বিধি ১৫৩ — চুক্তির ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ
চুক্তির ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ
(১) আইনের ধারা ৯২ (ঙ) এর প্রয়োজনে যদি কোনো মালিক তাহার ব্যবসা বা বাণিজ্য চলাকালীন অথবা উহার প্রয়োজনে সাধারণত তাহার ব্যবসা-বাণিজ্যের অংশ এইরূপ কোনো কাজ বা উহার অংশ বিশেষ সম্পাদন করার জন্য অন্য কোনো ব্যক্তির, অতঃপর এই আইনের ধারায় ঠিকাদার সংস্থা বলিয়া উল্লিখিত সহিত চুক্তি করেন, সেইক্ষেত্রে উক্ত মালিক, কোনো শ্রমিক সরাসরি তাহার দ্বারা নিযুক্ত হইলে তাহাকে যে ক্ষতিপূরণ প্রদান করিতে বাধ্য থাকিতেন, উক্ত কার্য সম্পাদনের জন্য ঠিকাদার কর্তৃক নিযুক্ত শ্রমিককেও তিনি অনুরূপ ক্ষতিপূরণ প্রদান করিতে বাধ্য থাকিবেন এবং যেইক্ষেত্রে মালিকের নিকট হইতে কোনো ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয় সেইক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ নির্ণয়ের জন্য ঠিকাদারের নিকট হইতে প্রাপ্ত মজুরি আমলে আনা হইবে।
(২) যেইক্ষেত্রে উপ-বিধি (১) প্রযোজ্য সেইক্ষেত্রে প্রিন্সিপাল বা মূল মালিক সমস্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান করিবেন।
(৩) যেইক্ষেত্রে প্রিন্সিপাল বা মূল মালিক মনে করেন যে, সংশ্লিষ্ট কোনো শ্রমিকের নিহত বা আহত হইবার ঘটনাটি বিশেষভাবে এবং বাস্তবিক অর্থে ঠিকাদারের পক্ষ হইতে কোনো আচরণবিধি লঙ্ঘনের ফলে সঙ্ঘটিত হইয়াছে, তবে তিনি ইপিজেড শ্রম আদালতে ক্ষতিপূরণের পূর্ণ অর্থ জমা প্রদানের পর (যেইক্ষেত্রে কোনো শ্রমিক নিহত হয় বা সংশ্লিষ্ট শ্রমিককে নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ প্রদানের পর যেইক্ষেত্রে কোনো শ্রমিক আহত হয়), উক্ত অর্থের কত অংশ ঠিকাদার কর্তৃক প্রিন্সিপাল বা মূল মালিকের প্রদান করা উচিত, তাহা নির্ধারণের জন্য অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের নিকট আবেদন করিতে পারিবেন এবং অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক আবেদন প্রাপ্তির ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ)দিনের মধ্যে তাহা নিষ্পত্তি করিবেন।
সংশ্লিষ্ট ধারা (বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯): ধারা ৯২
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি