বিধি ২৬৮ — চাঁদা
চাঁদা
(১) ভবিষ্য তহবিলের চাঁদার হার হইবে কোনো সদস্যের মাসিক মূল মজুরি বা বেতনের অন্যূন ৮.৩৩ শতাংশ এবং প্রত্যেক সদস্যকে প্রতি মাসে উল্লিখিত চাঁদা ভবিষ্য তহবিলে প্রদান করিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, কর্তৃপক্ষ সময় সময় চাঁদার হার পুনঃনির্ধারণ করিতে পারিবে।
(২) প্রতিটি শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিক প্রতিমাসে প্রত্যেক সদস্যের জন্য সদস্য কর্তৃক প্রদত্ত চাঁদার সমপরিমাণ অর্থ চাঁদা হিসাবে ভবিষ্য তহবিলে জমা প্রদান করিবেন।
(৩) মালিক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট শ্রমিকের মজুরি পরিশোধকালে ভবিষ্য তহবিলের নির্ধারিত চাঁদার টাকা কর্তন করিয়া নিজের অংশের সমপরিমাণ অর্থসহ উক্ত মাস শেষ হইবার ১৫(পনেরো) দিনের মধ্যে পে-অর্ডার বা ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে ভবিষ্য তহবিলের হিসাবে জমা প্রদান করিতে হইবে এবং পে-অর্ডার বা ব্যাংক ড্রাফটের ব্যাংক মাশুল মালিক বহন করিবেন।
(৪) প্রতি মাস শেষ হইবার ১৫ (পনেরো) দিনের মধ্যে মালিক একটি মাসিক প্রতিবেদন বোর্ডের নিকট প্রেরণ করিবেন এবং উক্ত প্রতিবেদনে প্রত্যেক শ্রমিকের নিকট হইতে কর্তনকৃত অর্থের পরিমাণ ও উক্ত শ্রমিকের খাতে মালিকের প্রদত্ত অর্থের পরিমাণ উল্লেখ থাকিতে হইবে এবং কোনো কারণে তহবিলে শ্রমিকের দেয় চাঁদা আদায় না হইয়া থাকিলে পরবর্তী মাসের মজুরি হইতে উহা কর্তন করা যাইবে: শর্ত থাকে যে, উক্ত প্রতিবেদনের ১ (এক) কপি সংশ্লিষ্ট জোনের নির্বাহী পরিচালক বরাবর প্রেরণ করিতে হইবে।
(৫) বোর্ডের সদস্য-সচিব উপ-বিধি (২) অনুযায়ী তহবিলের অর্থ প্রাপ্তির ১০ (দশ) দিনের মধ্যে উহার প্রাপ্তি স্বীকার করিবেন।
(৬) কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান বা কারখানার মালিক ভবিষ্য তহবিলে চাঁদা প্রদানে অথবা এ অধ্যায়ের অধীন প্রদেয় কোনো খরচ প্রদানে খেলাপ করিলে সেইক্ষেত্রে নির্বাহী পরিচালক শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকের নিকট হইতে উক্তরূপ বকেয়া অর্থের সহিত উহার অতিরিক্ত হিসাবে অনধিক ১০ শতাংশ হারে ক্ষতিপূরণ আদায় করিতে পারিবেন এবং তাহা ভবিষ্য তহবিল হিসাবে জমা হইবে।
(৭) এই বিধিমালার অন্যত্র যাহা কিছুই থাকুক না কেন, মহামারি বা মালিক-শ্রমিক নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত কারণে বা পরিস্থিতিতে শিল্প-কারখানা লে-অফ বা বন্ধ থাকিলে সেইক্ষেত্রে শিল্প প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকাকালীন বা কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত উভয়পক্ষের চাঁদা প্রদান স্থগিত থাকিবে।
সংশ্লিষ্ট ধারা (বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯): ধারা ১৬৪
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি