯) ক্যান্টিনে মহিলা এবং পুরুষ শ্রমিকদের জন্য পৃথক কক্ষের ব্যবস্থা রাখিতে হইবে :

তবে শর্ত থাকে যে, যেখানে পৃথক কক্ষের ব্যবস্থা করা সম্ভব নয় সেই ক্ষেত্রে পার্টিশন বা পর্দার ব্যবস্থা করিতে হইবে।

(১০) ক্যান্টিন ভবন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং স্বাস্থ্যসম্মত অবস্থায় রক্ষণাবেক্ষণ করিতে হইবে এবং ইহার সংলগ্ন জায়গাও পরিষ্কার এবং স্বাস্থ্যকর অবস্থায় রাখিতে হইবে।

(১১) ক্যান্টিনের ময়লা পানি উপযুক্ত ঢাকনাযুক্ত নর্দমার মাধ্যমে অপসারণের ব্যবস্থা রাখিতে হইবে এবং এইসব পানি জমা হইতে দেওয়া যাইবে না যাহাতে বিরক্তিকর অবস্থার সৃষ্টি হইতে পারে।

(১২) ক্যান্টিনের আবর্জনা জমা এবং নিষ্কাশনের উপযুক্ত ব্যবস্থা করিতে হইবে।

২০২২ সালের সংশোধন (এই বিধিতে)

বিধি ৮৭ এর উপ-বিধি (১) এর শর্তাংশে উল্লিখিত ‘৩০ (ত্রিশ)’ সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দটির পরিবর্তে ‘২০ (বিশ)’ সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে;

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫, পিডিএফ পৃষ্ঠা ৫৭
বিধি ৮৮

ক্যান্টিনের সরঞ্জামাদি

(১) ক্যান্টিন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য উহাতে পর্যাপ্ত সংখ্যক বাসন-কোসন, চামচ, আসবাবপত্র ও অন্যান্য সরঞ্জামের ব্যবস্থা থাকিতে হইবে।

(২) ক্যান্টিনে পরিবেশনকারী শ্রমিকদের জন্য বিশেষ পোশাক প্রদান করিতে হইবে এবং উহা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করিতে হইবে।

(৩) আসবাবপত্র, বাসন-কোসন এবং অন্যান্য সরঞ্জামাদি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং স্বাস্থ্যসম্মতভাবে সংরক্ষণ করিতে হইবে।

(৪) ক্যান্টিনে সকল খাদ্যদ্রব্য এমনভাবে সংরক্ষণ ও পরিবেশন করিতে হইবে যাহাতে কোন প্রকার মশা মাছি এবং ধূলা-বালির সংস্পর্শে না আসে অথবা কোন ভাবে দূষিত হইতে না পারে।

(৫) ক্যান্টিনে সার্ভিস কাউন্টারের ব্যবস্থা করা হইলে, উহার উপরিভাগ মসৃণ এবং অভেদ্য পদার্থ দ্বারা তৈরি হইতে হইবে।

(৬) ক্যান্টিনে পর্যাপ্ত গরম পানির সরবরাহসহ বাসন-কোসন ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি ধৌত করিবার জন্য উপযুক্ত সুবিধার ব্যবস্থা করিতে হইবে।

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫, পিডিএফ পৃষ্ঠা ৫৮
বিধি ৮৯

খাবারের মূল্য

(১) ক্যান্টিনে সরবরাহকৃত খাদ্য, পানীয় এবং অন্যান্য জিনিস মুনাফাবিহীন ভিত্তিতে বিক্রি করিতে হইবে এবং উহার মান ও মূল্য ক্যান্টিন ব্যবস্থাপনা কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত ও অনুমোদিত হারে হইতে হইবে।

(২) ক্যান্টিনে পুষ্টিসম্মত খাবার সরবরাহ করিতে হইবে এবং ক্যান্টিন কমিটি খাবারের তালিকা নির্ধারণের ক্ষেত্রে উহার মান ও পুষ্টির বিষয় অগ্রাধিকার প্রদান করিবে।

(৩) সরবরাহকৃত খাদ্যদ্রব্য, পানীয় এবং অন্যান্য জিনিসের মূল্য-তালিকা প্রকাশ্যে ক্যান্টিনে টানাইয়া রাখিতে হইবে।

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫, পিডিএফ পৃষ্ঠা ৫৯
বিধি ৯০

ক্যান্টিন ব্যবস্থাপনা কমিটি

(১) প্রতিষ্ঠানের মালিক কর্তৃক মনোনীত এবং প্রতিষ্ঠানের কল্যাণ কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে সংখ্যাগরিষ্ঠ শ্রমিকদের মতামতের ভিত্তিতে মনোনীত সমসংখ্যক ব্যক্তির সমন্বয়ে ক্যান্টিন ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠিত হইবে।

(২) কমিটিতে শ্রমিক সদস্য ২ (দুই) জনের কম বা ৫ (পাঁচ) জনের অধিক হইতে পারিবে না।

(৩) প্রতিষ্ঠানে যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধি থাকিলে তাহারা শ্রমিক প্রতিনিধি মনোনীত করিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, প্রতিষ্ঠানে যৌথ দরকষাকষির অবর্তমানে প্রতিষ্ঠানে বিদ্যমান ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠন বা ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠনসমূহ সমসংখ্যক শ্রমিক প্রতিনিধি মনোনীত করিবে এবং ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠনের অবর্তমানে অংশগ্রহণ কমিটি শ্রমিক প্রতিনিধি মনোনয়ন করিবে।

(৪) প্রতিষ্ঠানের মালিক বা মালিকের প্রাধিকারপ্রাপ্ত কল্যাণ কর্মকর্তা ক্যান্টিন ব্যবস্থাপনা কমিটির কার্যাদি তত্ত্বাবধান করিবেন।

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫, পিডিএফ পৃষ্ঠা ৫৯
বিধি ৯১

ব্যবস্থাপনা কমিটির সহিত পরামর্শ

— মালিক বা তাহার প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিম্নবর্ণিত বিষয়ে ক্যান্টিন ব্যবস্থাপনা কমিটির পরামর্শ গ্রহণ করিবেন, যথা:-

(ক) ক্যান্টিনে যেসব খাদ্যদ্রব্য সরবরাহ করা হইবে উহার মান ও পরিমাণ ;

(খ) খাদ্য তালিকা ও খাদ্যের মূল্য নির্ধারণ ;

(গ) ক্যান্টিনে খাইবার সময় ; এবং

(ঘ) ক্যান্টিনের সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিষয়।

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫, পিডিএফ পৃষ্ঠা ৬০

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ — এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত), ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫; বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২; গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি

বাস্তবায়ন নির্দেশিকা

এই ধারার নির্দেশিকা পরবর্তী ধাপে যুক্ত হবে।

নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।

EPZ-এর সাথে পার্থক্য

EPZ-এর সাথে পার্থক্য

এই ধারার জন্য আলাদা তুলনা নোট এখনও লেখা হয়নি।

EPZ-এ সরাসরি সমতুল্য ধারা এখানে এখনও যুক্ত হয়নি।