বিধি ৭৭ — চলমান যন্ত্রপাতির উপরে বা নিকটে কাজ
চলমান যন্ত্রপাতির উপরে বা নিকটে কাজ
(১) আইনের ধারা ৩৫(৩)(গ) এর বিধান অনুযায়ী কোনো প্রতিষ্ঠানে চলমান কোনো যন্ত্রপাতির কোনো অংশ পরীক্ষার প্রয়োজন হইলে এবং পরীক্ষার ফলে চলমান যন্ত্রপাতির বেল্ট লাগানো এবং নামানো, তৈলাক্তকরণ অথবা সুবিন্যস্তকরণের কোনো কাজ করিতে হয়, তবে উক্তরূপ পরীক্ষা বা চালনা এতৎবিষয়ে বিশেষভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কোনো পুরুষ শ্রমিক দ্বারা পরিচালিত হইতে হইবে।
(২) উপবিধি (১) এর অধীন উক্তরূপ পরীক্ষার সময় শ্রমিককে আঁটোসাঁটো বা নিরাপত্তামূলক পোশাক পরিতে হইবে এবং তাহাদের তালিকা ফরম-২২ অনুযায়ী রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করিয়া সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(৩) কোনো শ্রমিক উপবিধি (১) এর অধীন বর্ণিত কাজে নিযুক্ত থাকিবার সময় কোনো ঘূর্ণায়মান পুলিতে সংযুক্ত বেল্ট নাড়া চাড়া করিবেন না যদি না বেল্টটি প্রস্থে ১৫ সে. মি. এর নিম্নে হয় এবং উহার জোড়া সমতল ও ফিতা দিয়ে আটকানো থাকে।
(৪) চলমান যন্ত্রপাতি পরীক্ষা-নিরীক্ষা বা চালনা করা সম্পর্কে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ না থাকিলে এবং অনুরূপ চলমান যন্ত্রপাতির কাজ সংশ্লিষ্ট বিপদ-আপদ সম্পর্কে যথাযথ বাস্তব জ্ঞান না থাকিলে কোনো ব্যক্তিকে নিয়োগ করা যাইবে না।
(৫) উক্তরূপ ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করাইবার জন্য নির্দিষ্ট শ্রমিককে ঝুঁকি ভাতা প্রদান করিতে হইবে ও মালিক তাহাকে প্রয়োজনীয় আঁটোসাঁটো পোশাক ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা উপকরণ সরবরাহ করিবেন।
(৬) উপ-বিধি (৫) এ উল্লিখিত পোশাক হিসাবে কমপক্ষে একজোড়া মোটা সুতি কাপড়ের আঁটোসাঁটো প্যান্ট এবং আঁটোসাঁটো হাতাকাটা জামা থাকিবে এবং নূতন পোশাক সরবরাহ করা হইলে পুরানো পোশাক বা শ্রমিকের চাকরি অবসান করা হইলে উক্ত সরবরাহকৃত পোশাক মালিককে ফেরত প্রদান করিতে হইবে।
সংশ্লিষ্ট ধারা (বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯): ধারা ৩৫
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি