বিধি ৮৫ — অতিরিক্ত ওজন
অতিরিক্ত ওজন
(১) আইনের ধারা ৩৫(৩)(গ) এর বিধান অনুযায়ী কোনো প্রতিষ্ঠানে কোনো শ্রমিককে তাহার ক্ষতি হইতে পারে এইরূপ কোনো ভারী জিনিস উত্তোলন, বহন অথবা নাড়াচাড়া করিতে দেওয়া যাইবে না।
(২) কোনো প্রতিষ্ঠানের কোনো পুরুষ বা মহিলাকে নিম্মবর্ণিত ওজনের অতিরিক্ত ওজনবিশিষ্ট কোনো দ্রব্য, যন্ত্রপাতি, হাতিয়ার বা সরঞ্জাম কাহারো সাহায্য ব্যতীত হাতে বা মাথায় করিয়া উত্তোলন, বহন বা অপসারণের উদ্দেশ্যে নিয়োগ করা যাইবে না, যথা:
(ক) পুরুষ .... ৫০ (পঞ্চাশ) কিলোগ্রাম; এবং
(খ) মহিলা ... ৩০ (ত্রিশ) কিলোগ্রাম:
তবে শর্ত থাকে যে, যেইক্ষেত্রে ওজন বহন করিয়া উপরে উত্তোলন করিতে হয় সেইক্ষেত্রে পরিদর্শকের নির্দেশ অনুযায়ী কোনো দ্রব্য, যন্ত্রপাতি, হাতিয়ার বা সরঞ্জামের ওজন পুরুষ শ্রমিকের ক্ষেত্রে ৪০ (চল্লিশ) কিলোগ্রাম ও মহিলা শ্রমিকের ক্ষেত্রে ২৫ (পঁচিশ) কিলোগ্রামে হ্রাস করা যাইবে।
(৩) উপ-বিধি (২) এ উল্লিখিত ৫০ (পঞ্চাশ) কিলোগ্রাম ওজন বহনের ক্ষেত্রে একজন পুরুষ শ্রমিক যেই হারে মজুরি পাইবেন ৩০ (ত্রিশ) কিলোগ্রাম ওজন বহনের ক্ষেত্রে একজন মহিলা শ্রমিকও সেই হারে মজুরি পাইবেন।
(৪) পরিবহণের জন্য ব্যবহৃত রাস্তা অবশ্যই এইরূপে বাঁধা মুক্ত হইতে হইবে যাহাতে শ্রমিকের হোঁচট খাইবার সম্ভাবনা না থাকে এবং কোনো কারণে উক্ত রাস্তা পিচ্ছিল হইতে পারিবে না।
(৫) কোনো মালিকের বা প্রতিষ্ঠানের কাজে অন্তঃসত্ত্বা কোনো মহিলাকে বা প্রতিবন্ধী শ্রমিককে কোনো দ্রব্য, সরঞ্জাম বা যন্ত্রপাতি হাতে বা মাথায় করিয়া বহন, উত্তোলন বা অপসারণের জন্য নিয়োজিত করা যাইবে না।
সংশ্লিষ্ট ধারা (বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯): ধারা ৩৫
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি