বিধি ১০৭ — ক্ষতিপূরণ সাপ্তাহিক ছুটি
ক্ষতিপূরণ সাপ্তাহিক ছুটি
(১) আইনের ধারা ৪১ অনুযায়ী কোনো শ্রমিককে তাহার প্রাপ্য সাপ্তাহিক ছুটি প্রদান সম্ভব না হইলে উক্তরূপ ছুটি প্রাপ্য হইবার পরবর্তী ৬ (ছয়) দিনের মধ্যে উহা প্রদান করিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, শ্রমিক ইচ্ছা প্রকাশ করিলে যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধি বা অংশগ্রহণকারী কমিটির সহিত আলোচনা সাপেক্ষে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে কাজ করিয়া পরে উক্ত সাপ্তাহিক ছুটি উৎসব ছুটির সঙ্গে সংযোজন করিয়া ভোগ করিতে পারিবে এবং এইরূপ ক্ষেত্রে সাপ্তাহিক ছুটির দিনের কাজের জন্য কোনো অধিকাল ভাতা প্রদেয় হইবে না।
(২) সাপ্তাহিক ছুটি প্রদান না করিয়া কোনো শ্রমিককে ধারাবাহিকভাবে ১৩ (তের) দিনের অধিক সময় কাজ করানো যাইবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, শ্রমিক সাপ্তাহিক ছুটির দিনে কাজ করিয়া উৎসব ছুটির সঙ্গে সংযোজন করিয়া ভোগ করিতে চাহিলে উপরিউক্ত বিধান প্রযোজ্য হইবে না এবং আইনের ধারা ৪০ এর বিধান অনুযায়ী অব্যাহতি হিসাবে বিবেচিত হইবে:
আরও শর্ত থাকে যে, কোনো শ্রমিক সাপ্তাহিক ছুটির দিনে কাজ করিলে উৎসব ছুটি ভোগ করিবার পূর্বেই চাকরির অবসান হইলে উক্ত ছুটির সমপরিমাণ মূল মজুরি প্রাপ্য হইবেন এবং এই ক্ষেত্রে মূল মজুরি ও মহার্ঘ ভাতা এবং এডহক বা অন্তর্বর্তী মজুরি (যদি থাকে) তাহাকে ৩০ দ্বারা ভাগ করিয়া ১ (এক) দিনের মজুরি হিসাবে গণনা করিতে হইবে।
(৩) আইনের ধারা ৪১ এর বিধান হইতে কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে অব্যাহতি গ্রহণ করিলে অব্যাহতিপ্রাপ্ত শ্রমিকের প্রাপ্য কোনো ক্ষতিপূরণমূলক সাপ্তাহিক ছুটি প্রাপ্য হইবার পরবর্তী ৩০(ত্রিশ) দিনের মধ্যে প্রদান করিতে হইবে।
(৪) শ্রমিকের ক্ষতিপূরণমূলক ছুটি অনুমোদনের সঙ্গে সঙ্গে কারখানা ব্যবস্থাপনা উক্তরূপ ছুটির একটি বিজ্ঞপ্তি নোটিশ বোর্ডে টাঙ্গাইয়া রাখিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, ক্ষতিপূরণমূলক ছুটির বিজ্ঞপ্তিতে কোনো পরিবর্তনের প্রয়োজন হইলে উহা অন্তত ৩ (তিন) দিন পূর্বে করিতে হইবে।
(৫) ক্ষতিপূরণমূলক ছুটি ভোগ করিবার সুযোগ প্রদানের পূর্বে শ্রমিকের চাকরি কোনোভাবে অবসান করা হইলে উক্ত শ্রমিককে অন্যান্য পাওনা পরিশোধের সময় তাহার অভোগকৃত ক্ষতিপূরণমূলক সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলির জন্য পূর্ণ মজুরি প্রদান করিতে হইবে।
(৬) প্রতিষ্ঠানের মালিক ফরম-৩৭ অনুযায়ী ক্ষতিপূরণমূলক ছুটির তথ্য ম্যানুয়াল বা ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করিবেন এবং যাহা সর্বশেষ তথ্য লিপিবদ্ধ করিবার তারিখ হইতে ৩ (তিন) বৎসর পর্যন্ত সংরক্ষণ করিতে হইবে ও পরিদর্শক চাহিবামাত্র উক্ত রেজিস্টার তাহার নিকট উপস্থাপন করিতে হইবে।
সংশ্লিষ্ট ধারা (বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯): ধারা ৪০ · ধারা ৪১ · ধারা ৪২
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি