পাইপের উদস্থিতি পরীক্ষা
(১) প্রথমবার পেট্রেলিয়াম পরিবহনের পূর্বে প্রত্যেক পাইপ লাইন বা নির্মিত অংশবিশেষে পানি দ্বারা ভর্তি করিতে হইবে এবং পাইপ লাইনের অভ্যন্তরীণ চাপের
১.২৫ গুণ পর্যন্ত চাপ উত্তোলন করিয়া ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টা স্থির অবস্থায় রাখিতে হইবে বা প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক কর্তৃক স্বীকৃত সংশ্লিষ্ট পাইপ লাইনের ডিজাইন কোড অনুসারে উদস্থিতি পরীক্ষা সম্পন্ন করিতে হইবে, তবে প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক কর্তৃক স্বীকৃত আন্তর্জাতিক মানের অন্য কোনো কোডও অনুসরণ করা যাইবে। পাইপ লাইন বা উহার অংশবিশেষের উদস্থিতি পরীক্ষণের সময় চাপ হ্রাস পরিলক্ষিত হইলে উক্ত পাইপ লাইনে প্রয়োজনীয় মেরামত ও সন্তোষজনক পুনপরীক্ষণ ব্যতীত পেট্রোলিয়াম পরিবহন করা যাইবে না ।
(২) উদস্থিতি পরীক্ষার ক্ষেত্রে API-১১১০ স্ট্যান্ডার্ডে বিধৃত পদ্ধতি অনুসরণ করিতে হইবে।
(৩) উপ-বিধি (১) এ উল্লিখিত পরীক্ষণে যে সমস্ত স্থানে পাইপ লাইন লিকেজের দরুণ পানি দূষিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে সে সমস্ত স্থানে স্থাপিত পাইপ লাইন প্রতি ১২ (বার) মাস অন্তর উদস্থিতি পরীক্ষণ সম্পন্ন করিতে হইবে।
(৪) উপ-বিধি (৩) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক লিকেজ প্রতিরোধ করিবার জন্য বা আটকানোর জন্য অন্য কোনো পদ্ধতিতে পাইপ লাইনকে পুনঃপরীক্ষণের নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন এবং উক্তরূপ পুনঃপরীক্ষণের ক্ষেত্রে পানির পরিবর্তে পেট্রোলিয়াম ব্যবহার করা যাইবে।
(৫) উপ-বিধি (২) এর বিধান আন্তঃদেশিয় পাইপ লাইনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না।
তথ্যসূত্র: পেট্রোলিয়াম বিধিমালা, ২০১৮ — এস,আর,ও নং ৩১৬/আইন/২০১৮, তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০১৮; বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত), ১ নভেম্বর ২০১৮, গেজেট PDF-এর পৃষ্ঠা ৩৬। মূল গেজেট (PDF)। হালনাগাদ: ০৯ অক্টোবর ২০২৬।