বিধি ২৭০ — তহবিলের হিসাব পরিচালনা
তহবিলের হিসাব পরিচালনা
(১) তহবিলে প্রাপ্ত সমুদয় অর্থ সদস্য-সচিব বোর্ড কর্তৃক । নির্ধারিত তফসিলি ব্যাংকের স্থানীয় শাখায় ‘ভবিষ্য তহবিল হিসাব’ নামের একটি ব্যাংক হিসাব উন্মুক্ত করিয়া উহাতে জমা করিবেন এবং ব্যাংক একাউন্ট বাংলাদেশী টাকায় পরিচালিত বা রক্ষিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হইতে এই বিধিমালা অনুযায়ী ‘ভবিষ্য তহবিল হিসাব’ পরিচালিত হইবে মর্মে একাউন্ট খুলিবার ৭ (সাত) দিনের মধ্যে একটি প্রত্যয়নপত্র অতিরিক্ত মহপরিদর্কের নিকট জমা করিতে হইবে।
(২) ব্যাংক হিসাব ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি, মালিক পক্ষের প্রতিনিধি ও শ্রমিক পক্ষের প্রতিনিধির সমন্বিত স্বাক্ষরে পরিচালিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, ২৫,০০০ (পঁচিশ হাজার) টাকার ঊর্ধ্বে যে কোনো ধরনের চেক, বা পে-অর্ডার বা ডিডি ইস্যু ও অর্থ স্থানান্তরের নির্দেশনা দেয়ার ক্ষেত্রে ট্রাস্টি বোর্ডের অনুমোদন ব্যতীত প্রদেয় হইবে না:
আরও শর্ত থাকে যে, ১ (এক) দিনে এক বা একাধিক চেকের মাধ্যমে বা অন্য কোনো উপায়ে ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা বা উহার অতিরিক্ত অর্থ উত্তোলন বা স্থানান্তরের নির্দেশনা দেয়ার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের অনুমোদন গ্রহণ করিতে হইবে।
(৩) প্রত্যেক সদস্যের হিসাবে মালিক ও শ্রমিকের চাঁদাসহ জমাকৃত অর্থ ও অর্জিত মুনাফা বা আয় বা লাভ পৃথক পৃথকভাবে লিপিবদ্ধ করিয়া রেজিস্টারে সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(৪) সদস্য-সচিব নিজস্ব তত্ত্বাবধানে ভবিষ্য তহবিলের নথিপত্র ও চেক বইসহ যাবতীয় তথ্য তথা হিসাব-নিকাশ সংরক্ষণ করিবেন।
(৫) ভবিষ্য তহবিলের পূর্ণাঙ্গ তথ্য ভিত্তিক হিসাব নিকাশ দ্রুত নির্ভুলভাবে সংরক্ষণের নিমিত্ত মালিক প্রয়োজনীয় লোকবল ও আধুনিক প্রযুক্তি ইত্যাদির সংস্থান করিবেন।
(৬) ভবিষ্য তহবিলের যাবতীয় পরিচালনা ব্যয়ভার মালিক বহন করিবেন।
সংশ্লিষ্ট ধারা (বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯): ধারা ১৬৪
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি