প্রধান পরিদর্শক, ইত্যাদি
আইনের টেক্সট
৩১৮৷ (১) এই আইনের উদ্দেশ্যে সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, একজন প্রধান পরিদর্শক নিযুক্ত করিবে এবং প্রয়োজনীয় সংখ্যক উপ-প্রধান পরিদর্শক, ১[সহকারী প্রধান পরিদর্শক, পরিদর্শক অথবা সহকারী পরিদর্শক] নিযুক্ত করিতে পারিবে৷
(২) যেক্ষেত্রে উপ-প্রধান পরিদর্শক, ২[সহকারী প্রধান পরিদর্শক, পরিদর্শক অথবা সহকারী পরিদর্শক] নিযুক্ত করা হয় সেক্ষেত্রে, সরকার উক্ত প্রজ্ঞাপনে এই আইনের অধীন তাহাদের প্রত্যেকের কর্মক্ষেত্র বা এলাকা বা এখতিয়ারাধীন প্রতিষ্ঠান নির্ধারণ করিয়া দিবে৷
(৩) প্রধান পরিদর্শকের এই আইনের অধীন তাহাকে প্রদত্ত ক্ষমতা ছাড়াও সমগ্র দেশে একজন পরিদর্শকের ক্ষমতা থাকিবে৷
(৪) সকল উপ-প্রধান পরিদর্শক, ৩[সহকারী প্রধান পরিদর্শক, পরিদর্শক এবং সহকারী পরিদর্শকের] উপর প্রধান পরিদর্শকের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা থাকিবে৷
(৫) প্রধান পরিদর্শক, লিখিত সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা, তাহার কোন ক্ষমতা বা দায়িত্ব কোন উপ-প্রধান পরিদর্শক, ৪[সহকারী প্রধান পরিদর্শক, পরিদর্শক বা সহকারী পরিদর্শকের] উপর অর্পণ করিতে পারিবেন৷
(৬) মার্কেন্টাইল মেরীন ডিপার্টমেন্টের সকল প্রিন্সিপাল অফিসার তাহাদের এখতিয়ারাধীন এলাকায় ষষ্ঠ অধ্যায়ের অধীন প্রণীত প্রবিধানের উদ্দেশ্যে পদাধিকারাধীন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শক হইবেন৷
সংশোধনী টীকা (৪)
- ‘‘সহকারী প্রধান পরিদর্শক, পরিদর্শক অথবা সহকারী পরিদর্শক’’ শব্দগুলি ও কমা ‘‘সহকারী প্রধান পরিদর্শক অথবা পরিদর্শক’’ শব্দগুলির পরিবর্তে বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ৩০ নং আইন) এর ৮১(ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
- ‘‘সহকারী প্রধান পরিদর্শক, পরিদর্শক অথবা সহকারী পরিদর্শক’’ শব্দগুলি ও কমা ‘‘সহকারী প্রধান পরিদর্শক অথবা পরিদর্শক’’ শব্দগুলির পরিবর্তে বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ৩০ নং আইন) এর ৮১(খ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
- ‘‘সহকারী প্রধান পরিদর্শক, পরিদর্শক এবং সহকারী পরিদর্শকের’’শব্দগুলি ও কমা ‘‘সহকারী প্রধান পরিদর্শক এবং পরিদর্শকের’’ শব্দগুলির পরিবর্তে বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ৩০ নং আইন) এর ৮১(গ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
- ‘‘সহকারী প্রধান পরিদর্শক, পরিদর্শক এবং সহকারী পরিদর্শকের’’শব্দগুলি ও কমা ‘‘সহকারী প্রধান পরিদর্শক এবং পরিদর্শকের’’ শব্দগুলির পরিবর্তে বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ৩০ নং আইন) এর ৮১(ঘ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৪২ নং আইন), ধারা ৩১৮ — bdlaws.minlaw.gov.bd। সংকলিত পাঠ: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৪৩ নং আইন, ১০ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর) পর্যন্ত। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।
সংশ্লিষ্ট বিধি
সংশোধন: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২, গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২
যোগ্য কর্তৃপক্ষ
— কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক ধারা ৩১৮ মোতাবেক এই অধ্যায়ের জন্য যোগ্য কর্তৃপক্ষ বলিয়া বিবেচিত হইবেন।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ — এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত), ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫; বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২; গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি
বাস্তবায়ন নির্দেশিকা
এই ধারার নির্দেশিকা পরবর্তী ধাপে যুক্ত হবে।
নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।
EPZ-এর সাথে পার্থক্য
EPZ-এর সাথে পার্থক্য
এই ধারার জন্য আলাদা তুলনা নোট এখনও লেখা হয়নি।
EPZ-এ সরাসরি সমতুল্য ধারা এখানে এখনও যুক্ত হয়নি।