বিধি ৯৮ — নমুনা সংগ্রহের ক্ষমতা
নমুনা সংগ্রহের ক্ষমতা
(১) আইনের ধারা ৩৫(৩)(ঙ) এর বিধান অনুযায়ী যদি কোনো পরিদর্শকের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, প্রতিষ্ঠানের ব্যবহৃত বা ব্যবহারের জন্য আনীত কোনো বস্তুর নমুনা শ্রমিকের শারীরিক ক্ষতি বা স্বাস্থ্য হানি ঘটাইতে পারে তাহা হইলে উক্ত প্রতিষ্ঠানের মালিককে সংবাদ প্রদান করিয়া স্বাভাবিক কর্ম সময়ে উক্ত বস্তুর নমুনা সংগ্রহ করিতে পারিবেন।
(২) কোনো পরিদর্শক উপ-বিধি (১) এর অধীন কোনো নমুনা সংগ্রহ করার সময় মালিকের উপস্থিতিতে উক্ত নমুনা ৩ (তিন) অংশে বিভক্ত করিবেন এবং উহার প্রত্যেক অংশকে সিল ও স্বাক্ষর প্রদান করিবেন এবং যথাযথভাবে চিহ্নিত করিবেন এবং মালিককেও উহাতে তাহার নিজস্ব সিল ও স্বাক্ষরসহ চিহ্ন প্রদানের অনুমতি দিবেন।
(৩) পরিদর্শক অনুরোধ করিলে মালিক সংগৃহীত নমুনা বিভক্তিকরণ এবং উহা সিল ও চিহ্নিতকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের ব্যবস্থা করিবেন।
(৪) পরিদর্শক উপবিধি (১) এর অধীন সংগ্রহীত নমুনার প্রথম অংশ সঙ্গে সঙ্গে মালিককে প্রদান করিবেন ও দ্বিতীয় অংশ বিশ্লেষণপূর্বক উহার বিষয়ে রিপোর্ট প্রদানের জন্য সরকারি বিশ্লেষকের নিকট প্রেরণ করিবেন এবং তৃতীয় অংশ কোনো ফৌজদারী মামলা হইলে আদালতে উপস্থাপন করিবার জন্য নিজের কাছে সংরক্ষণ করিবেন।
(৫) এই বিধির অধীন সরকারি বিশ্লেষক কর্তৃক কোনো নমুনা বস্তুর রিপোর্ট তৈরি করা হইলে উক্ত নমুনা অনুরূপ বস্তু সম্বন্ধে দায়েরকৃত কোনো মামলায় সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাইবে।
সংশ্লিষ্ট ধারা (বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯): ধারা ৩৫
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি