খাবার কক্ষ, ইত্যাদি
আইনের টেক্সট
১[ ৯৩। (১) সাধারণত ২৫ (পঁচিশ) জনের অধিক শ্রমিক নিযুক্ত থাকেন এইরূপ প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকগণ যাহাতে তাহাদের সঙ্গে আনীত খাবার খাইতে এবং বিশ্রাম করিতে পারেন সেই জন্য পান করিবার পানির ব্যবস্থাসহ প্রয়োজনীয় সংখ্যক উপযুক্ত খাবার কক্ষের ব্যবস্থাকরণ এবং রক্ষণাবেক্ষণ করিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, ধারা ৯২ এর অধীন সংরক্ষিত কোনো ক্যান্টিন এই উপ-ধারার অধীন প্রয়োজনীয় কোনো ব্যবস্থার অংশ বলিয়া গণ্য হইবে:
আরো শর্ত থাকে যে, যে প্রতিষ্ঠানে কোনো খাবার কক্ষ বিদ্যমান রহিয়াছে সেইখানে শ্রমিকগণ তাহার কর্ম-কক্ষে বসিয়া কোনো খাবার খাইতে পারিবেন না।
(২) খাবার কক্ষ যথেষ্ঠভাবে আলোকিত এবং বায়ু চলাচলের সুবিধাসহ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সহনীয় তাপমাত্রায় রক্ষণাবেক্ষণ করিতে হইবে।]
সংশোধনী টীকা (১)
- ধারা ৯৩ বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৫৮ নং আইন) এর ১০ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৪২ নং আইন), ধারা ৯৩ — bdlaws.minlaw.gov.bd। সংকলিত পাঠ: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৪৩ নং আইন, ১০ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর) পর্যন্ত। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।
সংশ্লিষ্ট বিধি
সংশোধন: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২, গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২
খাবার কক্ষ
— ধারা ৯৩ মোতাবেক রক্ষিত—
(ক) খাবার কক্ষে একসঙ্গে সে সময়ে প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মোট শ্রমিকের অন্তত শতকরা ১৫ (পনের) জনের স্থান সংকুলান হইতে হইবে;
(খ) নির্দিষ্ট স্থান সংকুলানে শ্রমিকদের সংখ্যানুযায়ী অভেদ্য উপরিতল বিশিষ্ট পর্যাপ্ত টেবিল চেয়ার বা বেঞ্চির ব্যবস্থা রাখিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, মহাপরিদর্শক কোন বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় কোন প্রতিষ্ঠানে লিখিত নির্দেশ দ্বারা ভোজনকক্ষে একসঙ্গে শ্রমিকদের স্থান সংকুলানের শতকরা হার পরিবর্তন করিতে পারিবেন;
(গ) খাবার কক্ষের এবং সার্ভিস কাউন্টারের একটি অংশ মহিলা শ্রমিকদের সংখ্যানুপাতে তাহাদের জন্য পর্দা দ্বারা আলাদা করিয়া সংরক্ষিত রাখিতে হইবে।
বিশ্রাম কক্ষ এবং খাবার কক্ষের মান
— আশ্রয় বা বিশ্রাম কক্ষ এবং খাবার কক্ষের নকশা, মান ও আকার মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত হইতে হইবে।
বিধি ৯৩ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ বিধি ৯৩ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা: “৯৩। খাবার কক্ষের মান।খাবার কক্ষের নকশা, মান ও আকার মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত হইতে হইবে।”;
ক্যান্টিন
(১) যেসব প্রতিষ্ঠানে সাধারণত ১০০ (একশত) জনের অধিক শ্রমিক নিযুক্ত থাকেন উহার মালিক কর্তৃক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মোট শ্রমিকের অন্তত শতকরা ১০ (দশ) জনের স্থান সংকুলান সুবিধা সম্বলিত ক্যান্টিনের ব্যবস্থা করিতে হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, উক্তরূপ ক্যান্টিন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মোট শ্রমিকের শতকরা ৩০ (ত্রিশ) জনের খাবার গ্রহণের স্থান সুবিধা সম্বলিত হইলে ধারা ৯৩ মোতাবেক পৃথকভাবে খাবার কক্ষের প্রয়োজন হইবে না।
(২) প্রতিষ্ঠানের ক্যান্টিন হিসাবে নির্মিতব্য বা ক্যান্টিন হিসাবে রূপান্তরিতব্য ভবনের নকশা ও অবস্থান মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত হইতে হইবে।
(৩) শৌচাগার ও প্রক্ষালন কক্ষ হইতে কমপক্ষে ৬ (ছয়) মিটার এবং বয়লার হাউস, কয়লার গাদা, ছাই এর গাদা বা ধূলা, ধোঁয়া বা ক্ষতিকর ধোঁয়ার কোন উৎস হইতে ১৫ (পনের) মিটার দূরত্বের মধ্যে কোন ক্যান্টিন ভবন স্থাপন করা যাইবে না।
(৪) প্রত্যেক ক্যান্টিনের জন্য নির্মিত ভবনে কমপক্ষে ডাইনিং হল, রান্না ঘর, গুদাম ঘর, ভাঁড়ার ঘর এবং শ্রমিকদের জন্য বাসন-কোসন ধোয়ার পৃথক ব্যবস্থা রাখিতে হইবে।
(৫) ভবনের প্রত্যেক কক্ষের উচ্চতা মেঝে হইতে কোন জায়গায় ছাদের নিম্নতম অংশের ৩ (তিন) মিটারের কম হইতে পারিবে না এবং মেঝে ও ভেতরের দেয়ালে ১.২০ মিটার উচ্চতা পর্যন্ত মসৃণ ও অভেদ্য হিসাবে তৈরি করিতে হইবে।
(৬) ক্যান্টিন ভবনের দরজা-জানালা মশা মাছি নিরোধক জালিযুক্ত হইতে হইবে এবং উহাতে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখিতে হইবে।
(৭) ক্যান্টিন কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত সময় পর্যন্ত ক্যান্টিনের নির্ধারিত সুবিধাসমূহ চালু রাখিতে হইবে।
(৮) প্রত্যেক ক্যান্টিনে—
(ক) কক্ষের ভেতরে দেয়াল এবং সিলিং ও যাতায়াত পথ এবং সিঁড়ি বৎসরে কমপক্ষে একবার চুনকাম করিতে হইবে অথবা প্রতি তিন বৎসরে কমপক্ষে একবার বার্নিস বা রং করিতে হইবে ;
(খ) সব কাঠের জিনিসপত্র প্রতি তিন বৎসরে কমপক্ষে একবার বার্নিস বা রং করিতে হইবে ;
(গ) ভিতরের লোহার কাঠামো বা ইস্পাতের তৈরি জিনিসপত্র প্রতি বৎসর কমপক্ষে একবার রং বা বার্নিস করিতে হইবে ;
(ঘ) রন্ধনশালার ভিতরের দেয়াল প্লাষ্টিক পেইন্ট করিতে হইবে অথবা প্রতি ছয়মাসে একবার চুনকাম করিতে হইবে;
(ঙ) চুনকাম করানো, রং লাগানো, বার্নিস করা বা পেইন্টিং-এর কাজ করিবার তারিখের রেকর্ড ফরম-২০ অনুযায়ী রক্ষিত রেজিস্টারে সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(৯) ক্যান্টিনে মহিলা এবং পুরুষ শ্রমিকদের জন্য পৃথক কক্ষের ব্যবস্থা রাখিতে হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, যেখানে পৃথক কক্ষের ব্যবস্থা করা সম্ভব নয় সেই ক্ষেত্রে পার্টিশন বা পর্দার ব্যবস্থা করিতে হইবে।
(১০) ক্যান্টিন ভবন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং স্বাস্থ্যসম্মত অবস্থায় রক্ষণাবেক্ষণ করিতে হইবে এবং ইহার সংলগ্ন জায়গাও পরিষ্কার এবং স্বাস্থ্যকর অবস্থায় রাখিতে হইবে।
(১১) ক্যান্টিনের ময়লা পানি উপযুক্ত ঢাকনাযুক্ত নর্দমার মাধ্যমে অপসারণের ব্যবস্থা রাখিতে হইবে এবং এইসব পানি জমা হইতে দেওয়া যাইবে না যাহাতে বিরক্তিকর অবস্থার সৃষ্টি হইতে পারে।
(১২) ক্যান্টিনের আবর্জনা জমা এবং নিষ্কাশনের উপযুক্ত ব্যবস্থা করিতে হইবে।
বিধি ৮৭ এর উপ-বিধি (১) এর শর্তাংশে উল্লিখিত ‘৩০ (ত্রিশ)’ সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দটির পরিবর্তে ‘২০ (বিশ)’ সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে;
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ — এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত), ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫; বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২; গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি
বাস্তবায়ন নির্দেশিকা
এই ধারার নির্দেশিকা পরবর্তী ধাপে যুক্ত হবে।
নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।
EPZ-এর সাথে পার্থক্য
EPZ-এর সাথে পার্থক্য
এই ধারার জন্য আলাদা তুলনা নোট এখনও লেখা হয়নি।
EPZ-এ সরাসরি সমতুল্য ধারা এখানে এখনও যুক্ত হয়নি।