পুনর্বিবেচনা
আইনের টেক্সট
১৫৩। (১) এই অধ্যায়ের অধীন প্রদেয় কোন মাসিক ৰতিপূরণ, উহা পৰ- দ্বয়ের মধ্যে চুক্তির অধীন হউক অথবা শ্রম আদালতের আদেশের অধীন হউক, শ্রম আদালত কর্তৃক পূনর্বিবেচনা করা যাইবে, যদি-
(ক) শ্রমিকের অবস্থার পরিবর্তন হইয়াছে এই মর্মে রেজিস্টার্ড চিকিৎসক কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্রসহ মালিক অথবা শ্রমিক কর্তৃক দরখাসত্দ করা হয়, অথবা
(খ) উক্তরূপ প্রত্যয়নপত্র ছাড়াও, প্রতারণার মাধ্যমে অথবা অবৈধ প্রভাব অথবা অন্যান্য অসংগত উপায়ের মাধ্যমে ৰতিপূরণ নির্ধারণ করা হইয়াছে অথবা রেকর্ড হইতে সুস্পষ্ট দেখা যায়, যে উক্তরূপ নির্ধারণ ভুল-এই মর্মে মালিক অথবা শ্রমিক কর্তৃক দরখাসত্দ করা হয়।
(২) এই অধ্যায়ের বিধান সাপেৰে, এই ধারার অধীন পুনর্বিবেচনার ভিত্তিতে কোন মাসিক ৰতিপূরণ চালু রাখা যাইবে, বৃদ্ধি করা যাইবে, কমানো যাইবে অথবা বন্ধ করা যাইবে অথবা যদি দেখা যায় যে, দুর্ঘটনার কারণে স্থায়ী অৰমতা ঘটিয়াছে তাহা হইলে প্রদেয় মাসিক ৰতিপূরণ শ্রমিকের প্রাপ্যতা অনুযায়ী থোক অর্থে রূপানত্দরিত করা যাইবে, তবে ইহা হইতে মাসিক ৰতিপূরণ বাবদ ইতিমধ্যে প্রাপ্ত অর্থ বাদ যাইবে।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৪২ নং আইন), ধারা ১৫৩ — bdlaws.minlaw.gov.bd। সংকলিত পাঠ: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৪৩ নং আইন, ১০ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর) পর্যন্ত। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।
সংশ্লিষ্ট বিধি
সংশোধন: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২, গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২
ক্ষতিপূরণ হিসাবে বা অস্থায়ী অক্ষমতার কারণে প্রদেয় মাসিক মজুরি
পর্যালোচনা।— ধারা ১৫৩ মোতাবেক প্রদেয় মাসিক ক্ষতিপূরণ পর্যালোচনার আবেদন নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে ডাক্তারী প্রত্যয়নপত্র ব্যতীত শ্রম আদালতে পেশ করা যাইবে, যথা:—
(ক) মালিক কর্তৃক শ্রমিকের ক্ষতিপূরণের অধিকার নির্ধারিত হইয়াছে এবং শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি পাইয়াছে;
(খ) শ্রমিক কর্তৃক ক্ষতিপূরণের অধিকার নির্ধারণ করা হইয়াছে এবং শ্রমিকের মজুরি কমিয়া গিয়াছে;
(গ) শ্রমিকের অবস্থার পরিবর্তন না হওয়া সত্ত্বেও মালিক কর্তৃক শ্রমিকের ক্ষতিপূরণ প্রদান শুরু করিবার পর ক্ষতিপূরণ প্রদান বন্ধ করিয়া দেওয়া হইয়াছে;
(ঘ) বর্তমানে বলবৎ ক্ষতিপূরণের হার প্রতারণামূলকভাবে বা অন্যায় প্রভাব দ্বারা বা অন্য কোন অনুচিত পন্থায় মালিক অথবা শ্রমিক কর্তৃক নির্ধারণ করা হইয়াছে;
(ঙ) মালিক অথবা শ্রমিক কর্তৃক ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের ক্ষেত্রে রেকর্ড হইতে আপাতত: দৃষ্টিতে কোন ভুল দৃষ্টিগোচর হয়।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ — এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত), ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫; বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২; গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি
বাস্তবায়ন নির্দেশিকা
এই ধারার নির্দেশিকা পরবর্তী ধাপে যুক্ত হবে।
নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।
EPZ-এর সাথে পার্থক্য
EPZ-এর সাথে পার্থক্য
এই ধারার জন্য আলাদা তুলনা নোট এখনও লেখা হয়নি।
EPZ-এ সরাসরি সমতুল্য ধারা এখানে এখনও যুক্ত হয়নি।