বিধি ২৮৩ — তহবিল হইতে অগ্রিম গ্রহণ
তহবিল হইতে অগ্রিম গ্রহণ
(১) কোনো সদস্য তাহার হিসাব জমায় স্থিতি অর্থ হইতে ট্রাস্টি বোর্ডের অনুমোদনক্রমে নিম্নবর্ণিত শর্তে ফরম-১০৩ অনুযায়ী অগ্রিম গ্রহণ করিতে পারিবেন, যথা:
(ক) কোনো চাঁদাদাতা বা তাহার পরিবারের কোনো সদস্যের চিকিৎসা সম্পর্কিত ব্যয় নির্বাহের জন্য;
(খ) কোনো চাঁদাদাতা বা তাহার পরিবারের কোনো সদস্যের বিবাহ, মৃতের শেষকৃত্য অথবা অন্য কোনো অত্যাবশ্যকীয় ব্যয় নির্বাহের জন্য;
(গ) বাসগৃহ নির্মাণ বা মেরামত অথবা বাসগৃহ বা ফ্ল্যাট ক্রয় অথবা বাসগৃহ নির্মাণের নিমিত্ত জমি ক্রয়ের ব্যয় নির্বাহের জন্য;
(ঘ) কোনো চাঁদাদাতা বা তাহার স্ত্রী/স্বামীর জীবন বিমার প্রিমিয়াম পরিশোধ করিবার জন্য; এবং
(ঙ) কোনো চাঁদাদাতা সদস্যের সন্তানের লেখাপড়ার ব্যয় নির্বাহের জন্য।
(২) কোনো অগ্রিম কোনো ক্ষেত্রে সদস্যের হিসাবে রক্ষিত আয়কর মুক্ত চাঁদা ও মুনাফার মোট স্থিতির ৮০% (শতকরা আশি ভাগ) এর অধিক হইবে না এবং প্রথম গৃহীত অগ্রিম সম্পূর্ণ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত পরবর্তী কোনো অগ্রিম মঞ্জুর করা যাইবে না।
(৩) অগ্রিম হিসাবে গৃহীত অর্থ অনধিক মাসিক সমান ৩৬ (ছত্রিশ) কিস্তিতে পরিশোধ করিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, কোনো কিস্তি অগ্রিম গ্রহণকারী শ্রমিকের মাসিক মূল মজুরির এক তৃতীয়াংশে অধিক হইবে না।
(৪) অগ্রিম হিসাবে গৃহীত অর্থ সমানভাগে ভাগ করিয়া যত কিস্তিতে মূল অগ্রিম পরিশোধ করা হইবে উক্ত অগ্রিমের সুদ হিসাবে একটি অতিরিক্ত কিস্তি পরিশোধ করিতে হইবে।
(৫) তহবিলের জমাকৃত অর্থ সদস্যদের অর্থ হিসাবে বিবেচিত হইবে এবং তহবিল হইতে মালিক তাহার প্রতিষ্ঠানের জন্য বা অন্য কোনো ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে বা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে কোনো প্রকার অগ্রিম বা ঋণ গ্রহণ করিতে পারিবেন না।
সংশ্লিষ্ট ধারা (বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯): ধারা ১৬৪
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি