পীড়া-ছুটি
আইনের টেক্সট
১১৬। (১) সংবাদ পত্র শ্রমিক ব্যতীত, প্রত্যেক শ্রমিক প্রত্যেক পঞ্জিকা বৎসরে পূর্ণ মজুরীতে চৌদ্দ দিনের পীড়া ছুটি পাইবার অধিকারী হইবেন।
(২) প্রত্যেক সংবাদ পত্র শ্রমিক তাহার চাকুরীর মেয়াদের অনু্যন এক- অষ্টাদশ অংশ সময় অর্ধ-মজুরীতে পীড়া-ছুটি পাইবার অধিকারী হইবেন।
(৩) উক্তরূপ কোন ছুটি মঞ্জুর করা হইবে না যদি না মালিক কতর্ৃক নিযুক্ত একজন রেজিষ্টার্ড চিকিৎসক অথবা উক্তরূপ চিকিৎসকের অবর্তমানে অন্য কোন রেজিষ্টার্ড চিকিৎসক পরীৰানত্দে এই মর্মে প্রত্যয়ন করেন যে, সংশিস্নষ্ট শ্রমিক পীড়িত এবং তাহার চিকিৎসা বা আরোগ্যের জন্য প্রত্যয়নপত্রে উলিস্নখিত সময় ছুটির প্রয়োজন।
(৪) উক্তরূপ ছুটি জমা থাকিবেনা এবং কোন বৎসর ভোগ করা না হইলে পরবতর্ী বৎসর উহা আর ভোগ করা যাইবে না।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৪২ নং আইন), ধারা ১১৬ — bdlaws.minlaw.gov.bd। সংকলিত পাঠ: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৪৩ নং আইন, ১০ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর) পর্যন্ত। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।
সংশ্লিষ্ট বিধি
সংশোধন: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২, গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২
নৈমিত্তিক ও পীড়া ছুটি
— ধারা ১১৫ ও ১১৬ মোতাবেক নৈমিত্তিক ও পীড়া ছুটি গ্রহণ করিবার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শ্রমিক ইচ্ছা পোষণ করিলে উক্ত ছুটির পূর্বে বা পরে সাপ্তাহিক বা উৎসব ছুটি সংযোগ করিতে পারিবেন যাহা নৈমিত্তিক ছুটি হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হইবে না :
তবে শর্ত থাকে যে, নৈমিত্তিক ছুটি অথবা পীড়া ছুটির মধ্যে কোন সাপ্তাহিক বা উৎসব ছুটি পড়িলে উক্ত ছুটি মূল ছুটির অন্তর্ভুক্ত হইবে।
আরও শর্ত থাকে যে, বৎসরের কোন অংশে কাজে যোগদানের ক্ষেত্রে শ্রমিক উক্ত ছুটি হারাহারিভাবে ভোগ করিতে পারিবেন।
ছুটির বহি
(১) মালিক বা ব্যবস্থাপক ফরম-৯ অনুযায়ী প্রত্যেক শ্রমিককে ছুটির একটি বহি সরবরাহ করিবেন।
(২) ছুটির বহিটি শ্রমিকের সম্পত্তি এবং কারখানার ব্যবস্থাপক বা তাহার প্রতিনিধি কেবলমাত্র প্রয়োজনীয় সময়ে ইহাতে সংশ্লিষ্ট বিষয় পূরণের কারণ ব্যতীত শ্রমিকের নিকট হইতে গ্রহণ করিতে বা তলব করিতে পারিবেন না বা একাদিক্রমে ৭ (সাত) দিনের অধিক রাখিতে পারিবে না।
(৩) ছুটির বহিতে সকল অন্তর্ভুক্তি কালি দ্বারা সুস্পষ্টভাবে লিখিতে হইবে এবং হালনাগাদ তথ্য অন্তর্ভুক্ত করিয়া রাখিতে হইবে।
(৪) কোন শ্রমিক ছুটির বহি হারাইয়া ফেলিলে ব্যবস্থাপক ১০ (দশ) টাকা পরিশোধ সাপেক্ষে তাহাকে আরও এক কপি বহি সরবরাহ করিবেন এবং তাহার রেকর্ড হইতে উহাতে তথ্য অন্তর্ভুক্ত বা লিপিবদ্ধ করিতে হইবে।
