RMG Code — Rules for a Better TomorrowRMG Code
শ্রম আইন
ধারা২৩৪

অংশগ্রহণ তহবিল ও কল্যাণ তহবিল স্থাপন

৩টি বিধি

আইনের টেক্সট

২৩৪৷ (১) এই অধ্যায় প্রযোজ্য হয় এরূপ প্রত্যেক কোম্পানী-

(ক) এই অধ্যায় প্রযোজ্য হইবার তারিখ হইতে এক মাসের মধ্যে এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক একটি শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিল ও একটি শ্রমিক কল্যাণ তহবিল স্থাপন করিবে; এবং

১[(খ) এর মালিক প্রত্যেক বৎসর শেষ হইবার অন্যূন নয় মাসের মধ্যে, পূর্ববর্তী বৎসরের নীট মুনাফার পাঁচ শতাংশ (৫%) অর্থ ৮০ঃ ১০ঃ ১০ অনুপাতে যথাক্রমে অংশগ্রহণ তহবিল, কল্যাণ তহবিল এবং বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৪ এর অধীন স্থাপিত শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে প্রদান করিবে:

তবে শর্ত থাকে যে, কোন মালিক, এই বিধান কার্যকর হইবার অব্যবহিত পূর্বে, কোম্পানীর নীট মুনাফার এক শতাংশ (১%) অর্থ কল্যাণ তহবিলে জমা প্রদান করিয়া থাকিলে, ট্রাষ্টি বোর্ড কল্যাণ তহবিলে জমাকৃত উক্ত অর্থের পঞ্চাশ শতাংশ (৫০%) অর্থ উপরোল্লিখিত শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে জমা প্রদান করিতে বাধ্য থাকিবে।]

(২) উপ-ধারা (১) (খ) এর অধীন উক্ত ২[তহবিলসমূহে] প্রদত্ত অর্থ যে বত্সরের জন্য প্রদান করা হইবে সে বত্সর শেষ হইবার অব্যবহিত পরের বত্সরের পহেলা তারিখে উহা ৩[তহবিলসমূহে] বরাদ্দ হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে৷

সংশোধনী টীকা (৩)
  1. দফা (খ) বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ৩০ নং আইন) এর ৬৫(ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  2. ‘‘তহবিলসমূহে’’ শব্দ ‘‘তহবিলদ্বয়ে’’ শব্দের পরিবর্তে বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ৩০ নং আইন) এর ৬৫(খ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  3. ‘‘তহবিলসমূহে’’ শব্দ ‘‘তহবিলদ্বয়ে’’ শব্দের পরিবর্তে বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ৩০ নং আইন) এর ৬৫(খ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৪২ নং আইন), ধারা ২৩৪ — bdlaws.minlaw.gov.bd। সংকলিত পাঠ: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৪৩ নং আইন, ১০ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর) পর্যন্ত। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।

সংশ্লিষ্ট বিধি

বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ · এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫
সংশোধন: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২, গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২
বিধি ২১৪

তহবিলের অর্থের উৎস

(১) এই বিধিমালা কার্যকর হইবার পর নিম্নবর্ণিত হারে ও পদ্ধতিতে তহবিলের অর্থ আদায়যোগ্য হইবে, যথা:-

(ক) শতভাগ রপ্তানীমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি কার্যাদেশের বিপরীতে প্রাপ্ত মোট অর্থের ০.০৩% ;

(খ) ক্রেতা বা কার্যাদেশ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের স্বেচ্ছাধীন অনুদান;

(গ) সরকার কর্তৃক প্রদত্ত স্বেচ্ছাধীন অনুদান;

(ঘ) দেশি-বিদেশি কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক স্বেচ্ছাধীন অনুদান; এবং

(ঙ) তহবিলের অর্থ বিনিয়োগ হইতে প্রাপ্ত মুনাফা।

(২) শতভাগ রপ্তানীমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিক সংশ্লিষ্ট ক্রেতা বা কার্যাদেশ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ গ্রহণ করিবার সময় উক্ত তহবিলের অনুদান প্রদানের বিষয়টি অবহিত করিবেন।

(৩) প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের লিয়েন ব্যাংক উপ-বিধি (১) এর দফা (ক) এ বর্ণিত অর্থ রফতানী আদেশের অর্থ হইতে সরকারি পাওনা হিসাবে আদায়পূর্বক পৃথক হিসাব বিবরণীসহ আদায়কৃত অর্থ তহবিলে জমা প্রদান করিবে।

(৪) এই বিধির উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে, সময় সময়, জারিকৃত নিদের্শনা অনুসরণ করিতে হইবে।

(৫) উপ-বিধি (১) এর দফা (খ), (গ) এবং (ঘ)-তে বর্ণিত স্বেচ্ছধীন অনুদানের অর্থ তহবিলে সরাসরি জমা প্রদান করিতে পারিবে।

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫, পিডিএফ পৃষ্ঠা ১০০
বিধি ২১৫

তহবিলের সুবিধা প্রাপ্তির যোগ্যতা ও অর্থের ব্যবহার

(১) আইনের পঞ্চদশ অধ্যায়ের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে তহবিলের সুবিধা প্রাপ্তির যোগ্য সুবিধাভোগী বলিতে ধারা ২৩৩(১)

(ঝ)-তে সুবিধাভোগীর সংজ্ঞায় বর্ণিত কোন ব্যক্তিকে বুঝাইবে।

(২) প্রত্যেক মালিক সকল সুবিধাভোগীর তালিকা ও তাহাদের উত্তরাধিকারীদের তালিকা পরিচালনা বোর্ডের নিকট সরবরাহ করিবেন।

(৩) কেন্দ্রীয় তহবিলের অধীন ২ (দুই)টি হিসাব খুলিতে হইবে যাহার একটি সুবিধাভোগী কল্যাণ হিসাব এবং অন্যটি আপদকালীন হিসাব নামে অবিহিত হইবে।

(৪) তহবিলে প্রাপ্ত মোট অর্থের শতকরা ৫০ (পঞ্চাশ) ভাগ সুবিধাভোগী কল্যাণ হিসাব এবং অবশিষ্ট শতকরা ৫০ (পঞ্চাশ) ভাগ আপদকালীন হিসাবে জমা হইবে।

(৫) তহবিলে জমাকৃত অর্থ সংশ্লিষ্ট সেক্টরের সুবিধাভোগীরগণের দুর্ঘটনাজনিত কারণে মৃত্যু বা স্থায়ী অক্ষমতা অথবা শরীরের কোন অঙ্গহানী হইলে এককালীন অনুদান হিসাবে প্রদান করা হইবে এবং সুবিধাভোগীর সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ সংক্রান্ত অন্যান্য কাজেও ব্যবহার করা যাইবে।

(৬) উপ-বিধি (৩) এ উল্লিখিত হিসাব হইতে প্রাপ্ত অর্থ আইনের অধীন কারখানা বা প্রতিষ্ঠান হইতে প্রাপ্ত অন্যান্য আইনানুগ সুবিধার অতিরিক্ত হইবে।

(৭) সুবিধাভোগী কল্যাণ হিসাব হইতে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে অনুদান প্রদান করা যাইবে, যথা :—

(ক) কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনাজনিত কারণে অথবা পেশাগত রোগে আক্রান্ত হইয়া মৃত্যুবরণ করিলে অথবা পরবর্তীতে মৃত্যু ঘটিলে অথবা কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনাজনিত কারণে অথবা পেশাগত রোগে আক্রান্ত হইয়া স্থায়ী অক্ষমতা ঘটিলে সংশ্লিষ্ট সুবিধাভোগী বা তাহার উপযুক্ত উত্তরাধিকারী ও পোষ্যকে তিন লক্ষ টাকা অনুদান প্রদান;

(খ) কোন সুবিধাভোগী চাকরিরত অবস্থায় অসুস্থ হইয়া বা কর্মক্ষেত্রের বাহিরে কোন দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ অথবা স্থায়ীভাবে অক্ষম হইয়া গেলে তিনি বা তাহার উপযুক্ত উত্তরাধিকারীকে দুই লক্ষ টাকা অনুদান প্রদান;

(গ) কোন সুবিধাভোগী কর্মকালীন দুর্ঘটনায় পতিত হইয়া তাহার কোন অঙ্গহানি ঘটিলে যাহা স্থায়ী অক্ষমতার কারণ নহে তাহা হইলে তাহাকে অনধিক এক লক্ষ টাকা অনুদান প্রদান;

(ঘ) অসুস্থ সুবিধাভোগীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা বা আর্থিক অনুদান প্রদান ;

(ঙ) সুবিধাভোগীদের পরিবারের মেধাবী সদস্যকে শিক্ষার জন্য বৃত্তি প্রদান ;

(চ) তহবিল পরিচালনা ও প্রশাসনিক উদ্দেশ্যে অন্যান্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা ;

(ছ) সামাজিক নিরাপত্তামূলক সুবিধা হিসাবে বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপন; এবং

(জ) উপরি-উক্ত কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য যে কোন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে অন্য যে কোন কার্য সম্পাদন।

(৮) আপদকালীন হিসাব হইতে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে অনুদান প্রদান করা যাইবে, যথা :—

(ক) ধারা ২৮(ক) মোতাবেক কোন কারখানা বা প্রতিষ্ঠান স্থানান্তর বা স্থায়ীভাবে বন্ধ হইলে বোর্ড কর্তৃক বিধি ৩২ অনুযায়ী সুবিধাভোগীদের পাওনা অর্থের সমুদয় বা আংশিক পরিশোধ :

তবে শর্ত থাকে যে, বোর্ড মালিকের অসমর্থতা যাচাইপূর্বক উক্তরূপ পাওনা পরিশোধের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিবে ;

(খ) সুবিধাভোগীদের গ্রুপ বীমার বাৎসরিক প্রিমিয়ামের অর্থ প্রদান :

তবে শর্ত থাকে যে, বিধি ৯৮ এর অধীন যে সকল প্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলক বীমা চালু রহিয়াছে উহা এই বিধির অধীন গঠিত তহবিল পরিপূর্ণ চালু না হওয়া পর্যন্ত স্থগিত করা যাইবে না; এবং

(গ) সুবিধাভোগীদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণের জন্য স্বাস্থ্য বীমা স্কীম চালুকরণ।

২০২২ সালের সংশোধন (এই বিধিতে)

বিধি ২১৫ এর (ক) উপ-বিধি (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-বিধি (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা: ‘‘(১) কেন্দ্রীয় তহবিলের সুবিধা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ‘সুবিধাভোগী’ বলিতে শিক্ষাধীনসহ যে কোন ব্যক্তিকে বুঝাইবে, যিনি মালিক কিংবা অংশীদার কিংবা পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ব্যতীত পদমর্যাদা নির্বিশেষে কেন্দ্রীয় তহবিলের আওতাধীন প্রতিষ্ঠানের চাকরিতে ৯ (নয়) মাস নিযুক্ত রহিয়াছেন: তবে শর্ত থাকে যে, যে সকল প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীয় তহবিলের আওতাধীন নয় সেই সকল প্রতিষ্ঠানের জন্য ধারা ৯৯ এর বিধান প্রযোজ্য হইবে।’’; (খ) উপ-বিধি (২) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-বিধি (২) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা: ‘‘(২) শতভাগ রপ্তানিমুখী শিল্প সেক্টরের মালিকদের সংগঠন ডাটাবেইজের মাধ্যমে সকল সুবিধাভোগীর তালিকা সংরক্ষণ করিবে এবং চাহিদা অনুযায়ী তাহাদের উত্তরাধিকারীদের তালিকা কেন্দ্রীয় তহবিল পরিচালনা বোর্ডের নিকট সরবরাহ করিবে।’’; (গ) উপ-বিধি (৪) এর প্রান্তস্থিত ‘।’ দাড়ি এর পরিবর্তে ‘:’ কোলন প্রতিস্থাপিত হইবে এবং অতঃপর নিম্নরূপ নূতন শর্তাংশ সংযোজিত হইবে, যথা: “তবে শর্ত থাকে যে, বিধি ২১৪(১)(ঘ) এর বিধান অনুযায়ী কোন বিশেষ সামাজিক নিরাপত্তা বা কল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে দেশি-বিদেশি কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান হইতে প্রাপ্ত অনুদান ‘সুবিধাভোগী কল্যাণ হিসাব’ বা ‘আপদকালীন হিসাবে’ জমা প্রদান না করিয়া আলাদা হিসাব সংরক্ষণপূর্বক সুবিধাভোগীর সামাজিক নিরাপত্তা সুরক্ষা বা অন্য কোন কল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যাইবে।’’;

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫, পিডিএফ পৃষ্ঠা ১০০
বিধি ২২৭

‘শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিল’ ও ‘শ্রমিক কল্যাণ তহবিল’ এর ব্যবস্থাপনা

(১) কোন কোম্পানি কর্তৃক ধারা ২৩৪ মোতাবেক ‘শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিল’ ও ‘শ্রমিক কল্যাণ তহবিল’ স্থাপিত হইবার পর ধারা ২৩৫(১) মোতাবেক তহবিলদ্বয়ের ব্যবস্থাপনার জন্য ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে একটি ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করিতে হইবে।

(২) হিসাব বিভাগ হইতে কোম্পানির মনোনীত ব্যক্তি তহবিলের সচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবেন।

(৩) বোর্ডের কাজ পরিচালনায় সহায়তা করিবার জন্য কোম্পানিকে নিজ খরচে বোর্ডের চেয়ারম্যানের প্রয়োজন মাফিক অফিস স্থাপন এবং দাপ্তরিক কর্মচারীর ব্যবস্থা করিতে হইবে।

(৪) যে সকল সুবিধাভোগী তহবিলদ্বয়ের সুযোগ-সুবিধা লাভের অধিকারী তাহাদের নামের তালিকা সচিব প্রণয়ন করিবেন।

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫, পিডিএফ পৃষ্ঠা ১০৫

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ — এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত), ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫; বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২; গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি

বাস্তবায়ন নির্দেশিকা

এই ধারার নির্দেশিকা পরবর্তী ধাপে যুক্ত হবে।

নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।

EPZ-এর সাথে পার্থক্য

EPZ-এর সাথে পার্থক্য

এই ধারার জন্য আলাদা তুলনা নোট এখনও লেখা হয়নি।

EPZ ধারা ১৭২ পাশাপাশি দেখুন
BLA ধারা ২৩৪ · অংশগ্রহণ তহবিল ও কল্যাণ তহবিল স্থাপন

২৩৪৷ (১) এই অধ্যায় প্রযোজ্য হয় এরূপ প্রত্যেক কোম্পানী-

(ক) এই অধ্যায় প্রযোজ্য হইবার তারিখ হইতে এক মাসের মধ্যে এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক একটি শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিল ও একটি শ্রমিক কল্যাণ তহবিল স্থাপন করিবে; এবং

১[(খ) এর মালিক প্রত্যেক বৎসর শেষ হইবার অন্যূন নয় মাসের মধ্যে, পূর্ববর্তী বৎসরের নীট মুনাফার পাঁচ শতাংশ (৫%) অর্থ ৮০ঃ ১০ঃ ১০ অনুপাতে যথাক্রমে অংশগ্রহণ তহবিল, কল্যাণ তহবিল এবং বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৪ এর অধীন স্থাপিত শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে প্রদান করিবে:

তবে শর্ত থাকে যে, কোন মালিক, এই বিধান কার্যকর হইবার অব্যবহিত পূর্বে, কোম্পানীর নীট মুনাফার এক শতাংশ (১%) অর্থ কল্যাণ তহবিলে জমা প্রদান করিয়া থাকিলে, ট্রাষ্টি বোর্ড কল্যাণ তহবিলে জমাকৃত উক্ত অর্থের পঞ্চাশ শতাংশ (৫০%) অর্থ উপরোল্লিখিত শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে জমা প্রদান করিতে বাধ্য থাকিবে।]

(২) উপ-ধারা (১) (খ) এর অধীন উক্ত ২[তহবিলসমূহে] প্রদত্ত অর্থ যে বত্সরের জন্য প্রদান করা হইবে সে বত্সর শেষ হইবার অব্যবহিত পরের বত্সরের পহেলা তারিখে উহা ৩[তহবিলসমূহে] বরাদ্দ হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে৷

EPZ ধারা ১৭২ · মালিক-ক্রেতা-শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিল গঠন ও উদ্দেশ্য

১৭২। ইপিজেডে কর্মরত শ্রমিকদের কল্যাণের জন্য একটি মালিক-ক্রেতা-শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিল থাকিবে।

(২) মালিক-ক্রেতা-শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিল এর উদ্দেশ্য হইবে :

(ক) আপৎকালীন সহায়তা, সামাজিক নিরাপত্তা, ইত্যাদি ব্যয় নির্বাহ;

(খ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রশাসনিক, উন্নয়নমূলক এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যয় নির্বাহ।