বিধি ১৫৬ — ইপিজেড শ্রম আদালত কর্তৃক চুক্তির স্মারক নিবন্ধন করিবার বা না করিবার
ইপিজেড শ্রম আদালত কর্তৃক চুক্তির স্মারক নিবন্ধন করিবার বা না করিবার
পদ্ধতি । (১) চুক্তির স্মারক পাইবার পর ইপিজেড শ্রম আদালত, যদি স্মারকটি রেকর্ড করা যুক্তিযুক্ত মনে করে, সেইক্ষেত্রে স্মারকটি রেকর্ড করিবার জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করিয়া ফরম-৬৪ অনুযায়ী নির্ধারিত দিনের অন্তত ৭ (সাত) দিন পূর্বে সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহের উপর এই মর্মে লিখিত নোটিশ জারি করিবে যে, কোনো আপত্তি না পাওয়া গেলে স্মারকটি নির্ধারিত তারিখে রেকর্ডভুক্ত করা হইবে।
(২) অনুরূপ নির্ধারিত তারিখে ইপিজেড শ্রম আদালতে কোনো পক্ষ হাজির হইলে এবং শুনানি চাইলে, তাহাকে শুনানির পর, আদালত যদি স্মারকটি রেকর্ড করা উচিত বলিয়া বিবেচনা করিয়া থাকে তাহা হইলে উহা রেকর্ড করিবে।
(৩) নোটিশে উল্লিখিত নির্দিষ্ট তারিখে ইপিজেড শ্রম আদালত যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে যে, স্মারকটি রেকর্ড করা সঙ্গত হইবে না, তাহা হইলে উপস্থিত পক্ষসমূহকে সিদ্ধান্ত ও উহার কারণ অবহিত করিবে এবং স্মারকটি রেকর্ড করিতে ইচ্ছুক কোনো পক্ষ উপস্থিত না থাকিলে উক্ত পক্ষকে ফরম-৬৫ অনুযায়ী উহা অবহিত করিবে।
(৪) কোনো চুক্তির স্মারকপত্র পাইবার পর ইপিজেড শ্রম আদালত যদি মনে করে যে, উহা রেকর্ড না করিবার যুক্তিসঙ্গত কারণ রহিয়াছে তাহা হইলে আদালত সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহের বক্তব্য শুনানির জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করিবে এবং পক্ষসমূহকে নির্ধারিত তারিখের অন্তত ৭ (সাত) দিন পূর্বে ফরম-৬৬ বা ফরম-৬৭ অনুযায়ী নোটিশ প্রদান করিবে।
(৫) উপ-বিধি (৪) অনুযায়ী নির্ধারিত তারিখে উপস্থিত পক্ষ যদি স্মারকপত্র রেকর্ড করিবার অনুকূলে পর্যাপ্ত যুক্তি প্রদর্শন করিতে সমর্থ হয় তাহা হইলে ইপিজেড শ্রম আদালত সকল পক্ষকে অবহিত করিয়া স্মারকপত্রটি রেকর্ড করিবে।
(৬) ইপিজেড শ্রম আদালত যদি নির্ধারিত তারিখে স্মারকপত্র প্রত্যাখ্যান করে সেইক্ষেত্রে যেই পক্ষ উপ-বিধি (৪) অনুযায়ী নোটিশ পায় নাই, তাহাকে পুনরায় ফরম-৬৬ অনুযায়ী অবহিত করিবে।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি