বিধি ৯৬ — পেশাগত ও বিষক্রিয়াজনিত ব্যাধির নোটিশ
পেশাগত ও বিষক্রিয়াজনিত ব্যাধির নোটিশ
(১) আইনের ধারা ৩৫(৩)(ঘ) এর বিধান অনুযায়ী যেইক্ষেত্রে আইনের দ্বিতীয় তফসিলে উল্লিখিত ব্যাধি দ্বারা কোনো প্রতিষ্ঠানে কোনো শ্রমিক আক্রান্ত হন সেইক্ষেত্রে মালিক অথবা সংশ্লিষ্ট শ্রমিক অথবা তৎকর্তৃক নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি পরবর্তী ২৪(চব্বিশ) ঘন্টার মধ্যে উহা ফরম-৩১ অনুযায়ী পরিদর্শককে অবহিত করিবেন।
(২) উপ-বিধি (১) এর অধীন পরিদর্শক অবহিত হইবার ২ (দুই) দিনের মধ্যে উক্ত শ্রমিককে ইপিজেড চিকিৎসা কেন্দ্র বা হাসপাতালের চিকিৎসক বা, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, জেলা সিভিল সার্জনের নিকট পরীক্ষার জন্য প্রেরণ করিবেন।
(৩) ইপিজেড চিকিৎসা কেন্দ্র বা হাসপাতালের চিকিৎসক বা, ক্ষেত্রমত, সিভিল সার্জন উক্ত শ্রমিকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়া একটি প্রতিবেদন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শকের নিকট প্রদান করিবেন যাহা পরিদর্শক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মালিকের নিকট প্রেরণ করিবেন এবং এই বিধির অধীন পরীক্ষার সকল ব্যয় মালিক বহন করিবেন।
(৪) যদি কোনো রেজিস্টার্ড চিকিৎসক কোনো প্রতিষ্ঠানের বর্তমান বা ভূতপূর্ব কোনো শ্রমিককে চিকিৎসাকালে দেখেন যে তিনি তফসিলে উল্লিখিত কোনো ব্যাধিতে ভুগিতেছেন বা ভুগিতেছেন বলিয়া তাহার সন্দেহ হইতেছে, তাহা হইলে উক্ত চিকিৎসক অবিলম্বে একটি লিখিত রিপোর্ট দ্বারা অতিরিক্ত মহাপরিদর্শককে নিম্নলিখিত বিষয় অবহিত করিবেন, যথা:
(ক) রোগীর নাম এবং ডাক যোগাযোগের ঠিকানা;
(খ) রোগী যে রোগে ভুগিতেছেন বা ভুগিতেছেন বলিয়া সন্দেহ হইতেছে তাহার নাম;
(গ) যে প্রতিষ্ঠানে রোগী বর্তমানে কাজ করিতেছেন বা সর্বশেষ কাজ করিয়াছেন তাহার নাম ও ঠিকানা।
(৫) অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক কর্তৃক নির্ধারিত সংশ্লিষ্ট মালিক উক্তরূপ পেশাগত ব্যাধিতে আক্রান্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকের চিকিৎসার ব্যবস্থা করিবেন।
সংশ্লিষ্ট ধারা (বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯): ধারা ৩৫
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি