RMG Code — Rules for a Better TomorrowRMG Code
শ্রম আইন
ধারা২০

ছাঁটাই

৩টি বিধিনির্দেশিকা আছে

আইনের টেক্সট

২০। (১) কোন শ্রমিককে প্রয়োজন অতিরিক্ততার কারণে কোন প্রতিষ্ঠান হইতে ছাঁটাই করা যাইবে।

(২) কোন শ্রমিক যদি কোন মালিকের অধীনে অবিচ্ছিন্নভাবে অনূ্যন এক বৎসর চাকুরীতে নিয়োজিত থাকেন, তাহা হইলে তাহার ছাঁটাইয়ের ক্ষেত্রে মালিককে-

(ক) তাহার ছাঁটাইয়ের কারণ উল্লেখ করিয়া এক মাসের লিখিত নোটিশ দিতে হইবে, অথবা নোটিশ মেয়াদের জন্য নোটিশের পরিবর্তে মজুরী প্রদান করিতে হইবে;

(খ) নোটিশের একটি কপি প্রধান পরিদর্শক অথবা তৎকর্তৃক নির্ধারিত কোন কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করিতে হইবে, এবং আরেকটি কপি প্রতিষ্ঠানের যৌথ দর কষাকষি প্রতিনিধিকে, যদি থাকে, দিতে হইবে; এবং

(গ) তাহাকে ক্ষতিপূরণ বাবদ তাহার প্রত্যেক বৎসর চাকুরীর জন্য ত্রিশ দিনের মজুরী বা গ্রাচু্যইটি যদি প্রদেয় হয়, যাহা অধিক হইবে, প্রদান করিতে হইবে।

(৩) উপ-ধারা (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধারা ১৬(৭) এর অধীন ছাঁটাইয়ের ক্ষেত্রে উপ-ধারা (২) (ক) এর উল্লিখিত কোন নোটিশের প্রয়োজন হইবে না, তবে ছাঁটাইকৃত শ্রমিককে উপ-ধারা (২) (গ) মোতাবেক প্রদেয় ক্ষতিপূরণ বা গ্রাচ্যুইটির অতিরিক্ত হিসাবে আরোও পনের দিনের মজুরী দিতে হইবে।

(৪) যে ক্ষেত্রে কোন বিশেষ শ্রেণীর শ্রমিককে ছাঁটাই করার প্রয়োজন হয় সে ক্ষেত্রে, মালিক এবং শ্রমিকের মধ্যে এতদসংক্রান্ত কোন চুক্তির অবর্তমানে, মালিক উক্ত শ্রেণীর শ্রমিকগণের মধ্যে সর্বশেষে নিযুক্ত শ্রমিককে ছাঁটাই করিবেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৪২ নং আইন), ধারা ২০ — bdlaws.minlaw.gov.bd। সংকলিত পাঠ: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৪৩ নং আইন, ১০ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর) পর্যন্ত। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।

সংশ্লিষ্ট বিধি

বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ · এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫
সংশোধন: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২, গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২
বিধি ২৭

ছাঁটাইয়ের নোটিস

— ধারা ২০ এর উপ-ধারা (২) এর দফা (ক) মোতাবেক শ্রমিককে প্রদত্ত ছাঁটাইয়ের নোটিশে নিম্নবর্ণিত তথ্যসমূহের উল্লেখ থাকিতে হইবে, যথা:—

(ক) প্রতিষ্ঠানের নাম;

(খ) শ্রমিকের নাম, পদবি ও কার্ড নম্বর;

(গ) ছাঁটাইয়ের কারণ;

(ঘ) ছাঁটাই কার্যকর হইবার তারিখ;

(ঙ) মোট চাকরিকাল;

(চ) শ্রমিকের প্রাপ্যতা: (অ) নোটিস পে (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে); (আ) গ্র্যাচুইটি বা ক্ষতিপূরণ; (ই) অভোগকৃত বার্ষিক ছুটির মজুরি; (ঈ) বকেয়া মজুরি, অন্যান্য ভাতা ও অধিকাল ভাতা (যদি পাওনা থাকে); এবং

(ছ) পাওনা পরিশোধের তারিখ।

২০২২ সালের সংশোধন (এই বিধিতে)

বিধি ২৭ এর বিদ্যমান বিধান উপ-বিধি (১) হিসাবে পুনঃসংখ্যায়িত হইবে এবং অতঃপর নিম্নরূপ নূতন উপ-বিধি (২) ও (৩) সংযোজিত হইবে, যথা: ‘‘(২) মহাপরিচালককে ছাঁটাইয়ের নোটিসের কপি প্রেরণের মাধ্যমে অবহিত করিতে হইবে। (৩) ধারা ২৮ক এবং বিধি ৩২ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের সকল শ্রমিককে ছাঁটাই করা হইলে সকল শ্রমিকের জন্য একটি নোটিস প্রদান করা যাইবে এবং শ্রমিকের তালিকা ফরম-১০ (ক) অনুসারে প্রদান করিতে হইবে।”;

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫, পিডিএফ পৃষ্ঠা ১৪
বিধি ২৫

পরিদর্শককে লে-অফ বা প্রতিষ্ঠান বন্ধ সংক্রান্ত নোটিস প্রদান

(১) ধারা ১২ এর উপ-ধারা (৮) অনুযায়ী কোন শ্রমিককে লে-অফ করা হইলে অথবা ধারা ১৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হইলে সংশ্লিষ্ট ক্ষতিগ্রস্থ ও কর্মহীন শ্রমিকের সংখ্যা উল্লেখসহ উক্তরূপ লে-অফ বা বন্ধের নোটিস ও ফরম-১০ অনুযায়ী একটি বিবরণী অনতিবিলম্বে সংশ্লিষ্ট পরিদর্শকের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে।

(২) লে-অফকৃত প্রতিষ্ঠান বা কারখানার লে-অফ বা বন্ধ ৪৫ দিনের অধিক হইলে ধারা ২০ মোতাবেক সকল পাওনা পরিশোধপূর্বক শ্রমিকদেরকে ছাঁটাই করা যাইবে :

তবে শর্ত থাকে যে, কোন প্রতিষ্ঠান বা কারখানা ধারা ১৩ এর অধীন বন্ধ হইলে কোন শ্রমিক ধারা ২০ (২)(ক) অনুয়ায়ী নোটিস বা নোটিশের পরিবর্তে মজুরি পাইবে না।

(৩) লে-অফকৃত বা সাময়িকভাবে বন্ধকৃত কোন কারখানা বা প্রতিষ্ঠান শ্রমিকের আইনানুগ যাবতীয় পাওনা পরিশোধ না করিয়া অন্য কোন মালিকের নিকট বা সংস্থার নিকট লীজ প্রদান বা ভাড়ার চুক্তি করিয়া উৎপাদন বা সেবা প্রদান প্রক্রিয়ার সহিত যুক্ত করিতে পারিবেন না।

২০২২ সালের সংশোধন (এই বিধিতে)

বিধি ২৫ এর উপ-বিধি (১) এ উল্লিখিত ‘পরিদর্শকের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে’ শব্দসমূহের পরিবর্তে ‘পরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করিতে হইবে এবং বিষয়টি মহাপরিচালক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করিতে হইবে’ শব্দসমূহ প্রতিস্থাপিত হইবে;

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫, পিডিএফ পৃষ্ঠা ১৪
বিধি ৩২

নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত বিপর্যয় বা ক্ষতির কারণে মালিক-শ্রমিক সম্পর্ক

— ধারা ২৮ক অনুযায়ী মালিক ও শ্রমিক সম্পর্ক হইবে নিম্নরূপ, যথা:—

(ক) কারখানা বা প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ হইবার ক্ষেত্রে: (অ) আকষ্মিক প্রাকৃতিক বিপর্যয় বা মানুষের নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত বিপর্যয় বা জরুরি প্রয়োজনে মালিক কর্তৃক মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শককে

(৩) তিন কর্মদিবসের মধ্যে নির্ধারিত ফরম-১০ অনুযায়ী যাবতীয় তথ্যাদি অবহিত করিতে হইবে; (আ) মালিক শ্রমিকদেরকে ছাঁটাই করিবেন এবং আইনানুগ পাওনাদি পরিশোধ করিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত কারখানা বা প্রতিষ্ঠানে উৎপাদন কার্যক্রম পুনরায় চালু হইবার সম্ভবনা থাকিলে মালিক কারখানা বা প্রতিষ্ঠান লে-অফ ঘোষণা করিতে পারিবেন ; (ই) কারখানা বা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হইবার সময় পর্যন্ত শ্রমিক পূর্ণ মজুরিতে কর্মরত ছিলেন বলিয়া গণ্য হইবেন; (ঈ) শ্রমিককে মালিক তাহার অধীন একই ধরনের অন্য প্রতিষ্ঠানে সমপদে কাজে নিয়োজিত করিতে চাহিলে দফা (খ)-তে বর্ণিত বিধান প্রযোজ্য হইবে; (উ) স্থায়ীভাবে বন্ধ না করিয়া মালিক ইচ্ছা করিলে ধারা ১২ মোতাবেক কাজ বন্ধ রাখিতে পারিবেন এবং সেই ক্ষেত্রে শ্রমিক ধারা ১৬ মোতাবেক লে-অফ বেনিফিট প্রাপ্য হইবেন; (ঊ) পাওনা পরিশোধের ব্যাপারে কোন আপত্তি বা বিরোধ দেখা দিলে সেই ক্ষেত্রে মালিক সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ট্রেড ইউনিয়নের (যদি থাকে) সহিত আলোচনাক্রমে বা সাধারণ শ্রমিকদের (ট্রেড ইউনিয়ন না থাকিলে) সহিত আলোচনাক্রমে অথবা ধারা ১২৪ক অনুসারে মালিক শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করিবেন; (ঋ) আকষ্মিক প্রাকৃতিক বিপর্যয় বা মানুষের নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত বিপর্যয় বা জরুরি প্রয়োজনের যথার্থতা নিয়ে কোন প্রশ্ন বা অভিযোগ উত্থাপিত হইলে এই বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলিয়া বিবেচিত হইবে।

ব্যাখ্যা।— এই দফায় অভিযোগ উত্থাপন বলিতে সংশ্লিষ্ট মহাপরিদর্শক বা সরকারের নিকট লিখিতভাবে আপত্তি জানিয়ে দরখাস্ত করাকে বুঝাইবে।

(খ) কারখানা বা প্রতিষ্ঠানের স্থানান্তরের ক্ষেত্রে: (অ) কারখানা বা প্রতিষ্ঠানের সীমানা হইতে—

(১) ৪০ কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে উহা স্থানান্তর করা হইলে, যদি সংশ্লিষ্ট শ্রমিক স্থানান্তরিত স্থানে যাইতে ইচ্ছুক না হন তবে উক্ত শ্রমিক ধারা ২৭ অনুযায়ী সুবিধা পাইবেন;

(২) ৪০ কিলোমিটার অধিক দূরত্বে উহা স্থানান্তর করা হইলে, যদি সংশ্লিষ্ট শ্রমিক স্থানান্তরিত স্থানে যাইতে ইচ্ছুক না হন তবে উক্ত শ্রমিক ধারা ২০ মোতাবেক সুবিধা পাইবেন; (আ) শ্রমিকগণ স্থানান্তরিত স্থানে যোগদান করিলে তাহার চাকরির ধারাবাহিকতা ও চাকরির শর্তাবলি অপরিবর্তিত থাকিবে; (ই) কারখানা স্থানান্তর ও পাওনা পরিশোধের বিষয়ে কোন আপত্তি বা বিরোধ দেখা দিলে সেই ক্ষেত্রে মালিক ধারা ১২৪ক মোতাবেক অথবা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ট্রেড ইউনিয়নের (যদি থাকে) সহিত আলোচনাক্রমে মালিক শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করিবেন; (ঈ) মালিক কর্তৃক কারখানা বা প্রতিষ্ঠান স্থানান্তরিত স্থানের ঠিকানাসহ যাবতীয় তথ্যাদি মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শককে ৭ (সাত) দিনের মধ্যে ফরম-১০ অনুযায়ী নোটিস আকারে জানাইতে হইবে।

২০২২ সালের সংশোধন (এই বিধিতে)

বিধি ৩২ এর (ক) দফা (ক) এর উপ-দফা (অ) এবং দফা (খ) এর উপ-দফা (ঈ) এ উল্লিখিত ‘মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শককে’ শব্দসমূহের পর ‘এবং মহাপরিচালক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে’ শব্দসমূহ সন্নিবেশিত হইবে; (খ) দফা (খ) এর পর নিম্নরূপ নূতন দফা (গ) ও (ঘ) সংযোজিত হইবে, যথা: ‘‘(গ) কারখানা, প্রতিষ্ঠানের মালিকানা বা শেয়ার হস্তান্তরের ক্ষেত্রে: (অ) হস্তান্তরিত কারখানা বা প্রতিষ্ঠানে শ্রমিকরা কাজ করিতে ইচ্ছুক হইলে তাহাদের চাকরির ধারাবাহিকতা থাকিবে; (আ) হস্তান্তরিত কারখানা বা প্রতিষ্ঠানে শ্রমিকরা কাজ করিতে ইচ্ছুক না হইলে শ্রমিকগণ ধারা ২৭ এর উপ-ধারা (৪) এর বিধান অনুযায়ী সুবিধা প্রাপ্য হইবেন; (ই) হস্তান্তর গ্রহীতা মালিক শ্রমিকদের দায় গ্রহণ করিতে না চাহিলে হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হইবার পূর্বেই পূর্বতন মালিক শ্রমিকদের ছাঁটাই করিবেন এবং ধারা ২০ এর বিধান অনুযায়ী আইনানুগ পাওনা পরিশোধ করিবেন; (ঈ) কোন বকেয়া পাওনার ক্ষেত্রে পূর্বতন ও নূতন মালিকের মধ্যে ভিন্ন চুক্তির অবর্তমানে নূতন মালিক ইহার দায়ভার বহন করিবেন; (উ) কারখানা হস্তান্তর ও পাওনা পরিশোধের বিষয়ে কোন আপত্তি বা বিরোধ দেখা দিলে পূর্বতন ও নূতন মালিক ধারা ১২৪ক অনুযায়ী অথবা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ট্রেড ইউনিয়নের (যদি থাকে) সহিত আলোচনাক্রমে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করিবেন; (ঊ) নূতন মালিক কর্তৃক কারখানা বা প্রতিষ্ঠান হস্তান্তরের যাবতীয় তথ্য মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শককে ৭ (সাত) কর্মদিবসের মধ্যে নোটিস প্রদানের মাধ্যমে অবহিত করিতে হইবে। (ঘ) কারখানা বা প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ বা মালিকানা হস্তান্তরের তথ্যাদি ফরম-১০ অনুসারে মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করিতে হইবে।’’;

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫, পিডিএফ পৃষ্ঠা ১৬

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ — এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত), ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫; বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২; গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি

বাস্তবায়ন নির্দেশিকা

করণীয়
১ বছর বা তার বেশি চাকরি হলে: কারণসহ ১ মাসের লিখিত নোটিশ বা নোটিশের বদলে মজুরি; নোটিশের কপি প্রধান পরিদর্শক ও CBA-কে; প্রতি বছরের জন্য ৩০ দিনের মজুরি বা গ্রাচুইটি (যেটা বেশি)।
নিয়ম
একই শ্রেণির মধ্যে সর্বশেষে নিযুক্ত শ্রমিক আগে ছাঁটাই (last in, first out), চুক্তি না থাকলে।

নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।

EPZ-এর সাথে পার্থক্য

EPZ-এর সাথে পার্থক্য

এই ধারার জন্য আলাদা তুলনা নোট এখনও লেখা হয়নি।

EPZ ধারা ১৯ পাশাপাশি দেখুন
BLA ধারা ২০ · ছাঁটাই

২০। (১) কোন শ্রমিককে প্রয়োজন অতিরিক্ততার কারণে কোন প্রতিষ্ঠান হইতে ছাঁটাই করা যাইবে।

(২) কোন শ্রমিক যদি কোন মালিকের অধীনে অবিচ্ছিন্নভাবে অনূ্যন এক বৎসর চাকুরীতে নিয়োজিত থাকেন, তাহা হইলে তাহার ছাঁটাইয়ের ক্ষেত্রে মালিককে-

(ক) তাহার ছাঁটাইয়ের কারণ উল্লেখ করিয়া এক মাসের লিখিত নোটিশ দিতে হইবে, অথবা নোটিশ মেয়াদের জন্য নোটিশের পরিবর্তে মজুরী প্রদান করিতে হইবে;

(খ) নোটিশের একটি কপি প্রধান পরিদর্শক অথবা তৎকর্তৃক নির্ধারিত কোন কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করিতে হইবে, এবং আরেকটি কপি প্রতিষ্ঠানের যৌথ দর কষাকষি প্রতিনিধিকে, যদি থাকে, দিতে হইবে; এবং

(গ) তাহাকে ক্ষতিপূরণ বাবদ তাহার প্রত্যেক বৎসর চাকুরীর জন্য ত্রিশ দিনের মজুরী বা গ্রাচু্যইটি যদি প্রদেয় হয়, যাহা অধিক হইবে, প্রদান করিতে হইবে।

(৩) উপ-ধারা (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধারা ১৬(৭) এর অধীন ছাঁটাইয়ের ক্ষেত্রে উপ-ধারা (২) (ক) এর উল্লিখিত কোন নোটিশের প্রয়োজন হইবে না, তবে ছাঁটাইকৃত শ্রমিককে উপ-ধারা (২) (গ) মোতাবেক প্রদেয় ক্ষতিপূরণ বা গ্রাচ্যুইটির অতিরিক্ত হিসাবে আরোও পনের দিনের মজুরী দিতে হইবে।

(৪) যে ক্ষেত্রে কোন বিশেষ শ্রেণীর শ্রমিককে ছাঁটাই করার প্রয়োজন হয় সে ক্ষেত্রে, মালিক এবং শ্রমিকের মধ্যে এতদসংক্রান্ত কোন চুক্তির অবর্তমানে, মালিক উক্ত শ্রেণীর শ্রমিকগণের মধ্যে সর্বশেষে নিযুক্ত শ্রমিককে ছাঁটাই করিবেন।

EPZ ধারা ১৯ · ছাঁটাই ও ছাঁটাইকৃত শ্রমিকের পুনঃনিয়োগ

১৯। (১) কোনো শ্রমিককে প্রয়োজনের অতিরিক্ততার কারণে কোনো প্রতিষ্ঠান হইতে ছাঁটাই করা যাইবে এবং উক্ত বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিতে হইবে।

(২) কোনো শ্রমিক যদি কোনো মালিকের অধীনে অবিচ্ছিন্নভাবে অন্যূন ১ (এক) বৎসর চাকরিতে নিয়োজিত থাকেন, তাহা হইলে তাহার ছাঁটাইয়ের ক্ষেত্রে মালিককে-

(ক) তাহার ছাঁটাইয়ের কারণ উল্লেখ করিয়া ১ (এক) মাসের লিখিত নোটিশ দিতে হইবে, অথবা নোটিশ মেয়াদের জন্য নোটিশের পরিবর্তে মজুরি প্রদান করিতে হইবে; এবং

(খ) তাহাকে ক্ষতিপূরণ বাবদ তাহার প্রত্যেক বৎসর চাকরির জন্য ৩০ (ত্রিশ) দিনের মজুরি প্রদান করিতে হইবে।

(৩) যেক্ষেত্রে কোনো শ্রমিককে ছাঁটাই করা হয় এবং ছাঁটাইয়ের ১ (এক) বৎসরের মধ্যে মালিক পুনরায় কোনো শ্রমিক নিয়োগ করিতে ইচ্ছুক হন সেই ক্ষেত্রে মালিক ছাঁটাইকৃত শ্রমিকের সর্বশেষ জানা ঠিকানায় নোটিশ প্রেরণ করিয়া তাহাকে চাকরির জন্য আবেদন করিতে আহ্বান জানাইবেন, এবং এই আহ্বানে সাড়া দিয়া কোনো শ্রমিক পুনরায় চাকরি পাইবার জন্য আবেদন করিলে তাহাকে নিয়োগের ব্যাপারে অগ্রাধিকার দেওয়া হইবে, এবং এ রকম একাধিক ছাঁটাইকৃত শ্রমিক প্রার্থী হইলে তাহাদের মধ্যে পূর্বের চাকরির জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হইবে।