(৫) যদি কোন প্রতিষ্ঠান কম্পিউটারের মাধ্যমে ছুটির রেকর্ড সংরক্ষণ করে, তবে উহার ছাপানো কপি ছুটির বহি হিসাবে গণ্য হইবে।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ — এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত), ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫; বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২; গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি
বাস্তবায়ন নির্দেশিকা
- করণীয়
- বছরে ১৪ দিন পীড়া ছুটি, পূর্ণ মজুরিতে; রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের সনদ লাগবে (কারখানার ডাক্তার সনদ দিতে পারেন)।
- Audit-এ দেখা হয়
- অসুস্থতার দিনকে absent দেখিয়ে attendance bonus বা মজুরি কাটা হয়েছে কি না।
নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।
EPZ-এর সাথে পার্থক্য
EPZ-এর সাথে পার্থক্য
একই: বছরে ১৪ দিন, পূর্ণ মজুরি, রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের সনদ লাগবে (EPZ ধারা ৫১)।
EPZ ধারা ৫১ পাশাপাশি দেখুন
BLA ধারা ১১৬ · পীড়া-ছুটি
১১৬। (১) সংবাদ পত্র শ্রমিক ব্যতীত, প্রত্যেক শ্রমিক প্রত্যেক পঞ্জিকা বৎসরে পূর্ণ মজুরীতে চৌদ্দ দিনের পীড়া ছুটি পাইবার অধিকারী হইবেন।
(২) প্রত্যেক সংবাদ পত্র শ্রমিক তাহার চাকুরীর মেয়াদের অনু্যন এক- অষ্টাদশ অংশ সময় অর্ধ-মজুরীতে পীড়া-ছুটি পাইবার অধিকারী হইবেন।
(৩) উক্তরূপ কোন ছুটি মঞ্জুর করা হইবে না যদি না মালিক কতর্ৃক নিযুক্ত একজন রেজিষ্টার্ড চিকিৎসক অথবা উক্তরূপ চিকিৎসকের অবর্তমানে অন্য কোন রেজিষ্টার্ড চিকিৎসক পরীৰানত্দে এই মর্মে প্রত্যয়ন করেন যে, সংশিস্নষ্ট শ্রমিক পীড়িত এবং তাহার চিকিৎসা বা আরোগ্যের জন্য প্রত্যয়নপত্রে উলিস্নখিত সময় ছুটির প্রয়োজন।
(৪) উক্তরূপ ছুটি জমা থাকিবেনা এবং কোন বৎসর ভোগ করা না হইলে পরবতর্ী বৎসর উহা আর ভোগ করা যাইবে না।
EPZ ধারা ৫১ · পীঁড়া ছুটি
৫১। (১) প্রত্যেক শ্রমিক প্রতি পঞ্জিকা বৎসরে পূর্ণ মজুরিতে ১৪ (চৌদ্দো) দিনের পীঁড়া ছুটি পাইবার অধিকারী হইবেন।
(২) উক্তরূপ কোনো ছুটি মঞ্জুর করা হইবে না যদি না মালিক কর্তৃক নিযুক্ত ১ (এক) জন রেজিস্টার্ড চিকিৎসক অথবা উক্তরূপ চিকিৎসকের অবর্তমানে অন্য কোনো রেজিস্টার্ড চিকিৎসক পরীক্ষান্তে এই মর্মে প্রত্যয়ন করেন যে, সংশ্লিষ্ট শ্রমিক পীঁড়িত এবং তাহার চিকিৎসা বা আরোগ্যের জন্য প্রত্যয়নপত্রে উল্লিখিত সময় ছুটি প্রয়োজন।
(৩) উক্তরূপ ছুটি জমা থাকিবে না এবং কোনো বৎসর ভোগ করা না হইলে পরবর্তী বৎসর উহা আর ভোগ করা যাইবে না।