RMG Code — Rules for a Better TomorrowRMG Code
শ্রম আইন
ধারা১৮০

ট্রেড ইউনিয়নের সদস্য বা কর্মকর্তা হওয়ার অযোগ্যতা

২০২৬ সালে সংশোধিত১টি বিধি

আইনের টেক্সট

১৮০। (১) কোন ট্রেড ইউনিয়নের গঠনতন্ত্রে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন ব্যক্তি উহার কর্মকর্তা অথবা সদস্য নির্বাচিত হওয়ার বা থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি-

(ক) তিনি নৈতিক স্খলনজনিত কোন ফৌজদারী অপরাধে দোষী সাব্যসত্দ হইয়া থাকেন, অথবা ধারা ১৯৬(২)(ঘ) অথবা ধারা ২৯৮ এর অধীন কোন অপরাধের জন্য দোষী সাব্যসত্দ হইয়া থাকেন এবং তাহার মুক্তিলাভের পর দুই বৎসর কাল অতিবাহিত না হইয়া থাকে;

(খ) যে প্রতিষ্ঠানে ট্রেড ইউনিয়ন গঠন করা হইয়াছে সে প্রতিষ্ঠানে তিনি শ্রমিক হিসাবে নিয়োজিত বা কর্মরত না থাকেন ১[২[।

তবে শর্ত থাকে যে, রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্প সেক্টরের ক্ষেত্রে ইউনিয়নের সদস্যরা ইচ্ছা পোষণ করিলে ইউনিয়নের কার্যনির্বাহী কমিটির মোট কর্মকর্তার শতকরা দশ ভাগকে নির্বাচিত করিতে পারিবে, যাহারা উক্ত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত নয়।]

(২) উপ-ধারা (১)(খ) এর কোন কিছুই কোন ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশনের ৰেত্রে প্রযোজ্য হইবে না।

সংশোধনী টীকা (২)
  1. কোলন “:” দাঁড়ির “।” পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত এবং অত:পর শর্তাংশ বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ৩০ নং আইন) এর ৫২ ধারাবলে সংযোজিত।
  2. দাড়ি (।) চিহ্ন কোলন (:) চিহ্নের পরিবর্তে বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৪৩ নং আইন) এর ৩৬ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৪২ নং আইন), ধারা ১৮০ — bdlaws.minlaw.gov.bd। সংকলিত পাঠ: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৪৩ নং আইন, ১০ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর) পর্যন্ত। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।

সংশ্লিষ্ট বিধি

বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ · এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫
সংশোধন: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২, গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২
বিধি ১৬৯

নির্বাহী কমিটির সদস্য সংখ্যা

(১) ধারা ১৭৯ (১) (ট) মোতাবেক কোন ট্রেড ইউনিয়নের নির্বাহী কমিটির সদস্য সংখ্যা উহার সাধারণ সদস্যদের সংখ্যানুপাতে নিম্নবর্ণিত হারে নির্ধারিত হইবে, যথা:— সাধারণ সদস্যের সংখ্যা নির্বাহী কমিটির সদস্য সংখ্যা অনধিক ৫০ অন্যূন ৫ ৫১ হইতে ১০০ অনধিক ৭ ১০১ হইতে ৪০০ ঐ ৯ ৪০১ হইতে ৮০০ ঐ ১১ ৮০১ হইতে ১৫০০ ঐ ১৩ ১৫০১ হইতে ৩০০০ ঐ ১৭ ৩০০১ হইতে ৫০০০ ঐ ২৫ ৫০০১ হইতে ৭৫০০ ঐ ৩০ ৭৫০১ হইতে ততোধিক ঐ ৩৫ ।

(২) যে প্রতিষ্ঠানের জন্য ট্রেড ইউনিয়ন গঠিত হইবে, উক্ত প্রতিষ্ঠানে মোট শ্রম শক্তি বা সদস্যের ২০% বা তদুর্ধ্ব মহিলা নিয়োজিত থাকিলে সেইখানে ইউনিয়নের নির্বাহী কমিটিতে কমপক্ষে ১০% মহিলা সদস্য থাকিতে হইবে।

(৩) প্রতিষ্ঠানপুঞ্জে গঠিত ট্রেড ইউনিয়নের রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রেও উপ-বিধি (১) ও

(২) এর বিধান প্রযোজ্য হইবে :

তবে শর্ত থাকে যে, যতদূর সম্ভব প্রতিষ্ঠানপুঞ্জের অধীন প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের মধ্য হইতে অন্তত একজন করিয়া শ্রমিককে নির্বাহী কমিটিতে সদস্যভুক্ত করিতে হইবে।

(৪) কোন শ্রমিক কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হইবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী শ্রমিক হিসাবে কর্মরত না থাকেন:

তবে শর্ত থাকে যে, রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্প সেক্টরের ক্ষেত্রে ধারা ১৮০ এর শর্তাংশ অনুসরণে কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত করা যাইবে।

২০২২ সালের সংশোধন (এই বিধিতে)

বিধি ১৬৯ এর (ক) উপ-বিধি (১) এর ছক এর পরিবর্তে নিম্নরূপ নূতন ছক প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা: “ সাধারণ সদস্যর সংখ্যা নির্বাহী কমিটির সদস্য সংখ্যা অনধিক ৫০ অন্যূন ৫ হইতে ১০০ ৫১ অনধিক ৯ হইতে ১০১ ২০০ ঐ ১৩ হইতে ২০১ ৪০০ ঐ ১৯ হইতে ৪০১ ৮০০ ঐ ২৩ ৮০১ হইতে ১৫০০ ঐ ২৫ ১৫০১ হইতে ৩০০০ ঐ ২৭ ৩০০১ হইতে ৫০০০ ঐ ২৯ ৫০০১ হইতে ৭৫০০ ঐ ৩১ ৭৫০০ হইতে ততোধিক ঐ ৩৫ ”; (খ) উপ-বিধি (৪) এর পর নিম্নরূপ ব্যাখ্যা এবং নূতন উপ-বিধি (৫), (৬) ও (৭) সংযোজিত হইবে, যথা: “ব্যাখ্যা।এই উপ-বিধির উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘রাষ্টায়ত্ত শিল্পসেক্টর’ অর্থ (ক) পণ্য উৎপাদনশীল রাষ্টায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান শ্রমিক (চাকরির শর্তাবলী) অাইন, ২০১৮ এর ধারা ২(গ) এ সংজ্ঞায়িত “পণ্য উৎপাদনশীল রাষ্টায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান”; (খ) বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড; (গ) বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড; এবং (ঘ) ট্রেড ইউনিয়ন চর্চা রহিয়াছে এইরূপ সকল রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান।;” (৫) কোনো ট্রেড ইউনিয়ন বা ফেডারেশনের নির্বাচন সংক্রান্ত যেকোনো ধরনের জটিলতার বিষয়ে শ্রম অধিদপ্তরে অভিযোগ উত্থাপিত হইলে মহাপরিচালক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা অভিযোগ প্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন বা ফেডারেশন এবং অভিযোগকারীদেরকে নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন বা ফেডারেশন এর গঠনতন্ত্র ও বিদ্যমান শ্রম আইন অনুযায়ী পরবর্তী ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করিবার নির্দেশ প্রদান করিবেন। (৬) মহাপরিচালক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা উক্তরূপ ইউনিয়ন বা ফেডারেশনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য শ্রম আদালতে অভিযোগ উত্থাপন করিবার অধিকারী হইবেন। (৭) কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনের ফলাফল প্রাপ্তির পর মহাপরিচালক প্রয়োজনীয় রেকর্ডপত্র যাচাইপূর্বক উহা নথিভুক্ত করিয়া সংশ্লিষ্টদের অবহিত করিবেন।”;

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫, পিডিএফ পৃষ্ঠা ৮৬

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ — এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত), ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫; বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২; গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি

বাস্তবায়ন নির্দেশিকা

এই ধারার নির্দেশিকা পরবর্তী ধাপে যুক্ত হবে।

নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।

EPZ-এর সাথে পার্থক্য

EPZ-এর সাথে পার্থক্য

এই ধারার জন্য আলাদা তুলনা নোট এখনও লেখা হয়নি।

EPZ-এ সরাসরি সমতুল্য ধারা এখানে এখনও যুক্ত হয়নি।