RMG Code — Rules for a Better TomorrowRMG Code
শ্রম আইন
ধারা১২

কাজ বন্ধ রাখা

২০২৬ সালে সংশোধিত২টি বিধি

আইনের টেক্সট

১২। (১) অগ্নিকান্ড, আকষ্মিক বিপত্তি, যন্ত্রপাতি বিকল, বিদু্যৎ সরবরাহ বন্ধ, মহামারী, ব্যাপক দাঙ্গা-হাঙ্গামা অথবা মালিকের নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত অন্য কোন কারণে প্রয়োজন হইলে, কোন মালিক যে কোন সময় তাহার প্রতিষ্ঠানের কোন শাখা বা শাখাসমূহ আংশিক বা সম্পূর্ণ বন্ধ করিয়া দিতে পারিবেন এবং যে কারণে উক্তরূপ বন্ধের আদেশ দেওয়া হইবে তাহা বিদ্যমান থাকা পর্যনত্দ এই বন্ধের আদেশ বহাল রাখিতে পারিবেন। কাজ বন্ধ রাখা

(২) যদি উক্তরূপ বন্ধের আদেশ কর্মসময়ের পরে দেওয়া হয়, তাহা হইলে পরবর্তী কর্মসময় শুরু হওয়ার আগে মালিক প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট শাখার নোটিশ বোর্ডে বা কোন প্রকাশ্য স্থানে নোটিশ সাঁটিয়া বা লটকাইয়া দিয়া উক্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকগণকে অবহিত করিবেন।

(৩) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত নোটিশে বন্ধ পরবর্তী কাজ কখন শুরু হইবে এবং সংশ্লিষ্ট শ্রমিকগণকে কাজ পুনরায় শুরু হওয়ার পূর্বে কোন সময় তাহাদের কর্মস্থলে অবস্থান করিতে হইবে কি না তৎসম্পর্কে নির্দেশ থাকিবে।

(৪) যদি উক্তরূপ বন্ধ কর্মসময়ের মধ্যেই সংঘটিত হয়, তাহা হইলে মালিক উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত পন্থায় নোটিশ মারফত সংশ্লিষ্ট শ্রমিকগণকে যথাশীঘ্র সম্ভব তৎসম্পর্কে অবহিত করিবেন, এবং এই নোটিশে পরবর্তী কাজ কখন শুরু হইবে এবং শ্রমিকগণ কর্মস্থলে অবস্থান করিবেন কি না তৎসম্পর্কে নির্দেশ থাকিবে।

(৫) উক্তরূপ কাজ বন্ধের পর যে সমস্ত শ্রমিককে কর্মস্থলে অবস্থানের নির্দেশ দেওয়া হইবে, তাহাদের এই অবস্থানের সময় এক ঘণ্টার কম হইলে তাহারা কোন মজুরী নাও পাইতে পারেন, এবং এই অবস্থানের সময় ইহার অধিক হইলে তাহারা অবস্থানকালীন সম্পূর্ণ সময়ের জন্য মজুরী পাইবেন।

(৬) যদি কাজ বন্ধের মেয়াদ এক কর্ম দিবসের চেয়ে বেশী না হয়, তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট কোন শ্রমিক, উপ-ধারা (৫) এর ৰেত্র ব্যতীত, কোন মজুরী নাও পাইতে পারেন।

(৭) যদি কাজ বন্ধের মেয়াদ এক কর্ম দিবসের অধিক হয় তাহা হইলে, সাময়িক বা বদলী শ্রমিক ব্যতীত, সংশ্লিষ্ট প্রত্যেক শ্রমিককে এক দিনের অতিরিক্ত সকল বন্ধ কর্ম দিবসের জন্য মজুরী প্রদান করা হইবে।

১[(৮) যদি কাজ বন্ধের মেয়াদ ৩ (তিন) কর্মদিবসের অধিক হয়, তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকগণকে লে-অফ করা হইবে এবং তাহাদেরকে ধারা ১৬ অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ প্রদান করিতে হইবে।]

(৯) উপ-ধারা (৮) এ উল্লিখিত লে-অফ কাজ বন্ধ হওয়ার প্রথম দিন হইতেই বলবৎ হইবে, এবং প্রথম তিন দিনের জন্য প্রদত্ত কোন মজুরী সংশ্লিষ্ট শ্রমিককে প্রদেয় লে-অফকালীন ক্ষতিপূরণের সহিত সমন্বিত করা হইবে।

(১০) কাজ বন্ধের কারণে যদি কোন ঠিকা-হারের শ্রমিক ক্ষতিগ্রস্ত হন তাহা হইলে উপ-ধারা (৯) এর প্রয়োজনে তাহার পূর্ববর্তী এক মাসে গড় দৈনিক আয়কে দৈনিক মজুরী বলিয়া গণ্য করা হইবে।

সংশোধনী টীকা (১)
  1. উপ-ধারা (৮) বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৪৩ নং আইন) এর ৭ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৪২ নং আইন), ধারা ১২ — bdlaws.minlaw.gov.bd। সংকলিত পাঠ: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৪৩ নং আইন, ১০ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর) পর্যন্ত। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।

সংশ্লিষ্ট বিধি

বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ · এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫
সংশোধন: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২, গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২
বিধি ২৫

পরিদর্শককে লে-অফ বা প্রতিষ্ঠান বন্ধ সংক্রান্ত নোটিস প্রদান

(১) ধারা ১২ এর উপ-ধারা (৮) অনুযায়ী কোন শ্রমিককে লে-অফ করা হইলে অথবা ধারা ১৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হইলে সংশ্লিষ্ট ক্ষতিগ্রস্থ ও কর্মহীন শ্রমিকের সংখ্যা উল্লেখসহ উক্তরূপ লে-অফ বা বন্ধের নোটিস ও ফরম-১০ অনুযায়ী একটি বিবরণী অনতিবিলম্বে সংশ্লিষ্ট পরিদর্শকের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে।

(২) লে-অফকৃত প্রতিষ্ঠান বা কারখানার লে-অফ বা বন্ধ ৪৫ দিনের অধিক হইলে ধারা ২০ মোতাবেক সকল পাওনা পরিশোধপূর্বক শ্রমিকদেরকে ছাঁটাই করা যাইবে :

তবে শর্ত থাকে যে, কোন প্রতিষ্ঠান বা কারখানা ধারা ১৩ এর অধীন বন্ধ হইলে কোন শ্রমিক ধারা ২০ (২)(ক) অনুয়ায়ী নোটিস বা নোটিশের পরিবর্তে মজুরি পাইবে না।

(৩) লে-অফকৃত বা সাময়িকভাবে বন্ধকৃত কোন কারখানা বা প্রতিষ্ঠান শ্রমিকের আইনানুগ যাবতীয় পাওনা পরিশোধ না করিয়া অন্য কোন মালিকের নিকট বা সংস্থার নিকট লীজ প্রদান বা ভাড়ার চুক্তি করিয়া উৎপাদন বা সেবা প্রদান প্রক্রিয়ার সহিত যুক্ত করিতে পারিবেন না।

২০২২ সালের সংশোধন (এই বিধিতে)

বিধি ২৫ এর উপ-বিধি (১) এ উল্লিখিত ‘পরিদর্শকের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে’ শব্দসমূহের পরিবর্তে ‘পরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করিতে হইবে এবং বিষয়টি মহাপরিচালক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করিতে হইবে’ শব্দসমূহ প্রতিস্থাপিত হইবে;

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫, পিডিএফ পৃষ্ঠা ১৪
বিধি ৩২

নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত বিপর্যয় বা ক্ষতির কারণে মালিক-শ্রমিক সম্পর্ক

— ধারা ২৮ক অনুযায়ী মালিক ও শ্রমিক সম্পর্ক হইবে নিম্নরূপ, যথা:—

(ক) কারখানা বা প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ হইবার ক্ষেত্রে: (অ) আকষ্মিক প্রাকৃতিক বিপর্যয় বা মানুষের নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত বিপর্যয় বা জরুরি প্রয়োজনে মালিক কর্তৃক মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শককে

(৩) তিন কর্মদিবসের মধ্যে নির্ধারিত ফরম-১০ অনুযায়ী যাবতীয় তথ্যাদি অবহিত করিতে হইবে; (আ) মালিক শ্রমিকদেরকে ছাঁটাই করিবেন এবং আইনানুগ পাওনাদি পরিশোধ করিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত কারখানা বা প্রতিষ্ঠানে উৎপাদন কার্যক্রম পুনরায় চালু হইবার সম্ভবনা থাকিলে মালিক কারখানা বা প্রতিষ্ঠান লে-অফ ঘোষণা করিতে পারিবেন ; (ই) কারখানা বা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হইবার সময় পর্যন্ত শ্রমিক পূর্ণ মজুরিতে কর্মরত ছিলেন বলিয়া গণ্য হইবেন; (ঈ) শ্রমিককে মালিক তাহার অধীন একই ধরনের অন্য প্রতিষ্ঠানে সমপদে কাজে নিয়োজিত করিতে চাহিলে দফা (খ)-তে বর্ণিত বিধান প্রযোজ্য হইবে; (উ) স্থায়ীভাবে বন্ধ না করিয়া মালিক ইচ্ছা করিলে ধারা ১২ মোতাবেক কাজ বন্ধ রাখিতে পারিবেন এবং সেই ক্ষেত্রে শ্রমিক ধারা ১৬ মোতাবেক লে-অফ বেনিফিট প্রাপ্য হইবেন; (ঊ) পাওনা পরিশোধের ব্যাপারে কোন আপত্তি বা বিরোধ দেখা দিলে সেই ক্ষেত্রে মালিক সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ট্রেড ইউনিয়নের (যদি থাকে) সহিত আলোচনাক্রমে বা সাধারণ শ্রমিকদের (ট্রেড ইউনিয়ন না থাকিলে) সহিত আলোচনাক্রমে অথবা ধারা ১২৪ক অনুসারে মালিক শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করিবেন; (ঋ) আকষ্মিক প্রাকৃতিক বিপর্যয় বা মানুষের নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত বিপর্যয় বা জরুরি প্রয়োজনের যথার্থতা নিয়ে কোন প্রশ্ন বা অভিযোগ উত্থাপিত হইলে এই বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলিয়া বিবেচিত হইবে।

ব্যাখ্যা।— এই দফায় অভিযোগ উত্থাপন বলিতে সংশ্লিষ্ট মহাপরিদর্শক বা সরকারের নিকট লিখিতভাবে আপত্তি জানিয়ে দরখাস্ত করাকে বুঝাইবে।

(খ) কারখানা বা প্রতিষ্ঠানের স্থানান্তরের ক্ষেত্রে: (অ) কারখানা বা প্রতিষ্ঠানের সীমানা হইতে—

(১) ৪০ কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে উহা স্থানান্তর করা হইলে, যদি সংশ্লিষ্ট শ্রমিক স্থানান্তরিত স্থানে যাইতে ইচ্ছুক না হন তবে উক্ত শ্রমিক ধারা ২৭ অনুযায়ী সুবিধা পাইবেন;

(২) ৪০ কিলোমিটার অধিক দূরত্বে উহা স্থানান্তর করা হইলে, যদি সংশ্লিষ্ট শ্রমিক স্থানান্তরিত স্থানে যাইতে ইচ্ছুক না হন তবে উক্ত শ্রমিক ধারা ২০ মোতাবেক সুবিধা পাইবেন; (আ) শ্রমিকগণ স্থানান্তরিত স্থানে যোগদান করিলে তাহার চাকরির ধারাবাহিকতা ও চাকরির শর্তাবলি অপরিবর্তিত থাকিবে; (ই) কারখানা স্থানান্তর ও পাওনা পরিশোধের বিষয়ে কোন আপত্তি বা বিরোধ দেখা দিলে সেই ক্ষেত্রে মালিক ধারা ১২৪ক মোতাবেক অথবা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ট্রেড ইউনিয়নের (যদি থাকে) সহিত আলোচনাক্রমে মালিক শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করিবেন; (ঈ) মালিক কর্তৃক কারখানা বা প্রতিষ্ঠান স্থানান্তরিত স্থানের ঠিকানাসহ যাবতীয় তথ্যাদি মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শককে ৭ (সাত) দিনের মধ্যে ফরম-১০ অনুযায়ী নোটিস আকারে জানাইতে হইবে।

২০২২ সালের সংশোধন (এই বিধিতে)

বিধি ৩২ এর (ক) দফা (ক) এর উপ-দফা (অ) এবং দফা (খ) এর উপ-দফা (ঈ) এ উল্লিখিত ‘মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শককে’ শব্দসমূহের পর ‘এবং মহাপরিচালক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে’ শব্দসমূহ সন্নিবেশিত হইবে; (খ) দফা (খ) এর পর নিম্নরূপ নূতন দফা (গ) ও (ঘ) সংযোজিত হইবে, যথা: ‘‘(গ) কারখানা, প্রতিষ্ঠানের মালিকানা বা শেয়ার হস্তান্তরের ক্ষেত্রে: (অ) হস্তান্তরিত কারখানা বা প্রতিষ্ঠানে শ্রমিকরা কাজ করিতে ইচ্ছুক হইলে তাহাদের চাকরির ধারাবাহিকতা থাকিবে; (আ) হস্তান্তরিত কারখানা বা প্রতিষ্ঠানে শ্রমিকরা কাজ করিতে ইচ্ছুক না হইলে শ্রমিকগণ ধারা ২৭ এর উপ-ধারা (৪) এর বিধান অনুযায়ী সুবিধা প্রাপ্য হইবেন; (ই) হস্তান্তর গ্রহীতা মালিক শ্রমিকদের দায় গ্রহণ করিতে না চাহিলে হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হইবার পূর্বেই পূর্বতন মালিক শ্রমিকদের ছাঁটাই করিবেন এবং ধারা ২০ এর বিধান অনুযায়ী আইনানুগ পাওনা পরিশোধ করিবেন; (ঈ) কোন বকেয়া পাওনার ক্ষেত্রে পূর্বতন ও নূতন মালিকের মধ্যে ভিন্ন চুক্তির অবর্তমানে নূতন মালিক ইহার দায়ভার বহন করিবেন; (উ) কারখানা হস্তান্তর ও পাওনা পরিশোধের বিষয়ে কোন আপত্তি বা বিরোধ দেখা দিলে পূর্বতন ও নূতন মালিক ধারা ১২৪ক অনুযায়ী অথবা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ট্রেড ইউনিয়নের (যদি থাকে) সহিত আলোচনাক্রমে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করিবেন; (ঊ) নূতন মালিক কর্তৃক কারখানা বা প্রতিষ্ঠান হস্তান্তরের যাবতীয় তথ্য মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শককে ৭ (সাত) কর্মদিবসের মধ্যে নোটিস প্রদানের মাধ্যমে অবহিত করিতে হইবে। (ঘ) কারখানা বা প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ বা মালিকানা হস্তান্তরের তথ্যাদি ফরম-১০ অনুসারে মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করিতে হইবে।’’;

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫, পিডিএফ পৃষ্ঠা ১৬

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ — এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত), ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫; বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২; গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি

বাস্তবায়ন নির্দেশিকা

এই ধারার নির্দেশিকা পরবর্তী ধাপে যুক্ত হবে।

নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।

EPZ-এর সাথে পার্থক্য

EPZ-এর সাথে পার্থক্য

এই ধারার জন্য আলাদা তুলনা নোট এখনও লেখা হয়নি।

EPZ ধারা ১১ পাশাপাশি দেখুন
BLA ধারা ১২ · কাজ বন্ধ রাখা

১২। (১) অগ্নিকান্ড, আকষ্মিক বিপত্তি, যন্ত্রপাতি বিকল, বিদু্যৎ সরবরাহ বন্ধ, মহামারী, ব্যাপক দাঙ্গা-হাঙ্গামা অথবা মালিকের নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত অন্য কোন কারণে প্রয়োজন হইলে, কোন মালিক যে কোন সময় তাহার প্রতিষ্ঠানের কোন শাখা বা শাখাসমূহ আংশিক বা সম্পূর্ণ বন্ধ করিয়া দিতে পারিবেন এবং যে কারণে উক্তরূপ বন্ধের আদেশ দেওয়া হইবে তাহা বিদ্যমান থাকা পর্যনত্দ এই বন্ধের আদেশ বহাল রাখিতে পারিবেন। কাজ বন্ধ রাখা

(২) যদি উক্তরূপ বন্ধের আদেশ কর্মসময়ের পরে দেওয়া হয়, তাহা হইলে পরবর্তী কর্মসময় শুরু হওয়ার আগে মালিক প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট শাখার নোটিশ বোর্ডে বা কোন প্রকাশ্য স্থানে নোটিশ সাঁটিয়া বা লটকাইয়া দিয়া উক্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকগণকে অবহিত করিবেন।

(৩) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত নোটিশে বন্ধ পরবর্তী কাজ কখন শুরু হইবে এবং সংশ্লিষ্ট শ্রমিকগণকে কাজ পুনরায় শুরু হওয়ার পূর্বে কোন সময় তাহাদের কর্মস্থলে অবস্থান করিতে হইবে কি না তৎসম্পর্কে নির্দেশ থাকিবে।

(৪) যদি উক্তরূপ বন্ধ কর্মসময়ের মধ্যেই সংঘটিত হয়, তাহা হইলে মালিক উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত পন্থায় নোটিশ মারফত সংশ্লিষ্ট শ্রমিকগণকে যথাশীঘ্র সম্ভব তৎসম্পর্কে অবহিত করিবেন, এবং এই নোটিশে পরবর্তী কাজ কখন শুরু হইবে এবং শ্রমিকগণ কর্মস্থলে অবস্থান করিবেন কি না তৎসম্পর্কে নির্দেশ থাকিবে।

(৫) উক্তরূপ কাজ বন্ধের পর যে সমস্ত শ্রমিককে কর্মস্থলে অবস্থানের নির্দেশ দেওয়া হইবে, তাহাদের এই অবস্থানের সময় এক ঘণ্টার কম হইলে তাহারা কোন মজুরী নাও পাইতে পারেন, এবং এই অবস্থানের সময় ইহার অধিক হইলে তাহারা অবস্থানকালীন সম্পূর্ণ সময়ের জন্য মজুরী পাইবেন।

(৬) যদি কাজ বন্ধের মেয়াদ এক কর্ম দিবসের চেয়ে বেশী না হয়, তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট কোন শ্রমিক, উপ-ধারা (৫) এর ৰেত্র ব্যতীত, কোন মজুরী নাও পাইতে পারেন।

(৭) যদি কাজ বন্ধের মেয়াদ এক কর্ম দিবসের অধিক হয় তাহা হইলে, সাময়িক বা বদলী শ্রমিক ব্যতীত, সংশ্লিষ্ট প্রত্যেক শ্রমিককে এক দিনের অতিরিক্ত সকল বন্ধ কর্ম দিবসের জন্য মজুরী প্রদান করা হইবে।

১[(৮) যদি কাজ বন্ধের মেয়াদ ৩ (তিন) কর্মদিবসের অধিক হয়, তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকগণকে লে-অফ করা হইবে এবং তাহাদেরকে ধারা ১৬ অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ প্রদান করিতে হইবে।]

(৯) উপ-ধারা (৮) এ উল্লিখিত লে-অফ কাজ বন্ধ হওয়ার প্রথম দিন হইতেই বলবৎ হইবে, এবং প্রথম তিন দিনের জন্য প্রদত্ত কোন মজুরী সংশ্লিষ্ট শ্রমিককে প্রদেয় লে-অফকালীন ক্ষতিপূরণের সহিত সমন্বিত করা হইবে।

(১০) কাজ বন্ধের কারণে যদি কোন ঠিকা-হারের শ্রমিক ক্ষতিগ্রস্ত হন তাহা হইলে উপ-ধারা (৯) এর প্রয়োজনে তাহার পূর্ববর্তী এক মাসে গড় দৈনিক আয়কে দৈনিক মজুরী বলিয়া গণ্য করা হইবে।

EPZ ধারা ১১ · কাজ বন্ধ রাখা

১১। (১) অগ্নিকাণ্ড, মারাত্নক দৈব দুর্ঘটনা, মহামারি, ব্যাপক দাঙ্গা-হাঙ্গামা এর জন্য প্রয়োজন হইলে কোনো মালিক যে কোনো সময় তাহার প্রতিষ্ঠানের কোনো শাখা বা শাখাসমূহ আংশিক বা সম্পূর্ণ বন্ধ করিয়া দিতে পারিবেন এবং যে কারণে উক্তরূপ বন্ধের আদেশ দেওয়া হইবে তাহা বিদ্যমান থাকা পর্যন্ত এই বন্ধের আদেশ বহাল রাখিতে পারিবেন :

তবে শর্ত থাকে যে, উক্তরূপ বন্ধের আদেশ প্রদানের পর অনতিবিলম্বে তাহা কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিতে হইবে এবং এই বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে :

আরো শর্ত থাকে যে, কোনো আকস্মিক বিপত্তি, যন্ত্রপাতি বিকল, বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ অথবা মালিকের নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত অন্য কোনো কারণে প্রয়োজন হইলে, কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতিক্রমে, কোনো মালিক যে কোনো সময় তাহার প্রতিষ্ঠানের কোনো শাখা বা শাখাসমূহ আংশিক বা সম্পূর্ণ বন্ধ করিয়া দিতে পারিবেন এবং যে কারণে উক্তরূপ বন্ধের আদেশ দেওয়া হইবে তাহা বিদ্যমান থাকা পর্যন্ত এই বন্ধের আদেশ বহাল রাখিতে পারিবেন।

(২) যদি উক্তরূপ বন্ধের আদেশ কর্মসময়ের পরে দেওয়া হয়, তাহা হইলে পরবর্তী কর্মসময় শুরু হইবার আগে মালিক প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট শাখার নোটিশ বোর্ডে বা কোনো প্রকাশ্য স্থানে নোটিশ সাঁটিয়া বা লটকাইয়া দিয়া উক্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকগণকে অবহিত করিবেন।

(৩) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত নোটিশে বন্ধ পরবর্তী কাজ কখন শুরু হইবে এবং সংশ্লিষ্ট শ্রমিকগণকে কাজ পুনরায় শুরু হইবার পূর্বে কোনো সময় তাহাদের কর্মস্থলে অবস্থান করিতে হইবে তৎসম্পর্কে নির্দেশ থাকিবে।

(৪) যদি উক্তরূপ বন্ধ কর্মসময়ের মধ্যেই সংঘটিত হয়, তাহা হইলে মালিক উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত পন্থায় নোটিশ মারফত শ্রমিকগণকে যথাশীঘ্র সম্ভব তৎসম্পর্কে অবহিত করিবেন, এবং এই নোটিশে পরবর্তী কাজ কখন শুরু হইবে এবং শ্রমিকগণ কর্মস্থলে অবস্থান করিবেন কি না তৎসম্পর্কে নির্দেশ থাকিবে।

(৫) উক্তরূপ কাজ বন্ধের পর যে সকল শ্রমিককে কর্মস্থলে অবস্থানের নির্দেশ দেওয়া হইবে, তাহাদের এই অবস্থানের সময় ১ (এক) ঘণ্টার কম হইলে তাহারা কোনো মজুরি নাও পাইতে পারেন, এবং এই অবস্থানের সময় ইহার অধিক হইলে তাহারা অবস্থানকালীন সম্পূর্ণ সময়ের জন্য মজুরি পাইবেন।

(৬) যদি কাজ বন্ধের মেয়াদ ১ (এক) কর্ম দিবসের চেয়ে বেশী না হয়, তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট কোনো শ্রমিক, উপ-ধারা (৫) এর ক্ষেত্র ব্যতীত, কোনো মজুরি নাও পাইতে পারেন।

(৭) যদি কাজ বন্ধের মেয়াদ ১ (এক) কর্ম দিবসের অধিক হয় তাহা হইলে, সাময়িক শ্রমিক ব্যতীত, প্রত্যেক শ্রমিককে ১ (এক) দিনের অতিরিক্ত সকল বন্ধ কর্মদিবসের জন্য মজুরি প্রদান করা হইবে।

(৮) যদি কাজ বন্ধের মেয়াদ ৩ (তিন) কর্মদিবসের অধিক হয়, তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকগণকে ধারা ১৫ এর বিধান অনুযায়ী লে-অফ করা হইবে।

(৯) উপ-ধারা (৮) এ উল্লিখিত লে-অফ কাজ বন্ধ হইবার প্রথম দিন হইতেই বলবৎ হইবে, এবং প্রথম ৩ (তিন) দিনের জন্য প্রদত্ত কোনো মজুরি সংশ্লিষ্ট শ্রমিককে প্রদেয় লে-অফকালীন ক্ষতিপূরণের সহিত সমন্বিত করা হইবে।